স্ট্রিম প্রতিবেদক

অন্তর্বর্তী সরকার বিদায় নেওয়ার আগমুহূর্তে যেসব বৈদেশিক চুক্তি করেছে, সেগুলো পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো ও নাগরিক প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। তিনি মন্তব্য করেন, এসব চুক্তি কেবল যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বা বন্দর ব্যবহারের জন্য হয়নি, বরং আমাদের অগোচরে আরও অনেক ক্ষেত্রে হয়ে থাকতে পারে।
আজ বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মহাখালীতে ব্র্যাক সেন্টার ইনে আয়োজিত ‘নতুন সরকারের সূচনাবিন্দু: অর্থনৈতিক পর্যালোচনা’ শীর্ষক এক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, বিগত সরকার যাওয়ার আগে বিভিন্ন ধরনের চুক্তি করেছে। সেসব বৈদেশিক চুক্তি কেবল যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হয়নি, শুধুমাত্র আমাদের বন্দর দিয়ে দেওয়ার জন্যও হয়নি। আরও অন্যান্য ক্ষেত্রে হয়েছে, যেগুলো হয়ত আমরা অবহিত না। এই সব বৈদেশিক চুক্তিগুলো আবার পুনর্বিবেচনা করা উচিত।
তিনি আরও বলেন, নতুন সরকারের ওপর কী ধরনের দায়-দায়িত্ব বর্তাবে, তা বোঝার জন্য চুক্তিগুলো খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। যেহেতু এলডিসি গ্রাজুয়েশন বা স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের বিষয়টি পুনর্মূল্যায়নে সরকার রাজি আছে, তাই বিগত দিনের চুক্তিগুলোকেও এই পুনর্বিবেচনার আওতায় নিয়ে আসা উচিত বলে আমরা মনে করি।
সরকার পরিবর্তনের এই সময়ে একটি ‘ট্রানজিশন টিম’ বা ‘উত্তরণকালীন দল’ গঠনের প্রস্তাব দেন এই অর্থনীতিবিদ। তিনি বলেন, এক সরকার থেকে আরেক সরকারে যাওয়ার সময় আগের সরকার কী রেখে যাচ্ছে, কী দিয়ে যাচ্ছে এবং নতুন সরকার কী চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবে—তা স্বচ্ছতার সঙ্গে মূল্যায়ন করা জরুরি।
তিনি বিগত সরকারের কার্যক্রমের ‘ময়নাতদন্ত’ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই দল প্রত্যেকটি মন্ত্রণালয়ের জন্য আলাদা ‘ব্রিফিং ডকুমেন্টস’ তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে দায়-দেনা পরিস্থিতি এবং বিগত সরকার যেসব ক্রয় চুক্তি করে গেছে, সেগুলোতে কোনো নিয়ম-নীতির ব্যত্যয় ঘটেছে কি না, তা ট্রানজিশন টিমের মাধ্যমে গভীরভাবে পর্যালোচনা করা উচিত।
বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে সরকারকে সতর্ক করে দেবপ্রিয় বলেন, এই মুহূর্তে কোনো জনতুষ্টিবাদী পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ নেই, বরং সংযম দেখাতে হবে। সরকার যদি আর্থিক ব্যবস্থাপনায় কৃচ্ছ্র না দেখায়, তবে আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি থেকে শুরু করে অন্যান্য সংকটগুলো প্রকট আকার ধারণ করবে। তিনি উল্লেখ করেন, নিরঙ্কুশ বিজয়ের মাধ্যমে আসা নতুন সরকার রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে যথেষ্ট সামর্থ্যবান।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডির অতিরিক্ত পরিচালক (গবেষণা) তৌফিকুল ইসলাম খান। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান।

