স্ট্রিম ডেস্ক

ইরানের চলমান সহিংস বিক্ষোভ ঘিরে নাগরিকদের সরিয়ে নিচ্ছে পশ্চিমা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া তাদের নাগরিকদের দেশে ফেরার নির্দেশ দিয়েছে। আর ফ্রান্স চলতি সপ্তাহের শুরুতে তাদের দূতাবাসের অতিরিক্ত কর্মীদের দেশে ফিরিয়ে নিয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ইরান বিক্ষোভ নিয়ে দেওয়া লাইভ আপডেটে এই তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
আজ ইরানের ভার্চুয়াল দূতাবাস থেকে জারি করা এক সতর্কবার্তায় যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, ইরানজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার এবং বিক্ষোভ পরিস্থিতি অবনতি হয়েছে। তাই দেশটিতে থাকা মার্কিন নাগরিকদের অবিলম্বে ইরান ত্যাগের আহ্বান জানানো হচ্ছে।
সতর্কবার্তায় যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, বিক্ষোভ পরিস্থিতি আরও জোরদার হয়েছে এবং তা সহিংস হয়ে উঠতে পারে। এতে অনেকে আটক ও আহত হতে পারেন। ইরানজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে, গণপরিবহন ব্যাহত হচ্ছে এবং ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, এখই ইরান ত্যাগ করেন। ইরান ত্যাগ করতে এমন পরিকল্পনা নিন যাতে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের ওপর নির্ভর করতে না হয়।
সতর্কবার্তায় আরও বলা হয়, ইরানি সরকার মোবাইল, ল্যান্ডফোন এবং দেশব্যাপী ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করে রেখেছে। অন্যদিকে বিমান সংস্থাগুলো দেশটি থেকে ফ্লাইট পরিচালনা সীমিত বা বাতিল করেছে। অনেক সংস্থা আবার শুক্রবার পর্যন্ত তাদের সেবা স্থগিত করেছে। যারা ইরান ছাড়তে সক্ষম তাদেরকে সড়কপথে আর্মেনিয়া বা তুরস্ক হয়ে ছাড়ার জন্য পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
সতর্কবার্তায় আরও বলা হয়, আমেরিকানরা জিজ্ঞাসাবাদ, আটক এবং কারাদন্ডের গুরুতর ঝুঁকির মুখে রয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের পাসপোর্ট দেখানো বা দেশটির সঙ্গে কোনো সংযোগ আছে জানানোই আটকের জন্য যথেষ্ট।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের পরপরই অস্ট্রেলিয়ার এক সিনেটর তাঁর দেশের নাগরিকদের ইরান ছাড়ার আহ্বান জানিয়েছেন। সিনেটর পেনি ওং অস্টেলিয়ান নাগরিকদের সহিংস আন্দোলনে উত্তেজনা বৃদ্ধি এবং যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলার হুমকির মধ্যে তাঁর দেশের নাগরিকদের ইরান ছাড়ার আহ্বান জানান।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে তিনি বলেন, ইরানে আমাদের সেবা প্রদানের সক্ষমতা খুবই সীমিত। এখনো কোনো অস্ট্রেলিয়ান ইরানে থাকলে বাণিজ্যিকভাবে বিকল্প সুযোগ বিদ্যমান থাকার মধ্যেই এখনই দেশটি ছাড়ার আহ্বান জানাই।
অন্যদিকে, ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, দেশটি তেহরানের দূতাবাস ঢেলে সাজাচ্ছে। কারণ চলতি সপ্তাহের শুরুতেই দূতাবাসের প্রয়োজনে অতিরিক্ত কর্মীকে দেশে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
বার্তাসংস্থা এজেন্সি ফ্রান্স প্রেসের (এএফপি) এক খবরে বলা হয়েছে, বিক্ষোভ চলায় গত রোব ও সোমবার ফ্রান্স দূতাবাসের কিছু কর্মী ইরান ত্যাগ করেছে। তবে রাষ্ট্রদূত এখনো ইরানে অবস্থান করছেন এবং দূতাবাসও তার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলে ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন।

