leadT1ad

মুছাব্বির হত্যা: শ্যুটারসহ তিনজন ডিবি হেফাজতে

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১১ জানুয়ারি ২০২৬, ০০: ০৯
আজিজুর রহমান ওরফে মুছাব্বির। ডানে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ থেকে নেওয়া দুর্বৃত্তদের ছবি।

রাজধানীর তেজগাঁওয়ে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আজিজুর রহমান মুছাব্বির হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে এক ‘শ্যুটার’সহ তিনজনকে হেফাজতে নিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে মানিকগঞ্জ ও গাজীপুরে অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।

ডিবি সূত্রে জানা গেছে, আটককৃতদের মধ্যে জিনাত নামের ব্যক্তিকে শ্যুটার বলে সন্দেহ করছে তাঁরা। এছাড়া বিল্লাল ও রিয়াজ নামে আরও দুজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তবে রহিম নামে আরেক সন্দেহভাজন এখনো পলাতক।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘তদন্তের স্বার্থে অনেককে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। একাধিক টিম কাজ করছে। এখনো কাউকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়নি। আশা করি, দ্রুতই রহস্য উন্মোচিত হবে।’ হত্যাকাণ্ডের মোটিভ বা চাঁদাবাজি নিয়ে এখনই কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি।

ডিবি সূত্র জানায়, এই কিলিং মিশনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা রাজধানীর মহাখালী এলাকার সন্ত্রাসী। মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে এই খুনের পরিকল্পনা করা হয়। হত্যার আগের দিন এক সদস্য ঘটনাস্থল রেকি করেন। ঘটনার দিন বিকেল ৫টা থেকে মুছাব্বিরের ওপর নজরদারি শুরু করেন বিল্লাল ও রিয়াজ।

ঘটনাস্থলে আগে থেকেই ওত পেতে ছিলেন জিনাত ও রহিম। মুছাব্বির স্টার হোটেল থেকে বেরিয়ে রাস্তায় আসামাত্রই বস্তা থেকে পিস্তল বের করে গুলি চালানো হয়। দুটি পিস্তল দিয়ে প্রায় ৬টি গুলি ছোড়ে ঘাতকরা। এরপর মোবাইল বন্ধ করে বিচ্ছিন্নভাবে ঢাকা ত্যাগ করে তারা।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা ধারণা করছেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা তৈরির ছক থেকেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হতে পারে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৬০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে, যাঁদের মধ্যে একাধিক রাজনৈতিক নেতাও রয়েছেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাতে তেজতুরী বাজার এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা মহানগর উত্তরের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান মুছাব্বির। পরদিন তাঁর স্ত্রী তেজগাঁও থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলাটির ছায়া তদন্ত করছে ডিবি, র‍্যাব, সিটিটিসি ও পিবিআই।

Ad 300x250
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত