তথ্যসূত্র:

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের চলমান সংঘাতকে ‘ব্রিটেনের যুদ্ধ নয়’ বলে মন্তব্য করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। তিনি জানিয়েছেন, এই যুদ্ধে ব্রিটেনকে কোনোভাবেই টেনে নেওয়া সম্ভব হবে না। সোমবার (৩০ মার্চ) এক বিবৃতিতে তিনি সরকারের এই অনড় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
সংঘাতের কারণে সম্ভাব্য অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবিলায় সরকারের নেওয়া পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে স্টারমার বলেন, ‘এই যুদ্ধ সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। তাই আমার এবং আমার সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করা অত্যন্ত জরুরি—এই যুদ্ধ আমাদের নয় এবং আমরা এতে জড়াব না।’
যদিও ইরানে হামলার জন্য মার্কিন বাহিনীকে ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছেন স্টারমার, তবে যুদ্ধে ব্রিটেনের সরাসরি জড়ানোর বিষয়টি বারবার নাকচ করেছেন তিনি।
স্টারমার আরও বলেন, হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুর প্রচেষ্টায় ব্রিটেন তার সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে। ব্রিটিশ নাগরিকদের জীবন, জাতীয় স্বার্থ এবং অবশ্যই ওই অঞ্চলে যুক্তরাজ্যের মিত্রদের রক্ষায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে তিনি পুনরায় জোর দিয়ে বলেন য, কোনো অবস্থাতেই ব্রিটেনকে এই যুদ্ধের অংশ বানানো সম্ভব হবে না।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের চলমান সংঘাতকে ‘ব্রিটেনের যুদ্ধ নয়’ বলে মন্তব্য করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। তিনি জানিয়েছেন, এই যুদ্ধে ব্রিটেনকে কোনোভাবেই টেনে নেওয়া সম্ভব হবে না। সোমবার (৩০ মার্চ) এক বিবৃতিতে তিনি সরকারের এই অনড় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
সংঘাতের কারণে সম্ভাব্য অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবিলায় সরকারের নেওয়া পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে স্টারমার বলেন, ‘এই যুদ্ধ সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। তাই আমার এবং আমার সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করা অত্যন্ত জরুরি—এই যুদ্ধ আমাদের নয় এবং আমরা এতে জড়াব না।’
যদিও ইরানে হামলার জন্য মার্কিন বাহিনীকে ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছেন স্টারমার, তবে যুদ্ধে ব্রিটেনের সরাসরি জড়ানোর বিষয়টি বারবার নাকচ করেছেন তিনি।
স্টারমার আরও বলেন, হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুর প্রচেষ্টায় ব্রিটেন তার সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে। ব্রিটিশ নাগরিকদের জীবন, জাতীয় স্বার্থ এবং অবশ্যই ওই অঞ্চলে যুক্তরাজ্যের মিত্রদের রক্ষায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে তিনি পুনরায় জোর দিয়ে বলেন য, কোনো অবস্থাতেই ব্রিটেনকে এই যুদ্ধের অংশ বানানো সম্ভব হবে না।
.png)

যুদ্ধ পরিস্থিতি ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার বিষয় কীভাবে তুলে ধরা হবে, তা নিয়ে ইরান সরকার ও রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবির সঙ্গে বিরোধ দেখা দিয়েছে। শুক্রবার (২৫ জুলাই) সরকারি তথ্য পরিষদ আইআরআইবির বিরুদ্ধে ‘সেন্সরশিপের’ অভিযোগ তোলে।
৪ ঘণ্টা আগে
ইরানে টানা ১৫ রাতে হামলা চালানোর পর থেমেছে যুক্তরাষ্ট্র। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভাষ্য ছিল, ‘সন্তুষ্ট’ না হওয়া পর্যন্ত হামলা চালিয়ে যাওয়ার। এখন হঠাৎ হামলা বন্ধের পর কারণ নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা।
৪ ঘণ্টা আগে
কাস্পিয়ান সাগরে একটি ইরানি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। হামলায় জাহাজটির একজন নাবিক নিহত ও আরেকজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে তেহরান। এ ঘটনাকে ‘শত্রুতাপূর্ণ ও অপরাধমূলক হামলা’ হিসেবে উল্লেখ করে তেহরানে নিযুক্ত ইউক্রেনের ভারপ্রাপ্ত কূটনৈতিক প্রতিনিধিকে (চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স) তলব করেছে ইরান
৬ ঘণ্টা আগে
দ্বিতীয় দফায় পাল্টাপাল্টি হামলা শুরুর পর গত ১৫ দিনে যুক্তরাষ্ট্রের ২০০’র বেশি সেনাকে হত্যার দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ১৫টি যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার ধ্বংসের দাবিও করেছে বাহিনীটি।
৬ ঘণ্টা আগে