ইরানের চলমান সহিংস বিক্ষোভ ঘিরে নাগরিকদের সরিয়ে নিচ্ছে পশ্চিমা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া তাদের নাগরিকদের দেশে ফেরার নির্দেশ দিয়েছে। আর ফ্রান্স চলতি সপ্তাহের শুরুতে তাদের দূতাবাসের অতিরিক্ত কর্মীদের দেশে ফিরিয়ে নিয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ইরান বিক্ষোভ নিয়ে দেওয়া লাইভ আপডেটে এই তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
আজ ইরানের ভার্চুয়াল দূতাবাস থেকে জারি করা এক সতর্কবার্তায় যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, ইরানজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার এবং বিক্ষোভ পরিস্থিতি অবনতি হয়েছে। তাই দেশটিতে থাকা মার্কিন নাগরিকদের অবিলম্বে ইরান ত্যাগের আহ্বান জানানো হচ্ছে।
সতর্কবার্তায় যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, বিক্ষোভ পরিস্থিতি আরও জোরদার হয়েছে এবং তা সহিংস হয়ে উঠতে পারে। এতে অনেকে আটক ও আহত হতে পারেন। ইরানজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে, গণপরিবহন ব্যাহত হচ্ছে এবং ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, এখই ইরান ত্যাগ করেন। ইরান ত্যাগ করতে এমন পরিকল্পনা নিন যাতে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের ওপর নির্ভর করতে না হয়।
সতর্কবার্তায় আরও বলা হয়, ইরানি সরকার মোবাইল, ল্যান্ডফোন এবং দেশব্যাপী ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করে রেখেছে। অন্যদিকে বিমান সংস্থাগুলো দেশটি থেকে ফ্লাইট পরিচালনা সীমিত বা বাতিল করেছে। অনেক সংস্থা আবার শুক্রবার পর্যন্ত তাদের সেবা স্থগিত করেছে। যারা ইরান ছাড়তে সক্ষম তাদেরকে সড়কপথে আর্মেনিয়া বা তুরস্ক হয়ে ছাড়ার জন্য পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
সতর্কবার্তায় আরও বলা হয়, আমেরিকানরা জিজ্ঞাসাবাদ, আটক এবং কারাদন্ডের গুরুতর ঝুঁকির মুখে রয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের পাসপোর্ট দেখানো বা দেশটির সঙ্গে কোনো সংযোগ আছে জানানোই আটকের জন্য যথেষ্ট।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের পরপরই অস্ট্রেলিয়ার এক সিনেটর তাঁর দেশের নাগরিকদের ইরান ছাড়ার আহ্বান জানিয়েছেন। সিনেটর পেনি ওং অস্টেলিয়ান নাগরিকদের সহিংস আন্দোলনে উত্তেজনা বৃদ্ধি এবং যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলার হুমকির মধ্যে তাঁর দেশের নাগরিকদের ইরান ছাড়ার আহ্বান জানান।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে তিনি বলেন, ইরানে আমাদের সেবা প্রদানের সক্ষমতা খুবই সীমিত। এখনো কোনো অস্ট্রেলিয়ান ইরানে থাকলে বাণিজ্যিকভাবে বিকল্প সুযোগ বিদ্যমান থাকার মধ্যেই এখনই দেশটি ছাড়ার আহ্বান জানাই।
অন্যদিকে, ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, দেশটি তেহরানের দূতাবাস ঢেলে সাজাচ্ছে। কারণ চলতি সপ্তাহের শুরুতেই দূতাবাসের প্রয়োজনে অতিরিক্ত কর্মীকে দেশে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
বার্তাসংস্থা এজেন্সি ফ্রান্স প্রেসের (এএফপি) এক খবরে বলা হয়েছে, বিক্ষোভ চলায় গত রোব ও সোমবার ফ্রান্স দূতাবাসের কিছু কর্মী ইরান ত্যাগ করেছে। তবে রাষ্ট্রদূত এখনো ইরানে অবস্থান করছেন এবং দূতাবাসও তার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলে ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন।

ইরানে মার্কিন হামলার আশঙ্কায় ইসরায়েলে অবস্থান করা জরুরি নয় এমন সরকারি কর্মচারী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেয়।
৮ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনার আহ্বান জানিয়েছে আফগানিস্তানের তালেবান সরকার। বৃহস্পতিবার রাত থেকে পাকিস্তানের ‘গজব লিল–হক’ অভিযানে ২৭৩ যোদ্ধার মৃত্যুর পর এই আহ্বান জানালেন তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ।
৯ ঘণ্টা আগে
আফগানিস্তানে ‘গজব লিল–হক’ অভিযানে এ পর্যন্ত ২২৮ তালেবান যোদ্ধা নিহত ও ৩১৪ জন আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী। আফগানিস্তানের কাবুল, কান্দাহার ও পাকতিয়ায় এই বিমান হামলা চালায় পাকিস্তান।
১৪ ঘণ্টা আগে
এতদিন যেমনটা হতো, আফগানিস্তানের ভেতর থেকে সীমান্ত এলাকায় পাকিস্তানি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার চেষ্টা করা হতো। প্রতিক্রিয়ায় আফগানিস্তানে সন্ত্রাসী লক্ষ্যবস্তুগুলোতে হামলা চালাত পাকিস্তান।
১৫ ঘণ্টা আগে