স্ট্রিম প্রতিবেদক

রাজধানীর হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজে অনুষ্ঠিত পিঠা উৎসবে ঢাকা-৮ আসনের ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ ও হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে।
গতকাল মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কলেজ প্রশাসন, প্রত্যক্ষদর্শী এবং রাজনৈতিক পক্ষগুলোর ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য উঠে এসেছে। হামলার জন্য বিএনপি প্রার্থী মির্জা আব্বাসের কর্মী-সমর্থকদের দায়ী করেছেন ও জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রধান সমন্বয়ক পাটওয়ারী।
অন্যদিকে, ছাত্রদল নেতারা একে ‘সাজানো নাটক’ ও ‘রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের চেষ্টা’ বলে দাবি করেছেন।
কলেজ কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট জানিয়েছে, পিঠা উৎসবে কোনো রাজনৈতিক অতিথিকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। কলেজের প্রশাসনিক কো-অর্ডিনেটর ফেরদৌস হাসান স্ট্রিমকে বলেন, ‘অফিসিয়ালি গতকাল আমাদের কলেজের পিঠা উৎসবে কোনো রাজনৈতিক অতিথি আমন্ত্রিত ছিলেন না। তবে উৎসব হিসেবে যে কেউ চাইলে আসতেই পারেন, সেটা প্রার্থী হলেও। কিন্তু প্রার্থী এসে প্রচারণা চালাতে পারেন না।’
ঘটনার বর্ণনা করতে গিয়ে কলেজের অধ্যক্ষ অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল ইমরুল কায়েস গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা স্টল পরিদর্শন করছিলাম। হঠাৎ দেখি গেটের মাঝে প্রচণ্ড ভিড়। অনেকগুলো লোক, ক্যামেরাম্যান নিয়ে একসঙ্গে ঢোকার চেষ্টা করছে। তখন দেখি ঢাকা-৮ আসনের এক প্রার্থী, যার সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত পরিচয় নেই। উনি আসবেন সে বিষয়ে আমাকে কেউ অবহিতও করেনি। জানলে আমরা নিশ্চয়ই আগে থেকে ব্যবস্থা গ্রহণ করতাম।’
প্রশাসন আমন্ত্রণের বিষয়টি অস্বীকার করলেও গতকাল ঘটনার পর সংবাদ সম্মেলনে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী দাবি করেন, তাঁকে দুপুর ১২টায় এবং বিএনপি প্রার্থী মির্জা আব্বাসকে দুপুর ২টায় আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে কে বা কারা তাঁকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট কিছু বলেননি।
আবার মির্জা আব্বাস গতকাল সংবাদমাধ্যমের কাছে দাবি করেছেন, তাঁর সেখানে যাওয়ার কথা ছিল বিকেল ৫টায়। তবে তাঁকে সেখানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল কিনা তা তিনি স্পষ্ট করেননি।
এদিকে, কলেজের প্রধান ফটকের সামনের চা দোকানদার মো. রাসেল মোল্লা স্ট্রিমকে বলেন, ‘সকালে এসেই জানতে পারি যে কলেজে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আসবেন। এটা সকাল থেকেই আমি এবং আশপাশের অনেকেই জানত।’
রাসেল মোল্লা আরও জানান, পাটওয়ারী সদলবলে ঢোকার ঠিক ১০ মিনিট পরেই ভেতরে হট্টগোলের শব্দ শোনা জানা যায়। পরে শোনা যায় তাঁর ওপর ডিম নিক্ষেপ হয়েছে।
ঘটনার পর এনসিপি আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অভিযোগ করেন, তাঁরা শান্তিপূর্ণ প্রচারণার উদ্দেশ্যে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানে তাদের ওপর ইট-পাটকেল ও ডিম নিক্ষেপ করা হয়।
তিনি বলেন, ‘পুলিশের উপস্থিতিতেই আমাদের ভাইদের ওপর উপর্যুপরি কিল, ঘুসি ও লাথি মারা হয়েছে। নারী সদস্যদের ওপর বরফ নিক্ষেপ করা হয়েছে, যাতে একজনের মাথায় চারটি সেলাই লেগেছে।’
