স্ট্রিম ডেস্ক

ইরানে চলমান বিক্ষোভের মধ্যে দেশবাসীকে সরকারের পক্ষে সমর্থন জানানোর আহ্বান জানিয়েছিল সরকার। সেই আহ্বানে সাড়া দিয়ে হাজার হাজার ইরানি রাস্তায় নেমে এসেছেন। তারা সরকারের পক্ষে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে নানান স্লোগান দেন।
আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) চলমান ইরান বিক্ষোভ নিয়ে দেওয়া লাইভ আপডেটে এই খবর দিয়েছে আল জাজিরা ও ফ্রান্স টোয়েন্টিফোর।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির সরকারের পক্ষে সমর্থন জানানোর আহ্বানের পর হাজার হাজার ইরানি রাস্তায় নেমে আসেন।
দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের বরাতে এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত ছবিতে রাজধানী তেহরানের এঙ্গেলাব স্কয়ারের দিকে সরকারপন্থী বিক্ষোভকারীরা বিক্ষোভ করছেন। এসময় বিক্ষোভকারীদের ‘আমেরিকার নিপাত যাক, ইসরায়েল নিপাত যাক’ স্লোগান দেন। কেউ কেউ আবার ‘আল্লাহ’র শত্রুরা নিপাত যাক’ বলেও স্লোগান দেন।
তেহরনান ছাড়াও কেরমান, জাহেদান ও বিরজান্দ শহরে সাম্প্রতিক ‘সন্ত্রাসী ঘটনার’ নিন্দা জানিয়ে সরকারের পক্ষে বিক্ষোভ করেছেন ইরানিরা।
এদিকে, লাইভ ফুটেজে দেখানো হয় দেশটির সেমনান প্রদেশের শাহরুদ শহরে নিহত নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের জানাজায় অসংখ্য ইরানি উপস্থিত হয়েছেন। অন্যদিকে
সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম এই সরকারপন্থি এই বিক্ষোভকে ‘আমেরিকান-ইহুদিবাদী সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ইরানি বিদ্রোহ’ বলে অভিহিত করেছেন।
এর আগে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি আমেরিকা ও ইসরায়েলকে দেশটিতে ‘সন্ত্রাসী যুদ্ধ’ উসকে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন। তিনি আরও বলেন, শত্রুদের চালগুলো ভুল প্রমাণিত হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বছরের জুনে ১২ দিন স্থায়ী যুদ্ধে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় ভয়াবহ বোমা হামলা চালিয়েছিল।
প্রসঙ্গত, ইরানি রিয়ালের মান পতন ও গভীর অর্থনৈতিক সংকটের জেরে গত ২৮ ডিসেম্বর তেহরানের গ্রান্ড বাজারের ব্যবসায়ীরা রাস্তায় নামেন। এরপর এদের সঙ্গে যোগ দেন সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। আন্দোলন দমাতে শুরুতেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বন্ধ করে সরকার। জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করা হয়েছে বলে জানানো হয়। কিন্তু দিন যত গেছে আন্দোলনের তীব্রতা তত বেড়েছে।
সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার দেশজুড়ে ইন্টারনেট ও মোবাইল নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন করে দেয় কর্তৃপক্ষ। আর শান্তিপূর্ণ আন্দোলনও ধীরে ধীরে হয়ে উঠে সহিংস। বিক্ষোভকারীরা সরকারি সম্প্রচার মাধ্যম ভবনে আক্রমণ চালায়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও এখন আগের চেয়ে বেশি মারমুখি অবস্থানে আছে।

