স্ট্রিম সংবাদদাতা

জাটকা সংরক্ষণ ও ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে মার্চ-এপ্রিল দুই মাস লক্ষ্মীপুরের মেঘনা নদীতে সব ধরনের মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার।
এসময় সব রকমের ইলিশ সংরক্ষণ, আহরণ, পরিবহন, বাজারজাতকরণ ও মজুদকরণ নিষিদ্ধ থাকবে। জেলেদের সচেতন করার জন্য ইতিমধ্যে নদী এবং উপকূলবর্তী এলাকায় মাইকিং ও পোস্টারিংসহ সব ধরনের প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
এর পাশাপাশি নদী এলাকায় যেসব বরফকল রয়েছে সেগুলোও বন্ধ থাকবে। জেলেরা আইন অমান্য করলে জেল-জরিমানার বিধান রয়েছে।
লক্ষ্মীপুর জেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলায় ৪৬ হাজার ৪৯ জন নিবন্ধিত জেলে রয়েছেন। এর মধ্যে ২৯ হাজার ৬০ জেলে পরিবারের জন্য ৪ হাজার ৬৪৯ টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ফেব্রুয়ারি থেকে চার মাস ৪০ কেজি হারে কার্ডধারী জেলে পরিবার সরকারি এই খাদ্য সহায়তা পাবে।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইন বলেন, ‘ইলিশ আমাদের জাতীয় সম্পদ। শুধু লক্ষ্মীপুর নয়, সারা বিশ্বে এখানকার ইলিশসহ অন্যান্য মাছ সরবরাহ হয়। আগামী দুই মাস নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে টাস্কফোর্স কমিটি গঠনসহ পর্যাপ্ত প্রস্তুতি রয়েছে। জেলা প্রশাসন, মৎস্য অধিদপ্তর, নৌ-পুলিশ, কোস্টগার্ড ও আনসার ও মৎস্যজীবী প্রতিনিধির সমন্বয়ে এ নির্দেশ বাস্তবায়ন হলে সুফল জেলেরাই ভোগ করবেন। দুই মাস জেলেদের খাদ্য সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে কমলনগর উপজেলাসহ চারটি উপজেলায় ৪০ কেজি হারে চাল বিতরণ কার্যক্রম চলছে।’
এদিকে জাটকা সংরক্ষণ ও ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে টাস্কফোর্সের সমন্বয় কমিটি কাজ করছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক এসএম মেহেদী হাসান। তিনি বলেন, ‘নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ পাশাপাশি ভিজিএফের চাল নিয়ে কোনো অনিয়ম পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

জাটকা সংরক্ষণ ও ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে মার্চ-এপ্রিল দুই মাস লক্ষ্মীপুরের মেঘনা নদীতে সব ধরনের মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার।
এসময় সব রকমের ইলিশ সংরক্ষণ, আহরণ, পরিবহন, বাজারজাতকরণ ও মজুদকরণ নিষিদ্ধ থাকবে। জেলেদের সচেতন করার জন্য ইতিমধ্যে নদী এবং উপকূলবর্তী এলাকায় মাইকিং ও পোস্টারিংসহ সব ধরনের প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
এর পাশাপাশি নদী এলাকায় যেসব বরফকল রয়েছে সেগুলোও বন্ধ থাকবে। জেলেরা আইন অমান্য করলে জেল-জরিমানার বিধান রয়েছে।
লক্ষ্মীপুর জেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলায় ৪৬ হাজার ৪৯ জন নিবন্ধিত জেলে রয়েছেন। এর মধ্যে ২৯ হাজার ৬০ জেলে পরিবারের জন্য ৪ হাজার ৬৪৯ টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ফেব্রুয়ারি থেকে চার মাস ৪০ কেজি হারে কার্ডধারী জেলে পরিবার সরকারি এই খাদ্য সহায়তা পাবে।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইন বলেন, ‘ইলিশ আমাদের জাতীয় সম্পদ। শুধু লক্ষ্মীপুর নয়, সারা বিশ্বে এখানকার ইলিশসহ অন্যান্য মাছ সরবরাহ হয়। আগামী দুই মাস নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে টাস্কফোর্স কমিটি গঠনসহ পর্যাপ্ত প্রস্তুতি রয়েছে। জেলা প্রশাসন, মৎস্য অধিদপ্তর, নৌ-পুলিশ, কোস্টগার্ড ও আনসার ও মৎস্যজীবী প্রতিনিধির সমন্বয়ে এ নির্দেশ বাস্তবায়ন হলে সুফল জেলেরাই ভোগ করবেন। দুই মাস জেলেদের খাদ্য সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে কমলনগর উপজেলাসহ চারটি উপজেলায় ৪০ কেজি হারে চাল বিতরণ কার্যক্রম চলছে।’
এদিকে জাটকা সংরক্ষণ ও ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে টাস্কফোর্সের সমন্বয় কমিটি কাজ করছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক এসএম মেহেদী হাসান। তিনি বলেন, ‘নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ পাশাপাশি ভিজিএফের চাল নিয়ে কোনো অনিয়ম পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

দায়িত্বপালন শেষে বাসায় ফিরে নিজের নামে ইস্যু করা পিস্তল রেখেছিলেন বিছানায়। শিশুপুত্র সেই পিস্তল নিয়ে খেলার সময় গুলি বেরিয়ে আহত হয়েছেন পুলিশের এক উপ-পরিদর্শক (এসআই)। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে নাটোর পুলিশ-লাইন্সে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
৬ মিনিট আগে
হাসি, আড্ডা, গল্প আর সঙ্গে মজার খাবার। ভবনের প্রায় প্রতিটি তলায়ই ছিল এই দৃশ্য। হঠাৎ এক মুহূর্তেই থেমে যায় সব। আগুন কেড়ে নেয় ৪৬টি প্রাণ, পুড়ে কঙ্কালসার হয়ে যায় পুরো ভবন।
১৯ মিনিট আগে
গত পাঁচ বছরে দেশে রেস্তোরাঁ ও হোটেলে হাজারের বেশি অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এরমধ্যে সবচেয়ে বড় ঘটনাটি ২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারির। রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজে ঘটা ওই অগ্নিকাণ্ডে ৪৬ জন প্রাণ হারান।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের দুই বছর হয়ে গেল। এই অগ্নিকাণ্ডের মামলার কোনো সুরাহা এখনো হয়নি। ফলে পরিত্যক্তই পড়ে আছে আটতলা ভবনটি। ভয়াল স্মৃতির নীরব ও কঙ্কালসার সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা ভবনটির দিকে মাঝেমধ্যে চোখ ফেরাচ্ছেন পথচারীরা।
১ ঘণ্টা আগে