স্ট্রিম প্রতিবেদক

ভারতের প্রধান বিরোধী দল কগ্রেসের নেতা রাহুল গান্ধী সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে কারচুপির অভিযোগ এনে ‘অ্যাটম বোমা’ ফাটানোর কথা বলেছিলেন। ৭ আগস্ট 'ভোট চোরি কা অ্যাটম বোমা সবুত' শিরোনামের সাংবাদিক সম্মেলনে ওই বোমাটি ফাটালেন তিনি। ১ ঘণ্টা ১২ মিনিটের ওই সম্মেলনে রাহুল নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে কারচুপি ও ভোট চুরির অভিযোগ তুলেছেন।
কগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী অভিযোগ করে বলেন, দেশজুড়ে ভোট কারচুপি হচ্ছে। কীভাবে ভোট চুরি হচ্ছে, তা জানতে তাঁদের অনেক সময় লেগেছে । ভোটার তালিকা নিয়ে পাঁচ স্তরে ছয় মাস ধরে তদন্ত করেছে কংগ্রেসের প্রতিনিধিরা। তাঁর অভিযোগ, লোকসভা নির্বাচনে কমিশন জাল ভোটার এবং নকল ভোটারদের ভোটদানের সুযোগ করে দিয়েছে। ভারতীয় জনতা পার্টিকে (বিজেপি) সুবিধা করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন আর বিজেপি সেই সুযোগে ভোটে কারচুপি করেছে।
২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি ভোটচুরি হয়েছে বেঙ্গালুরুর বিধানসভা কেন্দ্র মহাদেবপুরায়। বেঙ্গালুরুর সেন্ট্রালের অধীনে এই বিধানসভা কেন্দ্র।
রাহুল বলেন, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বেঙ্গালুরু সেন্ট্রালে কড়া প্রতিযোগিতা হয়েছিল। কংগ্রেস প্রার্থী মনসুর আলি খান বেশির ভাগ সময়ে এগিয়ে ছিলেন। কিন্তু দেখা গেল, কংগ্রেস বিজেপির পিসি মোহনের কাছে ৩২ হাজার ৭০৭ ভোটে হেরেছে।
রাহুলের দাবি, কংগ্রেস কর্ণাটকের ২৮টি আসনের মধ্যে ১৬টি জিতবে বলে ভেবেছিল। কিন্তু কংগ্রেস মাত্র ৯টি আসন পেয়েছে।
এর জন্য ভোট কারচুপিকেই দায়ী করে রাহুল বলেন, 'বেঙ্গালুরু সেন্ট্রাল লোকসভায় মোট ভোট পড়েছে ৬ লাখ ২৬ হাজার। বিজেপি জিতেছে ৩২ হাজার ৭০৭ ভোটের ব্যবধানে। মহাদেবপুরায় কংগ্রেস পেয়েছে ১ লাখ ১৫ হাজার ৫৮৬ ভোট এবং বিজেপি পেয়েছে ২ লাখ ২৯ হাজার ৬৩২ ভোট। এই একটি আসন ছাড়া কংগ্রেস সব বিধানসভা জিতেছে।'
রাহুল আরও বলেন, 'আমরা ১ লাখ ২৫০টি ভোট চুরির প্রমাণ পেয়েছি। পাঁচটি ভিন্ন উপায়ে চুরি করা হয়েছে। কোথাও ভুয়া ভোটার, কোথাও ঠিকানা জাল বা একই ঠিকানায় অনেক ভোটার।'
সাংবাদিক সম্মেলনে রাহুল গান্ধী ভোটার তালিকা তুলে ধরে দেখান, কীভাবে একটার পর একটা ভোটে ‘কারচুপি’ হয়েছে। ওই তালিকায় দেখা গেছে, চারটি ভিন্ন ভোটকেন্দ্রেই একই ব্যক্তির নাম রয়েছে। এ রকম শত শত ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর আরও দাবি, ৬৮ জন ভোটারের ঠিকানা ছিল একটি 'পানশালার'।
রাহুল মহারাষ্ট্রের বিরুদ্ধেও একই অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর দাবি, মহারাষ্ট্রেও ভোট কারচুপি হয়েছে। রাহুল বলেন, লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস এবং তার জোট দলগুলোই রাজ্যের সিংহভাগ আসনে জিতেছিল। কিন্তু বিধানসভা নির্বাচনে তারা হেরে যায়। এর মধ্যে এক কোটি নতুন ভোটারকে যুক্ত করে ভোট তোলার অভিযোগ তুলছেন রাহুল।