হামলার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বিএনপি প্রার্থী মির্জা আব্বাসের ভাগনে আদিত্যের নাম উল্লেখ করেন। এছাড়া তিনি হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান মাসুদ, সাবেক আহ্বায়ক সদস্য শাহিন উদ্দিন মল্লিক এবং সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শরিফ সরাসরি হামলায় নেতৃত্ব দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন।
তিনি বলেন, ‘মির্জা আব্বাস তার ভাগনে আদিত্যের মাধ্যমে সন্ত্রাসী ভাড়া করে এই হামলা চালিয়েছেন।’
পাটওয়ারীর অভিযোগ অস্বীকার করে ঘটনার ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন কলেজ ছাত্রদলের সদস্য সচিব দাবি করা আসাদুজ্জামান মাসুদ। তিনি দাবি করেন, ‘এটি কোনো পরিকল্পিত হামলা নয়; বরং বহিরাগতদের আচরণের কারণেই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।’
মাসুদ বলেন, ‘কলেজ কর্তৃপক্ষ সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল। এমন সময় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী প্রায় ৪০-৫০ জন লোক নিয়ে কলেজ গেটে প্রবেশ করতে চাইলে আমি বাধা দিই। আমি তাকে বলি, “আপনি চাইলে দুই-একজন নিয়ে আসেন, কিন্তু এত বহিরাগত লোক নিয়ে ঢুকলে ক্যাম্পাসে বিশৃঙ্খলা হতে পারে।”’
মাসুদের ভাষ্যমতে, গেটে কথোপকথনের সময় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী মির্জা আব্বাসকে ‘গ্যাংস্টার’ সম্বোধন করেন এবং জুলাই আন্দোলন ও কলেজের শহীদ শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহর প্রসঙ্গ তোলেন।
তিনি অভিযোগ করেন, ‘এ সময় পাটওয়ারীর সঙ্গে থাকা লোকজন হট্টগোল শুরু করে এবং ধাক্কাধাক্কির একপর্যায়ে কলেজের মঞ্চের ব্যাকড্রপ ভেঙে ফেলে।’
ডিম নিক্ষেপের বিষয়ে মাসুদ দাবি করেন, ‘এই ডিম সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরাই ছুড়েছে। আমি তখনও উনার পাশেই ছিলাম, যেন বড় কোনো অপ্রীতিকর কিছু না ঘটে। ওনাদের ঢাকা-৮ এ কোনো ভোট নেই। ভোটের মাঠে দেউলিয়া হয়েই তাঁরা এই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করে মির্জা আব্বাসকে ব্লেম করে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চায়।’
ঘটনাটিকে অনাকাঙ্ক্ষিত উল্লেখ করে কলেজের বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকিউলার বায়োলজি বিভাগের শিক্ষার্থী আরাফাত হোসেন বলেন, ‘গতকাল যা ঘটেছে তা কাম্য নয়। একটা লোক আসতেই পারেন, তাই বলে তাকে ডিম নিক্ষেপ ঠিক হয়নি। তাকে আমন্ত্রণ না জানানো হলে প্রশাসন সেটা বুঝিয়ে বলতে পারত।’
এদিকে, হামলার প্রতিবাদে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘যদি আমাদের প্রার্থীদের ওপর আঘাত আসে, তাহলে পাল্টা আঘাত আসবে।’
প্রসঙ্গত, ঢাকা-৮ আসনটি রাজধানীর মতিঝিল, পল্টন ও শাহজাহানপুর এলাকা নিয়ে গঠিত। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এই আসনে বিভিন্ন দলের প্রার্থীদের প্রচারণা চলছে। হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজ এই নির্বাচনি এলাকার একটি প্রতিষ্ঠান। পিঠা উৎসবের মতো একটি অরাজনৈতিক অনুষ্ঠানে এমন হট্টগোল এবং প্রার্থীর ওপর হামলার ঘটনা পাল্টাপাল্টি অভিযোগ দেওয়া হচ্ছে।

রাজধানীর হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজে অনুষ্ঠিত পিঠা উৎসবে ঢাকা-৮ আসনের ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ ও হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে।
গতকাল মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কলেজ প্রশাসন, প্রত্যক্ষদর্শী এবং রাজনৈতিক পক্ষগুলোর ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য উঠে এসেছে। হামলার জন্য বিএনপি প্রার্থী মির্জা আব্বাসের কর্মী-সমর্থকদের দায়ী করেছেন ও জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রধান সমন্বয়ক পাটওয়ারী।
