স্ট্রিম সংবাদদাতা

সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি–কালিগঞ্জ) আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ডা. শহিদুল আলমের বাতিল হওয়া মনোনয়ন আপিল শুনানিতে নির্বাচন কমিশন বৈধ ঘোষণা করায় বদলে গেছে ভোটের সমীকরণ। এ সিদ্ধান্তের ফলে নির্বাচনী মাঠে নতুন করে হিসাব-নিকাশ শুরু হয়েছে।
তৃণমূল নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রিয় ডা. শহিদুল আলমের দলীয় মনোনয়নের দাবিতে এর আগে মাসব্যাপী বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেন ওই আসনের নেতাকর্মীরা। তবে বিএনপি হাইকমান্ড তৃণমূলের সেই দাবি গুরুত্ব না দেওয়ায় দলীয় প্রার্থী কাজী আলাউদ্দিনের নিশ্চিত পরাজয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে স্থানীয় নেতাকর্মীদের একাংশ মনে করছেন।
যদিও সাবেক সংসদ সদস্য বিএনপি নেতা কাজী আলাউদ্দিন এ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়ে শুরু থেকেই ভোটের মাঠে রয়েছেন। এদিকে একই আসনে জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা রবিউল বাসার নির্বাচনী মাঠে বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন।
আশাশুনি ও কালিগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত সাতক্ষীরা-৩ আসন। এ আসনে কালিগঞ্জ উপজেলায় বিএনপি ও জামায়াতের ভোটের ব্যবধান খুব একটা বেশি নয়। জামায়াত এ উপজেলায় তুলনামূলকভাবে সুসংগঠিত। অন্যদিকে এই উপজেলায় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কাজী আলাউদ্দিন ও বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী ডা. শহিদুল আলম; দুজনেরই বাড়ি।
বিএনপি প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের দাবি ও ডা. শহিদুল আলমের পক্ষে মনোনয়নের দাবিতে মাসব্যাপী সবচেয়ে বেশি বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন ও সমাবেশ হয়েছে এই উপজেলায়। এসব কর্মসূচিতে পুরুষের পাশাপাশি হাজার হাজার নারী ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন। চিকিৎসক হিসেবে ডা. শহিদুল আলম দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের সেবা দিয়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। দলের বাইরেও সাধারণ মানুষের কাছে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।
অন্যদিকে বিএনপি প্রার্থী কাজী আলাউদ্দিনের দাবি, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের সময়ে দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি তৃণমূল বিএনপির সঙ্গে থেকে কাজ করেছেন এবং তাদের সঙ্গে সম্পর্ক রেখে চলেছেন। সে কারণে এবার সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে ধানের শীষ প্রতীককে বিজয়ী করবে বলে তিনি আশাবাদী।
তবে এলাকা ঘুরে বিএনপির তৃণমূলের বেশ কিছু নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মনোনয়ন নিয়ে দ্বন্দ্বের কারণে কালিগঞ্জ উপজেলা বিএনপি প্রকাশ্যে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, কালিগঞ্জ উপজেলায় মোট ভোটার ২ লাখ ৫৬ হাজার ৩৮ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ১ লাখ ২৭ হাজার ২৪ জন, পুরুষ ১ লাখ ২৯ হাজার ৬২ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ২ জন।
এদিকে অপর আশাশুনি উপজেলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ভোটার-সমর্থক তুলনামূলক বেশি। একই সঙ্গে এখানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিপুলসংখ্যক ভোটার রয়েছেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর আনুলিয়া, খাজরা, প্রতাপনগর, আশাশুনি সদরসহ অধিকাংশ ইউনিয়নে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক সহিংসতা, লুটপাট, চিংড়িঘের দখলসহ নানা অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় নেতাকর্মীদের এসব কর্মকাণ্ডের কারণে এ উপজেলায় বিএনপির জনপ্রিয়তা অনেকাংশে কমেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
যদিও বিএনপি প্রার্থী কাজী আলাউদ্দিন সংখ্যালঘু ভোটারদের কাছে টানতে নানা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। এ উপজেলায়ও সাধারণ ভোটারদের সমর্থন রয়েছে বলে দাবি বিদ্রোহী প্রার্থী ডা. শহিদুল আলমের।
