স্ট্রিম প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের দিন সাংবাদিক এবং পর্যবেক্ষকদের মোবাইল ফোন নিয়ে ভোটকেন্দ্রে যেতে কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন ভবন চত্বরে সাংবাদিকদের জন্য তৈরি বুথ পরিদর্শনে এ কথা জানান তিনি।
সানাউল্লাহ বলেন, ভাষাগত ভুলের কারণে এমন হয়েছে। কেন্দ্র পরিদর্শনে মোবাইল নিয়ে ঢুকতে কোনো সমস্যা নেই। শিগগির বিষয়টি স্পষ্ট করা হবে।
এর আগে গতকাল রোববার নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সহকারী সচিব শহিদুল ইসলামের সই করা নির্দেশনা রিটার্নিং কর্মকর্তাদের পাঠানো হয়। তাতে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং অফিসার, পুলিশ ইনচার্জ এবং ‘নির্বাচন সুরক্ষা ২০২৬’ অ্যাপ ব্যবহারকারী দুজন আনসার সদস্য ছাড়া অন্য কেউ মোবাইল ফোন নিয়ে কেন্দ্রের ৪০০ গজ ব্যাসার্ধের মধ্যে প্রবেশ করতে পারবেন না লেখা ছিল।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়, নির্বাচনের দিন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে রিটার্নিং কর্মকর্তারা এই নির্দেশনা কার্যকরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।
পরে যোগাযোগ করা হলে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ স্ট্রিমকে বলেন, ‘চিঠির ভাষা দেখে বোঝা যায় সাংবাদিকরাও এর আওতায় পড়বেন। তবে যেহেতু বিষয়টি স্পষ্ট নয়, তাই আমরা যে সেকশন থেকে চিঠিটি ইস্যু করা হয়েছে, সেখানে যোগাযোগ করে জানার চেষ্টা করছি। যদি বলা হয় সাংবাদিকদের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়, তাহলে আমরা একটি ক্ল্যারিফিকেশন দেব। আর যদি সাংবাদিকদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়, তাহলে কমিশনে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হবে।’
ইসির নির্দেশনার পর সাংবাদিকদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। তারা এমন সিদ্ধান্তকে স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য হুমকি উল্লেখ করে তা প্রত্যাহারের দাবি জানান। সাংবাদিকদের অভিযোগ, বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোনই সাংবাদিকদের প্রধান কর্মযন্ত্র। ছবি, ভিডিও, লাইভ আপডেট ও জরুরি যোগাযোগ; সবকিছুই মোবাইলনির্ভর। নির্দেশনায় সাংবাদিকদের বিষয়ে স্পষ্ট কিছু না থাকায় চরম অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন জানায়, সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন বহনের সুযোগ দেওয়া নির্বাচন প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ নয়; বরং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার অন্যতম শর্ত। নির্বাচন কমিশন বিটে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসির (আরএফইডি) সভাপতি কাজী জেবেল বলেন, ‘নির্বাচনের দিনে কারা মোবাইল নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন, কারা পারবেন না— এমন সিদ্ধান্ত নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।’
সাংবাদিকরা ভোটকেন্দ্রের পরিবেশ, অনিয়ম ও পরিস্থিতি মোবাইলে ছবি-ভিডিও ধারণ করে থাকেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘মোবাইল নিষিদ্ধ হলে সেটি কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়বে। কোনো সাংবাদিক হামলার শিকার হলে মোবাইল ছাড়া কীভাবে সহকর্মী বা সংশ্লিষ্টদের জানাবেন? এটি সাংবাদিকদের নিরাপত্তার জন্যও বড় হুমকি।’
সাংবাদিকদের মোবাইল বহনে বিধিনিষেধকে ‘নগ্ন, অযৌক্তিক ও অগ্রহণযোগ্য হস্তক্ষেপ’ অভিহিত করেছে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)। সোমবার যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনের সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল বলেন, বর্তমান যুগে ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিকদের মোবাইল বহনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে শৃঙ্খলা আনার যুক্তি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। বরং এতে ভোটের অনিয়ম আড়াল করার সুযোগ তৈরি হবে এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে জনমনে সন্দেহ সৃষ্টি হবে। অবিলম্বে এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না হলে সাংবাদিক সমাজকে সঙ্গে নিয়ে কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তারা।
মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (এমআরএ) ইসির সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়েছে। এক বিবৃতিতে সংগঠনের সভাপতি ফখরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মো. আক্তারুজ্জামান বলেন, ‘এই সিদ্ধান্ত সংবাদ সংগ্রহ ও প্রচারে মারাত্মক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে, যা মতপ্রকাশ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পরিপন্থী। মোবাইল নিয়ে সাংবাদিকরা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে না পারলে সংবাদ সংগ্রহ কার্যত বন্ধ হয়ে যাবে। আমরা নির্বাচন কমিশনের কাছে এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার জোর দাবি জানাচ্ছি।’

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের দিন সাংবাদিক এবং পর্যবেক্ষকদের মোবাইল ফোন নিয়ে ভোটকেন্দ্রে যেতে কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন ভবন চত্বরে সাংবাদিকদের জন্য তৈরি বুথ পরিদর্শনে এ কথা জানান তিনি।
সানাউল্লাহ বলেন, ভাষাগত ভুলের কারণে এমন হয়েছে। কেন্দ্র পরিদর্শনে মোবাইল নিয়ে ঢুকতে কোনো সমস্যা নেই। শিগগির বিষয়টি স্পষ্ট করা হবে।