হরিয়ানার নির্বাচনের কথা উল্লেখ করে রাহুল বলেন, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস হরিয়ানায় ভালো ফল করেছিল, কিন্তু বিধানসভা নির্বাচনে হেরে যায় কংগ্রেস। নিয়ম বদলে নির্বাচন কমিশন ভোটকেন্দ্রের সিসিটিভি ফুটেজ দেয়নি। তিনি নির্বাচন কমিশনের এ সিদ্ধান্তকে সন্দেহজনক বলে উল্লেখ করেছেন।
রাহুল গান্ধী জানান, হরিয়ানায় ভুয়া ভোটার ১১ হাজার ৯৬৫। একই ভোটারের নাম একাধিকবার তালিকায় রয়েছে। ভুয়া ঠিকানা পাওয়া গিয়েছে ৪০ হাজার ৯ জনের। তার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী আবাস-যোজনার ঠিকানাও রয়েছে বলে দাবি করেন রাহুল।
এ সময় রাহুল প্রশ্ন তুলেছেন, নির্বাচন কমিশন কেন ডিজিটাল ভোটার তালিকা প্রকাশ করেনি। ডিজিটাল ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হলে ৩০ সেকেন্ডে তাদের জালিয়াতি সামনে এসে যেত। তিনি বলেন, মহারাষ্ট্রের নির্বাচনে ভোট চুরি হয়েছে। আর তার জন্যই নির্বাচনে হেরেছে কংগ্রেস। ৪০ লাখ সন্দেহজনক ভোটারের নাম নথিভুক্ত করা হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি। রাহুল প্রশ্ন তোলেন, পাঁচ বছরে মহারাষ্ট্রে যে ভোটারের সংখ্যা ছিল, তা পাঁচ মাসের মধ্যেই হঠাৎ বেড়ে গেল কী করে।
সংবাদ সম্মেলনে রাহুল গান্ধী বলেন, যদি তারা (বিজেপি) আরও ২৫টি আসন হেরে যেত, তাহলে বিজেপি ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ক্ষমতা হারাতেন। এই কারণেই দলটি ঘটনাগুলো সাজিয়েছিল।
একাধিক আসনে ভোটার তালিকায় কারচুপি জবাব দিতে হবে জানিয়ে রাহুল নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তাদের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বলেন, 'আপনারা যে পদেই থাকুন না কেন, সিনিয়র হোন বা জুনিয়র, আপনাদের ক্ষমা করা হবে না।’
নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই রাহুল গান্ধীর অভিযোগের পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানিয়ে দিয়েছে। রাহুলের দাবির প্রমাণ জমা দিতে বলা হয়েছে। তবে বিজেপি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি।

ভারতের প্রধান বিরোধী দল কগ্রেসের নেতা রাহুল গান্ধী সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে কারচুপির অভিযোগ এনে ‘অ্যাটম বোমা’ ফাটানোর কথা বলেছিলেন। ৭ আগস্ট 'ভোট চোরি কা অ্যাটম বোমা সবুত' শিরোনামের সাংবাদিক সম্মেলনে ওই বোমাটি ফাটালেন তিনি। ১ ঘণ্টা ১২ মিনিটের ওই সম্মেলনে রাহুল নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে কারচুপি ও ভোট চুরির অভিযোগ তুলেছেন।
কগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী অভিযোগ করে বলেন, দেশজুড়ে ভোট কারচুপি হচ্ছে। কীভাবে ভোট চুরি হচ্ছে, তা জানতে তাঁদের অনেক সময় লেগেছে । ভোটার তালিকা নিয়ে পাঁচ স্তরে ছয় মাস ধরে তদন্ত করেছে কংগ্রেসের প্রতিনিধিরা। তাঁর অভিযোগ, লোকসভা নির্বাচনে কমিশন জাল ভোটার এবং নকল ভোটারদের ভোটদানের সুযোগ করে দিয়েছে। ভারতীয় জনতা পার্টিকে (বিজেপি) সুবিধা করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন আর বিজেপি সেই সুযোগে ভোটে কারচুপি করেছে।
২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি ভোটচুরি হয়েছে বেঙ্গালুরুর বিধানসভা কেন্দ্র মহাদেবপুরায়। বেঙ্গালুরুর সেন্ট্রালের অধীনে এই বিধানসভা কেন্দ্র।
রাহুল বলেন, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বেঙ্গালুরু সেন্ট্রালে কড়া প্রতিযোগিতা হয়েছিল। কংগ্রেস প্রার্থী মনসুর আলি খান বেশির ভাগ সময়ে এগিয়ে ছিলেন। কিন্তু দেখা গেল, কংগ্রেস বিজেপির পিসি মোহনের কাছে ৩২ হাজার ৭০৭ ভোটে হেরেছে।
রাহুলের দাবি, কংগ্রেস কর্ণাটকের ২৮টি আসনের মধ্যে ১৬টি জিতবে বলে ভেবেছিল। কিন্তু কংগ্রেস মাত্র ৯টি আসন পেয়েছে।
এর জন্য ভোট কারচুপিকেই দায়ী করে রাহুল বলেন, 'বেঙ্গালুরু সেন্ট্রাল লোকসভায় মোট ভোট পড়েছে ৬ লাখ ২৬ হাজার। বিজেপি জিতেছে ৩২ হাজার ৭০৭ ভোটের ব্যবধানে। মহাদেবপুরায় কংগ্রেস পেয়েছে ১ লাখ ১৫ হাজার ৫৮৬ ভোট এবং বিজেপি পেয়েছে ২ লাখ ২৯ হাজার ৬৩২ ভোট। এই একটি আসন ছাড়া কংগ্রেস সব বিধানসভা জিতেছে।'
রাহুল আরও বলেন, 'আমরা ১ লাখ ২৫০টি ভোট চুরির প্রমাণ পেয়েছি। পাঁচটি ভিন্ন উপায়ে চুরি করা হয়েছে। কোথাও ভুয়া ভোটার, কোথাও ঠিকানা জাল বা একই ঠিকানায় অনেক ভোটার।'
সাংবাদিক সম্মেলনে রাহুল গান্ধী ভোটার তালিকা তুলে ধরে দেখান, কীভাবে একটার পর একটা ভোটে ‘কারচুপি’ হয়েছে। ওই তালিকায় দেখা গেছে, চারটি ভিন্ন ভোটকেন্দ্রেই একই ব্যক্তির নাম রয়েছে। এ রকম শত শত ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর আরও দাবি, ৬৮ জন ভোটারের ঠিকানা ছিল একটি 'পানশালার'।
রাহুল মহারাষ্ট্রের বিরুদ্ধেও একই অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর দাবি, মহারাষ্ট্রেও ভোট কারচুপি হয়েছে। রাহুল বলেন, লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস এবং তার জোট দলগুলোই রাজ্যের সিংহভাগ আসনে জিতেছিল। কিন্তু বিধানসভা নির্বাচনে তারা হেরে যায়। এর মধ্যে এক কোটি নতুন ভোটারকে যুক্ত করে ভোট তোলার অভিযোগ তুলছেন রাহুল।
হরিয়ানার নির্বাচনের কথা উল্লেখ করে রাহুল বলেন, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস হরিয়ানায় ভালো ফল করেছিল, কিন্তু বিধানসভা নির্বাচনে হেরে যায় কংগ্রেস। নিয়ম বদলে নির্বাচন কমিশন ভোটকেন্দ্রের সিসিটিভি ফুটেজ দেয়নি। তিনি নির্বাচন কমিশনের এ সিদ্ধান্তকে সন্দেহজনক বলে উল্লেখ করেছেন।
রাহুল গান্ধী জানান, হরিয়ানায় ভুয়া ভোটার ১১ হাজার ৯৬৫। একই ভোটারের নাম একাধিকবার তালিকায় রয়েছে। ভুয়া ঠিকানা পাওয়া গিয়েছে ৪০ হাজার ৯ জনের। তার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী আবাস-যোজনার ঠিকানাও রয়েছে বলে দাবি করেন রাহুল।
