আবু হেনা দম্পতির বিরুদ্ধে চার্জশিট
স্ট্রিম প্রতিবেদক

ঘুষ-দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত ৬ কোটি টাকার বেশি মায়ের দান হিসেবে আয়কর নথিতে উল্লেখ করেন সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী আবু হেনা মোস্তফা কামাল। পরে সেই অর্থের একটি অংশ আবার তিনি স্ত্রী ডা. জোবাঈদা শাহনূর রশীদকে দান করেন।
অবৈধ অর্থ বৈধ করার অভিনব কৌশলের অভিযোগে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী আবু হেনা মোস্তফা কামাল ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) কমিশনের নিয়মিত সভায় এই অভিযোগপত্র অনুমোদন দেওয়া হয়। কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয় পাবনা থেকে আদালতে এ অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। বর্তমানে আবু হেনা মোস্তফা কামাল সড়ক ও জনপথ বিভাগের ওয়েস্টার্ন বাংলাদেশ ব্রিজ ইম্প্রুভমেন্ট প্রকল্পের অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক। তিনি ঢাকায় কর্মরত থাকলেও স্থায়ী ঠিকানা মেহেরপুরের গাংনীতে।
রাজধানীর সেগুনবাগিচার প্রধান কার্যালয়ে দুদকের জনসংযোগ বিভাগের সহকারী পরিচালক তানজির আহমেদ এসব তথ্য জানান।
দুদকের তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সিরাজগঞ্জ সওজের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী আবু হেনা মোস্তফা কামাল ২০০১-২০০২ থেকে ২০০৬-২০০৭ করবর্ষ পর্যন্ত নিজের আয়কর নথিতে মায়ের কাছ থেকে মোট ৬ কোটি ২০ লাখ টাকা দান হিসেবে প্রাপ্তির তথ্য উল্লেখ করেন। তবে অনুসন্ধানে প্রমাণ পাওয়া গেছে, এসব অর্থ মূলত ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত, যা তিনি অসৎ উদ্দেশ্যে মায়ের দান হিসেবে দেখান। পরে ওই অর্থ থেকে তিনি বিভিন্ন সময়ে স্ত্রী ডা. জোবাঈদা শাহনূর রশীদকে ২ কোটি ৭০ লাখ টাকা দান করেন।
উভয়ের আয়কর নথিতে দান গ্রহণ ও প্রদানের তথ্য উল্লেখ থাকলেও দুদকের অনুসন্ধানে এটি অবৈধ আয় স্থানান্তর বা লেয়ারিং প্রক্রিয়া হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে, যা মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
২০২২ সালে দুদকের নির্দেশে আবু হেনা মোস্তফা কামাল যে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেন, তাতে স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে ২ কোটি ২১ লাখ ৯৮ হাজার ৩৯২ টাকার সম্পদের হিসাব দেখান। তবে অনুসন্ধানে তাঁর মোট ৩ কোটি ১৩ লাখ ১১ হাজার ৪৭৩ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। অর্থাৎ ৯১ লাখ ১৩ হাজার ৮১ টাকার সম্পদের তথ্য তিনি গোপন করেন।
পারিবারিক, অন্যান্য ব্যয়সহ হিসাব করলে তার মোট সম্পদ দাঁড়ায় ৭ কোটি ৮৫ লাখ ৯৬ হাজার ৭৬০ টাকা। এর বিপরীতে গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া গেছে ১ কোটি ৫০ লাখ ৯২ হাজার ২৬৭ টাকা। ফলে ৬ কোটি ৩৫ লাখ ৪ হাজার ৪৯৩ টাকার সম্পদের কোনো বৈধ উৎস দেখাতে পারেননি আবু হেনা মোস্তফা কামাল।
অন্যদিকে, তাঁর স্ত্রী ডা. জোবাঈদা শাহনূর রশীদ দুদকে ২ কোটি ৪০ লাখ ১৭ হাজার ৭৩১ টাকার সম্পদের বিবরণী জমা দেন। তবে অনুসন্ধানে ২ কোটি ৪৪ লাখ ৬২ হাজার ৩১ টাকার সম্পদ পাওয়া যায়। তিনি ৪ লাখ ৪৪ হাজার ৩০০ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন। জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের পরিমাণ ২ কোটি ৭৩ লাখ ৯৮ হাজার ৪৫২ টাকা, যার বড় অংশই স্বামীর কাছ থেকে দান হিসেবে পাওয়া।
২০২৩ সালের ৬ জুলাই দুদকের পাবনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সাবেক উপপরিচালক খায়রুল হক এই দম্পতির বিরুদ্ধে পৃথক মামলা করেন। তদন্ত শেষে মঙ্গলবার অভিযোগপত্র অনুমোদন দেওয়া হলো।
আবু হেনা মোস্তফা কামালের বিরুদ্ধে আগেও কর্মক্ষেত্রে গাফিলতি ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। সিরাজগঞ্জ সওজ বিভাগে থাকাকালে ২০১৭ সালের আগস্টে মহাসড়ক সংস্কারে গাফিলতি এবং প্রায় ৬ কোটি টাকার সরকারি বরাদ্দ তছরুপের অভিযোগে তৎকালীন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের তাঁকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেন।

ঘুষ-দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত ৬ কোটি টাকার বেশি মায়ের দান হিসেবে আয়কর নথিতে উল্লেখ করেন সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী আবু হেনা মোস্তফা কামাল। পরে সেই অর্থের একটি অংশ আবার তিনি স্ত্রী ডা. জোবাঈদা শাহনূর রশীদকে দান করেন।
অবৈধ অর্থ বৈধ করার অভিনব কৌশলের অভিযোগে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী আবু হেনা মোস্তফা কামাল ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) কমিশনের নিয়মিত সভায় এই অভিযোগপত্র অনুমোদন দেওয়া হয়। কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয় পাবনা থেকে আদালতে এ অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। বর্তমানে আবু হেনা মোস্তফা কামাল সড়ক ও জনপথ বিভাগের ওয়েস্টার্ন বাংলাদেশ ব্রিজ ইম্প্রুভমেন্ট প্রকল্পের অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক। তিনি ঢাকায় কর্মরত থাকলেও স্থায়ী ঠিকানা মেহেরপুরের গাংনীতে।
রাজধানীর সেগুনবাগিচার প্রধান কার্যালয়ে দুদকের জনসংযোগ বিভাগের সহকারী পরিচালক তানজির আহমেদ এসব তথ্য জানান।
দুদকের তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সিরাজগঞ্জ সওজের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী আবু হেনা মোস্তফা কামাল ২০০১-২০০২ থেকে ২০০৬-২০০৭ করবর্ষ পর্যন্ত নিজের আয়কর নথিতে মায়ের কাছ থেকে মোট ৬ কোটি ২০ লাখ টাকা দান হিসেবে প্রাপ্তির তথ্য উল্লেখ করেন। তবে অনুসন্ধানে প্রমাণ পাওয়া গেছে, এসব অর্থ মূলত ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত, যা তিনি অসৎ উদ্দেশ্যে মায়ের দান হিসেবে দেখান। পরে ওই অর্থ থেকে তিনি বিভিন্ন সময়ে স্ত্রী ডা. জোবাঈদা শাহনূর রশীদকে ২ কোটি ৭০ লাখ টাকা দান করেন।
উভয়ের আয়কর নথিতে দান গ্রহণ ও প্রদানের তথ্য উল্লেখ থাকলেও দুদকের অনুসন্ধানে এটি অবৈধ আয় স্থানান্তর বা লেয়ারিং প্রক্রিয়া হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে, যা মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
২০২২ সালে দুদকের নির্দেশে আবু হেনা মোস্তফা কামাল যে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেন, তাতে স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে ২ কোটি ২১ লাখ ৯৮ হাজার ৩৯২ টাকার সম্পদের হিসাব দেখান। তবে অনুসন্ধানে তাঁর মোট ৩ কোটি ১৩ লাখ ১১ হাজার ৪৭৩ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। অর্থাৎ ৯১ লাখ ১৩ হাজার ৮১ টাকার সম্পদের তথ্য তিনি গোপন করেন।
পারিবারিক, অন্যান্য ব্যয়সহ হিসাব করলে তার মোট সম্পদ দাঁড়ায় ৭ কোটি ৮৫ লাখ ৯৬ হাজার ৭৬০ টাকা। এর বিপরীতে গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া গেছে ১ কোটি ৫০ লাখ ৯২ হাজার ২৬৭ টাকা। ফলে ৬ কোটি ৩৫ লাখ ৪ হাজার ৪৯৩ টাকার সম্পদের কোনো বৈধ উৎস দেখাতে পারেননি আবু হেনা মোস্তফা কামাল।
অন্যদিকে, তাঁর স্ত্রী ডা. জোবাঈদা শাহনূর রশীদ দুদকে ২ কোটি ৪০ লাখ ১৭ হাজার ৭৩১ টাকার সম্পদের বিবরণী জমা দেন। তবে অনুসন্ধানে ২ কোটি ৪৪ লাখ ৬২ হাজার ৩১ টাকার সম্পদ পাওয়া যায়। তিনি ৪ লাখ ৪৪ হাজার ৩০০ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন। জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের পরিমাণ ২ কোটি ৭৩ লাখ ৯৮ হাজার ৪৫২ টাকা, যার বড় অংশই স্বামীর কাছ থেকে দান হিসেবে পাওয়া।
২০২৩ সালের ৬ জুলাই দুদকের পাবনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সাবেক উপপরিচালক খায়রুল হক এই দম্পতির বিরুদ্ধে পৃথক মামলা করেন। তদন্ত শেষে মঙ্গলবার অভিযোগপত্র অনুমোদন দেওয়া হলো।
আবু হেনা মোস্তফা কামালের বিরুদ্ধে আগেও কর্মক্ষেত্রে গাফিলতি ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। সিরাজগঞ্জ সওজ বিভাগে থাকাকালে ২০১৭ সালের আগস্টে মহাসড়ক সংস্কারে গাফিলতি এবং প্রায় ৬ কোটি টাকার সরকারি বরাদ্দ তছরুপের অভিযোগে তৎকালীন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের তাঁকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেন।

দেশের ৯৩ শতাংশ পত্রিকার মালিকই ওই পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। গণমাধ্যম এখন পুরোপুরি করপোরেশনের হাতে চলে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. খোরশেদ আলম।
৭ মিনিট আগে
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে ‘যৌথবাহিনীর’ অভিযানে হেফাজতে থাকা অবস্থায় পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলুর (৫২) ময়নাতদন্ত শেষে চিকিৎসক জানিয়েছেন, তাঁর শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।
৮ মিনিট আগে
গত বছরের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত যশোরে হত্যাকাণ্ড হয়েছে ৬২টি। অধিকাংশ হত্যায় ব্যবহার করা হয়েছে বিদেশি পিস্তল। সম্প্রতি ভারত থেকে এসব অস্ত্র ঢুকছে বলে জানিয়েছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
১৮ মিনিট আগে
রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানাধীন পশ্চিম রাজাবাজার এলাকায় এক জামায়াত নেতাকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে হাত পা বাঁধা অবস্থায় নিজ বাসা থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
৪১ মিনিট আগে