আবদুল্লাহ কাফি

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে আলোচিত ঢাকা-১৫ (মিরপুর-কাফরুল) আসন। এখানে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে লড়ছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন আবার এলাকারই সন্তান। ভোটাররা বলছেন, প্রভাব-প্রতিপত্তিতে কেউ কারও থেকে কম নন। লড়াই হবে সমানে সমান।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৪, ১৩, ১৪ ও ১৬ ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত ঢাকা-১৫ আসন। এই আসনের মধ্যে পড়েছে তালতলা, শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, কাফরুল, মিরপুর-১০, মিরপুর-১৩, মিরপুর-১৪, কচুক্ষেত ও পূর্ব সেনপাড়া। ৩ লাখ ৫১ হাজার ৭১৮ ভোটারের আসনটিতে জামায়াত-বিএনপির ছাড়াও লড়ছেন ছয় প্রার্থী।
সরেজমিন দেখা যায়, ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লার ব্যানার-ফেস্টুন-বিলবোর্ডে ছেয়ে গেছে পুরো এলাকা। তবে বাকি ছয় প্রার্থীর ব্যানারের সংখ্যা তুলনামূলক কম। বাজার, মাঠ, চায়ের দোকান– সব জায়গায় আলোচনার কেন্দ্রে নির্বাচন।
কাফরুল থানার ইব্রাহিমপুরে এক চায়ের দোকানে নির্বাচনী আলাপে মত্ত স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল জব্বার। ৫৫ বছরের জব্বারকে প্রার্থীদের কথা জিজ্ঞেস করলে স্ট্রিমকে বলেন, এখানে মূল লড়াই হবে জামায়াত ও বিএনপির মধ্যে। ডা. শফিক জামায়াতে ইসলামীর মতো একটা দলের প্রধান। সারাদেশে পরিচিতির পাশাপাশি এই এলাকাতেও তাঁর গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। তবে বিএনপির প্রার্থী এলাকারই সন্তান। এখানেই তিনি বড় হয়েছেন। তাঁকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। তিনি আরও বলেন, দুজনই মানুষের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন। সহজে কেউ হারবেন বলে মনে হয় না। ভোটের মাঠে লড়াই হবে হাড্ডাহাড্ডি।
বিএনপির প্রার্থী ও স্থানীয় জামায়াতের শীর্ষ নেতারা অবশ্য কেউ কাউকে চ্যালেঞ্জ মনে করছেন না। ধানের শীষের প্রার্থী শফিকুল ইসলাম খান স্ট্রিমকে বলেন, মনিপুরে জন্ম, এখানেই বড় হয়েছি। ৪০ বছরের বেশি বিএনপির রাজনীতিতে। সাংগঠনিক অবস্থাও শক্তিশালী। ঐক্যবদ্ধ বিএনপির একমাত্র প্রার্থী আমি।
জামায়াত আমিরকে চ্যালেঞ্জ মনে করছেন কিনা– প্রশ্নে তিনি বলেন, আমি কোনো চ্যালেঞ্জ দেখছি না। উনার চেয়েও ভিভিআইপি প্রার্থী পরাজিত হয়েছেন। ২০১৮ সালে এই আসনে জামায়াতের শফিকুর রহমান নির্বাচন করে হেরেছেন। ফলে চ্যালেঞ্জের কিছু নেই।

আসনের জামায়াতের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান ও ঢাকা মহানগর উত্তরের নায়েবে আমির আব্দুর রহমান মুসা স্ট্রিমকে বলেন, হকার, বস্তি, ইমাম, মুয়াজ্জিন, খেটে খাওয়া মানুষ নিয়ে আমরা প্রচার চালাচ্ছি এবং বিপুল সাড়া পাচ্ছি। জামায়াতের ক্লিন ইমেজের রাজনীতি তাদের মনে জায়গা করে নিচ্ছে।
তিনি বলেন, দেশে একটা পরিবর্তন শুরু হয়েছে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ছাত্র সংসদে আমরা বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছি। এই পরিবর্তনের হাত ধরেই দাঁড়িপাল্লা জয়যুক্ত হবে।
