স্ট্রিম সংবাদদাতা

দীর্ঘ দুই দশক পর বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান নওগাঁয় আসছেন আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে তাঁর আগমন কেন্দ্রে উজ্জীবিত বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। এতে দলের রাজনৈতিক পরিকল্পনার পাশাপাশি নওগাঁর উন্নয়নে কথা তুলে ধরবেন বলে আশা করছেন তাঁরা।
এদিকে তাঁকে বরণ করে নিতে শহরের এটিম মাঠে সম্পন্ন করা হয়েছে সব প্রস্তুতি। আজ বিকেলে সেখানে সমাবেশ ঘিরে সকাল থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিলে ভরে গেছে এলাকা। জনসভাস্থলে আসা ইব্রাহিম মন্ডল বলে, ‘ফজরের নামাজ পড়ে বাড়ি থেকে ১২ কিলোমিটার পায়ে হেঁটে তারেক রহমানকে দেখবো বলে এসেছি। তার আসার খবরে চোখ থেকে ঘুম হারিয়ে গেছে। কখনো তাকে কাছ থেকে দেখতে পাবো সেই অপেক্ষায় আছি।’
গোলাম কিবরিয়া নামে আরেকজন বলেন, ‘সকাল থেকে মাঠে এসে অবস্থান করছি। তারেক রহমান আমাদের মাঝে এসে দেশের মানুষের কল্যাণের কথা, চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে যে জিরোটলারেন্সের ঘোষণা দিয়েছে সেগুলো কথা আবারও তার মুখ থেকে শুনার জন্য অপেক্ষায় আছি। দেশে যেন কোনো দুর্নীতিবাজ অবস্থান নিতে না পারে সেটি দলীয় হোক বা দলের বাইরে হোক।’
আজ বিকেল সাড়ে ৫টায় নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন তারেক রহমান। এই জনসভা থেকেই নওগাঁর ছয়টি আসন ও পার্শ্ববর্তী জেলার জয়পুরহাটের দুটি আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীদের পরিচয় করে দেবেন তারেক রহমান।
শহরের এটিম মাঠে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে তৈরি করা হয়েছে ৪০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৩২ ফুট প্রস্থের মঞ্চ। সমাবেশ কেন্দ্র করে সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও পার্শ্ববর্তী জেলা থেকেও খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সমাবেশ এলাকায় আসছেন নেতাকর্মীরা। ধীরে ধীরে এটিম মাঠ নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বাস আর স্লোগানে স্লোগানে মুখোর হয়ে উঠছে। সময়ের সঙ্গে বাড়ছে উপস্থিতিও। বিএনপি চেয়ারম্যান ও তাঁর সফর সঙ্গীদের নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
জেলা বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ২টার দিকে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে জনসভা শেষে বিকেল সাড়ে ৫টায় নওগাঁর জনসভায় অংশ নেবেন তারেক রহমান। এতে দুই লাখের বেশি মানুষের জনসমাগমের প্রত্যাশা করছেন দলের স্থানীয় নেতারা। নওগাঁয় জনসভা শেষে নিজ পৈতৃক ভিটা ও তাঁর নির্বাচনী এলাকা বগুড়ায় যাবেন তিনি।
সকাল থেকে মাঠে থাকা জেলা যুবদলের সদস্য শামীনুর রহমান শামীম বলেন, ‘তারেক রহমানকে কাছ থেকে দেখতে পাব, এর চাইতে বড় আনন্দের আর কী হতে পারে। আজ খালেদা জিয়া বেঁচে থাকলে আরও ভালো লাগত। তবে আগামীর রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমানের হাত ধরে দেশ এগিয়ে যাবে, এটাই প্রত্যাশা।’
নওগাঁ-৫ (সদর) আসনের ধানের শীষের প্রার্থী জাহিদুল ইসলাম ধলু বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর তারেক রহমানের আগমনে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। এই জনসভায় নওগাঁর ছয়টি আসন ও জয়পুরহাটের দুটি আসনে দলের প্রার্থীদের পরিচয় করে দেবেন। যা রাজনৈতিক অঙ্গনে ও নির্বাচনী প্রচারণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’
নওগাঁ জেলা বিএনপির সভাপতি আবু বক্কর সিদ্দিক নান্নু বলেন, ‘বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জনসভাকে কেন্দ্র করে পুরো জেলার নেতাকর্মীরা অত্যন্ত উজ্জীবিত। জনসভা থেকে দলের নির্বাচনী অঙ্গীকার ও ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিকল্পনার পাশাপাশি নওগাঁর উন্নয়নে কথা নওগাঁবাসীর সামনে তুলে ধরবেন তিনি।’