অন্যদিকে আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগরসহ কয়েকটি ইউনিয়নে জামায়াতের প্রভাব রয়েছে। সংখ্যালঘু ভোটারদের কাছে টানতে জামায়াত প্রার্থী মাওলানা রবিউল বাসারও নানা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। জামায়াত এ উপজেলায় ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের ঘের দখল, লুটপাট, হামলা ও সহিংসতার জন্য একটি মহলকে দায়ী করে তাদের ভোট না দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে।
আশাশুনি উপজেলায় মোট ভোটার ২ লাখ ৪৫ হাজার ৯১৩ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ১ লাখ ২০ হাজার ৯৯১ জন, পুরুষ ১ লাখ ২৪ হাজার ৯২১ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ জন।
এদিকে সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহমতউল্লাহ পলাশ বলেন, দলের মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর বাইরে কেউ কাজ করলে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে। দেশের ও দলের স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ধানের শীষ প্রতীককে বিজয়ী করে তারেক রহমানের হাত শক্তিশালী করতে হবে।
রোববার বিকেলে আশাশুনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শোকসভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আবু জাহিদ ডাবলুও একই সুরে বলেন, সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি–কালিগঞ্জ)সহ জেলার চারটি সংসদীয় আসনে ধানের শীষ প্রতীকের বাইরে অন্য কোনো প্রার্থীর পক্ষে বিএনপি বা অঙ্গসংগঠনের কোনো নেতাকর্মী কাজ করলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি–কালিগঞ্জ) আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ডা. শহিদুল আলমের বাতিল হওয়া মনোনয়ন আপিল শুনানিতে নির্বাচন কমিশন বৈধ ঘোষণা করায় বদলে গেছে ভোটের সমীকরণ। এ সিদ্ধান্তের ফলে নির্বাচনী মাঠে নতুন করে হিসাব-নিকাশ শুরু হয়েছে।
তৃণমূল নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রিয় ডা. শহিদুল আলমের দলীয় মনোনয়নের দাবিতে এর আগে মাসব্যাপী বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেন ওই আসনের নেতাকর্মীরা। তবে বিএনপি হাইকমান্ড তৃণমূলের সেই দাবি গুরুত্ব না দেওয়ায় দলীয় প্রার্থী কাজী আলাউদ্দিনের নিশ্চিত পরাজয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে স্থানীয় নেতাকর্মীদের একাংশ মনে করছেন।
যদিও সাবেক সংসদ সদস্য বিএনপি নেতা কাজী আলাউদ্দিন এ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়ে শুরু থেকেই ভোটের মাঠে রয়েছেন। এদিকে একই আসনে জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা রবিউল বাসার নির্বাচনী মাঠে বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন।
আশাশুনি ও কালিগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত সাতক্ষীরা-৩ আসন। এ আসনে কালিগঞ্জ উপজেলায় বিএনপি ও জামায়াতের ভোটের ব্যবধান খুব একটা বেশি নয়। জামায়াত এ উপজেলায় তুলনামূলকভাবে সুসংগঠিত। অন্যদিকে এই উপজেলায় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কাজী আলাউদ্দিন ও বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী ডা. শহিদুল আলম; দুজনেরই বাড়ি।
বিএনপি প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের দাবি ও ডা. শহিদুল আলমের পক্ষে মনোনয়নের দাবিতে মাসব্যাপী সবচেয়ে বেশি বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন ও সমাবেশ হয়েছে এই উপজেলায়। এসব কর্মসূচিতে পুরুষের পাশাপাশি হাজার হাজার নারী ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন। চিকিৎসক হিসেবে ডা. শহিদুল আলম দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের সেবা দিয়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। দলের বাইরেও সাধারণ মানুষের কাছে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।
অন্যদিকে বিএনপি প্রার্থী কাজী আলাউদ্দিনের দাবি, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের সময়ে দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি তৃণমূল বিএনপির সঙ্গে থেকে কাজ করেছেন এবং তাদের সঙ্গে সম্পর্ক রেখে চলেছেন। সে কারণে এবার সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে ধানের শীষ প্রতীককে বিজয়ী করবে বলে তিনি আশাবাদী।