অন্যদিকে, ছাত্রদল নেতারা একে ‘সাজানো নাটক’ ও ‘রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের চেষ্টা’ বলে দাবি করেছেন।
কলেজ কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট জানিয়েছে, পিঠা উৎসবে কোনো রাজনৈতিক অতিথিকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। কলেজের প্রশাসনিক কো-অর্ডিনেটর ফেরদৌস হাসান স্ট্রিমকে বলেন, ‘অফিসিয়ালি গতকাল আমাদের কলেজের পিঠা উৎসবে কোনো রাজনৈতিক অতিথি আমন্ত্রিত ছিলেন না। তবে উৎসব হিসেবে যে কেউ চাইলে আসতেই পারেন, সেটা প্রার্থী হলেও। কিন্তু প্রার্থী এসে প্রচারণা চালাতে পারেন না।’
ঘটনার বর্ণনা করতে গিয়ে কলেজের অধ্যক্ষ অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল ইমরুল কায়েস গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা স্টল পরিদর্শন করছিলাম। হঠাৎ দেখি গেটের মাঝে প্রচণ্ড ভিড়। অনেকগুলো লোক, ক্যামেরাম্যান নিয়ে একসঙ্গে ঢোকার চেষ্টা করছে। তখন দেখি ঢাকা-৮ আসনের এক প্রার্থী, যার সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত পরিচয় নেই। উনি আসবেন সে বিষয়ে আমাকে কেউ অবহিতও করেনি। জানলে আমরা নিশ্চয়ই আগে থেকে ব্যবস্থা গ্রহণ করতাম।’
প্রশাসন আমন্ত্রণের বিষয়টি অস্বীকার করলেও গতকাল ঘটনার পর সংবাদ সম্মেলনে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী দাবি করেন, তাঁকে দুপুর ১২টায় এবং বিএনপি প্রার্থী মির্জা আব্বাসকে দুপুর ২টায় আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে কে বা কারা তাঁকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট কিছু বলেননি।
আবার মির্জা আব্বাস গতকাল সংবাদমাধ্যমের কাছে দাবি করেছেন, তাঁর সেখানে যাওয়ার কথা ছিল বিকেল ৫টায়। তবে তাঁকে সেখানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল কিনা তা তিনি স্পষ্ট করেননি।
এদিকে, কলেজের প্রধান ফটকের সামনের চা দোকানদার মো. রাসেল মোল্লা স্ট্রিমকে বলেন, ‘সকালে এসেই জানতে পারি যে কলেজে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আসবেন। এটা সকাল থেকেই আমি এবং আশপাশের অনেকেই জানত।’
রাসেল মোল্লা আরও জানান, পাটওয়ারী সদলবলে ঢোকার ঠিক ১০ মিনিট পরেই ভেতরে হট্টগোলের শব্দ শোনা জানা যায়। পরে শোনা যায় তাঁর ওপর ডিম নিক্ষেপ হয়েছে।
ঘটনার পর এনসিপি আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অভিযোগ করেন, তাঁরা শান্তিপূর্ণ প্রচারণার উদ্দেশ্যে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানে তাদের ওপর ইট-পাটকেল ও ডিম নিক্ষেপ করা হয়।
তিনি বলেন, ‘পুলিশের উপস্থিতিতেই আমাদের ভাইদের ওপর উপর্যুপরি কিল, ঘুসি ও লাথি মারা হয়েছে। নারী সদস্যদের ওপর বরফ নিক্ষেপ করা হয়েছে, যাতে একজনের মাথায় চারটি সেলাই লেগেছে।’
হামলার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বিএনপি প্রার্থী মির্জা আব্বাসের ভাগনে আদিত্যের নাম উল্লেখ করেন। এছাড়া তিনি হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান মাসুদ, সাবেক আহ্বায়ক সদস্য শাহিন উদ্দিন মল্লিক এবং সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শরিফ সরাসরি হামলায় নেতৃত্ব দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন।
তিনি বলেন, ‘মির্জা আব্বাস তার ভাগনে আদিত্যের মাধ্যমে সন্ত্রাসী ভাড়া করে এই হামলা চালিয়েছেন।’
পাটওয়ারীর অভিযোগ অস্বীকার করে ঘটনার ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন কলেজ ছাত্রদলের সদস্য সচিব দাবি করা আসাদুজ্জামান মাসুদ। তিনি দাবি করেন, ‘এটি কোনো পরিকল্পিত হামলা নয়; বরং বহিরাগতদের আচরণের কারণেই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।’
