স্ট্রিম ডেস্ক

যুদ্ধবিরতির মধ্যেও লেবাননে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। এর মধ্যে গতকাল শনিবার ইসরায়েলি বিমান হামলায় দেশটিতে অন্তত ৩৯ জন নিহত হয়েছেন। খবর বিবিসির।
লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এনএনএ জানিয়েছে, শনিবার দেশের দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় একাধিক হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সাকসাকিয়েহ এলাকায়।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) দাবি, তারা ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। বেসামরিক মানুষ হতাহতের তথ্যও পেয়েছে। সেগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নাবাতিয়েহ এলাকায় একটি মোটরসাইকেল লক্ষ্য করে চালানো হামলায় এক সিরীয় নাগরিক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছে তাঁর ১২ বছরের মেয়ে।
মন্ত্রণালয়ের দাবি, প্রথম হামলার পর সরে যাওয়ার চেষ্টা করলে ড্রোন থেকে দ্বিতীয়বার হামলা চালানো হয়। শিশুটিকে সরাসরি লক্ষ্য করে ওই হামলা হয়।
এদিকে, হিজবুল্লাহও উত্তর ইসরায়েলে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দাবি, এতে তাদের তিনজন রিজার্ভ সেনা আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর।
গত ১৬ এপ্রিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিলেও পাল্টাপাল্টি হামলা থামেনি। ইসরায়েল বলছে, তারা দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর অবকাঠামো ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের লক্ষ্যবস্তু করছে।
আর হিজবুল্লাহ বলছে, ইসরায়েলের ধারাবাহিক হামলার জবাব হিসেবেই তারা ড্রোন হামলা চালাচ্ছে।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহে দেশটিতে ইসরায়েলি হামলায় নারী-শিশুসহ ১২০ জনের বেশি নিহত হয়েছে। তবে নিহতদের মধ্যে কতজন হিজবুল্লাহ সদস্য এবং কতজন বেসামরিক নাগরিক, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
দক্ষিণ লেবাননের সীমান্তবর্তী কিছু এলাকা এখনও ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ইসরায়েলি কর্মকর্তারা বলছেন, সীমান্তে হিজবুল্লাহমুক্ত নিরাপত্তা অঞ্চল গড়াই তাদের লক্ষ্য।
স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, ইসরায়েলের হামলায় দক্ষিণ লেবাননের অনেক গ্রাম পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, গাজায় ইসরায়েল যে ধরনের সামরিক কৌশল ব্যবহার করেছে, এখানেও তার মিল দেখা যাচ্ছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো সতর্ক করে বলেছে, কিছু হামলা যুদ্ধাপরাধের পর্যায়ে পড়তে পারে।
২ মার্চ সংঘর্ষ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত লেবাননে ২ হাজার ৭৯৫ জন নিহত হয়েছেন ইসরায়েল জানিয়েছে, দক্ষিণ লেবাননে তাদের ১৭ সেনা ও একজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। উত্তর ইসরায়েলে হিজবুল্লাহর রকেট ও ড্রোন হামলায় প্রাণ গেছে আরও দুই বেসামরিক নাগরিকের।

