leadT1ad

এলপিজি ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহার

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক

এলপিজি গ্যাসের সিলিন্ডার। স্ট্রিম গ্রাফিক

তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের ঘোষণা থেকে সরে এসেছেন ব্যবসায়ীরা। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) সঙ্গে বৈঠকের পর ধর্মঘট প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিইআরসির যুগ্ম সচিব মো. নজরুল ইসলাম সরকার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আজ থেকেই বাজারে সিলিন্ডার বিক্রি স্বাভাবিক হবে।

নজরুল ইসলাম স্ট্রিমকে বলেন, ‘দ্রুততম সময়ের মধ্যে এলপি গ্যাসের আমদানি বাড়ানো হবে। বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক করার বিষয়েও নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে।’ চলমান সংকট দ্রুত কেটে যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি সেলিম খান স্ট্রিমকে বলেন, ‘বিইআরসি'র চেয়ারম্যানসহ পুরো টিমের সঙ্গে একটা বৈঠক হয়েছে। আমাদের নৈতিক দাবিগুলো তাঁরা মেনে নিয়েছেন। দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের আশ্বাস দেওয়ায় আমরা ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নিয়েছি।

দাবিগুলোর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাদের মূল দাবি ছিল এলপি গ্যাজের জোগান বাড়ানো। বর্তমানে যেখানে ৫ কোটির মতো সিলিন্ডার প্রয়োজন, সেখানে পাচ্ছি মাত্র ১ কোটি ২৫ লাখের মতোন। আর আমাদের কিছু কমিশনের বিষয় আছে। সরকার পক্ষ জানিয়েছে, প্রতি সিলিন্ডারের গ্রাহক রেট ১৪০৬ টাকা, কিন্তু এই টাকা দিয়েই আমাদের কিনতে হয়। তাহলে আমরা একই টাকায় গ্রাহকদের কীভাবে দেবো? আমরা গ্রাহক পর্যায়ে ১৫০০ টাকার মধ্যে গ্যাস সরবরাহ করতে চাই। এছাড়া আমাদের সর্বশেষ দাবি ছিল, বর্তমানে বিভিন্ন স্থানে চালানো ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযান বন্ধ করতে হবে।

এর আগে বুধবার রাতে অনির্দিষ্টকালের জন্য সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছিল সমিতি। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ধর্মঘট পালন করছিলেন ব্যবসায়ীরা। তবে বিইআরসির আশ্বাসে তাঁরা কর্মসূচি থেকে সরে আসেন।

এদিকে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে জ্বালানি বিভাগ পাঁচটি বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। ঋণপত্র (এলসি) খোলার জটিলতা কাটাতে বাংলাদেশ ব্যাংককে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আমদানি ও উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট কমানোর জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

পাঁচটি কোম্পানিকে অতিরিক্ত এলপিজি আমদানির অনাপত্তি দিতে বিইআরসিকে চিঠি দিয়েছে মন্ত্রণালয়। কৃত্রিম সংকট রোধে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরের স্টোরেজ পরিদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে এলপিজি সরবরাহ চেইনের প্রকৃত অবস্থা যাচাই করা হবে।

Ad 300x250
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত