স্ট্রিম প্রতিবেদক

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আগামীতে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেলে চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেট কঠোর হস্তে দমন করা হবে। আমরা কথা দিচ্ছি, ৯০ ভাগ চাঁদাবাজের হাত অবশ হয়ে যাবে। বাকি ১০ ভাগ যারা থাকবে, তাদের বুঝিয়ে ঠিক করা হবে। না বুঝলে যা করা দরকার তাই করা হবে। চাঁদাবাজ কার ভাই বা সন্তান, তা দেখা হবে না।’
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের ঢাকা-১২ আসনের মনোনীত প্রার্থী জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলনের সমর্থনে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতিচারণ করে জামায়াত আমির বলেন, ‘রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে বুক পেতে দিয়ে আবু সাঈদ বলেছিল, বুকের ভেতরে তুমুল ঝড়, বুক পেতেছি গুলি কর। সে জীবন দিয়ে এ দেশবাসীর কাছে আমানত রেখে গেছে। জুলাই বিপ্লবের নেতৃত্ব ছিল যুবসমাজের হাতে।’
যুবসমাজকে দেশ গড়ার কারিগর আখ্যায়িত করে শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা যুবকদের হাতে বেকার ভাতা তুলে দিয়ে অপমানিত করব না, বরং তাদের দক্ষ হাত হিসেবে গড়ে তুলব। বাংলাদেশ নামের উড়োজাহাজের ক্যাপ্টেনের সিটে থাকবে যুবকরা, আর আমরা থাকব প্যাসেঞ্জারের সিটে। মাদক ও অস্ত্রবাজি থেকে যুবকদের মুক্ত করে সম্মানের কাজ তুলে দেওয়া হবে।’
কৃষক ও ভোক্তার দুর্দশার কথা উল্লেখ করে শফিকুর রহমান বলেন, ‘কৃষক তার পণ্যের ন্যায্যমূল্য পায় না, অথচ ঢাকায় আসতে আসতে সেই পণ্যের দাম তিন-চার গুণ হয়ে যায়। এর মূল কারণ সিন্ডিকেট ও চাঁদাবাজি। পথে পথে চাঁদার কারণে পরিবহন মালিক ও ব্যবসায়ীরা অতিষ্ঠ। আমরা কথা দিচ্ছি, শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নয়, চাঁদাবাজি বন্ধে আমরাও মাঠে নামব।’
জামায়াত আমির নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের জবাবদিহির অঙ্গীকার করে বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামী থেকে যারা নির্বাচিত হবেন, তারা বছরে একবার নিজের এবং পরিবারের সম্পদের হিসাব জনগণের সামনে তুলে ধরতে বাধ্য থাকবেন। জনগণ তাদের অধিকার বুঝে নেবে।’
জামায়াত আমির শফিকুর রহমান দলের সাবেক দুই মন্ত্রী মতিউর রহমান নিজামী ও আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের কাজ তুলে ধরে বলেন, ‘তারা দায়িত্বে থাকাকালে শত্রুরাও তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আনতে পারেনি। আমরা সততার সেই নজির স্থাপন করতে চাই।’
সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি জানিয়ে শফিকুর রহমান প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনকে সতর্ক করে বলেন, ‘আপনারা বলছেন ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ নির্বাচন উপহার দেবেন, কিন্তু জনগণ এখনো আশ্বস্ত হতে পারেনি। গায়ের জোরে বা পুরনো কায়দায় নির্বাচন নিজের অনুকূলে নেওয়ার চেষ্টা করলে যুবসমাজ তা মেনে নেবে না। জীবন দেব, কিন্তু জনগণের অধিকার কেড়ে নিতে দেব না।’
সমাবেশ শেষে জামায়াত আমির ঢাকা-১২ আসনে জোটের প্রার্থী সাইফুল আলম খান মিলনের হাতে দলীয় প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’ তুলে দেন এবং উপস্থিত জনতার কাছে ভোট ও দোয়া প্রার্থনা করেন।

