স্ট্রিম ডেস্ক

ইরানে চলমান বিক্ষোভে নিরাপত্তারক্ষীসহ প্রায় দুই হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে প্রথমবার দুই সপ্তাহব্যাপী দেশজুড়ে চলা সহিংস আন্দোলনে এত সংখ্যক মানুষ নিহতের বিষয়টি স্বীকার করে নিলো ইরান।
আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এক ইরানি কর্মকর্তার বরাতে এমনটাই বলছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদসংস্থা রয়টার্স। এর আগে গতকাল সোমবার (১২ জানুয়ারি) ইরান সরকার বলেছিল, বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর অন্তত ১০০ সদস্য নিহত হয়েছেন। গতাকাল সেসব সদস্যদের অনেকের দাফন করা হয়। পাশাপাশি সরকারের আহ্বানে দেশব্যাপী হাজার হাজার ইরানি বিক্ষোভও করেছেন।
এদিকে, ওই কর্মকর্তা বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তারক্ষী নিহত হওয়ার পেছনে থাকা ব্যক্তিদের সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়েছেন বলে জানিয়েছে রয়টার্স। তবে কারা নিহত হয়েছেন তা স্পষ্ট করে বলেননি এই কর্মকর্তা। তাছাড়া রয়টার্স ওই কর্মকর্তার নামও প্রকাশ করেনি। আবার এই কর্মকর্তা নিজেই নাম প্রকাশ না করতে বলেছেন কিনা তাও পরিষ্কার করেনি। প্রতিবেদনে শুধু বলা হয়েছে, ইরানি এক কর্মকর্তা নিহতের সংখ্যাটি জানিয়েছেন।
এর আগে একটি অধিকার গোষ্ঠী জানিয়েছিল, সহিংস এই আন্দোলন শত শত ব্যক্তি নিহত হয়েছে বলে শনাক্ত করেছে। এছাড়া হাজার হাজার লোক গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এদিকে, গত বৃহস্পতিবার থেকে ইরানজুড়ে ইন্টারনেট বিচ্ছিন্নের পাশাপাশি মোবাইল ও ল্যান্ড লাইন সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। তাই তথ্যপ্রবাহ ব্যাপকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
রাতে বেলা বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে নিরাপত্তারক্ষীদের সংঘর্ষের বেশ কয়েকটি ভিডিওতে দেখা গেছে, বিক্ষোভ চলাকালে গুলিবর্ষণ এবং গাড়ি ও ভবন পুড়িয়ে দেওয়ার মতো সহিংস সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। রয়টার্স জানিয়েছে, এসব ভিডিওর কয়েকটি তারা যাচাই করেছে।
ইরানের বর্তমান শাসকরা ১৯৭৯ সালে ইসলামিক বিপ্লবের পর ক্ষমতায় আসে। রয়টার্স বলছে, শাসকরা এই বিক্ষোভে দ্বিমুখী আচরণ করছে। একদিকে বলছে, অর্থনৈতিক সমস্যায় বিক্ষোভ ডাক দেওয়া বৈধ। আবার অন্যদিকে, বিক্ষোভকারীদের ওপর ব্যাপক দমন-পীড়ন চালাচ্ছে। ইরান সরকার অস্থিরতা উসকে দেওয়ার পেছনে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করছে। দেশটি বলছে, অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসীরা আন্দোলনকে ছিনিয়ে নিয়েছে।
গভীর অর্থনৈতিক সংকটকে ঘিরে গত ২৮ ডিসেম্বর রাজধানী তেহরানের গ্রান্ড বাজারে আন্দোলনের সূত্রপাত হয়। প্রথমে ব্যবসায়ীরা বিক্ষোভের ডাক দেন। পরবর্তীতে সময় যতো গড়িয়েছে বিক্ষোভ তত তীব্র হয়েছে এবং অর্থনৈতিক বিভিন্ন দাওয়া নিয়ে বিক্ষোভ সরকার পতনের দাবিতে পরিণত হয়। অন্তত তিন বছরের মধ্যে ইরান কর্তৃপক্ষ এতো তীব্র আন্দোলনের মুখে পড়েনি। আর এই বিক্ষোভের জেরে গত বছর দেশটিতে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর এখন তীব্র আন্তর্জাতিক চাপে পড়েছে।

