স্ট্রিম প্রতিবেদক

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব সমাপ্ত হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (আইও) রুহুল আমিনের জেরার মধ্য দিয়ে বিচারিক প্রক্রিয়ার এই ধাপটি সম্পন্ন হলো।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এই জেরা অনুষ্ঠিত হয়। প্যানেলের অপর সদস্য হলেন জেলা ও দায়রা জজ নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
মামলায় ২৫ তম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেওয়া তদন্ত কর্মকর্তা রুহুল আমিন টানা চারদিন আসামিপক্ষের আইনজীবীদের প্রশ্নের মুখোমুখি হন। এর আগে গত ৬ জানুয়ারি তাঁর তৃতীয় দিনের জেরা সম্পন্ন হয়েছিল।
মঙ্গলবার তাঁকে পর্যায়ক্রমে জেরা করেন বেরোবির তৎকালীন প্রক্টর শরিফুল ইসলামের আইনজীবী আমিনুল গণি টিটো, পলাতক আসামিদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী (স্টেট ডিফেন্স) সুজাদ মিয়া এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতাদের পক্ষে আইনজীবী মামুনুর রশীদ, ইশরাত জাহান ও শহিদুল ইসলাম।
ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও গাজী এমএইচ তামিম। তাদের সহায়তা করেন প্রসিকিউটর মঈনুল করিম, প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ প্রমুখ।
সাফাই সাক্ষ্য ও পরবর্তী ধাপ
আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী, রাষ্ট্রপক্ষের (প্রসিকিউশন) সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামিপক্ষের সাফাই সাক্ষ্য নেওয়ার বিধান রয়েছে। কিন্তু এই মামলায় আসামিপক্ষ সাফাই সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য কোনো আবেদন করেনি। ফলে সরাসরি পরবর্তী ধাপে যাওয়ার পথ প্রশস্ত হয়েছে।
তবে আসামিপক্ষের আইনজীবীদের অন্য একটি আবেদন অনিষ্পন্ন থাকায় এ মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের তারিখ আজ নির্ধারণ করা হয়নি। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।
এদিন সকালে কারাগার থেকে গ্রেপ্তার ছয় আসামিকে কড়া নিরাপত্তায় ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। তারা হলেন এএসআই আমির হোসেন, বেরোবির সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় এবং ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী, রাফিউল হাসান রাসেল ও আনোয়ার পারভেজ।
মামলার প্রধান অভিযুক্ত বেরোবির সাবেক ভিসি হাসিবুর রশীদসহ বাকি ২৪ জন আসামি এখনো পলাতক রয়েছেন। পলাতক এসব আসামির আইনি সুরক্ষার জন্য গত ২২ জুলাই সরকারি খরচে চারজন আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।
নথিপত্র অনুযায়ী, গত বছরের ২৪ জুন তদন্ত সংস্থা চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে প্রতিবেদন জমা দেয়। এরপর ৩০ জুন ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ আমলে নেন। ৬ আগস্ট ৩০ আসামির বিরুদ্ধে ফর্মাল চার্জ (আনুষ্ঠানিক অভিযোগ) গঠন করা হয় এবং ২৭ আগস্ট প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্যের মধ্য দিয়ে এই মামলার বিচারকাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব সমাপ্ত হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (আইও) রুহুল আমিনের জেরার মধ্য দিয়ে বিচারিক প্রক্রিয়ার এই ধাপটি সম্পন্ন হলো।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এই জেরা অনুষ্ঠিত হয়। প্যানেলের অপর সদস্য হলেন জেলা ও দায়রা জজ নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
মামলায় ২৫ তম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেওয়া তদন্ত কর্মকর্তা রুহুল আমিন টানা চারদিন আসামিপক্ষের আইনজীবীদের প্রশ্নের মুখোমুখি হন। এর আগে গত ৬ জানুয়ারি তাঁর তৃতীয় দিনের জেরা সম্পন্ন হয়েছিল।
মঙ্গলবার তাঁকে পর্যায়ক্রমে জেরা করেন বেরোবির তৎকালীন প্রক্টর শরিফুল ইসলামের আইনজীবী আমিনুল গণি টিটো, পলাতক আসামিদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী (স্টেট ডিফেন্স) সুজাদ মিয়া এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতাদের পক্ষে আইনজীবী মামুনুর রশীদ, ইশরাত জাহান ও শহিদুল ইসলাম।
ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও গাজী এমএইচ তামিম। তাদের সহায়তা করেন প্রসিকিউটর মঈনুল করিম, প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ প্রমুখ।
সাফাই সাক্ষ্য ও পরবর্তী ধাপ
আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী, রাষ্ট্রপক্ষের (প্রসিকিউশন) সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামিপক্ষের সাফাই সাক্ষ্য নেওয়ার বিধান রয়েছে। কিন্তু এই মামলায় আসামিপক্ষ সাফাই সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য কোনো আবেদন করেনি। ফলে সরাসরি পরবর্তী ধাপে যাওয়ার পথ প্রশস্ত হয়েছে।
তবে আসামিপক্ষের আইনজীবীদের অন্য একটি আবেদন অনিষ্পন্ন থাকায় এ মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের তারিখ আজ নির্ধারণ করা হয়নি। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।
এদিন সকালে কারাগার থেকে গ্রেপ্তার ছয় আসামিকে কড়া নিরাপত্তায় ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। তারা হলেন এএসআই আমির হোসেন, বেরোবির সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় এবং ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী, রাফিউল হাসান রাসেল ও আনোয়ার পারভেজ।
মামলার প্রধান অভিযুক্ত বেরোবির সাবেক ভিসি হাসিবুর রশীদসহ বাকি ২৪ জন আসামি এখনো পলাতক রয়েছেন। পলাতক এসব আসামির আইনি সুরক্ষার জন্য গত ২২ জুলাই সরকারি খরচে চারজন আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।
নথিপত্র অনুযায়ী, গত বছরের ২৪ জুন তদন্ত সংস্থা চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে প্রতিবেদন জমা দেয়। এরপর ৩০ জুন ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ আমলে নেন। ৬ আগস্ট ৩০ আসামির বিরুদ্ধে ফর্মাল চার্জ (আনুষ্ঠানিক অভিযোগ) গঠন করা হয় এবং ২৭ আগস্ট প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্যের মধ্য দিয়ে এই মামলার বিচারকাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।

দেশের ৯৩ শতাংশ পত্রিকার মালিকই ওই পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। গণমাধ্যম এখন পুরোপুরি করপোরেশনের হাতে চলে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. খোরশেদ আলম।
৬ মিনিট আগে
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে ‘যৌথবাহিনীর’ অভিযানে হেফাজতে থাকা অবস্থায় পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলুর (৫২) ময়নাতদন্ত শেষে চিকিৎসক জানিয়েছেন, তাঁর শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।
৮ মিনিট আগে
গত বছরের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত যশোরে হত্যাকাণ্ড হয়েছে ৬২টি। অধিকাংশ হত্যায় ব্যবহার করা হয়েছে বিদেশি পিস্তল। সম্প্রতি ভারত থেকে এসব অস্ত্র ঢুকছে বলে জানিয়েছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
১৮ মিনিট আগে
রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানাধীন পশ্চিম রাজাবাজার এলাকায় এক জামায়াত নেতাকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে হাত পা বাঁধা অবস্থায় নিজ বাসা থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
৪১ মিনিট আগে