সালেহ ফুয়াদ

আগামীকাল মঙ্গলবার চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করতে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দল। তবে কোনো কারণে ওই দিন সম্ভব না হলে পরেরদিন যৌথ প্রার্থী ঘোষণার কথা জানিয়েছেন জোটের একাধিক নেতা। নির্বাচনী সমঝোতায় ১১ দলের সঙ্গে আর কোনো দল যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনাকে নাকচ করে দিয়েছেন তারা। আসন সমঝোতা নিয়ে অসন্তোষ থেকে ইসলামী আন্দোলনের থাকা না থাকা নিয়ে সংশয় থাকলেও শেষ পর্যন্ত দলটি দ্বিতীয় বৃহৎ শরিক হিসেবে ১১ দলে থাকছে বলে দলীয় সূত্র নিশ্চিত করেছে।
জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ছাড়া ১১ দলে শরিক হিসেবে রয়েছে, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস, নেজামে ইসলাম পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি, এবি পার্টি ও এলডিপি।
আজ সোমবার দুপুরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ও ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ইভারস আইজাবস জামায়াত আমিরের সঙ্গে তাঁর কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এরপর প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান জানান, মঙ্গলবার বা পরদিন বুধবার ১১ দলের চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করা হবে।
এর আগে আজ সোমবার সকালে স্ট্রিমকে একই তথ্য জানিয়েছেন দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। স্ট্রিমকে তিনি বলেন, ‘যেকোনো সময় এখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়ে যাবে। কালকে (মঙ্গলবার) ১১ দলের শীর্ষ নেতারা বসবেন। উনাদের কাছে প্রস্তাবগুলো পেশ করা হবে। ফাইনাল হলে তখনই ঘোষণা দিয়ে দেবেন।’ তবে শীর্ষ নেতারা কখন কোথায় বসবেন তা সকাল পর্যন্ত ঠিক হয়নি বলে জানান তিনি।
১১ দলে আরও একাধিক দল যুক্ত হওয়ার যে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল তা নাকচ করে দিয়েছেন অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। তিনি জানান, ১১ দলের লিয়াঁজো কমিটি এ নিয়ে কাজ করছে। তাঁরা গ্রিন সিগন্যাল দিলেই শীর্ষ নেতারা বৈঠকে বসবেন। সেখান থেকেই আসবে চূড়ান্ত ঘোষণা। তিনি স্ট্রিমকে এ-ও জানান, ১১ দলে অন্যতম শরিক হিসেবে চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশও থাকছে।
১১ দলের সঙ্গে থাকার কথা জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা ইউনুস আহমদ। স্ট্রিমকে তিনি বলেন, ‘আগামীকাল শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক এবং এরপর চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণার কথা জেনেছি। কিন্তু এখনও স্পষ্ট না, কখন, কোথায় বৈঠক হবে, সেখানে কারা কারা থাকবেন।’
ফোনে যোগাযোগ করা হলে এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদিব স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমাদের ১১ দলীয় জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করার কথা ছিল আজ। আলোচনায় চূড়ান্ত না হওয়ায় আজকে ঘোষণা হয়নি। আগামীকাল (মঙ্গলবার) হতে পারে।’
১১ দলে জোট শরিক বাড়তে পারে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বাড়ার সম্ভাবনা কম। বাংলাদেশ লেবার পার্টির যুক্ত হওয়ার কথা ছিল; আপাতত হচ্ছে না।’
মঙ্গলবার শরিক দলগুলোর শীর্ষ নেতাদের বৈঠকের কথা নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের সাংগঠনিক সম্পাদক সুলতান মহিউদ্দিন। তিনি স্ট্রিমকে বলেন, আগামীকালের (মঙ্গলবার) বৈঠকের কথা আমাদের জানানো হয়েছে।
তবে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ স্ট্রিমকে বলেন, ‘আসন সমঝোতা এখনও চূড়ান্তই হয় নাই। কালকে ঘোষণা কীভাবে হবে, আমার বোধগম্য হচ্ছে না।’ যদিও সমঝোতার আলোচনা একেবারেই শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদেরও একই রকম মন্তব্য করেছেন। স্ট্রিমকে তিনি জানিয়েছেন, মঙ্গলবার শীর্ষ নেতাদের বৈঠকের ব্যাপারটি এখনও তাঁর জানা নেই। তবে আজ সোমবার রাতেই একটি বৈঠক রয়েছে। সেখান থেকে বিস্তারিত জানতে পারবেন বলে জানান তিনি।
মঙ্গলবারের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকের কথা জানা নেই বলে স্ট্রিমকে জানিয়েছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। তিনি বলেন, ‘এখনও কোনো কিছু কনফার্ম হয় নাই। বৈঠকের কথা আমাদের এখনও জানায় নাই।’
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস, নেজামে ইসলাম পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি—এই আট দল শুরুতে প্রায় অভিন্ন কয়েকটি দাবিতে যুগপৎ আন্দোলনে একমত হয়। তারা সংস্কার কার্যক্রম নিয়ে ঐকমত্য কমিশনে আলোচনার পাশাপাশি পাঁচ দফা দাবিতে মাঠে নামে। সবশেষ গত ডিসেম্বরে এক ব্যানারে বিভাগীয় সমাবেশ করে দলগুলো। এর ভেতর নির্বাচনী জোট তৈরির আলোচনা চলতে থাকে। কিন্তু জামায়াতের সঙ্গে কওমিধারার দলগুলোর আদর্শিক বিরোধ থাকায় জোটের চিন্তা বাদ দিয়ে সমঝোতার সিদ্ধান্ত হয়। কাউকে জোট নেতা মনোনীত না করে স্ব স্ব দলীয় প্রতীকে নির্বাচন এবং সমঝোতা অনুযায়ী একটি আসনে একটি দলের প্রার্থী রাখার সিদ্ধান্ত হয়।
এই পরিকল্পনামাফিক সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা নিয়ে দলগুলোর ভেতর কয়েক দফা আলোচনা হয়। চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা তৈরি নিয়ে গত ৮ ডিসেম্বর খেলাফত মজলিসের কার্যালয়ে আট দলের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই দিন থেকে আসন সমঝোতা নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা চলতে থাকে। তবে ২৯ ডিসেম্বর মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ চলে গেলেও চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা দিতে পারেনি দলগুলো।
এর ভেতর ২৮ ডিসেম্বর জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান আট দলের শরিকদের নিয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাবে জরুরি সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে তিনি জানান, তাদের সঙ্গে এনসিপি এবং কর্নেল (অব.) অলি আহমদের নেতৃত্বাধীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টিও (এলডিপি) নির্বাচনী সমঝোতায় যুক্ত হয়েছে। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়াই তাঁদের সঙ্গে যোগ দেয় এবি পার্টিও। সব মিলিয়ে দলের সংখ্যা দাঁড়ায় ১১। এর সঙ্গে বাংলাদেশ লেবার পার্টিসহ আরো একটি দলের যুক্ত হওয়ার গুঞ্জন শোনা গেলেও সেটি শেষ পর্যন্ত হচ্ছে না।
প্রার্থী ঘোষণার দেরির কারণ জানতে চাইলে চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা ইউনুস আহমদ স্ট্রিমকে জানান, আসন নিয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছতে না পারাই প্রধান কারণ। আর মাওলানা মামুনুল হকের দল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ স্ট্রিমকে বলেন, ‘আলোচনা শেষ পর্যায়ে আছে, কিন্তু এখন যা নিয়ে আটকে আছি তা হলো, কোন দল কয়টি আসন আসলে পাবে বা নিবে তা নিয়ে আমরা ঘুরপাক খাচ্ছি। এটা চূড়ান্ত হলেই সমঝোতার যেটুকু বাকি আছে তা পুষিয়ে যাবে।’
দল ১১টি হলেও আসন নিয়ে সমস্যা মূলত কয়েকটির। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন, এনসিপি ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস—এই চার দলে আসন জটিলতা রয়েছে। এটি কাটাতে প্রতিদিনই দ্বিদলীয় বৈঠক হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শরিক দলের নেতারা। গত শনিবার দিনভর ইসলামী আন্দোলনেও কার্যালয়ে চরমোনাই পীরের সঙ্গে এ নিয়ে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।

আগামীকাল মঙ্গলবার চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করতে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দল। তবে কোনো কারণে ওই দিন সম্ভব না হলে পরেরদিন যৌথ প্রার্থী ঘোষণার কথা জানিয়েছেন জোটের একাধিক নেতা। নির্বাচনী সমঝোতায় ১১ দলের সঙ্গে আর কোনো দল যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনাকে নাকচ করে দিয়েছেন তারা। আসন সমঝোতা নিয়ে অসন্তোষ থেকে ইসলামী আন্দোলনের থাকা না থাকা নিয়ে সংশয় থাকলেও শেষ পর্যন্ত দলটি দ্বিতীয় বৃহৎ শরিক হিসেবে ১১ দলে থাকছে বলে দলীয় সূত্র নিশ্চিত করেছে।
জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ছাড়া ১১ দলে শরিক হিসেবে রয়েছে, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস, নেজামে ইসলাম পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি, এবি পার্টি ও এলডিপি।
আজ সোমবার দুপুরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ও ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ইভারস আইজাবস জামায়াত আমিরের সঙ্গে তাঁর কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এরপর প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান জানান, মঙ্গলবার বা পরদিন বুধবার ১১ দলের চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করা হবে।
এর আগে আজ সোমবার সকালে স্ট্রিমকে একই তথ্য জানিয়েছেন দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। স্ট্রিমকে তিনি বলেন, ‘যেকোনো সময় এখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়ে যাবে। কালকে (মঙ্গলবার) ১১ দলের শীর্ষ নেতারা বসবেন। উনাদের কাছে প্রস্তাবগুলো পেশ করা হবে। ফাইনাল হলে তখনই ঘোষণা দিয়ে দেবেন।’ তবে শীর্ষ নেতারা কখন কোথায় বসবেন তা সকাল পর্যন্ত ঠিক হয়নি বলে জানান তিনি।
১১ দলে আরও একাধিক দল যুক্ত হওয়ার যে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল তা নাকচ করে দিয়েছেন অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। তিনি জানান, ১১ দলের লিয়াঁজো কমিটি এ নিয়ে কাজ করছে। তাঁরা গ্রিন সিগন্যাল দিলেই শীর্ষ নেতারা বৈঠকে বসবেন। সেখান থেকেই আসবে চূড়ান্ত ঘোষণা। তিনি স্ট্রিমকে এ-ও জানান, ১১ দলে অন্যতম শরিক হিসেবে চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশও থাকছে।
১১ দলের সঙ্গে থাকার কথা জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা ইউনুস আহমদ। স্ট্রিমকে তিনি বলেন, ‘আগামীকাল শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক এবং এরপর চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণার কথা জেনেছি। কিন্তু এখনও স্পষ্ট না, কখন, কোথায় বৈঠক হবে, সেখানে কারা কারা থাকবেন।’
ফোনে যোগাযোগ করা হলে এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদিব স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমাদের ১১ দলীয় জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করার কথা ছিল আজ। আলোচনায় চূড়ান্ত না হওয়ায় আজকে ঘোষণা হয়নি। আগামীকাল (মঙ্গলবার) হতে পারে।’
১১ দলে জোট শরিক বাড়তে পারে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বাড়ার সম্ভাবনা কম। বাংলাদেশ লেবার পার্টির যুক্ত হওয়ার কথা ছিল; আপাতত হচ্ছে না।’
মঙ্গলবার শরিক দলগুলোর শীর্ষ নেতাদের বৈঠকের কথা নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের সাংগঠনিক সম্পাদক সুলতান মহিউদ্দিন। তিনি স্ট্রিমকে বলেন, আগামীকালের (মঙ্গলবার) বৈঠকের কথা আমাদের জানানো হয়েছে।
তবে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ স্ট্রিমকে বলেন, ‘আসন সমঝোতা এখনও চূড়ান্তই হয় নাই। কালকে ঘোষণা কীভাবে হবে, আমার বোধগম্য হচ্ছে না।’ যদিও সমঝোতার আলোচনা একেবারেই শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদেরও একই রকম মন্তব্য করেছেন। স্ট্রিমকে তিনি জানিয়েছেন, মঙ্গলবার শীর্ষ নেতাদের বৈঠকের ব্যাপারটি এখনও তাঁর জানা নেই। তবে আজ সোমবার রাতেই একটি বৈঠক রয়েছে। সেখান থেকে বিস্তারিত জানতে পারবেন বলে জানান তিনি।
মঙ্গলবারের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকের কথা জানা নেই বলে স্ট্রিমকে জানিয়েছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। তিনি বলেন, ‘এখনও কোনো কিছু কনফার্ম হয় নাই। বৈঠকের কথা আমাদের এখনও জানায় নাই।’