ইরানে চলমান বিক্ষোভে নিরাপত্তারক্ষীসহ প্রায় দুই হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে প্রথমবার দুই সপ্তাহব্যাপী দেশজুড়ে চলা সহিংস আন্দোলনে এত সংখ্যক মানুষ নিহতের বিষয়টি স্বীকার করে নিলো ইরান।
আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এক ইরানি কর্মকর্তার বরাতে এমনটাই বলছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদসংস্থা রয়টার্স। এর আগে গতকাল সোমবার (১২ জানুয়ারি) ইরান সরকার বলেছিল, বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর অন্তত ১০০ সদস্য নিহত হয়েছেন। গতাকাল সেসব সদস্যদের অনেকের দাফন করা হয়। পাশাপাশি সরকারের আহ্বানে দেশব্যাপী হাজার হাজার ইরানি বিক্ষোভও করেছেন।
এদিকে, ওই কর্মকর্তা বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তারক্ষী নিহত হওয়ার পেছনে থাকা ব্যক্তিদের সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়েছেন বলে জানিয়েছে রয়টার্স। তবে কারা নিহত হয়েছেন তা স্পষ্ট করে বলেননি এই কর্মকর্তা। তাছাড়া রয়টার্স ওই কর্মকর্তার নামও প্রকাশ করেনি। আবার এই কর্মকর্তা নিজেই নাম প্রকাশ না করতে বলেছেন কিনা তাও পরিষ্কার করেনি। প্রতিবেদনে শুধু বলা হয়েছে, ইরানি এক কর্মকর্তা নিহতের সংখ্যাটি জানিয়েছেন।
এর আগে একটি অধিকার গোষ্ঠী জানিয়েছিল, সহিংস এই আন্দোলন শত শত ব্যক্তি নিহত হয়েছে বলে শনাক্ত করেছে। এছাড়া হাজার হাজার লোক গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এদিকে, গত বৃহস্পতিবার থেকে ইরানজুড়ে ইন্টারনেট বিচ্ছিন্নের পাশাপাশি মোবাইল ও ল্যান্ড লাইন সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। তাই তথ্যপ্রবাহ ব্যাপকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
রাতে বেলা বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে নিরাপত্তারক্ষীদের সংঘর্ষের বেশ কয়েকটি ভিডিওতে দেখা গেছে, বিক্ষোভ চলাকালে গুলিবর্ষণ এবং গাড়ি ও ভবন পুড়িয়ে দেওয়ার মতো সহিংস সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। রয়টার্স জানিয়েছে, এসব ভিডিওর কয়েকটি তারা যাচাই করেছে।
ইরানের বর্তমান শাসকরা ১৯৭৯ সালে ইসলামিক বিপ্লবের পর ক্ষমতায় আসে। রয়টার্স বলছে, শাসকরা এই বিক্ষোভে দ্বিমুখী আচরণ করছে। একদিকে বলছে, অর্থনৈতিক সমস্যায় বিক্ষোভ ডাক দেওয়া বৈধ। আবার অন্যদিকে, বিক্ষোভকারীদের ওপর ব্যাপক দমন-পীড়ন চালাচ্ছে। ইরান সরকার অস্থিরতা উসকে দেওয়ার পেছনে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করছে। দেশটি বলছে, অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসীরা আন্দোলনকে ছিনিয়ে নিয়েছে।
গভীর অর্থনৈতিক সংকটকে ঘিরে গত ২৮ ডিসেম্বর রাজধানী তেহরানের গ্রান্ড বাজারে আন্দোলনের সূত্রপাত হয়। প্রথমে ব্যবসায়ীরা বিক্ষোভের ডাক দেন। পরবর্তীতে সময় যতো গড়িয়েছে বিক্ষোভ তত তীব্র হয়েছে এবং অর্থনৈতিক বিভিন্ন দাওয়া নিয়ে বিক্ষোভ সরকার পতনের দাবিতে পরিণত হয়। অন্তত তিন বছরের মধ্যে ইরান কর্তৃপক্ষ এতো তীব্র আন্দোলনের মুখে পড়েনি। আর এই বিক্ষোভের জেরে গত বছর দেশটিতে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর এখন তীব্র আন্তর্জাতিক চাপে পড়েছে।

ইরানে বিক্ষোভ চলছে। তবে এই বিক্ষোভে নেতা নেই। আবার কোনো সংগঠনও নেই এই বিক্ষোভের পেছনে। তাই চলমান বিক্ষোভ কতদিন চলবে সে ব্যাপারে সংশয় প্রকাশ করেছেন বিশ্লেষকরা।
১ ঘণ্টা আগে
বিক্ষোভকারীদের ওপর নির্বিচার দমন-পীড়নের অভিযোগে ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সব ধরনের বৈঠক বাতিল ঘোষণা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি ইরানি নাগরিকদের উদ্দেশে বার্তা দিয়েছেন—‘সাহায্য আসছে।’
১ ঘণ্টা আগে
ইলন মাস্কের গ্রোক এআই চ্যাটবট ব্যবহার করে সম্মতি ছাড়াই মানুষের অন্তরঙ্গ ছবি তৈরির ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাজ্য। প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার সতর্ক করেছেন, এক্স যদি এটি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে, তবে তারা ‘স্বনিয়ন্ত্রণের অধিকার হারাতে পারে’।
৪ ঘণ্টা আগে
শান্তিতে নোবেল জয়ী পাকিস্তানের নাগরিক মালালা ইউসুফজাই ইরানের সরকারবিরোধী আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে