leadT1ad

সিভিল সোসাইটিকে কাজ করতে না দেওয়াটা স্বৈরাচারের পথে হাঁটার ইন্ডিকেশন: খসরু

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১৩ জানুয়ারি ২০২৬, ২১: ০৮
‘নাগরিক ইশতেহার ২০২৬: জাতীয় নির্বাচন ও রুপান্তরের প্রত্যাশা’য় কথা বলছেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সংগৃহীত ছবি

দেশের মানুষের মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য গণতন্ত্রের ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে দেশকে গড়ার যে বিষয় আছে, সেখানে সিভিল সোসাইটির রোল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সিভিল সোসাইটিকে কাজ করতে না দেওয়াটা একটা স্বৈরাচারক পথে হাঁটার ইন্ডিকেশন।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের (বিসিএফসিসি) কার্নিভাল হলে এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্লাটফর্ম আয়োজিত ‘নাগরিক ইশতেহার ২০২৬: জাতীয় নির্বাচন ও রুপান্তরের প্রত্যাশা’ শীর্ষক খসড়া ইশতেহার উপস্থাপন সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

এ সময় তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি আমাদের সিভিল সোসাইটিকে ফাংশন করতে দিতে হবে। শুধু ফাংশন না, ফ্যাসিলিটেট করতে হবে এবং আমি এই ক্ষেত্রে আমাদের দলের চিন্তার কথা একটু বলি, আমাদের যে কার্যক্রম আগামীতে সেটা বিরোধী দল হোক বা সরকারে হোক, আমরা করব। আমাদের কিন্তু একটা ধারণা পরিষ্কার। আমাদের মধ্যে যে-ই সরকার গঠন করুক, একা কোন কিছু সমাধান দিতে পারবে না। সেটা যদি বাস্তবায়ন করতে হয়, একটা পার্টনারশিপের প্রয়োজন আছে।’

আমীর খসরু আরও বলেন, ‘আমাদের দলগতভাবে সিদ্ধান্ত আছে, আগামীতে যদি আমরা সরকারেও যাই, আমরা পার্টনারশিপ রাখব। এই পার্টনারশিপের মধ্যে কারা কারা থাকবে। সিভিল সোসাইটি, প্রাইভেট সেক্টর, এনজিও, স্বাস্থ্যব্যবস্থা, শিক্ষাব্যবস্থা এবং কর্মসংস্থানসহ বিভিন্ন কার্যক্রম আমরা রূপরেখাতে দিয়েছি। আগামীতে এগুলো সবাইকে সঙ্গে নিয়ে সমাধান করতে হবে, বাস্তবায়ন করতে হবে।’

রাজনীতিবিদদের উদ্দেশ্যে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘রাজনীতিবিদদের ওপর কেন যেন জনগণ আস্থা পায় না। বিশ্বাস করতে চাচ্ছে না। এটা সত্য কথা। তা আমরাদের কি করা দরকার। আমাদের পার্টির কী করা দরকার। এ জন্য আমরা উদ্যোগ শুরু করেছি। আপনারা লক্ষ্য করবেন, আমরা কিন্তু এসব বিষয়ের ওপর অনেকগুলো সেমিনার করছি। সেখানে কিন্তু কমপক্ষে এক ঘণ্টা আমরা প্রশ্ন উত্তর পর্ব রেখেছি। আমরা বক্তৃতা দিয়ে বাড়ি চলে যাই। সবাই শুনে। কার মনে কি আছে আমি কিছুই জানলাম না। কে কী, কতটুকু গ্রহণ করল কিংবা করলো না আমরা জানতে পারলাম। এ জন্য আমাদের প্রতিটি আলোচনায় আমরা কিন্তু মিনিমাম এক ঘণ্টা প্রশ্ন-উত্তর পর্ব রাখছি। যেন রাজনীতিবিদদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত থাকে।’

এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্লাটফর্ম বাংলাদেশ আয়োজিত এ সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক রওনক জাহান, দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য; রাজনীতিবিদ ডা. তাসনিম জারা, বাংলাদেশ কমিউনিটি পার্টির (সিপিবি) সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল কাফি রতন, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন, গণফোরামের সভাপতি সুব্রত চৌধুরীসহ প্রমুখ।

Ad 300x250
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত