স্ট্রিম ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিক সংঘর্ষের জেরে হরমুজ প্রণালিতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। জাহাজ চলাচল বলতে গেলে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। পারস্য উপসাগরে আটকা পড়েছে প্রায় ১ হাজার ৬০০ জাহাজ। খবর নিউ ইয়র্ক টাইমসের।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ফেব্রুয়ারিতে হামলা চালানোর পর বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ এই প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দেয় ইরান। গত এপ্রিলে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করা যায়নি। যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের কারণে ইরানি জাহাজ চলাচলও কমে যায়। এর মধ্যে হরমুজকে কেন্দ্র করে গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্র-ইরান নতুন করে সংঘর্ষে জড়ায়।
এরপর গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ দিয়ে বের হওয়া জাহাজের সংখ্যা মোটামুটি শূন্যে নেমেছে। এতে জ্বালানি বাজার ও বৈশ্বিক অর্থনীতিতে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
জাহাজ-ট্র্যাকিং প্রতিষ্ঠান মেরিনট্রাফিকের তথ্য অনুযায়ী, বুধবারের (৬ মে) পর থেকে মাত্র ছয়টি কার্গো জাহাজ হরমুজ প্রণালি পার হয়েছে। তবে কোনো তেলবাহী ট্যাংকার এখনও চলাচল করেনি। লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জ গ্রুপের তথ্যানুযায়ী, গত সোমবারের পর থেকে চলাচলকারী জাহাজের সংখ্যা আরও কমেছে।
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জাহাজ-ট্র্যাকিং প্রতিষ্ঠানের শনিবারের তথ্যানুযায়ী, হরমুজ বন্ধ থাকায় বর্তমানে প্রায় ১ হাজার ৬০০ জাহাজ পারস্য উপসাগরে আটকে আছে।
তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, আটকে থাকা জাহাজের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে। কারণ অনেক জাহাজ নিরাপত্তাজনিত কারণে তাদের অবস্থান সংকেত বন্ধ বা পরিবর্তন করে রাখে।
হরমুজে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে পশ্চিমা দেশগুলো নতুন করে সক্রিয় হচ্ছে। যুক্তরাজ্য জানিয়েছে, রয়্যাল নেভির একটি ডেস্ট্রয়ার মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হচ্ছে। দেশটির ভাষ্য, ভবিষ্যতে হরমুজ প্রণালি নিরাপদ রাখতে সম্ভাব্য অভিযানের প্রস্তুতি হিসেবেই এই পদক্ষেপ। ফ্রান্সও যুদ্ধ জাহাজ পাঠিয়েছে। এ ছাড়া যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স ইতোমধ্যে একটি বহুজাতিক জোট গঠনের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে।
এদিকে, শনিবার কাতারের মালিকানাধীন গ্যাসবাহী ট্যাংকার পাকিস্তানের উদ্দেশে হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার চেষ্টা করেছে বলে জানা গেছে। যুদ্ধ শুরুর পর প্রথম কোনো কাতারি গ্যাসবাহী ট্যাংকার এই জলপথ পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করল।
তবে শনিবার রাত পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া যায়নি, জাহাজটি নিরাপদে ওমান উপসাগরে পৌঁছাতে পেরেছে কি না। ট্যাংকারটি পরিচালনাকারী রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান কাতার এনার্জি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।
স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন প্রায় ১৩০টি জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করে। বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে সরবরাহ করা হয়। পাশাপাশি প্রাকৃতিক গ্যাস, সার ও বিভিন্ন পণ্যের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্যও এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিক সংঘর্ষের জেরে হরমুজ প্রণালিতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। জাহাজ চলাচল বলতে গেলে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। পারস্য উপসাগরে আটকা পড়েছে প্রায় ১ হাজার ৬০০ জাহাজ। খবর নিউ ইয়র্ক টাইমসের।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ফেব্রুয়ারিতে হামলা চালানোর পর বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ এই প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দেয় ইরান। গত এপ্রিলে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করা যায়নি। যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের কারণে ইরানি জাহাজ চলাচলও কমে যায়। এর মধ্যে হরমুজকে কেন্দ্র করে গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্র-ইরান নতুন করে সংঘর্ষে জড়ায়।
