স্ট্রিম প্রতিবেদক

আসন্ন গণভোট ও নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম। তিনি বলেছেন, তারেক রহমান জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করেন কিনা, তা স্পষ্ট করতে হবে। যারা গণভোটে ‘না’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছে, তারা মূলত পলাতক স্বৈরাচার শেখ হাসিনার দালালি করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) ঢাকা-১২ আসনের অন্তর্গত রাজধানীর কারওয়ান বাজারে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভার বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বক্তব্যে সাদিক কায়েম বলেন, জুলাই বিপ্লবে ছাত্র-জনতার ওপর, আমার বোনের ওপর হামলা হয়েছিল। সেই হামলার জবাবেই মুক্তিকামী জনতা হাসিনাকে দিল্লি পাঠিয়েছে। আমরা তারেক রহমানের বক্তব্যে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে কোনো ক্যাম্পেইন দেখতে পাচ্ছি না। আপনার অবস্থান পরিষ্কার করেন। আপনি কি জুলাইকে ধারণ করেন? নাকি এই ফ্যাসিবাদী কাঠামোকে রেখে দিতে চান?
গণভোটে ‘না’ ভোটের প্রচারণাকারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, যারা ‘না’ এর পক্ষে ক্যাম্পেইন করছে, তারা হাসিনাকে পুনর্বাসিত করতে চায়, তারা আলেম-ওলামাদের ওপর এবং ক্যাম্পাসে আবরার ফাহাদ-বিশ্বজিতদের মতো হত্যাকাণ্ড পুনরায় চালাতে চায়। ‘হ্যাঁ’ মানে হলো আজাদি, আর ‘না’ মানে হলো গোলামি। আমরা আজাদির জন্য ১৮ কোটি জনতাকে নিয়ে ‘হ্যাঁ’ কে বিজয়ী করব।
বক্তব্যে পরিবারতন্ত্রের বিরুদ্ধে ডাকসু ভিপি বলেন, ‘নতুন বাংলাদেশে ‘রাজার ছেলে রাজা হবে’—এই কালচার চলবে না। কোনো দল যদি পরিবারতন্ত্র কায়েম করতে চায়, তবে তা বাংলাদেশের গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়াবে। আমরা বিশেষ কোনো পরিবারের রাজতন্ত্র দেখতে চাই না।
তিনি আরও বলেন, কারওয়ান বাজারকে সিন্ডিকেট ও চাঁদাবাজ মুক্ত করতে এবং আগামী ১০০ বছরের সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে ইনসাফের প্রতিনিধিদের নির্বাচিত করতে হবে। বিগত নির্বাচনগুলোতে ছাত্র সংসদ ও বিভিন্ন পর্যায়ে ইনসাফের প্রতিনিধিরা তাদের যোগ্যতা প্রমাণ করেছে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে সাদিক কায়েম ঢাকা-১২ আসনে দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী সাইফুল আলম মিলনকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান।

আসন্ন গণভোট ও নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম। তিনি বলেছেন, তারেক রহমান জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করেন কিনা, তা স্পষ্ট করতে হবে। যারা গণভোটে ‘না’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছে, তারা মূলত পলাতক স্বৈরাচার শেখ হাসিনার দালালি করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) ঢাকা-১২ আসনের অন্তর্গত রাজধানীর কারওয়ান বাজারে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভার বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বক্তব্যে সাদিক কায়েম বলেন, জুলাই বিপ্লবে ছাত্র-জনতার ওপর, আমার বোনের ওপর হামলা হয়েছিল। সেই হামলার জবাবেই মুক্তিকামী জনতা হাসিনাকে দিল্লি পাঠিয়েছে। আমরা তারেক রহমানের বক্তব্যে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে কোনো ক্যাম্পেইন দেখতে পাচ্ছি না। আপনার অবস্থান পরিষ্কার করেন। আপনি কি জুলাইকে ধারণ করেন? নাকি এই ফ্যাসিবাদী কাঠামোকে রেখে দিতে চান?
গণভোটে ‘না’ ভোটের প্রচারণাকারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, যারা ‘না’ এর পক্ষে ক্যাম্পেইন করছে, তারা হাসিনাকে পুনর্বাসিত করতে চায়, তারা আলেম-ওলামাদের ওপর এবং ক্যাম্পাসে আবরার ফাহাদ-বিশ্বজিতদের মতো হত্যাকাণ্ড পুনরায় চালাতে চায়। ‘হ্যাঁ’ মানে হলো আজাদি, আর ‘না’ মানে হলো গোলামি। আমরা আজাদির জন্য ১৮ কোটি জনতাকে নিয়ে ‘হ্যাঁ’ কে বিজয়ী করব।
বক্তব্যে পরিবারতন্ত্রের বিরুদ্ধে ডাকসু ভিপি বলেন, ‘নতুন বাংলাদেশে ‘রাজার ছেলে রাজা হবে’—এই কালচার চলবে না। কোনো দল যদি পরিবারতন্ত্র কায়েম করতে চায়, তবে তা বাংলাদেশের গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়াবে। আমরা বিশেষ কোনো পরিবারের রাজতন্ত্র দেখতে চাই না।
তিনি আরও বলেন, কারওয়ান বাজারকে সিন্ডিকেট ও চাঁদাবাজ মুক্ত করতে এবং আগামী ১০০ বছরের সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে ইনসাফের প্রতিনিধিদের নির্বাচিত করতে হবে। বিগত নির্বাচনগুলোতে ছাত্র সংসদ ও বিভিন্ন পর্যায়ে ইনসাফের প্রতিনিধিরা তাদের যোগ্যতা প্রমাণ করেছে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে সাদিক কায়েম ঢাকা-১২ আসনে দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী সাইফুল আলম মিলনকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল নিপীড়ন, বৈষম্য ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে দেশের মানুষের ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। তিনি জানান, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটদাতাদের ঐক্যবদ্ধ করে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে কাজ করা হবে।
১১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশইন এবং সীমান্ত হত্যার প্রতিবাদে শুক্রবার (১২ জুন) দেশের সীমান্তবর্তী সব জেলা ও পয়েন্টে প্রতিবাদ সমাবেশ করবে জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলীয় ঐক্য।
১৬ ঘণ্টা আগে
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের বিরুদ্ধে সরকারি টাকায় নির্বাচনী প্রচার চালানোর অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা। রাজধানীর নাখালপাড়ার মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে এনসিপির বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচিতে এমন মন্তব্য করেন তারা।
১ দিন আগে
জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব দিয়েছে। জিডিপি ১২ দশমিক ১৪ শতাংশের সমান এই বাজেটকে তারা জনমুখী ও বাস্তবসম্মত বলে দাবি করেছে।
২ দিন আগে