বাংলা স্ট্রিম

রোমান ক্যাথলিকদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা পোপ নির্বাচনের দিন গোনা শুরু হয়েছে। বহু বছরের পুরনো রীতিতে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয় সঙ্গোপনে। সিএনএন, বিবিস ঘেঁটে জানাচ্ছেন হেমায়েত হোসেন
সোমবার (২৮ এপ্রিল) ক্যাথলিকেরা নতুন পোপ নির্বাচনের জন্য কার্ডিনাল সম্মেলন (পোপ কনক্লেভ) শুরুর দিনক্ষণ হিসেবে ৭ মে চূড়ান্ত করেছেন। গেল শনিবার পোপ ফ্রান্সিসের শেষকৃত্যের পর প্রথম দিনের অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে কার্ডিনালেরা কনক্লেভের জন্য ৫ মে দিনক্ষণ নির্ধারণ করলেও পরে তা দুদিন পিছিয়ে দেওয়া হয়। যাতে গোপন ভোট দেওয়ার আগে একে অপরকে আরও ভালোভাবে জানার সুযোগ পান এবং প্রার্থীর বিষয়ে ঐকমত্য খুঁজে পেতে সহায়ক হয়।
শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে পুরো বিশ্বের কাছে পোপ নামে পরিচিত ক্যাথলিক চার্চের এই নেতা নির্বাচিত হন একটি অত্যন্ত গোপন সমাবেশের মাধ্যমে; যাকে ‘কনক্লেভ’ বলা হয়। লাতিন ভাষায় কনক্লেভের অর্থ ‘চাবি দিয়ে বন্ধ’। নামের মধ্যেই আছে এর গুরুত্ব, কারণ বাস্তবিক অর্থেই কার্ডিনালদের নতুন পোপ নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত তালাবদ্ধ করে রাখা হয়।
সিএনএনের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরবর্তী পোপ নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কার্ডিনালরা একটি জটিল প্রক্রিয়া অনুসরণ করেন, যার শিকড় মধ্যযুগে প্রোথিত। আজ আমরা যে রীতিনীতিগুলো দেখি, সেগুলো যুগে যুগে বিভিন্ন পোপ দ্বারা সংশোধিত হয়েছে।
বর্তমানে কার্ডিনালেরা যেসব আধুনিক নিয়মাবলী অনুসরণ করেন, তার বেশিরভাগই জন পল দ্বিতীয় কর্তৃক ১৯৯৬ সালের ‘উনিভের্সি ডোমিনিসি গ্রেগিস’ নামক অ্যাপোস্টলিক সংবিধানে সংস্কার করা হয়েছিল। যার কিছু অতিরিক্ত সংযোজন করেছিলেন বেনেডিক্ট ষোড়শ।
৯০টিরও বেশি দেশে প্রায় ২৫০ জনের বেশি কার্ডিনাল আছেন, কিন্তু মাত্র ১৩৫ জন নির্বাচক কার্ডিনাল (৮০ বছরের বেশি বয়সীদের বাদ দেওয়া হয়)। এই নির্বাচক কার্ডিনালদের মধ্যে প্রায় ১১০ জনকে পোপ ফ্রান্সিস গত ১০ বছরে নির্বাচিত করেছেন।
কার্ডিনালরা সাধারণত পোপের মৃত্যুর ১৫-২০ দিন পর রোমে জড়ো হন এবং সিস্টিন চ্যাপেলে মাইকেলেঞ্জেলোর চিত্রিত মহিমান্বিত ছাদের নীচে আলোচনা শুরু করেন।
‘এক্সট্রা ওমনেস’ (সবাই বেরিয়ে যান) শব্দগুলো ঘোষণা করার পর, শুধুমাত্র ভোটিং কার্ডিনাল, কর্মকর্তা ও ডাক্তারদের ছাড়া সবাইকে বের করে দিয়ে দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়।
কার্ডিনালরা গোপনীয়তার শপথ নেন এবং নির্বাচন প্রক্রিয়া চলাকালীন বাইরের বিশ্বের সাথে কোনো যোগাযোগের অনুমতি পান না। তাদের ফোনগুলো সরিয়ে ফেলা হয়, এবং কোনো সংবাদপত্র, টেলিভিশন, চিঠি বা বার্তা অনুমোদিত নয়। কনক্লেভের আগে এবং চলাকালীন চ্যাপেলট থেকে সকল প্রকার শ্রবণ যন্ত্র সড়িয়ে ফেলা হয়।
দ্য গার্ডিয়ানের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, কনক্লেভ শুরু হয় গণ উদযাপনের মাধ্যমে। তারপর আলোচনা এবং ভোটিং শুরু হয়। প্রতিদিন সকাল ও বিকেলে ভোট নেওয়া হয়, যতক্ষণ না একজন প্রার্থী দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেন।
প্রতি সাত ব্যালটের পরে প্রার্থনা ও চিন্তার জন্য এক দিনের বিরতি দেওয়া হয়।
সাম্প্রতিক ইতিহাসে দীর্ঘতম কনক্লেভ ছিল ১৯২২ সালে, যখন নতুন পোপ নির্বাচন করতে পাঁচ দিন সময় লেগেছিল।
যেকোনো ব্যাপ্টাইজড পুরুষ পোপ হিসেবে নির্বাচিত হতে পারেন, যদিও সাধারণত একজন কার্ডিনালকেই বেছে নেওয়া হয়। প্রতিটি নির্বাচককে একটি ব্যালট কার্ড দেওয়া হয়, যার উপরে লেখা থাকে "ইলিগো ইন সামমুম পন্টিফিসেম" (আমি সর্বোচ্চ পন্টিফ হিসেবে নির্বাচন করছি)। যেখানে তারা তাদের পছন্দের নাম লিখে, কার্ডটি ভাঁজ করে একটি ক্যালিক্সে ফেলে দেন।
ব্যালট গোপন, কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে প্রক্রিয়াটি দলগত কোন্দল, ষড়যন্ত্র এবং লবিং থেকে মুক্ত।
প্রতিটি ভোটিং রাউন্ডের পরে, ব্যালট কার্ডগুলি পোড়ানো হয়। রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করে ধোঁয়া কালো বা সাদা করা হয়।
৬০ ফুট চিমনি থেকে কালো ধোঁয়া বের হলে তা নির্দেশ করে যে ব্যালট অমীমাংসিত; সাদা ধোঁয়া বিশ্বকে জানিয়ে দেয় যে একজন নতুন পোপ নির্বাচিত হয়েছেন।
সফল প্রার্থীকে জিজ্ঞাসা করা হয় যে তিনি নির্বাচন গ্রহণ করেন কিনা এবং যদি তাই হয়, তবে তিনি পোপ হিসেবে কোন নাম নিতে চান। কার্ডিনালরা নতুন পোপের আনুগত্যের অঙ্গীকার করেন, যাকে পাশের ‘রুম অব টিয়ার্স’-এ নিয়ে যাওয়া হয় সাদা ক্যাসক এবং স্কাল ক্যাপ এবং লাল স্লিপার পরার জন্য।
ভ্যাটিকান টেইলররা আগে থেকেই তিনটি ভিন্ন সাইজের পোশাক তৈরি করে রাখেন।
কার্ডিনালদের ডিন সেন্ট পিটার্স ব্যাসিলিকার প্রধান বারান্দায় উঠে দাঁড়ান, যার সামনে হাজার হাজার ক্যাথলিক ভক্ত এবং পর্যটক জড়ো হন। ডিন ঘোষণা করবেন: ‘আনুন্তিও ভোবিস গাউদিয়াম ম্যাগনাম: হ্যাবেমাস পাপাম’—‘আমি তোমাদের কাছে একটি মহান আনন্দের ঘোষণা করছি: আমাদের একজন পোপ আছেন।’
পোপ হিসেবে ১২ বছর দায়িত্ব পালনের পর মৃত্যু হয় ফ্রান্সিসের। ক্যাথলিক চার্চের নতুন নেতা কে হবেন, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। ১৩৯ কোটি ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা এই পোপ।

রোমান ক্যাথলিকদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা পোপ নির্বাচনের দিন গোনা শুরু হয়েছে। বহু বছরের পুরনো রীতিতে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয় সঙ্গোপনে। সিএনএন, বিবিস ঘেঁটে জানাচ্ছেন হেমায়েত হোসেন
সোমবার (২৮ এপ্রিল) ক্যাথলিকেরা নতুন পোপ নির্বাচনের জন্য কার্ডিনাল সম্মেলন (পোপ কনক্লেভ) শুরুর দিনক্ষণ হিসেবে ৭ মে চূড়ান্ত করেছেন। গেল শনিবার পোপ ফ্রান্সিসের শেষকৃত্যের পর প্রথম দিনের অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে কার্ডিনালেরা কনক্লেভের জন্য ৫ মে দিনক্ষণ নির্ধারণ করলেও পরে তা দুদিন পিছিয়ে দেওয়া হয়। যাতে গোপন ভোট দেওয়ার আগে একে অপরকে আরও ভালোভাবে জানার সুযোগ পান এবং প্রার্থীর বিষয়ে ঐকমত্য খুঁজে পেতে সহায়ক হয়।
শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে পুরো বিশ্বের কাছে পোপ নামে পরিচিত ক্যাথলিক চার্চের এই নেতা নির্বাচিত হন একটি অত্যন্ত গোপন সমাবেশের মাধ্যমে; যাকে ‘কনক্লেভ’ বলা হয়। লাতিন ভাষায় কনক্লেভের অর্থ ‘চাবি দিয়ে বন্ধ’। নামের মধ্যেই আছে এর গুরুত্ব, কারণ বাস্তবিক অর্থেই কার্ডিনালদের নতুন পোপ নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত তালাবদ্ধ করে রাখা হয়।
সিএনএনের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরবর্তী পোপ নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কার্ডিনালরা একটি জটিল প্রক্রিয়া অনুসরণ করেন, যার শিকড় মধ্যযুগে প্রোথিত। আজ আমরা যে রীতিনীতিগুলো দেখি, সেগুলো যুগে যুগে বিভিন্ন পোপ দ্বারা সংশোধিত হয়েছে।
বর্তমানে কার্ডিনালেরা যেসব আধুনিক নিয়মাবলী অনুসরণ করেন, তার বেশিরভাগই জন পল দ্বিতীয় কর্তৃক ১৯৯৬ সালের ‘উনিভের্সি ডোমিনিসি গ্রেগিস’ নামক অ্যাপোস্টলিক সংবিধানে সংস্কার করা হয়েছিল। যার কিছু অতিরিক্ত সংযোজন করেছিলেন বেনেডিক্ট ষোড়শ।
৯০টিরও বেশি দেশে প্রায় ২৫০ জনের বেশি কার্ডিনাল আছেন, কিন্তু মাত্র ১৩৫ জন নির্বাচক কার্ডিনাল (৮০ বছরের বেশি বয়সীদের বাদ দেওয়া হয়)। এই নির্বাচক কার্ডিনালদের মধ্যে প্রায় ১১০ জনকে পোপ ফ্রান্সিস গত ১০ বছরে নির্বাচিত করেছেন।
কার্ডিনালরা সাধারণত পোপের মৃত্যুর ১৫-২০ দিন পর রোমে জড়ো হন এবং সিস্টিন চ্যাপেলে মাইকেলেঞ্জেলোর চিত্রিত মহিমান্বিত ছাদের নীচে আলোচনা শুরু করেন।
‘এক্সট্রা ওমনেস’ (সবাই বেরিয়ে যান) শব্দগুলো ঘোষণা করার পর, শুধুমাত্র ভোটিং কার্ডিনাল, কর্মকর্তা ও ডাক্তারদের ছাড়া সবাইকে বের করে দিয়ে দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়।
কার্ডিনালরা গোপনীয়তার শপথ নেন এবং নির্বাচন প্রক্রিয়া চলাকালীন বাইরের বিশ্বের সাথে কোনো যোগাযোগের অনুমতি পান না। তাদের ফোনগুলো সরিয়ে ফেলা হয়, এবং কোনো সংবাদপত্র, টেলিভিশন, চিঠি বা বার্তা অনুমোদিত নয়। কনক্লেভের আগে এবং চলাকালীন চ্যাপেলট থেকে সকল প্রকার শ্রবণ যন্ত্র সড়িয়ে ফেলা হয়।
দ্য গার্ডিয়ানের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, কনক্লেভ শুরু হয় গণ উদযাপনের মাধ্যমে। তারপর আলোচনা এবং ভোটিং শুরু হয়। প্রতিদিন সকাল ও বিকেলে ভোট নেওয়া হয়, যতক্ষণ না একজন প্রার্থী দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেন।
প্রতি সাত ব্যালটের পরে প্রার্থনা ও চিন্তার জন্য এক দিনের বিরতি দেওয়া হয়।
সাম্প্রতিক ইতিহাসে দীর্ঘতম কনক্লেভ ছিল ১৯২২ সালে, যখন নতুন পোপ নির্বাচন করতে পাঁচ দিন সময় লেগেছিল।
যেকোনো ব্যাপ্টাইজড পুরুষ পোপ হিসেবে নির্বাচিত হতে পারেন, যদিও সাধারণত একজন কার্ডিনালকেই বেছে নেওয়া হয়। প্রতিটি নির্বাচককে একটি ব্যালট কার্ড দেওয়া হয়, যার উপরে লেখা থাকে "ইলিগো ইন সামমুম পন্টিফিসেম" (আমি সর্বোচ্চ পন্টিফ হিসেবে নির্বাচন করছি)। যেখানে তারা তাদের পছন্দের নাম লিখে, কার্ডটি ভাঁজ করে একটি ক্যালিক্সে ফেলে দেন।
ব্যালট গোপন, কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে প্রক্রিয়াটি দলগত কোন্দল, ষড়যন্ত্র এবং লবিং থেকে মুক্ত।
প্রতিটি ভোটিং রাউন্ডের পরে, ব্যালট কার্ডগুলি পোড়ানো হয়। রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করে ধোঁয়া কালো বা সাদা করা হয়।
৬০ ফুট চিমনি থেকে কালো ধোঁয়া বের হলে তা নির্দেশ করে যে ব্যালট অমীমাংসিত; সাদা ধোঁয়া বিশ্বকে জানিয়ে দেয় যে একজন নতুন পোপ নির্বাচিত হয়েছেন।
সফল প্রার্থীকে জিজ্ঞাসা করা হয় যে তিনি নির্বাচন গ্রহণ করেন কিনা এবং যদি তাই হয়, তবে তিনি পোপ হিসেবে কোন নাম নিতে চান। কার্ডিনালরা নতুন পোপের আনুগত্যের অঙ্গীকার করেন, যাকে পাশের ‘রুম অব টিয়ার্স’-এ নিয়ে যাওয়া হয় সাদা ক্যাসক এবং স্কাল ক্যাপ এবং লাল স্লিপার পরার জন্য।
ভ্যাটিকান টেইলররা আগে থেকেই তিনটি ভিন্ন সাইজের পোশাক তৈরি করে রাখেন।
কার্ডিনালদের ডিন সেন্ট পিটার্স ব্যাসিলিকার প্রধান বারান্দায় উঠে দাঁড়ান, যার সামনে হাজার হাজার ক্যাথলিক ভক্ত এবং পর্যটক জড়ো হন। ডিন ঘোষণা করবেন: ‘আনুন্তিও ভোবিস গাউদিয়াম ম্যাগনাম: হ্যাবেমাস পাপাম’—‘আমি তোমাদের কাছে একটি মহান আনন্দের ঘোষণা করছি: আমাদের একজন পোপ আছেন।’
পোপ হিসেবে ১২ বছর দায়িত্ব পালনের পর মৃত্যু হয় ফ্রান্সিসের। ক্যাথলিক চার্চের নতুন নেতা কে হবেন, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। ১৩৯ কোটি ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা এই পোপ।

আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে রেজিম চেঞ্জ ও তেলের সম্পর্ক বহুদিনের। রেজিম চেঞ্জ বলতে কোনো সরকারকে উৎখাত বা অপসারণ করা বোঝায়। এ কাজে প্রায়ই বাইরের শক্তি জড়িত থাকে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের ক্ষেত্রে এই প্রবণতা বেশি দেখা যায়।
১৬ ঘণ্টা আগে
‘জাতীয় নিরাপত্তার’ যুক্তি দেখিয়ে ট্রাম্প বারবার বলেই যাচ্ছেন, গ্রিনল্যান্ডের ওপর নিয়ন্ত্রণ চায় যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প প্রশাসন কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, গ্রিনল্যান্ড কিংবা ডেনমার্ক মানুক বা না মানুক ওই অঞ্চলের ব্যাপারে তারা কিছু একটা করবেই। অন্য দেশের প্রতিক্রিয়া নিয়ে তারা চিন্তিত নয়।
২০ ঘণ্টা আগে
ইরান আবারও অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে। দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে চলা এই প্রতিবাদ এখন শুধু রিয়ালের দরপতন বা অর্থনৈতিক কষ্টের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই।
১ দিন আগে
ভেনেজুয়েলাসহ বেশ কয়েকটি দেশের জ্বালানি তেলের পরিবহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। তাই বলে কি ব্যবসা বন্ধ থাকবে? নিশ্চয় না। ব্যবসায়ীরা এক অভিনব কৌশলের আশ্রয় নিয়েছেন। তারা একটি বিশাল জাহাজের বহরের সঙ্গে তেলবাহী জাহাজ যুক্ত করে দেয়, যেন বোঝা না যায়, কোন জাহাজে করে তেল পরিবহন করা হচ্ছে।
৩ দিন আগে