মাসুদ বলেন, ‘কলেজ কর্তৃপক্ষ সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল। এমন সময় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী প্রায় ৪০-৫০ জন লোক নিয়ে কলেজ গেটে প্রবেশ করতে চাইলে আমি বাধা দিই। আমি তাকে বলি, “আপনি চাইলে দুই-একজন নিয়ে আসেন, কিন্তু এত বহিরাগত লোক নিয়ে ঢুকলে ক্যাম্পাসে বিশৃঙ্খলা হতে পারে।”’
মাসুদের ভাষ্যমতে, গেটে কথোপকথনের সময় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী মির্জা আব্বাসকে ‘গ্যাংস্টার’ সম্বোধন করেন এবং জুলাই আন্দোলন ও কলেজের শহীদ শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহর প্রসঙ্গ তোলেন।
তিনি অভিযোগ করেন, ‘এ সময় পাটওয়ারীর সঙ্গে থাকা লোকজন হট্টগোল শুরু করে এবং ধাক্কাধাক্কির একপর্যায়ে কলেজের মঞ্চের ব্যাকড্রপ ভেঙে ফেলে।’
ডিম নিক্ষেপের বিষয়ে মাসুদ দাবি করেন, ‘এই ডিম সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরাই ছুড়েছে। আমি তখনও উনার পাশেই ছিলাম, যেন বড় কোনো অপ্রীতিকর কিছু না ঘটে। ওনাদের ঢাকা-৮ এ কোনো ভোট নেই। ভোটের মাঠে দেউলিয়া হয়েই তাঁরা এই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করে মির্জা আব্বাসকে ব্লেম করে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চায়।’
ঘটনাটিকে অনাকাঙ্ক্ষিত উল্লেখ করে কলেজের বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকিউলার বায়োলজি বিভাগের শিক্ষার্থী আরাফাত হোসেন বলেন, ‘গতকাল যা ঘটেছে তা কাম্য নয়। একটা লোক আসতেই পারেন, তাই বলে তাকে ডিম নিক্ষেপ ঠিক হয়নি। তাকে আমন্ত্রণ না জানানো হলে প্রশাসন সেটা বুঝিয়ে বলতে পারত।’
এদিকে, হামলার প্রতিবাদে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘যদি আমাদের প্রার্থীদের ওপর আঘাত আসে, তাহলে পাল্টা আঘাত আসবে।’
প্রসঙ্গত, ঢাকা-৮ আসনটি রাজধানীর মতিঝিল, পল্টন ও শাহজাহানপুর এলাকা নিয়ে গঠিত। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এই আসনে বিভিন্ন দলের প্রার্থীদের প্রচারণা চলছে। হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজ এই নির্বাচনি এলাকার একটি প্রতিষ্ঠান। পিঠা উৎসবের মতো একটি অরাজনৈতিক অনুষ্ঠানে এমন হট্টগোল এবং প্রার্থীর ওপর হামলার ঘটনা পাল্টাপাল্টি অভিযোগ দেওয়া হচ্ছে।

দেশের ৪২টি জেলা পরিষদে দলীয় ব্যক্তিদের প্রশাসক নিয়োগের প্রতিবাদ জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। রোববার (১৫ মার্চ) এক বিবৃতিতে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এই নিয়োগকে ষড়যন্ত্র বলে আখ্যা দেন।
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের আগে নিজের দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগ দেন অন্তত সাত নেতা। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) গ্যাঁড়াকলে পড়ে তাঁরা ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করেন। এখন এসব নেতার বেশির ভাগ বিএনপি ছাড়তে চান না।
২০ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদের নতুন সাউন্ড সিস্টেম ও হেডফোন ঘিরে লুটপাটের অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী। তিনি বলেন, লুটপাট বাহিনী একটা বিল করে খাওয়ার জন্য এ ব্যবস্থাটা করেছে।
১ দিন আগে
ক্ষমতাসীন বিএনপির সদস্যরা এই পরিষদের আইনি অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। অন্যদিকে, বিরোধী দলের সদস্যরা বিষয়টি নিয়ে সরকারের নীরবতার সমালোচনা করেছেন।
১ দিন আগে