প্রার্থীরা যত আশার কথা শোনাক, ভোটাররা খুঁজছেন এমন কাউকে যিনি তাদের পাশে থাকবেন। মিরপুর-১৩ নম্বর এলাকার বাসিন্দা স্বর্ণ ব্যবসায়ী মামুনুর রহমান মিঠু জানান, তাদের আসনে চাঁদাবাজি, মাদক, জলাবদ্ধতা, খেলার মাঠ ও শিশুপার্কের স্বল্পতা, গ্যাস সংকটের মতো বেশ কিছু সমস্যা রয়েছে। তিনি চান, জয়ী প্রার্থী এসব সমস্যা গুরুত্ব সহকারে দেখবেন। মিঠু স্ট্রিমকে বলেন, রাজনীতি নয়, আমার ধ্যানজ্ঞান ব্যবসা। ক্ষমতায় গিয়ে চাঁদাবাজি করবে– এমন দলকে আমি চাই না।
কাজীপাড়ার বাসিন্দা উম্মে সাবরিনা বলেন, ‘কাজ করে আমাকে পরিবার চালাতে হবে। এমন দলকে ক্ষমতায় চাই, যারা আমাকে কাজ করতে বাধা দেবে না; বাসা থেকে বের হয়ে নিরাপদে ফিরতে পারব।’
আচরণবিধি ভঙ্গে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ
মুখে পরস্পরকে ‘পাত্তা’ না দেওয়ার দাবি করলেও প্রচারে বিএনপি-জামায়াত উভয়ে ‘আগ্রাসী’ বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। তাদের ভাষ্য, জামায়াতের কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের মোবাইল ফোন নম্বর সংগ্রহ করছেন। বিকাশ নম্বরও নিচ্ছেন। আর বিএনপির কর্মীরা প্রতিপক্ষের ব্যানার ছিঁড়ছেন।
মিরপুর-১৩ নম্বরের মোহাম্মদ চুন্নু মিয়া স্ট্রিমকে বলেন, নির্বাচনী প্রচারে বিএনপি মিছিল-মিটিং করছে। দোকান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ বাসায় যাচ্ছে। জামায়াতের নেতাকর্মীরা এসবের পাশাপাশি বাড়িতে গিয়ে ফোন নম্বর নিচ্ছেন। আমার বাসায় এসে ভোটকেন্দ্র কোথায় পড়বে, কীভাবে ভোট দেবেন– এসব বিষয়ে সহযোগিতার অজুহাতে নম্বর চেয়েছেন।
কাফরুল থানার জামায়াতকর্মী মো. মামুন বলেন, আমরা যত ব্যানার সাঁটিয়েছি, অনেকগুলোই এখন নেই। বিএনপির লোকজন ছিঁড়ে ফেলেছে। তারা প্রচারের নামে পেশীশক্তি প্রয়োগ করছে। তবে বিএনপির প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মিল্টন শক্তি প্রয়োগের অভিযোগ অস্বীকার করেন। উল্টো বলেন, জামায়াতের নারী কর্মীরা ভোটারদের বাসায় গিয়ে এনআইডি ও বিকাশ নম্বর চাচ্ছেন। কিছুদিন আগে এই কাজ করতে গিয়ে আটকও হন, পরে ক্ষমা চেয়ে পার পান।
এ বিষয়ে জামায়াতের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান আব্দুর রহমান মুসা বলেন, নিয়ত আমাদের কাজে তারা বাধা দিচ্ছে। আমাদের অনেক ব্যানার তারা খুলে ফেলেছে। বাধ্য হয়ে প্রশাসনকে জানিয়েছি। তিনি আরও বলেন, এক সময় ছাত্রলীগ এসব করত। ফল তো ৫ আগস্ট পেয়েছে। এসব করে পার পেয়ে যাবে– এখন যারা ভাবছে, তাদের পরিণতিও একই হবে।
ভোটারদের বিকাশ নম্বর নেওয়ার বিষয়ে আব্দুর রহমান বলেন, এটি অবান্তর অভিযোগ। কোনো যুক্তি না পেয়ে তারা অপপ্রচার চালাচ্ছে।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে আলোচিত ঢাকা-১৫ (মিরপুর-কাফরুল) আসন। এখানে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে লড়ছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন আবার এলাকারই সন্তান। ভোটাররা বলছেন, প্রভাব-প্রতিপত্তিতে কেউ কারও থেকে কম নন। লড়াই হবে সমানে সমান।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৪, ১৩, ১৪ ও ১৬ ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত ঢাকা-১৫ আসন। এই আসনের মধ্যে পড়েছে তালতলা, শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, কাফরুল, মিরপুর-১০, মিরপুর-১৩, মিরপুর-১৪, কচুক্ষেত ও পূর্ব সেনপাড়া। ৩ লাখ ৫১ হাজার ৭১৮ ভোটারের আসনটিতে জামায়াত-বিএনপির ছাড়াও লড়ছেন ছয় প্রার্থী।
সরেজমিন দেখা যায়, ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লার ব্যানার-ফেস্টুন-বিলবোর্ডে ছেয়ে গেছে পুরো এলাকা। তবে বাকি ছয় প্রার্থীর ব্যানারের সংখ্যা তুলনামূলক কম। বাজার, মাঠ, চায়ের দোকান– সব জায়গায় আলোচনার কেন্দ্রে নির্বাচন।
কাফরুল থানার ইব্রাহিমপুরে এক চায়ের দোকানে নির্বাচনী আলাপে মত্ত স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল জব্বার। ৫৫ বছরের জব্বারকে প্রার্থীদের কথা জিজ্ঞেস করলে স্ট্রিমকে বলেন, এখানে মূল লড়াই হবে জামায়াত ও বিএনপির মধ্যে। ডা. শফিক জামায়াতে ইসলামীর মতো একটা দলের প্রধান। সারাদেশে পরিচিতির পাশাপাশি এই এলাকাতেও তাঁর গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। তবে বিএনপির প্রার্থী এলাকারই সন্তান। এখানেই তিনি বড় হয়েছেন। তাঁকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। তিনি আরও বলেন, দুজনই মানুষের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন। সহজে কেউ হারবেন বলে মনে হয় না। ভোটের মাঠে লড়াই হবে হাড্ডাহাড্ডি।
বিএনপির প্রার্থী ও স্থানীয় জামায়াতের শীর্ষ নেতারা অবশ্য কেউ কাউকে চ্যালেঞ্জ মনে করছেন না। ধানের শীষের প্রার্থী শফিকুল ইসলাম খান স্ট্রিমকে বলেন, মনিপুরে জন্ম, এখানেই বড় হয়েছি। ৪০ বছরের বেশি বিএনপির রাজনীতিতে। সাংগঠনিক অবস্থাও শক্তিশালী। ঐক্যবদ্ধ বিএনপির একমাত্র প্রার্থী আমি।
জামায়াত আমিরকে চ্যালেঞ্জ মনে করছেন কিনা– প্রশ্নে তিনি বলেন, আমি কোনো চ্যালেঞ্জ দেখছি না। উনার চেয়েও ভিভিআইপি প্রার্থী পরাজিত হয়েছেন। ২০১৮ সালে এই আসনে জামায়াতের শফিকুর রহমান নির্বাচন করে হেরেছেন। ফলে চ্যালেঞ্জের কিছু নেই।

আসনের জামায়াতের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান ও ঢাকা মহানগর উত্তরের নায়েবে আমির আব্দুর রহমান মুসা স্ট্রিমকে বলেন, হকার, বস্তি, ইমাম, মুয়াজ্জিন, খেটে খাওয়া মানুষ নিয়ে আমরা প্রচার চালাচ্ছি এবং বিপুল সাড়া পাচ্ছি। জামায়াতের ক্লিন ইমেজের রাজনীতি তাদের মনে জায়গা করে নিচ্ছে।
তিনি বলেন, দেশে একটা পরিবর্তন শুরু হয়েছে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ছাত্র সংসদে আমরা বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছি। এই পরিবর্তনের হাত ধরেই দাঁড়িপাল্লা জয়যুক্ত হবে।
প্রার্থীরা যত আশার কথা শোনাক, ভোটাররা খুঁজছেন এমন কাউকে যিনি তাদের পাশে থাকবেন। মিরপুর-১৩ নম্বর এলাকার বাসিন্দা স্বর্ণ ব্যবসায়ী মামুনুর রহমান মিঠু জানান, তাদের আসনে চাঁদাবাজি, মাদক, জলাবদ্ধতা, খেলার মাঠ ও শিশুপার্কের স্বল্পতা, গ্যাস সংকটের মতো বেশ কিছু সমস্যা রয়েছে। তিনি চান, জয়ী প্রার্থী এসব সমস্যা গুরুত্ব সহকারে দেখবেন। মিঠু স্ট্রিমকে বলেন, রাজনীতি নয়, আমার ধ্যানজ্ঞান ব্যবসা। ক্ষমতায় গিয়ে চাঁদাবাজি করবে– এমন দলকে আমি চাই না।
কাজীপাড়ার বাসিন্দা উম্মে সাবরিনা বলেন, ‘কাজ করে আমাকে পরিবার চালাতে হবে। এমন দলকে ক্ষমতায় চাই, যারা আমাকে কাজ করতে বাধা দেবে না; বাসা থেকে বের হয়ে নিরাপদে ফিরতে পারব।’