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আগামীতে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেলে চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেট কঠোর হস্তে দমন করা হবে। আমরা কথা দিচ্ছি, ৯০ ভাগ চাঁদাবাজের হাত অবশ হয়ে যাবে। বাকি ১০ ভাগ যারা থাকবে, তাদের বুঝিয়ে ঠিক করা হবে। না বুঝলে যা করা দরকার তাই করা হবে। চাঁদাবাজ কার ভাই বা সন্তান, তা দেখা হবে না।’
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের ঢাকা-১২ আসনের মনোনীত প্রার্থী জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলনের সমর্থনে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতিচারণ করে জামায়াত আমির বলেন, ‘রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে বুক পেতে দিয়ে আবু সাঈদ বলেছিল, বুকের ভেতরে তুমুল ঝড়, বুক পেতেছি গুলি কর। সে জীবন দিয়ে এ দেশবাসীর কাছে আমানত রেখে গেছে। জুলাই বিপ্লবের নেতৃত্ব ছিল যুবসমাজের হাতে।’
যুবসমাজকে দেশ গড়ার কারিগর আখ্যায়িত করে শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা যুবকদের হাতে বেকার ভাতা তুলে দিয়ে অপমানিত করব না, বরং তাদের দক্ষ হাত হিসেবে গড়ে তুলব। বাংলাদেশ নামের উড়োজাহাজের ক্যাপ্টেনের সিটে থাকবে যুবকরা, আর আমরা থাকব প্যাসেঞ্জারের সিটে। মাদক ও অস্ত্রবাজি থেকে যুবকদের মুক্ত করে সম্মানের কাজ তুলে দেওয়া হবে।’
কৃষক ও ভোক্তার দুর্দশার কথা উল্লেখ করে শফিকুর রহমান বলেন, ‘কৃষক তার পণ্যের ন্যায্যমূল্য পায় না, অথচ ঢাকায় আসতে আসতে সেই পণ্যের দাম তিন-চার গুণ হয়ে যায়। এর মূল কারণ সিন্ডিকেট ও চাঁদাবাজি। পথে পথে চাঁদার কারণে পরিবহন মালিক ও ব্যবসায়ীরা অতিষ্ঠ। আমরা কথা দিচ্ছি, শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নয়, চাঁদাবাজি বন্ধে আমরাও মাঠে নামব।’
জামায়াত আমির নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের জবাবদিহির অঙ্গীকার করে বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামী থেকে যারা নির্বাচিত হবেন, তারা বছরে একবার নিজের এবং পরিবারের সম্পদের হিসাব জনগণের সামনে তুলে ধরতে বাধ্য থাকবেন। জনগণ তাদের অধিকার বুঝে নেবে।’
জামায়াত আমির শফিকুর রহমান দলের সাবেক দুই মন্ত্রী মতিউর রহমান নিজামী ও আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের কাজ তুলে ধরে বলেন, ‘তারা দায়িত্বে থাকাকালে শত্রুরাও তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আনতে পারেনি। আমরা সততার সেই নজির স্থাপন করতে চাই।’
সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি জানিয়ে শফিকুর রহমান প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনকে সতর্ক করে বলেন, ‘আপনারা বলছেন ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ নির্বাচন উপহার দেবেন, কিন্তু জনগণ এখনো আশ্বস্ত হতে পারেনি। গায়ের জোরে বা পুরনো কায়দায় নির্বাচন নিজের অনুকূলে নেওয়ার চেষ্টা করলে যুবসমাজ তা মেনে নেবে না। জীবন দেব, কিন্তু জনগণের অধিকার কেড়ে নিতে দেব না।’
সমাবেশ শেষে জামায়াত আমির ঢাকা-১২ আসনে জোটের প্রার্থী সাইফুল আলম খান মিলনের হাতে দলীয় প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’ তুলে দেন এবং উপস্থিত জনতার কাছে ভোট ও দোয়া প্রার্থনা করেন।

দেশের ৪২টি জেলা পরিষদে দলীয় ব্যক্তিদের প্রশাসক নিয়োগের প্রতিবাদ জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। রোববার (১৫ মার্চ) এক বিবৃতিতে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এই নিয়োগকে ষড়যন্ত্র বলে আখ্যা দেন।
২৮ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের আগে নিজের দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগ দেন অন্তত সাত নেতা। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) গ্যাঁড়াকলে পড়ে তাঁরা ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করেন। এখন এসব নেতার বেশির ভাগ বিএনপি ছাড়তে চান না।
১৯ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদের নতুন সাউন্ড সিস্টেম ও হেডফোন ঘিরে লুটপাটের অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী। তিনি বলেন, লুটপাট বাহিনী একটা বিল করে খাওয়ার জন্য এ ব্যবস্থাটা করেছে।
১ দিন আগে
ক্ষমতাসীন বিএনপির সদস্যরা এই পরিষদের আইনি অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। অন্যদিকে, বিরোধী দলের সদস্যরা বিষয়টি নিয়ে সরকারের নীরবতার সমালোচনা করেছেন।
১ দিন আগে