ইরানে চলমান বিক্ষোভের মধ্যে দেশবাসীকে সরকারের পক্ষে সমর্থন জানানোর আহ্বান জানিয়েছিল সরকার। সেই আহ্বানে সাড়া দিয়ে হাজার হাজার ইরানি রাস্তায় নেমে এসেছেন। তারা সরকারের পক্ষে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে নানান স্লোগান দেন।
আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) চলমান ইরান বিক্ষোভ নিয়ে দেওয়া লাইভ আপডেটে এই খবর দিয়েছে আল জাজিরা ও ফ্রান্স টোয়েন্টিফোর।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির সরকারের পক্ষে সমর্থন জানানোর আহ্বানের পর হাজার হাজার ইরানি রাস্তায় নেমে আসেন।
দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের বরাতে এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত ছবিতে রাজধানী তেহরানের এঙ্গেলাব স্কয়ারের দিকে সরকারপন্থী বিক্ষোভকারীরা বিক্ষোভ করছেন। এসময় বিক্ষোভকারীদের ‘আমেরিকার নিপাত যাক, ইসরায়েল নিপাত যাক’ স্লোগান দেন। কেউ কেউ আবার ‘আল্লাহ’র শত্রুরা নিপাত যাক’ বলেও স্লোগান দেন।
তেহরনান ছাড়াও কেরমান, জাহেদান ও বিরজান্দ শহরে সাম্প্রতিক ‘সন্ত্রাসী ঘটনার’ নিন্দা জানিয়ে সরকারের পক্ষে বিক্ষোভ করেছেন ইরানিরা।
এদিকে, লাইভ ফুটেজে দেখানো হয় দেশটির সেমনান প্রদেশের শাহরুদ শহরে নিহত নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের জানাজায় অসংখ্য ইরানি উপস্থিত হয়েছেন। অন্যদিকে
সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম এই সরকারপন্থি এই বিক্ষোভকে ‘আমেরিকান-ইহুদিবাদী সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ইরানি বিদ্রোহ’ বলে অভিহিত করেছেন।
এর আগে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি আমেরিকা ও ইসরায়েলকে দেশটিতে ‘সন্ত্রাসী যুদ্ধ’ উসকে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন। তিনি আরও বলেন, শত্রুদের চালগুলো ভুল প্রমাণিত হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বছরের জুনে ১২ দিন স্থায়ী যুদ্ধে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় ভয়াবহ বোমা হামলা চালিয়েছিল।
প্রসঙ্গত, ইরানি রিয়ালের মান পতন ও গভীর অর্থনৈতিক সংকটের জেরে গত ২৮ ডিসেম্বর তেহরানের গ্রান্ড বাজারের ব্যবসায়ীরা রাস্তায় নামেন। এরপর এদের সঙ্গে যোগ দেন সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। আন্দোলন দমাতে শুরুতেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বন্ধ করে সরকার। জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করা হয়েছে বলে জানানো হয়। কিন্তু দিন যত গেছে আন্দোলনের তীব্রতা তত বেড়েছে।
সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার দেশজুড়ে ইন্টারনেট ও মোবাইল নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন করে দেয় কর্তৃপক্ষ। আর শান্তিপূর্ণ আন্দোলনও ধীরে ধীরে হয়ে উঠে সহিংস। বিক্ষোভকারীরা সরকারি সম্প্রচার মাধ্যম ভবনে আক্রমণ চালায়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও এখন আগের চেয়ে বেশি মারমুখি অবস্থানে আছে।

চলমান বিক্ষোভে দমন-পীড়নের অভিযোগে ইরানি সব পর্যায়ের কূটনীতিক কর্মীদের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ইউরোপিয়ান পার্লামেন্ট। নিষেধাজ্ঞা অনুযায়ী ইরান সরকার সংশ্লিষ্ট কোনো কূটনৈতিক কর্মী ইউরোপীয়ান পার্লামেন্ট প্রাঙ্গণে প্রবেশ করতে পারবে না।
২৭ মিনিট আগে
ইরানজুড়ে চলমান বিক্ষোভ পরিস্থিতি এখন ‘সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে’ এসেছে বলে দাবি করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তিনি অভিযোগ করেছেন, সামরিক হস্তক্ষেপের অজুহাত খুঁজতে পশ্চিমা শক্তি শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকে সহিংস ও রক্তাক্ত করে তুলেছে।
২ ঘণ্টা আগে
ইসরায়েলের সঙ্গে বাহরাইন ও আরব বিশ্বের সম্পর্কের সমালোচনা করায় বিরোধীদলীয় নেতা ইব্রাহিম শরিফকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বাহরাইনের নিম্ন আদালত এই রায় দেন। একই সঙ্গে তাঁকে ২০০ বাহরাইনি দিনার (প্রায় ৫৩০ ডলার) জরিমানা করা হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
ইরানের চলমান বিক্ষোভ পরিস্থিতিতে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের পথ খোলা আছে। পাশাপাশি সুইজারল্যান্ডের মধ্যস্থায়ও যোগাযোগ হতে পারে।
৫ ঘণ্টা আগে