আচরণবিধি ভঙ্গে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ
মুখে পরস্পরকে ‘পাত্তা’ না দেওয়ার দাবি করলেও প্রচারে বিএনপি-জামায়াত উভয়ে ‘আগ্রাসী’ বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। তাদের ভাষ্য, জামায়াতের কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের মোবাইল ফোন নম্বর সংগ্রহ করছেন। বিকাশ নম্বরও নিচ্ছেন। আর বিএনপির কর্মীরা প্রতিপক্ষের ব্যানার ছিঁড়ছেন।
মিরপুর-১৩ নম্বরের মোহাম্মদ চুন্নু মিয়া স্ট্রিমকে বলেন, নির্বাচনী প্রচারে বিএনপি মিছিল-মিটিং করছে। দোকান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ বাসায় যাচ্ছে। জামায়াতের নেতাকর্মীরা এসবের পাশাপাশি বাড়িতে গিয়ে ফোন নম্বর নিচ্ছেন। আমার বাসায় এসে ভোটকেন্দ্র কোথায় পড়বে, কীভাবে ভোট দেবেন– এসব বিষয়ে সহযোগিতার অজুহাতে নম্বর চেয়েছেন।
কাফরুল থানার জামায়াতকর্মী মো. মামুন বলেন, আমরা যত ব্যানার সাঁটিয়েছি, অনেকগুলোই এখন নেই। বিএনপির লোকজন ছিঁড়ে ফেলেছে। তারা প্রচারের নামে পেশীশক্তি প্রয়োগ করছে। তবে বিএনপির প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মিল্টন শক্তি প্রয়োগের অভিযোগ অস্বীকার করেন। উল্টো বলেন, জামায়াতের নারী কর্মীরা ভোটারদের বাসায় গিয়ে এনআইডি ও বিকাশ নম্বর চাচ্ছেন। কিছুদিন আগে এই কাজ করতে গিয়ে আটকও হন, পরে ক্ষমা চেয়ে পার পান।
এ বিষয়ে জামায়াতের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান আব্দুর রহমান মুসা বলেন, নিয়ত আমাদের কাজে তারা বাধা দিচ্ছে। আমাদের অনেক ব্যানার তারা খুলে ফেলেছে। বাধ্য হয়ে প্রশাসনকে জানিয়েছি। তিনি আরও বলেন, এক সময় ছাত্রলীগ এসব করত। ফল তো ৫ আগস্ট পেয়েছে। এসব করে পার পেয়ে যাবে– এখন যারা ভাবছে, তাদের পরিণতিও একই হবে।
ভোটারদের বিকাশ নম্বর নেওয়ার বিষয়ে আব্দুর রহমান বলেন, এটি অবান্তর অভিযোগ। কোনো যুক্তি না পেয়ে তারা অপপ্রচার চালাচ্ছে।

বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে জায়গা পেয়েছেন চার নেতা। শনিবার (১৫ আগস্ট) দলের সহদপ্তর সম্পাদক মুহাম্মদ মুনির হোসেনের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
৫ ঘণ্টা আগে
শোকাবহ ১৫ আগস্ট আজ। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫১তম শাহাদাতবার্ষিকী। গত দুই বছরের মতো এবারো দিনটিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে নেই কোনো আনুষ্ঠানিকতা। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগও কোনো কর্মসূচি দেয়নি।
১২ ঘণ্টা আগে
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন প্রয়াত খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আজ। বিএনপি নেতাকর্মীরা দিনটিতে ২০১৬ সাল থেকে কোনো কর্মসূচির পরিবর্তে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল করে আসছেন। শনিবারও কেক কেটে জন্মদিন পালন না করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বিএনপি সরকারে ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত খাম্বা ছিল কিন্তু বিদ্যুৎ ছিল না। এখনো একই দশা। মাত্র পাঁচ মাসেই লোডশেডিংয়ের রেকর্ড ভেঙেছে এই সরকার।
১৪ আগস্ট ২০২৬