স্ট্রিম প্রতিবেদক

সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি সরকারে গেলে চার কোটি নারীকে ‘ফ্যামেলি কার্ড’ দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) উপস্থাপকবিহীন এক পডকাস্টে তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে ৪ কোটি পরিবারের মা-গৃহিণীদের নামে এই কার্ড ইস্যু হবে।
তারেক রহমান বলেন, এই কার্ডের মাধ্যমে প্রতি মাসে একটি পরিবারকে দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা অথবা সমমূল্যের নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হবে। কার্ডে সুবিধাভোগীর নাম, একটি ইউনিক নম্বর ও আধুনিক স্ক্যানিং সুবিধা থাকবে।
তিনি বলেন, এই পরিকল্পনা মূলত দেশের মা ও বোনদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করা এবং পরিবারের পুষ্টি ও শিক্ষার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সাজানো হয়েছে। ফ্যামেলি কার্ড কর্মসূচি হবে সর্বজনীন।
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, আমরা কার্ডটি সকল স্তরের মা-বোনদের হাতে পৌঁছে দিতে চাই। একজন কৃষকের স্ত্রী থেকে শুরু করে সরকারি কর্মকর্তা বা স্বচ্ছল ব্যবসায়ীর স্ত্রী– সবাই কার্ডের আওতায় থাকবেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, স্বচ্ছল নাগরিকরা দেশপ্রেমের পরিচয় দিয়ে যাদের প্রয়োজন নেই, তারা কার্ডটি ফিরিয়ে দেবেন। সেই বেঁচে যাওয়া অর্থ দিয়ে প্রকৃত দরিদ্রদের সহায়তার পরিমাণ আরও বাড়ানো হবে।
তারেক রহমান বলেন, সরকারি এই সহায়তার ফলে একটি পরিবারের মাসিক বাজার খরচের বড় অংশ মিটবে। পরিবারগুলো যে অর্থ সাশ্রয় করবে, তা সন্তানের শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং ক্ষুদ্র বিনিয়োগে ব্যয় করতে পারবে। দীর্ঘ মেয়াদে এই প্রক্রিয়া প্রতিটি গ্রাম ও ইউনিয়নকে অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী করবে এবং আগামী ৫-৭ বছরের মধ্যে বাংলাদেশ একটি স্বচ্ছল রাষ্ট্রে পরিণত হবে।
তিনি আরও বলেন, এটি কেবল কোনো গল্প নয় বরং একটি সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা। এর মাধ্যমে আমাদের মা-বোনেরা আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠবেন এবং পরিবারের কাছে তাদের মর্যাদা ও সম্মান বৃদ্ধি পাবে।

সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি সরকারে গেলে চার কোটি নারীকে ‘ফ্যামেলি কার্ড’ দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) উপস্থাপকবিহীন এক পডকাস্টে তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে ৪ কোটি পরিবারের মা-গৃহিণীদের নামে এই কার্ড ইস্যু হবে।
তারেক রহমান বলেন, এই কার্ডের মাধ্যমে প্রতি মাসে একটি পরিবারকে দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা অথবা সমমূল্যের নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হবে। কার্ডে সুবিধাভোগীর নাম, একটি ইউনিক নম্বর ও আধুনিক স্ক্যানিং সুবিধা থাকবে।
তিনি বলেন, এই পরিকল্পনা মূলত দেশের মা ও বোনদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করা এবং পরিবারের পুষ্টি ও শিক্ষার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সাজানো হয়েছে। ফ্যামেলি কার্ড কর্মসূচি হবে সর্বজনীন।
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, আমরা কার্ডটি সকল স্তরের মা-বোনদের হাতে পৌঁছে দিতে চাই। একজন কৃষকের স্ত্রী থেকে শুরু করে সরকারি কর্মকর্তা বা স্বচ্ছল ব্যবসায়ীর স্ত্রী– সবাই কার্ডের আওতায় থাকবেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, স্বচ্ছল নাগরিকরা দেশপ্রেমের পরিচয় দিয়ে যাদের প্রয়োজন নেই, তারা কার্ডটি ফিরিয়ে দেবেন। সেই বেঁচে যাওয়া অর্থ দিয়ে প্রকৃত দরিদ্রদের সহায়তার পরিমাণ আরও বাড়ানো হবে।
তারেক রহমান বলেন, সরকারি এই সহায়তার ফলে একটি পরিবারের মাসিক বাজার খরচের বড় অংশ মিটবে। পরিবারগুলো যে অর্থ সাশ্রয় করবে, তা সন্তানের শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং ক্ষুদ্র বিনিয়োগে ব্যয় করতে পারবে। দীর্ঘ মেয়াদে এই প্রক্রিয়া প্রতিটি গ্রাম ও ইউনিয়নকে অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী করবে এবং আগামী ৫-৭ বছরের মধ্যে বাংলাদেশ একটি স্বচ্ছল রাষ্ট্রে পরিণত হবে।
তিনি আরও বলেন, এটি কেবল কোনো গল্প নয় বরং একটি সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা। এর মাধ্যমে আমাদের মা-বোনেরা আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠবেন এবং পরিবারের কাছে তাদের মর্যাদা ও সম্মান বৃদ্ধি পাবে।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) যশোরে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এক মতবিনিময় সভার আয়োজন করে। যশোর-৩ (সদর) আসন নিয়ে সংগঠনের কার্যালয়ে এ সভার আয়োজন করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ২০০৮ সালের মতো আবারও একটি দলকে ক্ষমতায় আনতে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বা নির্বাচনি কারসাজি করার চেষ্টা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে
ডা. শফিক জামায়াতে ইসলামীর মতো একটা দলের প্রধান। সারাদেশে পরিচিতির পাশাপাশি এই এলাকাতেও তাঁর গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। তবে বিএনপির প্রার্থী এলাকারই সন্তান। এখানেই তিনি বড় হয়েছেন। তাঁকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই।
৩ ঘণ্টা আগে
গত ১৭ বছর দেশে থাকতে পারেননি উল্লেখ করে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, যেখানে যাই সবাই বিভিন্ন বিষয়ে আবদার করে। তবে হুট করে প্লেনে চড়ে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আমাদের নেই। আমাদের তো আর যাওয়ার কোনো জায়গা নেই।
৩ ঘণ্টা আগে