এরপর গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ দিয়ে বের হওয়া জাহাজের সংখ্যা মোটামুটি শূন্যে নেমেছে। এতে জ্বালানি বাজার ও বৈশ্বিক অর্থনীতিতে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
জাহাজ-ট্র্যাকিং প্রতিষ্ঠান মেরিনট্রাফিকের তথ্য অনুযায়ী, বুধবারের (৬ মে) পর থেকে মাত্র ছয়টি কার্গো জাহাজ হরমুজ প্রণালি পার হয়েছে। তবে কোনো তেলবাহী ট্যাংকার এখনও চলাচল করেনি। লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জ গ্রুপের তথ্যানুযায়ী, গত সোমবারের পর থেকে চলাচলকারী জাহাজের সংখ্যা আরও কমেছে।
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জাহাজ-ট্র্যাকিং প্রতিষ্ঠানের শনিবারের তথ্যানুযায়ী, হরমুজ বন্ধ থাকায় বর্তমানে প্রায় ১ হাজার ৬০০ জাহাজ পারস্য উপসাগরে আটকে আছে।
তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, আটকে থাকা জাহাজের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে। কারণ অনেক জাহাজ নিরাপত্তাজনিত কারণে তাদের অবস্থান সংকেত বন্ধ বা পরিবর্তন করে রাখে।
হরমুজে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে পশ্চিমা দেশগুলো নতুন করে সক্রিয় হচ্ছে। যুক্তরাজ্য জানিয়েছে, রয়্যাল নেভির একটি ডেস্ট্রয়ার মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হচ্ছে। দেশটির ভাষ্য, ভবিষ্যতে হরমুজ প্রণালি নিরাপদ রাখতে সম্ভাব্য অভিযানের প্রস্তুতি হিসেবেই এই পদক্ষেপ। ফ্রান্সও যুদ্ধ জাহাজ পাঠিয়েছে। এ ছাড়া যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স ইতোমধ্যে একটি বহুজাতিক জোট গঠনের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে।
এদিকে, শনিবার কাতারের মালিকানাধীন গ্যাসবাহী ট্যাংকার পাকিস্তানের উদ্দেশে হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার চেষ্টা করেছে বলে জানা গেছে। যুদ্ধ শুরুর পর প্রথম কোনো কাতারি গ্যাসবাহী ট্যাংকার এই জলপথ পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করল।
তবে শনিবার রাত পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া যায়নি, জাহাজটি নিরাপদে ওমান উপসাগরে পৌঁছাতে পেরেছে কি না। ট্যাংকারটি পরিচালনাকারী রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান কাতার এনার্জি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।
স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন প্রায় ১৩০টি জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করে। বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে সরবরাহ করা হয়। পাশাপাশি প্রাকৃতিক গ্যাস, সার ও বিভিন্ন পণ্যের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্যও এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ।
.png)

যুদ্ধ পরিস্থিতি ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার বিষয় কীভাবে তুলে ধরা হবে, তা নিয়ে ইরান সরকার ও রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবির সঙ্গে বিরোধ দেখা দিয়েছে। শুক্রবার (২৫ জুলাই) সরকারি তথ্য পরিষদ আইআরআইবির বিরুদ্ধে ‘সেন্সরশিপের’ অভিযোগ তোলে।
৪ ঘণ্টা আগে
ইরানে টানা ১৫ রাতে হামলা চালানোর পর থেমেছে যুক্তরাষ্ট্র। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভাষ্য ছিল, ‘সন্তুষ্ট’ না হওয়া পর্যন্ত হামলা চালিয়ে যাওয়ার। এখন হঠাৎ হামলা বন্ধের পর কারণ নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা।
৪ ঘণ্টা আগে
কাস্পিয়ান সাগরে একটি ইরানি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। হামলায় জাহাজটির একজন নাবিক নিহত ও আরেকজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে তেহরান। এ ঘটনাকে ‘শত্রুতাপূর্ণ ও অপরাধমূলক হামলা’ হিসেবে উল্লেখ করে তেহরানে নিযুক্ত ইউক্রেনের ভারপ্রাপ্ত কূটনৈতিক প্রতিনিধিকে (চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স) তলব করেছে ইরান
৬ ঘণ্টা আগে
দ্বিতীয় দফায় পাল্টাপাল্টি হামলা শুরুর পর গত ১৫ দিনে যুক্তরাষ্ট্রের ২০০’র বেশি সেনাকে হত্যার দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ১৫টি যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার ধ্বংসের দাবিও করেছে বাহিনীটি।
৬ ঘণ্টা আগে