স্ট্রিম প্রতিবেদক

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সংঘর্ষের জেরে পাশ্ববর্তী শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিম নিহতের ঘটনায় বিএনপিকে সরাসরি দায়ী করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও তাদের সমমনা ১১ দলীয় জোট। একইসঙ্গে এই ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার কঠোর সমালোচনা করে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বেলা সোয়া ১২টার দিকে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ১১ দলীয় জোটের পক্ষে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও মুখপাত্র এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এই অভিযোগ করেন। সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামী, খেলাফত মজলিস, এলডিপি, জাগপাসহ জোটের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
লিখিত বক্তব্যে এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ‘গতকাল বুধবার (২৮ জানুয়ারি) শেরপুরের ঝিনাইগাতী স্টেডিয়ামে স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে শেরপুর-৩ আসনের প্রার্থীদের ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল ও তার সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন। বিএনপি প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল ও তার সমর্থকরা দেরিতে এসে অর্ধেক আসন দাবি করেন। জামায়াত কর্মীরা আসন ছেড়ে দেওয়ার পরও বিএনপি নেতারা উসকানিমূলক আচরণ শুরু করেন এবং একপর্যায়ে সংঘর্ষ বেঁধে যায়।’
তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপি প্রার্থীর নেতৃত্বে তাঁদের নেতাকর্মীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। সংঘর্ষের একপর্যায়ে জামায়াতের শ্রীবরদী উপজেলার সেক্রেটারি রেজাউল করিমকে একা পেয়ে কুপিয়ে জখম করা হয়। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় জোটের প্রায় অর্ধশত নেতাকর্মী আহত হয়েছেন, যার মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর।
জামায়াত নেতা জুবায়ের বলেন, ‘পুরো ঘটনাপ্রবাহে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের ব্যর্থতার চিত্র স্পষ্ট। মারামারির সময় পুলিশ সহযোগিতা করলে বা সক্রিয় ভূমিকা পালন করলে এমন দুঃখজনক ঘটনা ঘটত না। পুলিশ নিষ্ক্রিয় দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে।’ তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনকে বারবার জানানো সত্ত্বেও জামায়াতের নারী কর্মী ও প্রার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।’
সংবাদ সম্মেলনে খেলাফত মজলিসের প্রতিনিধি অভিযোগ করেন, মানিকগঞ্জ-২, সিলেট-৩ এবং পটুয়াখালী-৪ আসনে তাদের প্রার্থীদের প্রচারণায় বাধা দেওয়া হচ্ছে এবং কর্মীদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। সিলেটের বিলবোর্ড ছিঁড়ে ফেলা এবং নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগও করেন তিনি।
হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে আজ দুপুর ১টায় বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ১১ দলীয় জোট। এছাড়া আজ বিকেলে শেরপুরে নিহত রেজাউল করিমের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে, সেখানে কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত থাকবেন।
সংবাদ সম্মেলন থেকে আরও বলা হয়, প্রশাসন যদি খুনিদের গ্রেপ্তারে ব্যর্থ হয় এবং সন্ত্রাসীদের নিয়ন্ত্রণ না করে, তবে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।
জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা আব্দুল হালিম, তোফাজ্জল হোসেন মিয়াজী (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস), মোহাম্মদ আমান সোবহান (এলডিপি) ও এস এম জিয়াউল আনোয়ারসহ (জাগপা) ১১ দলীয় জোটের অন্যান্য নেতারা।

