শিশুদের ডিজিটাল আসক্তি কমিয়ে বইয়ের পাতায় আর খেলার মাঠে আগ্রহ তৈরি করতে এবার বইমেলায় এক দারুণ উদ্যোগ নিয়ে হাজির হচ্ছে ‘কাকতাড়ুয়া পাপেট থিয়েটার’।
স্ট্রিম প্রতিবেদক

অমর একুশে বইমেলা মানেই লেখক আর পাঠকের মিলনমেলা। আর শিশুদের কাছে এই মেলার প্রধান আকর্ষণ হলো ‘শিশুপ্রহর’। কিন্তু বর্তমান সময়ে বাবা-মায়ের বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে শিশুদের মোবাইল আসক্তি। শিশুরা এখন বই পড়ার চেয়ে মোবাইল গেমসে বেশি মগ্ন থাকে।
শিশুদের এই ডিজিটাল আসক্তি কমিয়ে বইয়ের পাতায় আর খেলার মাঠে আগ্রহ তৈরি করতে এবার বইমেলায় এক দারুণ উদ্যোগ নিয়ে হাজির হচ্ছে ‘কাকতাড়ুয়া পাপেট থিয়েটার’।
কাকতাড়ুয়া পাপেট থিয়েটারের যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০১৯ সালে, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রান্তিক গেটে একটি পথনাটকের মাধ্যমে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা মিলেই এই থিয়েটারটি পরিচালনা করছেন।
সংগঠনটির নামকরণের বিষয়ে প্রতিষ্ঠাতা আসাদুজ্জামান আশিক বলেন, ‘গ্রামের জমিতে থাকা কাকতাড়ুয়া যেমন ক্ষতিকারক কীটপতঙ্গ থেকে ফসল রক্ষা করে, ঠিক তেমনি সমাজের নানা অসংগতি ও কুসংস্কার থেকে শিশুদের দূরে রাখতেই এই নাম দেওয়া হয়েছে। আনন্দদায়ক গল্প ও মজার ছলে শিশুদের নানা বিষয় শেখানো এবং তাদের আনন্দ দেওয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য।’
ইতিমধ্যে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশেও প্রশংসা কুড়িয়েছে কাকতাড়ুয়া পাপেট থিয়েটার। গত বছরও তারা বইমেলায় পুতুল নাটক দেখিয়ে সবার নজর কেড়েছিল। এবার তাদের লক্ষ্য আরও বড়। মেলাজুড়ে তারা শো করার পরিকল্পনা করেছে।
এবারের পুতুল নাটকের মূল বিষয়বস্তু সম্পর্কে আসাদুজ্জামান আশিক স্ট্রিমকে জানান, বর্তমান সময়ে শিশুরা যেন মোবাইল ফোন বা মোবাইল গেমসে আসক্ত না হয়ে পড়ে এবং কল্পনার জগতে বিচরণ করে বই পড়ার প্রতি আগ্রহী হয়—সেই লক্ষ্যেই গল্পগুলো সাজানো হয়েছে।
ঢাকা শহরে খেলার মাঠ কমে গেলেও সপ্তাহে অন্তত এক-দুই দিন ছুটির দিনে শিশুরা যেন মাঠে গিয়ে দৌড়ঝাঁপ ও খেলাধুলা করে, সেই বার্তাও দেওয়া হবে এসব পুতুল নাটকে; যাতে শিশুরা শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকতে পারে।
পাপেট শো’র পাশাপাশি এবারের মেলায় শিশুদের জন্য থাকছে পুতুল তৈরির বিশেষ কর্মশালা। এখানে শিশুরা নিজ হাতে ছোট ছোট পুতুল বানানো শিখবে। শুধু বানানোই নয়, সেই পুতুলগুলো ব্যবহার করে কীভাবে মজার মজার ছড়া, গান বা কবিতা বলা যায়, তারও হাতেকলমে প্রশিক্ষণ দেবে কাকতাড়ুয়া পাপেট থিয়েটারের কর্মীরা।
সব মিলিয়ে এবারের বইমেলায় শিশুদের জন্য এক রঙিন ও শিক্ষণীয় জগৎ সাজিয়ে রাখছে ‘কাকতাড়ুয়া পাপেট থিয়েটার’। তাদের বিশ্বাস, পুতুল নাচের এই মায়াবী জগত শিশুদের মোবাইল থেকে দূরে সরিয়ে আবার বইয়ের পাতায় আর খেলার মাঠে ফিরিয়ে আনবে।