দীর্ঘ দুই দশক পর বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান নওগাঁয় আসছেন আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে তাঁর আগমন কেন্দ্রে উজ্জীবিত বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। এতে দলের রাজনৈতিক পরিকল্পনার পাশাপাশি নওগাঁর উন্নয়নে কথা তুলে ধরবেন বলে আশা করছেন তাঁরা।
এদিকে তাঁকে বরণ করে নিতে শহরের এটিম মাঠে সম্পন্ন করা হয়েছে সব প্রস্তুতি। আজ বিকেলে সেখানে সমাবেশ ঘিরে সকাল থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিলে ভরে গেছে এলাকা। জনসভাস্থলে আসা ইব্রাহিম মন্ডল বলে, ‘ফজরের নামাজ পড়ে বাড়ি থেকে ১২ কিলোমিটার পায়ে হেঁটে তারেক রহমানকে দেখবো বলে এসেছি। তার আসার খবরে চোখ থেকে ঘুম হারিয়ে গেছে। কখনো তাকে কাছ থেকে দেখতে পাবো সেই অপেক্ষায় আছি।’
গোলাম কিবরিয়া নামে আরেকজন বলেন, ‘সকাল থেকে মাঠে এসে অবস্থান করছি। তারেক রহমান আমাদের মাঝে এসে দেশের মানুষের কল্যাণের কথা, চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে যে জিরোটলারেন্সের ঘোষণা দিয়েছে সেগুলো কথা আবারও তার মুখ থেকে শুনার জন্য অপেক্ষায় আছি। দেশে যেন কোনো দুর্নীতিবাজ অবস্থান নিতে না পারে সেটি দলীয় হোক বা দলের বাইরে হোক।’
আজ বিকেল সাড়ে ৫টায় নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন তারেক রহমান। এই জনসভা থেকেই নওগাঁর ছয়টি আসন ও পার্শ্ববর্তী জেলার জয়পুরহাটের দুটি আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীদের পরিচয় করে দেবেন তারেক রহমান।
শহরের এটিম মাঠে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে তৈরি করা হয়েছে ৪০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৩২ ফুট প্রস্থের মঞ্চ। সমাবেশ কেন্দ্র করে সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও পার্শ্ববর্তী জেলা থেকেও খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সমাবেশ এলাকায় আসছেন নেতাকর্মীরা। ধীরে ধীরে এটিম মাঠ নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বাস আর স্লোগানে স্লোগানে মুখোর হয়ে উঠছে। সময়ের সঙ্গে বাড়ছে উপস্থিতিও। বিএনপি চেয়ারম্যান ও তাঁর সফর সঙ্গীদের নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
জেলা বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ২টার দিকে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে জনসভা শেষে বিকেল সাড়ে ৫টায় নওগাঁর জনসভায় অংশ নেবেন তারেক রহমান। এতে দুই লাখের বেশি মানুষের জনসমাগমের প্রত্যাশা করছেন দলের স্থানীয় নেতারা। নওগাঁয় জনসভা শেষে নিজ পৈতৃক ভিটা ও তাঁর নির্বাচনী এলাকা বগুড়ায় যাবেন তিনি।
সকাল থেকে মাঠে থাকা জেলা যুবদলের সদস্য শামীনুর রহমান শামীম বলেন, ‘তারেক রহমানকে কাছ থেকে দেখতে পাব, এর চাইতে বড় আনন্দের আর কী হতে পারে। আজ খালেদা জিয়া বেঁচে থাকলে আরও ভালো লাগত। তবে আগামীর রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমানের হাত ধরে দেশ এগিয়ে যাবে, এটাই প্রত্যাশা।’
নওগাঁ-৫ (সদর) আসনের ধানের শীষের প্রার্থী জাহিদুল ইসলাম ধলু বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর তারেক রহমানের আগমনে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। এই জনসভায় নওগাঁর ছয়টি আসন ও জয়পুরহাটের দুটি আসনে দলের প্রার্থীদের পরিচয় করে দেবেন। যা রাজনৈতিক অঙ্গনে ও নির্বাচনী প্রচারণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’
নওগাঁ জেলা বিএনপির সভাপতি আবু বক্কর সিদ্দিক নান্নু বলেন, ‘বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জনসভাকে কেন্দ্র করে পুরো জেলার নেতাকর্মীরা অত্যন্ত উজ্জীবিত। জনসভা থেকে দলের নির্বাচনী অঙ্গীকার ও ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিকল্পনার পাশাপাশি নওগাঁর উন্নয়নে কথা নওগাঁবাসীর সামনে তুলে ধরবেন তিনি।’

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বিগত ১৬ বছরের অভিজ্ঞতা আমাদের শিখিয়েছে যে গণমাধ্যমের ব্যর্থতা কীভাবে রাষ্ট্রে ফ্যাসিবাদের বিকাশের পথ প্রশস্ত করে। গুটিকয়েক সংবাদকর্মীর নির্লজ্জ তোষামোদি ও আপসের জন্য জাতিকে চরম মূল্য দিতে হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
সংরক্ষিত আসনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের নুসরাত তাবাসসুমের গেজেট প্রকাশ না করার অনুরোধ করেছেন জোটের আরেক প্রার্থী মনিরা শারমিন। রোববার (৩ মে) রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদনে এই অনুরোধ জানান তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
সংস্কার ও জুলাই সনদ নিয়ে নির্বাচনের আগে বিএনপি জনগণের কাছে যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তারা সেখান থেকে সরে গেছে। এভাবে চললে সরকার কর্তৃত্ববাদী হয়ে উঠবে। এজন্য জুলাই সনদ বাস্তবায়নে বিএনপিকে বাধ্য করতে হবে।
৬ ঘণ্টা আগে
দলিত, হরিজন ও অন্যান্য প্রান্তিক জনগোষ্ঠী এবং প্রতিবন্ধীদের অধিকার নিয়ে মর্যাদাপূর্ণ দেশ গড়ার লক্ষ্যে এনসিপির দুটি সহযোগী সংগঠন আত্মপ্রকাশ করেছে।
২০ ঘণ্টা আগে