leadT1ad

এলপিজি আমদানি সহজ করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন সুবিধা

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ১২ জানুয়ারি ২০২৬, ১৭: ২৫
এলপিজি আমদানিতে নীতি সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। স্ট্রিম গ্রাফিক

দেশে চলমান গ্যাস সংকটের মধ্যে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) আমদানিতে নীতি সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গত রোববার (১১ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ (এফইপিডি) প্রকাশিত এ-সংক্রান্ত সার্কুলারে বলা হয়েছে, এখন থেকে ২৭০ দিন পর্যন্ত বাকিতে বা ঋণে এলপিজি আমদানি করা যাবে।

গত দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে বাজারে এলপিজির তীব্র সরবরাহ ঘাটতি চলছে। এলপিজির ৮০ শতাংশ ব্যবহার হয় রান্নার কাজে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় ১২ কেজির সিলিন্ডার। বর্তমানে এর সরকার নির্ধারিত দাম ১ হাজার ৩০৬ টাকা। তবে বাজারে তা আড়াই হাজার টাকা পর্যন্ত দরে বিক্রি হচ্ছে। অনেক সময় এই চড়া দাম দিয়েও ভোক্তা সিলিন্ডার পাচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে এলপিজির আমদানি সহজ করতে ও সংকট কমাতে এই সুবিধার ঘোষণা দিল বাংলাদেশ ব্যাংক।

এলপিজি সাধারণত বাল্ক আকারে আমদানি করা হয় এবং পরে সিলিন্ডারে ভরে বাজারজাত করা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, এ প্রক্রিয়ায় মজুত, সিলিন্ডারে বিক্রির জন্য প্রস্তুত এবং অন্যান্য কার্যক্রমে বাড়তি সময়ের প্রয়োজন হয়। তাই এলপিজিকে বাণিজ্যিক ঋণের ক্ষেত্রে শিল্প কাঁচামাল হিসেবে বিবেচনা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় বিধিমালা অনুযায়ী, শিল্প কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২৭০ দিন পর্যন্ত বাকিতে বা ঋণে আমদানি সুবিধা পাওয়া যায়। বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার অনুযায়ী, এখন থেকে একই সুবিধা পাবেন এলপিজি আমদানিকারকেরা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সার্কুলারে উল্লেখ করেছে, আমদানিকারকেরা বিদেশি ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ‘বায়ার্স ক্রেডিট’ নিতে পারবেন। এ ছাড়া বাংলাদেশের তফসিলিভুক্ত ব্যাংকের অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটের (ওবিইউ) মাধ্যমে বিল ডিসকাউন্টিং সুবিধাও পাওয়া যাবে।

Ad 300x250

সম্পর্কিত