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস, নেজামে ইসলাম পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি—এই আট দল শুরুতে প্রায় অভিন্ন কয়েকটি দাবিতে যুগপৎ আন্দোলনে একমত হয়। তারা সংস্কার কার্যক্রম নিয়ে ঐকমত্য কমিশনে আলোচনার পাশাপাশি পাঁচ দফা দাবিতে মাঠে নামে। সবশেষ গত ডিসেম্বরে এক ব্যানারে বিভাগীয় সমাবেশ করে দলগুলো। এর ভেতর নির্বাচনী জোট তৈরির আলোচনা চলতে থাকে। কিন্তু জামায়াতের সঙ্গে কওমিধারার দলগুলোর আদর্শিক বিরোধ থাকায় জোটের চিন্তা বাদ দিয়ে সমঝোতার সিদ্ধান্ত হয়। কাউকে জোট নেতা মনোনীত না করে স্ব স্ব দলীয় প্রতীকে নির্বাচন এবং সমঝোতা অনুযায়ী একটি আসনে একটি দলের প্রার্থী রাখার সিদ্ধান্ত হয়।
এই পরিকল্পনামাফিক সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা নিয়ে দলগুলোর ভেতর কয়েক দফা আলোচনা হয়। চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা তৈরি নিয়ে গত ৮ ডিসেম্বর খেলাফত মজলিসের কার্যালয়ে আট দলের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই দিন থেকে আসন সমঝোতা নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা চলতে থাকে। তবে ২৯ ডিসেম্বর মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ চলে গেলেও চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা দিতে পারেনি দলগুলো।
এর ভেতর ২৮ ডিসেম্বর জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান আট দলের শরিকদের নিয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাবে জরুরি সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে তিনি জানান, তাদের সঙ্গে এনসিপি এবং কর্নেল (অব.) অলি আহমদের নেতৃত্বাধীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টিও (এলডিপি) নির্বাচনী সমঝোতায় যুক্ত হয়েছে। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়াই তাঁদের সঙ্গে যোগ দেয় এবি পার্টিও। সব মিলিয়ে দলের সংখ্যা দাঁড়ায় ১১। এর সঙ্গে বাংলাদেশ লেবার পার্টিসহ আরো একটি দলের যুক্ত হওয়ার গুঞ্জন শোনা গেলেও সেটি শেষ পর্যন্ত হচ্ছে না।
প্রার্থী ঘোষণার দেরির কারণ জানতে চাইলে চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা ইউনুস আহমদ স্ট্রিমকে জানান, আসন নিয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছতে না পারাই প্রধান কারণ। আর মাওলানা মামুনুল হকের দল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ স্ট্রিমকে বলেন, ‘আলোচনা শেষ পর্যায়ে আছে, কিন্তু এখন যা নিয়ে আটকে আছি তা হলো, কোন দল কয়টি আসন আসলে পাবে বা নিবে তা নিয়ে আমরা ঘুরপাক খাচ্ছি। এটা চূড়ান্ত হলেই সমঝোতার যেটুকু বাকি আছে তা পুষিয়ে যাবে।’
দল ১১টি হলেও আসন নিয়ে সমস্যা মূলত কয়েকটির। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন, এনসিপি ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস—এই চার দলে আসন জটিলতা রয়েছে। এটি কাটাতে প্রতিদিনই দ্বিদলীয় বৈঠক হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শরিক দলের নেতারা। গত শনিবার দিনভর ইসলামী আন্দোলনেও কার্যালয়ে চরমোনাই পীরের সঙ্গে এ নিয়ে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।

কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভার সাবেক মেয়র ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলমগীর চৌধুরীর বাবার জানাজায় অংশ নেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, ‘পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে শান্তিপূর্ণ সমাজ বিনির্মাণ হবে।’
১ ঘণ্টা আগে
পঞ্চগড়-১ (সদর, তেঁতুলিয়া ও আটোয়ারী) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার মুহাম্মদ নওশাদ জমির এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী সারজিস আলম।
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকের সঙ্গে একান্ত বৈঠক করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহবায়ক নাহিদ ইসলাম। সোমবার (১২ জানুয়ারি) মোহাম্মদপুরে খেলাফত মজলিসের আমিরের ব্যক্তিগত কার্যালয়ে এ বৈঠক হয়।
২ ঘণ্টা আগে
বিগত নির্বাচনে যাঁরা শামীম হায়দার পাটোয়ারীর সঙ্গে ছিলেন, তাঁদের অনেককেই এখন এলাকায় খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাঁর আসন দুটিতে প্রচার-প্রচারণায় কে প্রতিনিধিত্ব করছেন, তা এখনো অস্পষ্ট।
৩ ঘণ্টা আগে