অন্তর্বর্তী সরকার বিদায় নেওয়ার আগমুহূর্তে যেসব বৈদেশিক চুক্তি করেছে, সেগুলো পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো ও নাগরিক প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। তিনি মন্তব্য করেন, এসব চুক্তি কেবল যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বা বন্দর ব্যবহারের জন্য হয়নি, বরং আমাদের অগোচরে আরও অনেক ক্ষেত্রে হয়ে থাকতে পারে।
আজ বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মহাখালীতে ব্র্যাক সেন্টার ইনে আয়োজিত ‘নতুন সরকারের সূচনাবিন্দু: অর্থনৈতিক পর্যালোচনা’ শীর্ষক এক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, বিগত সরকার যাওয়ার আগে বিভিন্ন ধরনের চুক্তি করেছে। সেসব বৈদেশিক চুক্তি কেবল যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হয়নি, শুধুমাত্র আমাদের বন্দর দিয়ে দেওয়ার জন্যও হয়নি। আরও অন্যান্য ক্ষেত্রে হয়েছে, যেগুলো হয়ত আমরা অবহিত না। এই সব বৈদেশিক চুক্তিগুলো আবার পুনর্বিবেচনা করা উচিত।
তিনি আরও বলেন, নতুন সরকারের ওপর কী ধরনের দায়-দায়িত্ব বর্তাবে, তা বোঝার জন্য চুক্তিগুলো খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। যেহেতু এলডিসি গ্রাজুয়েশন বা স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের বিষয়টি পুনর্মূল্যায়নে সরকার রাজি আছে, তাই বিগত দিনের চুক্তিগুলোকেও এই পুনর্বিবেচনার আওতায় নিয়ে আসা উচিত বলে আমরা মনে করি।
সরকার পরিবর্তনের এই সময়ে একটি ‘ট্রানজিশন টিম’ বা ‘উত্তরণকালীন দল’ গঠনের প্রস্তাব দেন এই অর্থনীতিবিদ। তিনি বলেন, এক সরকার থেকে আরেক সরকারে যাওয়ার সময় আগের সরকার কী রেখে যাচ্ছে, কী দিয়ে যাচ্ছে এবং নতুন সরকার কী চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবে—তা স্বচ্ছতার সঙ্গে মূল্যায়ন করা জরুরি।
তিনি বিগত সরকারের কার্যক্রমের ‘ময়নাতদন্ত’ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই দল প্রত্যেকটি মন্ত্রণালয়ের জন্য আলাদা ‘ব্রিফিং ডকুমেন্টস’ তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে দায়-দেনা পরিস্থিতি এবং বিগত সরকার যেসব ক্রয় চুক্তি করে গেছে, সেগুলোতে কোনো নিয়ম-নীতির ব্যত্যয় ঘটেছে কি না, তা ট্রানজিশন টিমের মাধ্যমে গভীরভাবে পর্যালোচনা করা উচিত।
বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে সরকারকে সতর্ক করে দেবপ্রিয় বলেন, এই মুহূর্তে কোনো জনতুষ্টিবাদী পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ নেই, বরং সংযম দেখাতে হবে। সরকার যদি আর্থিক ব্যবস্থাপনায় কৃচ্ছ্র না দেখায়, তবে আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি থেকে শুরু করে অন্যান্য সংকটগুলো প্রকট আকার ধারণ করবে। তিনি উল্লেখ করেন, নিরঙ্কুশ বিজয়ের মাধ্যমে আসা নতুন সরকার রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে যথেষ্ট সামর্থ্যবান।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডির অতিরিক্ত পরিচালক (গবেষণা) তৌফিকুল ইসলাম খান। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান।
.png)

সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিট থেকে জাতীয় গ্রিডে দিনে প্রায় ১১০ মিলিয়ন ঘনফুট হিসেবে রিগ্যাসিফায়েড লিকুইফায়েড ন্যাচারাল গ্যাস (আরএলএনজি) সরবরাহ শুরু হয়েছে। ধীরে ধীরে চাপ বাড়িয়ে রাত ২টার মধ্যে পূর্ণ সক্ষমতায় গ্যাস সরবরাহ সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
১৪ আগস্ট ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের নেভাদার লাস ভেগাসে অনুষ্ঠিত ফ্যাশন সোর্সিং ট্রেড ফেয়ারে বৈশ্বিক ক্রেতা ও তৈরি পোশাক শিল্পের অংশীদারদের নজর কেড়েছে বাংলাদেশের প্যাভিলিয়ন। গত ১০ থেকে ১২ আগস্ট অনুষ্ঠিত ‘সোর্সিং অ্যাট ম্যাজিক ২০২৬’ শিরোনামে অনুষ্ঠিত এ মেলায় নিজেদের সক্ষমতা ও পণ্যের বৈচিত্র্য তুলে ধরেছে বাংলাদেশ।
১৩ আগস্ট ২০২৬
সরকারি কাজে পুনঃচক্রায়িত কাগজ-কলম ব্যবহারে গুরুত্ব দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) এনবিআরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
১২ আগস্ট ২০২৬
ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইয়াসীন আলীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) তাঁকে ট্রেনিং একাডেমিতে সংযুক্ত করেছে।
১২ আগস্ট ২০২৬