এ সময় রাহুল প্রশ্ন তুলেছেন, নির্বাচন কমিশন কেন ডিজিটাল ভোটার তালিকা প্রকাশ করেনি। ডিজিটাল ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হলে ৩০ সেকেন্ডে তাদের জালিয়াতি সামনে এসে যেত। তিনি বলেন, মহারাষ্ট্রের নির্বাচনে ভোট চুরি হয়েছে। আর তার জন্যই নির্বাচনে হেরেছে কংগ্রেস। ৪০ লাখ সন্দেহজনক ভোটারের নাম নথিভুক্ত করা হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি। রাহুল প্রশ্ন তোলেন, পাঁচ বছরে মহারাষ্ট্রে যে ভোটারের সংখ্যা ছিল, তা পাঁচ মাসের মধ্যেই হঠাৎ বেড়ে গেল কী করে।
সংবাদ সম্মেলনে রাহুল গান্ধী বলেন, যদি তারা (বিজেপি) আরও ২৫টি আসন হেরে যেত, তাহলে বিজেপি ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ক্ষমতা হারাতেন। এই কারণেই দলটি ঘটনাগুলো সাজিয়েছিল।
একাধিক আসনে ভোটার তালিকায় কারচুপি জবাব দিতে হবে জানিয়ে রাহুল নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তাদের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বলেন, 'আপনারা যে পদেই থাকুন না কেন, সিনিয়র হোন বা জুনিয়র, আপনাদের ক্ষমা করা হবে না।’
নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই রাহুল গান্ধীর অভিযোগের পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানিয়ে দিয়েছে। রাহুলের দাবির প্রমাণ জমা দিতে বলা হয়েছে। তবে বিজেপি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি।
.png)

কলকাতার নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিতরে অবস্থিত ১৩৬ বছরের পুরনো গৌরীপুর জামে মসজিদ, যা অনেকের কাছে ‘বাঁকড়া মসজিদ’ নামেও পরিচিত, তাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
ইরান নয়, সুরক্ষার বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রই হরমুজ প্রণালিতে টোল আদায় করবে বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (১৩ জুলাই) ফক্স নিউজকে তিনি বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি আমাদের নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং সম্ভবত আমরাই পরিচালনা করব। আমরা এই প্রণালির অভিভাবক (গার্ডিয়ান) হতে যাচ্ছি।’
৬ ঘণ্টা আগে
নদীকে ঘিরেই মানবসভ্যতার জন্ম। কিন্তু সেই নদীই কখনো কখনো সভ্যতার সবচেয়ে বড় শত্রু হয়ে উঠেছে। ইতিহাসে এমন অনেক বন্যা আছে, যেগুলো শুধু কয়েকটি শহর বা গ্রামের ক্ষতি করেনি, বদলে দিয়েছে একটি দেশের অর্থনীতি, নগর পরিকল্পনা, এমনকি রাষ্ট্রের দুর্যোগ মোকাবিলার চিন্তাভাবনাও।
৯ ঘণ্টা আগে
কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল-থানি ১৯৯৫ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত শাসনামলে কাতারকে সফট পাওয়ারের এক অনন্য মডেলে রূপান্তরিত করেন। আল জাজিরা প্রতিষ্ঠা, লেবানন-দারফুর-ফিলিস্তিন সংকটে মধ্যস্থতা এবং আল-উদেইদ বিমানঘাঁটি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক প্রভাব বিস্তার করে দেশটি।
১৩ ঘণ্টা আগে