স্ট্রিম প্রতিবেদক

জলবায়ু সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য ‘গুচ্ছগ্রাম’ তৃতীয় ধাপের প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। এতে আগাম খরচ ধরা হয়েছে ৭৭০ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। তবে এই প্রকল্পে অতিরিক্ত ও অপ্রয়োজনীয় ব্যয় ধরার অভিযোগও রয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় পরিকল্পনা কমিশনে প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন পরিকল্পনা কমিশনের কৃষি, পানিসম্পদ ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগের সদস্য (সচিব) ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান।
প্রকল্পের আওতায় ভূমিহীন ও নদীভাঙনে দুর্গত ২০ হাজার পরিবারকে খাসজমিতে পুনর্বাসন করা হবে। তাদের জন্য দুই কক্ষবিশিষ্ট তিন ধরনের ঘর নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি শিক্ষা ও সুপেয় পানির সুবিধা দেওয়া হবে। পুনর্বাসিত পরিবারগুলোর আর্থসামাজিক উন্নয়নের জন্য প্রশিক্ষণ, ক্ষুদ্রঋণ ও বিদ্যুৎ সংযোগের ব্যবস্থাও থাকছে। বসতভিটার দলিলও তাদের হস্তান্তর করা হবে।
বাংলাদেশ একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ দেশ। বন্যা ও নদীভাঙন এ দেশের মানুষের নিত্যসঙ্গী। প্রতি বছরই নতুন করে ভূমিহীন পরিবার সৃষ্টি হচ্ছে। খাসজমি অপ্রতুল হওয়ায় ১৯৮৭ সালের দিকে সরকার গুচ্ছগ্রাম স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়।
এর আগে বৃহত্তর নোয়াখালী জেলায় ১ হাজার ৪৭০টি ভূমিহীন পরিবারকে চারটি গুচ্ছগ্রামে পুনর্বাসন করা হয়। এরপর ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনে ১৯৮৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে কাজ চলেছে। এই সময়ের মধ্যে মোট ১ লাখ ২৭ হাজার ৮৭৩টি পরিবারকে সরকারি খাসজমিতে পুনর্বাসন করা হয়েছে।
আলোচ্য প্রকল্পটি সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির একটি অগ্রাধিকার প্রকল্প। এটি বাস্তবায়িত হলে প্রান্তিক পর্যায়ের দরিদ্র মানুষের আবাসন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এটি পুনর্বাসিত পরিবারগুলোর জীবনযাত্রায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
পরিকল্পনা কমিশন বলছে, প্রকল্প উন্নয়ন প্রস্তাবে (ডিপিপি) বছরভিত্তিক ব্যয় বিভাজন যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়নি। ২০২৪ সালের এপ্রিলে প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা সমীক্ষা করা হয়েছে। বেসরকারি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ‘প্রীতি রিসার্চ অ্যান্ড কনসালটেন্সি লিমিটেড’ এই সমীক্ষা করেছে।
পরিকল্পনা কমিশনের মতে, গত বছরের ১০ সেপ্টেম্বর পিইসি সভায় প্রশিক্ষণ ও ঋণ বিতরণ কার্যক্রম বাদ দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। অন্য সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে প্রশিক্ষণের সুযোগ তৈরির সিদ্ধান্ত ছিল। কিন্তু সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না করেই ডিপিপি পুনর্গঠন করা হয়েছে।
এ ছাড়া আগের পিইসি সভায় প্রকল্পের জন্য দুটি গাড়ি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত হয়েছিল। কিন্তু সে অনুযায়ী ব্যয় প্রাক্কলন করে ডিপিপি পুনর্গঠন করা হয়নি। গাড়ি দুটির মধ্যে জিপের মাসিক খরচ ১ লাখ ৭৬ হাজার এবং মাইক্রোবাসের খরচ দেড় লাখ টাকা ধরা হয়েছিল।
পুনর্গঠিত ডিপিপিতে চুক্তিভিত্তিক যানবাহন ব্যবহারের জন্য ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এখানে চারটি গাড়ির কথা বলা হয়েছে। তবে এই গাড়িগুলো কী ধরনের হবে, তার বিস্তারিত কোনো তথ্য ডিপিপিতে নেই।
পরিকল্পনা কমিশন আরও জানিয়েছে, ডিপিপিতে অধিকাল ভাতা ৫ লাখ এবং সম্মানী ভাতা ৩৩ লাখ টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে। আপ্যায়ন ব্যয় ধরা হয়েছে ২৩ লাখ টাকা। এই ভাতাগুলো কী ধরনের কার্যক্রমের জন্য ধরা হয়েছে, তা সুস্পষ্ট নয়। এসব ব্যয় যৌক্তিকভাবে কমানো প্রয়োজন।
প্রচার ও বিজ্ঞাপনে ২০ লাখ এবং চলচ্চিত্র নির্মাণে ১৮ লাখ টাকা খরচ প্রস্তাব করা হয়েছে। আসবাবপত্র ও কম্পিউটার ক্রয় বাবদও বড় অংকের অর্থ চাওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা কমিশন এসব ক্ষেত্রে ব্যয় কমানোর তাগিদ দিয়েছে।
ক্ষতিপূরণ ভাতায় ৩ কোটি ৩৫ লাখ এবং আউটসোর্সিংয়ে ১৭ কোটি টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে। নলকূপ স্থাপনে ১২ কোটি ও ভ্রমণে ৩ কোটি ২৫ লাখ টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। এমনকি ডেটাবেইস সংরক্ষণের জন্যও ২০ লাখ টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে।
ডিপিপি বিশ্লেষণে দেখা যায়, গাড়ির হায়ার চার্জ থাকা সত্ত্বেও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় ধরা হয়েছে। কমিশন একে অযৌক্তিক মনে করছে। আসবাবপত্র ক্রয়ের ব্যয়ের যৌক্তিকতাও স্পষ্ট নয়। বিভিন্ন অংশে অতিরিক্ত ব্যয় ধরা হয়েছে এবং প্রকল্পের ক্রয় পরিকল্পনা সুনির্দিষ্ট করা হয়নি।

জলবায়ু সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য ‘গুচ্ছগ্রাম’ তৃতীয় ধাপের প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। এতে আগাম খরচ ধরা হয়েছে ৭৭০ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। তবে এই প্রকল্পে অতিরিক্ত ও অপ্রয়োজনীয় ব্যয় ধরার অভিযোগও রয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় পরিকল্পনা কমিশনে প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন পরিকল্পনা কমিশনের কৃষি, পানিসম্পদ ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগের সদস্য (সচিব) ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান।
প্রকল্পের আওতায় ভূমিহীন ও নদীভাঙনে দুর্গত ২০ হাজার পরিবারকে খাসজমিতে পুনর্বাসন করা হবে। তাদের জন্য দুই কক্ষবিশিষ্ট তিন ধরনের ঘর নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি শিক্ষা ও সুপেয় পানির সুবিধা দেওয়া হবে। পুনর্বাসিত পরিবারগুলোর আর্থসামাজিক উন্নয়নের জন্য প্রশিক্ষণ, ক্ষুদ্রঋণ ও বিদ্যুৎ সংযোগের ব্যবস্থাও থাকছে। বসতভিটার দলিলও তাদের হস্তান্তর করা হবে।
বাংলাদেশ একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ দেশ। বন্যা ও নদীভাঙন এ দেশের মানুষের নিত্যসঙ্গী। প্রতি বছরই নতুন করে ভূমিহীন পরিবার সৃষ্টি হচ্ছে। খাসজমি অপ্রতুল হওয়ায় ১৯৮৭ সালের দিকে সরকার গুচ্ছগ্রাম স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়।
এর আগে বৃহত্তর নোয়াখালী জেলায় ১ হাজার ৪৭০টি ভূমিহীন পরিবারকে চারটি গুচ্ছগ্রামে পুনর্বাসন করা হয়। এরপর ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনে ১৯৮৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে কাজ চলেছে। এই সময়ের মধ্যে মোট ১ লাখ ২৭ হাজার ৮৭৩টি পরিবারকে সরকারি খাসজমিতে পুনর্বাসন করা হয়েছে।
আলোচ্য প্রকল্পটি সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির একটি অগ্রাধিকার প্রকল্প। এটি বাস্তবায়িত হলে প্রান্তিক পর্যায়ের দরিদ্র মানুষের আবাসন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এটি পুনর্বাসিত পরিবারগুলোর জীবনযাত্রায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
পরিকল্পনা কমিশন বলছে, প্রকল্প উন্নয়ন প্রস্তাবে (ডিপিপি) বছরভিত্তিক ব্যয় বিভাজন যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়নি। ২০২৪ সালের এপ্রিলে প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা সমীক্ষা করা হয়েছে। বেসরকারি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ‘প্রীতি রিসার্চ অ্যান্ড কনসালটেন্সি লিমিটেড’ এই সমীক্ষা করেছে।
