স্ট্রিম ডেস্ক

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বিক্ষোভকারীদের ‘সমস্যা সৃষ্টিকারী’ আখ্যা দিয়েছেন এবং তাঁরা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে খুশি করার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন।
শুক্রবার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে ভাষণ দেন খামেনি। দেশজুড়ে তীব্র বিক্ষোভ চলাকালেও ভাষণে খামেনিকে বেশ অবিচল মনে হয়েছে বলে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির খবরে বলা হয়েছে।
৮৬ বছর বয়সী খামেনি ভাষণে বলেন, সবাইকে জানাতে হবে যে ইসলামী প্রজাতন্ত্র কয়েক লাখ সম্মানিত মানুষের রক্তের বিনিময়ে ক্ষমতায় এসেছে। যারা এটি অস্বীকার করে তাদের সামনে কখনো এ সরকার পিছু হটবে না।
পরে সরকারের সমর্থকদের এক সমাবেশে দেওয়া এবং রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত বক্তব্যে খামেনি আরও দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, ইরান ধ্বংসাত্মক উপাদানগুলো মোকাবিলা করতে পিছপা হবে না।
শুধু তাই নয়, ইরান এ নিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে চিঠিও দিয়েছে। চিঠিতে দেশটি বিক্ষোভকে সহিংস ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড এবং ব্যাপক ভাঙচুরের দিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেছে। ইরানের জাতিসংঘের রাষ্ট্রদূত অভিযোগ করেছেন, আমেরিকা ‘হুমকি, উসকানি এবং ইচ্ছাকৃতভাবে অস্থিতিশীলতা ও সহিংসতাকে উৎসাহিত করার মাধ্যমে ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করছে।’
এদিকে, গতকাল শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সরকারের সমর্থনেও বড় সমাবেশ হয়েছে। পরে সেই সমাবেশে ভাষণ দেন খামেনি। আর মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ইরান ‘বড় বিপদে আছে’।
ইরানি রিয়ালের মানের বড় ধরনের পতন ও গভীর অর্থনৈতিক সংকটের অসন্তোষ থেকে শুরু হওয়া আন্দোলন গতকাল শুক্রবার ১৩তম দিনে গড়িয়েছে। গত কয়েক বছরের মধ্যে যা দেশটির বড় আন্দোলনে রূপ নিয়েছে। আন্দোলন থেকে বর্তমান খামেনি নিয়ন্ত্রিত শাসন ব্যবস্থার পতনের ডাক দেওয়া হয়েছে। সারা ইরানে ছড়িয়ে পড়া আন্দোলনে আবার কোথাও কোথাও রাজতন্ত্র ফিরিয়ে আনার দাবিও করছেন।
এদিকে, মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে গত ১৩ দিনের আন্দোলনে অন্তত ৬২ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৪৮ জনই আন্দোলনকারী। বাকি ১৪ জন দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য। এছাড়া ২২৭৭ জনকে আটক করা হয়েছে।

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বিক্ষোভকারীদের ‘সমস্যা সৃষ্টিকারী’ আখ্যা দিয়েছেন এবং তাঁরা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে খুশি করার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন।
শুক্রবার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে ভাষণ দেন খামেনি। দেশজুড়ে তীব্র বিক্ষোভ চলাকালেও ভাষণে খামেনিকে বেশ অবিচল মনে হয়েছে বলে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির খবরে বলা হয়েছে।
৮৬ বছর বয়সী খামেনি ভাষণে বলেন, সবাইকে জানাতে হবে যে ইসলামী প্রজাতন্ত্র কয়েক লাখ সম্মানিত মানুষের রক্তের বিনিময়ে ক্ষমতায় এসেছে। যারা এটি অস্বীকার করে তাদের সামনে কখনো এ সরকার পিছু হটবে না।
পরে সরকারের সমর্থকদের এক সমাবেশে দেওয়া এবং রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত বক্তব্যে খামেনি আরও দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, ইরান ধ্বংসাত্মক উপাদানগুলো মোকাবিলা করতে পিছপা হবে না।
শুধু তাই নয়, ইরান এ নিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে চিঠিও দিয়েছে। চিঠিতে দেশটি বিক্ষোভকে সহিংস ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড এবং ব্যাপক ভাঙচুরের দিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেছে। ইরানের জাতিসংঘের রাষ্ট্রদূত অভিযোগ করেছেন, আমেরিকা ‘হুমকি, উসকানি এবং ইচ্ছাকৃতভাবে অস্থিতিশীলতা ও সহিংসতাকে উৎসাহিত করার মাধ্যমে ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করছে।’
এদিকে, গতকাল শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সরকারের সমর্থনেও বড় সমাবেশ হয়েছে। পরে সেই সমাবেশে ভাষণ দেন খামেনি। আর মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ইরান ‘বড় বিপদে আছে’।
ইরানি রিয়ালের মানের বড় ধরনের পতন ও গভীর অর্থনৈতিক সংকটের অসন্তোষ থেকে শুরু হওয়া আন্দোলন গতকাল শুক্রবার ১৩তম দিনে গড়িয়েছে। গত কয়েক বছরের মধ্যে যা দেশটির বড় আন্দোলনে রূপ নিয়েছে। আন্দোলন থেকে বর্তমান খামেনি নিয়ন্ত্রিত শাসন ব্যবস্থার পতনের ডাক দেওয়া হয়েছে। সারা ইরানে ছড়িয়ে পড়া আন্দোলনে আবার কোথাও কোথাও রাজতন্ত্র ফিরিয়ে আনার দাবিও করছেন।
এদিকে, মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে গত ১৩ দিনের আন্দোলনে অন্তত ৬২ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৪৮ জনই আন্দোলনকারী। বাকি ১৪ জন দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য। এছাড়া ২২৭৭ জনকে আটক করা হয়েছে।

ইরানের সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত দেশটির ওপর মার্কিন নৌ-অবরোধ চলবে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
৩০ মিনিট আগে
লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরপরই হরমুজ প্রণালি ‘সম্পূর্ণ উন্মুক্ত’ ঘোষণা করেছে ইরান। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এই ঘোষণা দেন। এর ফলে ৪৮ দিনের অচলাবস্থা শেষে পূর্ণ মাত্রায় খুলল এই প্রণালি।
১ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক সংঘাতে জ্বালানি খাতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। জ্বালানি সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি উৎপাদন কেন্দ্রগুলোরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। জ্বালানি উৎপাদন আগের অবস্থায় ফেরাতে অন্তত ২ বছর লাগতে পারে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ)। খবর আলজাজিরার
৫ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া সমুদ্রসীমার অবরোধ রেখা (ব্লকেড লাইন) অতিক্রম করেছে ইরান সংশ্লিষ্ট অন্তত চারটি কন্টেইনারবাহী জাহাজ। জাহাজ চলাচলের ট্র্যাকিং ডেটা বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পাওয়া গেছে। গত সোমবার থেকে এই অবরোধ কার্যকর হওয়ার পর এসব জাহাজ ভারতের কান্দলা, মুম্বাই এবং পাকিস্তানের করাচি বন্দরের দিকে রওনা হয়েছ
৯ ঘণ্টা আগে