বোতলে জ্বালানি নিচ্ছিলেন এসিল্যান্ড, ভিডিও করায় সাংবাদিকের ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা
স্ট্রিম সংবাদদাতারাজবাড়ী

নিয়ম ভেঙে বোতলে জ্বালানি তেল নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে রাজবাড়ী কালুখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শামস সাদাত মাহমুদ উল্লাহর বিরুদ্ধে। ওই ঘটনা ভিডিও করায় এক সাংবাদিকের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগও উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে।
সোমবার (৩০ মার্চ) কালুখালীর শেখ ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। ওই সময় টোকেন দিয়ে উপজেলা পরিষদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ৩০টি মোটরসাইকেলে তেল নিতে সহযোগিতার অভিযোগও উঠেছে।
বার্তা-২৪ এর রাজবাড়ী জেলা প্রতিনিধি বিপ্লব কুমার বিশ্বাস জানান, মোটরসাইকেলে তেল নিতে দুপুর ১২টার দিকে তিনি কালুখালীর পাংশা ফিলিং স্টেশনে যান। সেখানে তেল না পেয়ে শেখ ফিলিং স্টেশনে যান। পরে গাড়িটি সিরিয়ালে রেখে তেল সরবরাহের স্থানে গিয়ে দেখেন এসিল্যান্ড সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মোটরসাইকেলে তেল নিতে টোকেন দিচ্ছেন। এসিল্যান্ডের গাড়ি থেকে খালি বোতল বের করে তেল ভর্তি করতেও দেখেন।
তাঁর অভিযোগ, মোবাইল ফোনে ওই ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন তিনি। পরে ক্যামেরা অন রেখেই তেল কোথায় নেওয়া হচ্ছে জানতে চাইলে এসিল্যান্ড গাড়ির গ্লাস নামিয়ে মোবাইল ফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। পরে তিনি সেখান থেকে চলে যান।
এ বিষয়ে জানতে এসিল্যান্ড শামস সাদাত মাহমুদ উল্লাহের নম্বরে একাধিকবার কল দিলেও তিনি সাড়া দেননি। খুদে বার্তা (এসএমএস) পাঠালেও জবাব দেননি।
শেখ ফিলিং স্টেশনের ট্যাগ অফিসার রিপন চন্দ্র শীল জানান, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শামস সাদাত মাহমুদ উল্লাহ টোকেনের মাধ্যমে উপজেলার জরুরি কাজে নিয়োজিত ১৫-২০টি মোটরসাইকেলে এবং বোতলে তেল নিয়েছেন। তবে বোতলে কি পরিমাণ তেল নিয়েছে তা জানেন না।
কালুখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেজবাহ উদ্দিন জানান, ‘এখানে হয়তো কোনো ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। তবে একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে এসিল্যান্ডের এ ধরনের কাজ করার কোনো সুযোগ নাই। ঘটনা সত্য হলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ অবশ্যই ব্যবস্থা নেবে।’
তিনি আরও জানান, সপ্তাহে একবার উপজেলায় জরুরি কাজে নিয়োজিতদের মোটরসাইকেলে তেল দেওয়া হয়। সোমবার তাদের টোকেনের মাধ্যমে তেল দেওয়া হয়েছে।
.png)
-028855-256x144.webp)