পরিকল্পনা কমিশনের মতে, গত বছরের ১০ সেপ্টেম্বর পিইসি সভায় প্রশিক্ষণ ও ঋণ বিতরণ কার্যক্রম বাদ দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। অন্য সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে প্রশিক্ষণের সুযোগ তৈরির সিদ্ধান্ত ছিল। কিন্তু সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না করেই ডিপিপি পুনর্গঠন করা হয়েছে।
এ ছাড়া আগের পিইসি সভায় প্রকল্পের জন্য দুটি গাড়ি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত হয়েছিল। কিন্তু সে অনুযায়ী ব্যয় প্রাক্কলন করে ডিপিপি পুনর্গঠন করা হয়নি। গাড়ি দুটির মধ্যে জিপের মাসিক খরচ ১ লাখ ৭৬ হাজার এবং মাইক্রোবাসের খরচ দেড় লাখ টাকা ধরা হয়েছিল।
পুনর্গঠিত ডিপিপিতে চুক্তিভিত্তিক যানবাহন ব্যবহারের জন্য ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এখানে চারটি গাড়ির কথা বলা হয়েছে। তবে এই গাড়িগুলো কী ধরনের হবে, তার বিস্তারিত কোনো তথ্য ডিপিপিতে নেই।
পরিকল্পনা কমিশন আরও জানিয়েছে, ডিপিপিতে অধিকাল ভাতা ৫ লাখ এবং সম্মানী ভাতা ৩৩ লাখ টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে। আপ্যায়ন ব্যয় ধরা হয়েছে ২৩ লাখ টাকা। এই ভাতাগুলো কী ধরনের কার্যক্রমের জন্য ধরা হয়েছে, তা সুস্পষ্ট নয়। এসব ব্যয় যৌক্তিকভাবে কমানো প্রয়োজন।
প্রচার ও বিজ্ঞাপনে ২০ লাখ এবং চলচ্চিত্র নির্মাণে ১৮ লাখ টাকা খরচ প্রস্তাব করা হয়েছে। আসবাবপত্র ও কম্পিউটার ক্রয় বাবদও বড় অংকের অর্থ চাওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা কমিশন এসব ক্ষেত্রে ব্যয় কমানোর তাগিদ দিয়েছে।
ক্ষতিপূরণ ভাতায় ৩ কোটি ৩৫ লাখ এবং আউটসোর্সিংয়ে ১৭ কোটি টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে। নলকূপ স্থাপনে ১২ কোটি ও ভ্রমণে ৩ কোটি ২৫ লাখ টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। এমনকি ডেটাবেইস সংরক্ষণের জন্যও ২০ লাখ টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে।
ডিপিপি বিশ্লেষণে দেখা যায়, গাড়ির হায়ার চার্জ থাকা সত্ত্বেও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় ধরা হয়েছে। কমিশন একে অযৌক্তিক মনে করছে। আসবাবপত্র ক্রয়ের ব্যয়ের যৌক্তিকতাও স্পষ্ট নয়। বিভিন্ন অংশে অতিরিক্ত ব্যয় ধরা হয়েছে এবং প্রকল্পের ক্রয় পরিকল্পনা সুনির্দিষ্ট করা হয়নি।

দুই সপ্তাহের মধ্যে তৃতীয়বার দুর্ঘটনা ঘটেছে ঢাকার গ্যাস বিতরণের পাইপলাইনে। এবার উত্তরা টঙ্গী ব্রিজের কাছে শিল্প গ্রাহকের সার্ভিস লাইনের ভাল্ভ ফেটে উচ্চ চাপে গ্যাস লিকেজ হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে উত্তরার মূল পাইপলাইনে সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
১৮ মিনিট আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব সমাপ্ত হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (আইও) রুহুল আমিনের জেরার মধ্য দিয়ে বিচারিক প্রক্রিয়ার এই ধাপটি সম্পন্ন হলো।
৩২ মিনিট আগে
ঘুষ-দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত ৬ কোটি টাকার বেশি মায়ের দান হিসেবে আয়কর নথিতে উল্লেখ করেন সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী আবু হেনা মোস্তফা কামাল। পরে সেই অর্থের একটি অংশ আবার তিনি স্ত্রী ডা. জোবাঈদা শাহনূর রশীদকে দান করেন।
৪৪ মিনিট আগে
বিজয় দিবসে বিশেষ প্যারাস্যুট জাম্পের মাধ্যমে একসঙ্গে ৫৪টি জাতীয় পতাকা উত্তোলনের গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশ। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষও তাদের ওয়েবসাইটে এই স্বীকৃতির কথা প্রকাশ করেছে।
১ ঘণ্টা আগে