যুদ্ধবিরতির মধ্যেও লেবাননে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। এর মধ্যে গতকাল শনিবার ইসরায়েলি বিমান হামলায় দেশটিতে অন্তত ৩৯ জন নিহত হয়েছেন। খবর বিবিসির।
লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এনএনএ জানিয়েছে, শনিবার দেশের দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় একাধিক হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সাকসাকিয়েহ এলাকায়।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) দাবি, তারা ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। বেসামরিক মানুষ হতাহতের তথ্যও পেয়েছে। সেগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নাবাতিয়েহ এলাকায় একটি মোটরসাইকেল লক্ষ্য করে চালানো হামলায় এক সিরীয় নাগরিক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছে তাঁর ১২ বছরের মেয়ে।
মন্ত্রণালয়ের দাবি, প্রথম হামলার পর সরে যাওয়ার চেষ্টা করলে ড্রোন থেকে দ্বিতীয়বার হামলা চালানো হয়। শিশুটিকে সরাসরি লক্ষ্য করে ওই হামলা হয়।
এদিকে, হিজবুল্লাহও উত্তর ইসরায়েলে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দাবি, এতে তাদের তিনজন রিজার্ভ সেনা আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর।
গত ১৬ এপ্রিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিলেও পাল্টাপাল্টি হামলা থামেনি। ইসরায়েল বলছে, তারা দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর অবকাঠামো ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের লক্ষ্যবস্তু করছে।
আর হিজবুল্লাহ বলছে, ইসরায়েলের ধারাবাহিক হামলার জবাব হিসেবেই তারা ড্রোন হামলা চালাচ্ছে।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহে দেশটিতে ইসরায়েলি হামলায় নারী-শিশুসহ ১২০ জনের বেশি নিহত হয়েছে। তবে নিহতদের মধ্যে কতজন হিজবুল্লাহ সদস্য এবং কতজন বেসামরিক নাগরিক, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
দক্ষিণ লেবাননের সীমান্তবর্তী কিছু এলাকা এখনও ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ইসরায়েলি কর্মকর্তারা বলছেন, সীমান্তে হিজবুল্লাহমুক্ত নিরাপত্তা অঞ্চল গড়াই তাদের লক্ষ্য।
স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, ইসরায়েলের হামলায় দক্ষিণ লেবাননের অনেক গ্রাম পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, গাজায় ইসরায়েল যে ধরনের সামরিক কৌশল ব্যবহার করেছে, এখানেও তার মিল দেখা যাচ্ছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো সতর্ক করে বলেছে, কিছু হামলা যুদ্ধাপরাধের পর্যায়ে পড়তে পারে।
২ মার্চ সংঘর্ষ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত লেবাননে ২ হাজার ৭৯৫ জন নিহত হয়েছেন ইসরায়েল জানিয়েছে, দক্ষিণ লেবাননে তাদের ১৭ সেনা ও একজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। উত্তর ইসরায়েলে হিজবুল্লাহর রকেট ও ড্রোন হামলায় প্রাণ গেছে আরও দুই বেসামরিক নাগরিকের।
.png)

যুদ্ধ পরিস্থিতি ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার বিষয় কীভাবে তুলে ধরা হবে, তা নিয়ে ইরান সরকার ও রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবির সঙ্গে বিরোধ দেখা দিয়েছে। শুক্রবার (২৫ জুলাই) সরকারি তথ্য পরিষদ আইআরআইবির বিরুদ্ধে ‘সেন্সরশিপের’ অভিযোগ তোলে।
৪ ঘণ্টা আগে
ইরানে টানা ১৫ রাতে হামলা চালানোর পর থেমেছে যুক্তরাষ্ট্র। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভাষ্য ছিল, ‘সন্তুষ্ট’ না হওয়া পর্যন্ত হামলা চালিয়ে যাওয়ার। এখন হঠাৎ হামলা বন্ধের পর কারণ নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা।
৪ ঘণ্টা আগে
কাস্পিয়ান সাগরে একটি ইরানি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। হামলায় জাহাজটির একজন নাবিক নিহত ও আরেকজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে তেহরান। এ ঘটনাকে ‘শত্রুতাপূর্ণ ও অপরাধমূলক হামলা’ হিসেবে উল্লেখ করে তেহরানে নিযুক্ত ইউক্রেনের ভারপ্রাপ্ত কূটনৈতিক প্রতিনিধিকে (চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স) তলব করেছে ইরান
৫ ঘণ্টা আগে
দ্বিতীয় দফায় পাল্টাপাল্টি হামলা শুরুর পর গত ১৫ দিনে যুক্তরাষ্ট্রের ২০০’র বেশি সেনাকে হত্যার দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ১৫টি যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার ধ্বংসের দাবিও করেছে বাহিনীটি।
৬ ঘণ্টা আগে