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সংঘর্ষের জেরে পাশ্ববর্তী শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিম নিহতের ঘটনায় বিএনপিকে সরাসরি দায়ী করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও তাদের সমমনা ১১ দলীয় জোট। একইসঙ্গে এই ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার কঠোর সমালোচনা করে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বেলা সোয়া ১২টার দিকে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ১১ দলীয় জোটের পক্ষে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও মুখপাত্র এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এই অভিযোগ করেন। সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামী, খেলাফত মজলিস, এলডিপি, জাগপাসহ জোটের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
লিখিত বক্তব্যে এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ‘গতকাল বুধবার (২৮ জানুয়ারি) শেরপুরের ঝিনাইগাতী স্টেডিয়ামে স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে শেরপুর-৩ আসনের প্রার্থীদের ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল ও তার সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন। বিএনপি প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল ও তার সমর্থকরা দেরিতে এসে অর্ধেক আসন দাবি করেন। জামায়াত কর্মীরা আসন ছেড়ে দেওয়ার পরও বিএনপি নেতারা উসকানিমূলক আচরণ শুরু করেন এবং একপর্যায়ে সংঘর্ষ বেঁধে যায়।’
তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপি প্রার্থীর নেতৃত্বে তাঁদের নেতাকর্মীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। সংঘর্ষের একপর্যায়ে জামায়াতের শ্রীবরদী উপজেলার সেক্রেটারি রেজাউল করিমকে একা পেয়ে কুপিয়ে জখম করা হয়। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় জোটের প্রায় অর্ধশত নেতাকর্মী আহত হয়েছেন, যার মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর।
জামায়াত নেতা জুবায়ের বলেন, ‘পুরো ঘটনাপ্রবাহে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের ব্যর্থতার চিত্র স্পষ্ট। মারামারির সময় পুলিশ সহযোগিতা করলে বা সক্রিয় ভূমিকা পালন করলে এমন দুঃখজনক ঘটনা ঘটত না। পুলিশ নিষ্ক্রিয় দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে।’ তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনকে বারবার জানানো সত্ত্বেও জামায়াতের নারী কর্মী ও প্রার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।’
সংবাদ সম্মেলনে খেলাফত মজলিসের প্রতিনিধি অভিযোগ করেন, মানিকগঞ্জ-২, সিলেট-৩ এবং পটুয়াখালী-৪ আসনে তাদের প্রার্থীদের প্রচারণায় বাধা দেওয়া হচ্ছে এবং কর্মীদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। সিলেটের বিলবোর্ড ছিঁড়ে ফেলা এবং নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগও করেন তিনি।
হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে আজ দুপুর ১টায় বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ১১ দলীয় জোট। এছাড়া আজ বিকেলে শেরপুরে নিহত রেজাউল করিমের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে, সেখানে কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত থাকবেন।
সংবাদ সম্মেলন থেকে আরও বলা হয়, প্রশাসন যদি খুনিদের গ্রেপ্তারে ব্যর্থ হয় এবং সন্ত্রাসীদের নিয়ন্ত্রণ না করে, তবে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।
জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা আব্দুল হালিম, তোফাজ্জল হোসেন মিয়াজী (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস), মোহাম্মদ আমান সোবহান (এলডিপি) ও এস এম জিয়াউল আনোয়ারসহ (জাগপা) ১১ দলীয় জোটের অন্যান্য নেতারা।

জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিয়েছেন শতাধিক নেতাকর্মী। আজ শুক্রবার (৮ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর বাংলামোটরে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাঁরা এনসিপিতে যোগ দেন বলে জানান দলটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম।
৩ ঘণ্টা আগে
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্বে থাকা তরুণদের দল জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) বইছে মিশ্র হাওয়া। একদিকে দলের কেন্দ্রীয় পর্যায়ে একের পর এক যোগ দিচ্ছেন আলোচিত ও পরিচিত মুখ। অন্যদিকে দল ছাড়ছেন তৃণমূলের নেতাকর্মী
১৯ ঘণ্টা আগে
পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের পর মুসলমান এবং বিভিন্ন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন হচ্ছে। এটার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়বে। এ জন্য আরও বেশি দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানিয়েছেন বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
২০ ঘণ্টা আগে
জুলাই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন এবং দেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকট সমাধানের দাবিতে ‘জনতার সংসদ’ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে গণবিপ্লবী উদ্যোগ।
২১ ঘণ্টা আগে