স্ট্রিম প্রতিবেদক

যাত্রী সেবার মান উন্নয়ন এবং পরিচালনায় দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল দ্রুত চালুর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এ নির্দেশ দেন তিনি। বহুল আলোচিত এই টার্মিনালের কার্যক্রম পর্যালোচনার জন্য এই বৈঠক আয়োজন করা হয়।
বৈঠকে অংশ নেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম, প্রতিমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিকী, বিনিয়োগ কর্তৃপক্ষ বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন সচিব নাসরিন জাহান প্রমুখ।
বৈঠক শেষে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম সাংবাদিকদের জানান, প্রধানমন্ত্রী চেষ্টা করছেন যেন শিগগিরই থার্ড টার্মিনাল চালু করা যায়। সে ব্যাপারে তিনি নির্দেশনা দিয়েছেন। কবে নাগাদ চালু হবে, তা এখনই বলা যাবে না। আলাপ-আলোচনা হবে, তদন্ত হবে; কীভাবে আমরা দ্রুত কাজটি সম্পন্ন করতে পারি, তা নিয়ে কাজ চলছে।
৯৯ শতাংশের বেশি কাজ সম্পন্ন হওয়ার পরও কেন চালু করা সম্ভব হলো না– প্রশ্নে তিনি বলেন, কেন চালু হচ্ছে না, সেটি অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের বিষয়। প্রশ্নটি তাদের করা যেত। এখন প্রধানমন্ত্রী চেষ্টা করছেন যেন সামনে দ্রুত এটি চালু করা যায়।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকার ২০১৭ সালে থার্ড টার্মিনাল নির্মাণের প্রকল্প নেয়। ২১ হাজার ৩৯৮ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে ২০১৯ সালের ২৮ ডিসেম্বর নির্মাণকাজ শুরু হয়। এই ব্যয়ের মধ্যে সরকার ৫ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে; বাকি অর্থ জাপানি সংস্থা জাইকার ঋণ।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর টার্মিনালের আংশিক উদ্বোধন হয়। তখন বেবিচক ২০২৪ সালের মধ্যে এটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হবে জানিয়েছিল। যদিও শেষ পর্যন্ত তা হয়নি। অন্তর্বর্তী সরকারের চেষ্টা সত্ত্বেও গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং ও পরিচালনা-সংক্রান্ত সিদ্ধান্তহীনতা এবং টার্মিনাল ভবনের ভেতরের কিছু প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে এটি চালু করা যায়নি।
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থার্ড টার্মিনাল চালু নিয়ে তোড়জোড় শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, টার্মিনাল পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছাতে না পারায় সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হচ্ছে। এই কনসোর্টিয়ামে রয়েছে জাপান এয়ারপোর্ট টার্মিনাল কোম্পানি, সুমিতোমো করপোরেশন, সোজিৎজ এবং নারিতা ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট করপোরেশন।
৫ লাখ ৪২ হাজার বর্গমিটার আয়তনের তৃতীয় টার্মিনালে চার শিফটে কাজ করার জন্য প্রায় ৬ হাজার কর্মীর প্রয়োজন হবে, যাদের মধ্যে প্রায় ৪ হাজার থাকবে নিরাপত্তা কর্মী।

যাত্রী সেবার মান উন্নয়ন এবং পরিচালনায় দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল দ্রুত চালুর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এ নির্দেশ দেন তিনি। বহুল আলোচিত এই টার্মিনালের কার্যক্রম পর্যালোচনার জন্য এই বৈঠক আয়োজন করা হয়।
বৈঠকে অংশ নেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম, প্রতিমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিকী, বিনিয়োগ কর্তৃপক্ষ বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন সচিব নাসরিন জাহান প্রমুখ।
বৈঠক শেষে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম সাংবাদিকদের জানান, প্রধানমন্ত্রী চেষ্টা করছেন যেন শিগগিরই থার্ড টার্মিনাল চালু করা যায়। সে ব্যাপারে তিনি নির্দেশনা দিয়েছেন। কবে নাগাদ চালু হবে, তা এখনই বলা যাবে না। আলাপ-আলোচনা হবে, তদন্ত হবে; কীভাবে আমরা দ্রুত কাজটি সম্পন্ন করতে পারি, তা নিয়ে কাজ চলছে।
৯৯ শতাংশের বেশি কাজ সম্পন্ন হওয়ার পরও কেন চালু করা সম্ভব হলো না– প্রশ্নে তিনি বলেন, কেন চালু হচ্ছে না, সেটি অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের বিষয়। প্রশ্নটি তাদের করা যেত। এখন প্রধানমন্ত্রী চেষ্টা করছেন যেন সামনে দ্রুত এটি চালু করা যায়।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকার ২০১৭ সালে থার্ড টার্মিনাল নির্মাণের প্রকল্প নেয়। ২১ হাজার ৩৯৮ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে ২০১৯ সালের ২৮ ডিসেম্বর নির্মাণকাজ শুরু হয়। এই ব্যয়ের মধ্যে সরকার ৫ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে; বাকি অর্থ জাপানি সংস্থা জাইকার ঋণ।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর টার্মিনালের আংশিক উদ্বোধন হয়। তখন বেবিচক ২০২৪ সালের মধ্যে এটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হবে জানিয়েছিল। যদিও শেষ পর্যন্ত তা হয়নি। অন্তর্বর্তী সরকারের চেষ্টা সত্ত্বেও গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং ও পরিচালনা-সংক্রান্ত সিদ্ধান্তহীনতা এবং টার্মিনাল ভবনের ভেতরের কিছু প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে এটি চালু করা যায়নি।
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থার্ড টার্মিনাল চালু নিয়ে তোড়জোড় শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, টার্মিনাল পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছাতে না পারায় সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হচ্ছে। এই কনসোর্টিয়ামে রয়েছে জাপান এয়ারপোর্ট টার্মিনাল কোম্পানি, সুমিতোমো করপোরেশন, সোজিৎজ এবং নারিতা ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট করপোরেশন।
৫ লাখ ৪২ হাজার বর্গমিটার আয়তনের তৃতীয় টার্মিনালে চার শিফটে কাজ করার জন্য প্রায় ৬ হাজার কর্মীর প্রয়োজন হবে, যাদের মধ্যে প্রায় ৪ হাজার থাকবে নিরাপত্তা কর্মী।
.png)

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম)। রোববার (২৬ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার শহীদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে একাত্তরের বীর সেনানিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তিনি।
১৯ মিনিট আগে
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে চারজন বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেছে। তবে বিষয়টি টের পেয়ে তাদের প্রতিহত করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (৬০ বিজিবি) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ব্যাটালিয়ন। তাদের মধ্যে এক নারী ও তিন শিশু রয়েছেন। রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
৪৩ মিনিট আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘পদোন্নতির ক্ষেত্রে কোনো কর্মকর্তার রাজনৈতিক পরিচয় বা ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ যেন মূল্যায়নে প্রভাব না ফেলে। পেশাগত দক্ষতা, নেতৃত্বের সক্ষমতা, সততা, বিশ্বস্ততা, শৃঙ্খলা, আনুগত্য এবং দায়িত্ব পালনের যোগ্যতাকেই পদোন্নতির প্রধান মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।’
২ ঘণ্টা আগে
রাষ্ট্রপতির পদ থেকে ইস্তফা দেওয়া মো. সাহাবুদ্দিনকে বিচারের মুখোমুখি করার দাবি আমলে নেওয়ার মতো নয় বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেছেন, ‘আমরা তাঁর সহযোগিতা পেয়েছি।’
২ ঘণ্টা আগে