এর আগে গতকাল রোববার নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সহকারী সচিব শহিদুল ইসলামের সই করা নির্দেশনা রিটার্নিং কর্মকর্তাদের পাঠানো হয়। তাতে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং অফিসার, পুলিশ ইনচার্জ এবং ‘নির্বাচন সুরক্ষা ২০২৬’ অ্যাপ ব্যবহারকারী দুজন আনসার সদস্য ছাড়া অন্য কেউ মোবাইল ফোন নিয়ে কেন্দ্রের ৪০০ গজ ব্যাসার্ধের মধ্যে প্রবেশ করতে পারবেন না লেখা ছিল।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়, নির্বাচনের দিন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে রিটার্নিং কর্মকর্তারা এই নির্দেশনা কার্যকরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।
পরে যোগাযোগ করা হলে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ স্ট্রিমকে বলেন, ‘চিঠির ভাষা দেখে বোঝা যায় সাংবাদিকরাও এর আওতায় পড়বেন। তবে যেহেতু বিষয়টি স্পষ্ট নয়, তাই আমরা যে সেকশন থেকে চিঠিটি ইস্যু করা হয়েছে, সেখানে যোগাযোগ করে জানার চেষ্টা করছি। যদি বলা হয় সাংবাদিকদের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়, তাহলে আমরা একটি ক্ল্যারিফিকেশন দেব। আর যদি সাংবাদিকদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়, তাহলে কমিশনে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হবে।’
ইসির নির্দেশনার পর সাংবাদিকদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। তারা এমন সিদ্ধান্তকে স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য হুমকি উল্লেখ করে তা প্রত্যাহারের দাবি জানান। সাংবাদিকদের অভিযোগ, বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোনই সাংবাদিকদের প্রধান কর্মযন্ত্র। ছবি, ভিডিও, লাইভ আপডেট ও জরুরি যোগাযোগ; সবকিছুই মোবাইলনির্ভর। নির্দেশনায় সাংবাদিকদের বিষয়ে স্পষ্ট কিছু না থাকায় চরম অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন জানায়, সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন বহনের সুযোগ দেওয়া নির্বাচন প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ নয়; বরং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার অন্যতম শর্ত। নির্বাচন কমিশন বিটে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসির (আরএফইডি) সভাপতি কাজী জেবেল বলেন, ‘নির্বাচনের দিনে কারা মোবাইল নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন, কারা পারবেন না— এমন সিদ্ধান্ত নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।’
সাংবাদিকরা ভোটকেন্দ্রের পরিবেশ, অনিয়ম ও পরিস্থিতি মোবাইলে ছবি-ভিডিও ধারণ করে থাকেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘মোবাইল নিষিদ্ধ হলে সেটি কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়বে। কোনো সাংবাদিক হামলার শিকার হলে মোবাইল ছাড়া কীভাবে সহকর্মী বা সংশ্লিষ্টদের জানাবেন? এটি সাংবাদিকদের নিরাপত্তার জন্যও বড় হুমকি।’
সাংবাদিকদের মোবাইল বহনে বিধিনিষেধকে ‘নগ্ন, অযৌক্তিক ও অগ্রহণযোগ্য হস্তক্ষেপ’ অভিহিত করেছে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)। সোমবার যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনের সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল বলেন, বর্তমান যুগে ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিকদের মোবাইল বহনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে শৃঙ্খলা আনার যুক্তি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। বরং এতে ভোটের অনিয়ম আড়াল করার সুযোগ তৈরি হবে এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে জনমনে সন্দেহ সৃষ্টি হবে। অবিলম্বে এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না হলে সাংবাদিক সমাজকে সঙ্গে নিয়ে কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তারা।
মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (এমআরএ) ইসির সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়েছে। এক বিবৃতিতে সংগঠনের সভাপতি ফখরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মো. আক্তারুজ্জামান বলেন, ‘এই সিদ্ধান্ত সংবাদ সংগ্রহ ও প্রচারে মারাত্মক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে, যা মতপ্রকাশ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পরিপন্থী। মোবাইল নিয়ে সাংবাদিকরা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে না পারলে সংবাদ সংগ্রহ কার্যত বন্ধ হয়ে যাবে। আমরা নির্বাচন কমিশনের কাছে এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার জোর দাবি জানাচ্ছি।’

রাজধানীর কয়েকটি এলাকায় খোলা বাজারের মতো বিক্রি হচ্ছে মাদক। এর মধ্যে মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্প, কারওয়ান বাজার ও মিরপুরের বিহারি ক্যাম্পে রাতে হাঁকডাক ছেড়েই বিক্রি করছেন কারবারিরা।
৫ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে তাবাচ্ছুম (৪) হত্যার ঘটনায় আবু তাহের নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে কুষ্টিয়া শহরের ভাইয়ের বাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
৬ ঘণ্টা আগে
দলীয়করণের কারণে জনপ্রশাসন নিরপেক্ষতা ও দক্ষতা হারিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ।
৬ ঘণ্টা আগে
রোজা রাখা, না রাখা নিয়ে শিশুদের নানা জিজ্ঞাসা থাকে। তাদের এই কৌতূহল থেকে বাদ পড়েননি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) নৌবাহিনীর সদর দপ্তর জামে মসজিদে জুমার নামাজে গিয়ে তিনি পড়েন শিশুদের পাল্লায়।
৬ ঘণ্টা আগে