অমর একুশে বইমেলা মানেই লেখক আর পাঠকের মিলনমেলা। আর শিশুদের কাছে এই মেলার প্রধান আকর্ষণ হলো ‘শিশুপ্রহর’। কিন্তু বর্তমান সময়ে বাবা-মায়ের বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে শিশুদের মোবাইল আসক্তি। শিশুরা এখন বই পড়ার চেয়ে মোবাইল গেমসে বেশি মগ্ন থাকে।
শিশুদের এই ডিজিটাল আসক্তি কমিয়ে বইয়ের পাতায় আর খেলার মাঠে আগ্রহ তৈরি করতে এবার বইমেলায় এক দারুণ উদ্যোগ নিয়ে হাজির হচ্ছে ‘কাকতাড়ুয়া পাপেট থিয়েটার’।
কাকতাড়ুয়া পাপেট থিয়েটারের যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০১৯ সালে, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রান্তিক গেটে একটি পথনাটকের মাধ্যমে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা মিলেই এই থিয়েটারটি পরিচালনা করছেন।
সংগঠনটির নামকরণের বিষয়ে প্রতিষ্ঠাতা আসাদুজ্জামান আশিক বলেন, ‘গ্রামের জমিতে থাকা কাকতাড়ুয়া যেমন ক্ষতিকারক কীটপতঙ্গ থেকে ফসল রক্ষা করে, ঠিক তেমনি সমাজের নানা অসংগতি ও কুসংস্কার থেকে শিশুদের দূরে রাখতেই এই নাম দেওয়া হয়েছে। আনন্দদায়ক গল্প ও মজার ছলে শিশুদের নানা বিষয় শেখানো এবং তাদের আনন্দ দেওয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য।’
ইতিমধ্যে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশেও প্রশংসা কুড়িয়েছে কাকতাড়ুয়া পাপেট থিয়েটার। গত বছরও তারা বইমেলায় পুতুল নাটক দেখিয়ে সবার নজর কেড়েছিল। এবার তাদের লক্ষ্য আরও বড়। মেলাজুড়ে তারা শো করার পরিকল্পনা করেছে।
এবারের পুতুল নাটকের মূল বিষয়বস্তু সম্পর্কে আসাদুজ্জামান আশিক স্ট্রিমকে জানান, বর্তমান সময়ে শিশুরা যেন মোবাইল ফোন বা মোবাইল গেমসে আসক্ত না হয়ে পড়ে এবং কল্পনার জগতে বিচরণ করে বই পড়ার প্রতি আগ্রহী হয়—সেই লক্ষ্যেই গল্পগুলো সাজানো হয়েছে।
ঢাকা শহরে খেলার মাঠ কমে গেলেও সপ্তাহে অন্তত এক-দুই দিন ছুটির দিনে শিশুরা যেন মাঠে গিয়ে দৌড়ঝাঁপ ও খেলাধুলা করে, সেই বার্তাও দেওয়া হবে এসব পুতুল নাটকে; যাতে শিশুরা শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকতে পারে।
পাপেট শো’র পাশাপাশি এবারের মেলায় শিশুদের জন্য থাকছে পুতুল তৈরির বিশেষ কর্মশালা। এখানে শিশুরা নিজ হাতে ছোট ছোট পুতুল বানানো শিখবে। শুধু বানানোই নয়, সেই পুতুলগুলো ব্যবহার করে কীভাবে মজার মজার ছড়া, গান বা কবিতা বলা যায়, তারও হাতেকলমে প্রশিক্ষণ দেবে কাকতাড়ুয়া পাপেট থিয়েটারের কর্মীরা।
সব মিলিয়ে এবারের বইমেলায় শিশুদের জন্য এক রঙিন ও শিক্ষণীয় জগৎ সাজিয়ে রাখছে ‘কাকতাড়ুয়া পাপেট থিয়েটার’। তাদের বিশ্বাস, পুতুল নাচের এই মায়াবী জগত শিশুদের মোবাইল থেকে দূরে সরিয়ে আবার বইয়ের পাতায় আর খেলার মাঠে ফিরিয়ে আনবে।

সাহিত্য সমালোচকদের মতে, ফররুখ আহমদ কাব্যের মাধ্যমে ইসলামি ভাবধারাকে এ দেশে প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছিলেন। এজন্য তিনি রাষ্ট্রের কোনো আনুকূল্য পাননি। বরং তাঁকে শিকার হতে হয়েছে তীব্র প্রতিরোধ ও প্রতিহিংসার। তবুও ক্ষুরধার কলম থেমে থাকেনি।
১২ ঘণ্টা আগে
বরফভাঙা জাহাজে টানা আট দিনের এই রোমাঞ্চকর যাত্রায় তাঁরা ৮২ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ অতিক্রম করেন। উত্তাল সমুদ্র আর কনকনে ঠান্ডার মাঝে ‘বরফের জঙ্গল’ পেরিয়ে তাঁরা বিরল অভিজ্ঞতার সাক্ষী হয়েছেন।
১৫ ঘণ্টা আগে
আজ ৯ জুন, আন্তর্জাতিক আর্কাইভস দিবস। ইতিহাস ও ঐতিহ্যের স্মারকগুলো সংরক্ষণের গুরুত্ব সাধারণ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে প্রতিবছর বিশ্বজুড়ে দিবসটি পালন করা হয়। মূলত প্রাচীন নথি, দলিলাদি এবং আমাদের জাতীয় ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো যাতে হারিয়ে না যায়, তা নিশ্চিত করাই এই দিবসটির মূল লক্ষ্য।
১ দিন আগে
বাংলাদেশের মানুষের কাছে রাজনীতি অত্যন্ত আকর্ষণীয় বিষয়। রাষ্ট্রের বিন্যাস আর গঠনকাঠামো বুঝতে চাওয়া পাঠকের সংখ্যা প্রচুর। এ ধরনের বিষয়কে কেন্দ্র করে প্রতি বছর বেশ কিছু বই প্রকাশিত হয়। তবে বিগত কয়েক দশকে রাজনীতিকে কেন্দ্র করেই বিশেষ বিষয়কেন্দ্রিক বই প্রকাশের প্রবণতা বেড়েছে। এই ধারাবাহিকতায় সাম্প্রতিক স
২ দিন আগে