তবে এলাকা ঘুরে বিএনপির তৃণমূলের বেশ কিছু নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মনোনয়ন নিয়ে দ্বন্দ্বের কারণে কালিগঞ্জ উপজেলা বিএনপি প্রকাশ্যে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, কালিগঞ্জ উপজেলায় মোট ভোটার ২ লাখ ৫৬ হাজার ৩৮ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ১ লাখ ২৭ হাজার ২৪ জন, পুরুষ ১ লাখ ২৯ হাজার ৬২ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ২ জন।
এদিকে অপর আশাশুনি উপজেলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ভোটার-সমর্থক তুলনামূলক বেশি। একই সঙ্গে এখানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিপুলসংখ্যক ভোটার রয়েছেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর আনুলিয়া, খাজরা, প্রতাপনগর, আশাশুনি সদরসহ অধিকাংশ ইউনিয়নে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক সহিংসতা, লুটপাট, চিংড়িঘের দখলসহ নানা অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় নেতাকর্মীদের এসব কর্মকাণ্ডের কারণে এ উপজেলায় বিএনপির জনপ্রিয়তা অনেকাংশে কমেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
যদিও বিএনপি প্রার্থী কাজী আলাউদ্দিন সংখ্যালঘু ভোটারদের কাছে টানতে নানা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। এ উপজেলায়ও সাধারণ ভোটারদের সমর্থন রয়েছে বলে দাবি বিদ্রোহী প্রার্থী ডা. শহিদুল আলমের।
অন্যদিকে আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগরসহ কয়েকটি ইউনিয়নে জামায়াতের প্রভাব রয়েছে। সংখ্যালঘু ভোটারদের কাছে টানতে জামায়াত প্রার্থী মাওলানা রবিউল বাসারও নানা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। জামায়াত এ উপজেলায় ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের ঘের দখল, লুটপাট, হামলা ও সহিংসতার জন্য একটি মহলকে দায়ী করে তাদের ভোট না দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে।
আশাশুনি উপজেলায় মোট ভোটার ২ লাখ ৪৫ হাজার ৯১৩ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ১ লাখ ২০ হাজার ৯৯১ জন, পুরুষ ১ লাখ ২৪ হাজার ৯২১ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ জন।
এদিকে সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহমতউল্লাহ পলাশ বলেন, দলের মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর বাইরে কেউ কাজ করলে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে। দেশের ও দলের স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ধানের শীষ প্রতীককে বিজয়ী করে তারেক রহমানের হাত শক্তিশালী করতে হবে।
রোববার বিকেলে আশাশুনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শোকসভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আবু জাহিদ ডাবলুও একই সুরে বলেন, সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি–কালিগঞ্জ)সহ জেলার চারটি সংসদীয় আসনে ধানের শীষ প্রতীকের বাইরে অন্য কোনো প্রার্থীর পক্ষে বিএনপি বা অঙ্গসংগঠনের কোনো নেতাকর্মী কাজ করলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দুই সপ্তাহের মধ্যে তৃতীয়বার দুর্ঘটনা ঘটেছে ঢাকার গ্যাস বিতরণের পাইপলাইনে। এবার উত্তরা টঙ্গী ব্রিজের কাছে শিল্প গ্রাহকের সার্ভিস লাইনের ভাল্ভ ফেটে উচ্চ চাপে গ্যাস লিকেজ হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে উত্তরার মূল পাইপলাইনে সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
১৮ মিনিট আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব সমাপ্ত হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (আইও) রুহুল আমিনের জেরার মধ্য দিয়ে বিচারিক প্রক্রিয়ার এই ধাপটি সম্পন্ন হলো।
৩২ মিনিট আগে
ঘুষ-দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত ৬ কোটি টাকার বেশি মায়ের দান হিসেবে আয়কর নথিতে উল্লেখ করেন সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী আবু হেনা মোস্তফা কামাল। পরে সেই অর্থের একটি অংশ আবার তিনি স্ত্রী ডা. জোবাঈদা শাহনূর রশীদকে দান করেন।
৪৪ মিনিট আগে
বিজয় দিবসে বিশেষ প্যারাস্যুট জাম্পের মাধ্যমে একসঙ্গে ৫৪টি জাতীয় পতাকা উত্তোলনের গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশ। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষও তাদের ওয়েবসাইটে এই স্বীকৃতির কথা প্রকাশ করেছে।
১ ঘণ্টা আগে