স্ট্রিম প্রতিবেদক

বাজেটের আকার বৃদ্ধির চেয়ে সরকারি অর্থের অপচয় রোধ ও সুশাসন নিশ্চিত করা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল। তিনি বলেন, খুব বড় বাজেট দিয়ে আবার যদি কোনো কারণে ২০-৩০ শতাংশ লোপাট হয়ে যায়, তাহলে তো কোনো লাভ নেই।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে এসব কথা বলেন অ্যাটর্নি জেনারেল। নাগরিক হিসেবে প্রত্যাশার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘বাজেট যে যে কাজে ব্যবহার করা হবে, সততার সঙ্গে প্রয়োজন যতটুকু, ততটুকু যেন স্ব স্ব বিভাগ ব্যবহার করে, এটাই আমার প্রত্যাশা।’
রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ‘অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে আমাদের আনুষঙ্গিক যেসব খরচ, এমনকি মামলা পর্যন্ত আইন কর্মকর্তাদের পকেটের টাকায় করতে হয়। এরপরও আমরা রাষ্ট্রের প্রয়োজনে কাজ করি।’ আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের বক্তব্যের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, ‘বিচার আদেশের বিষয়ে আইনমন্ত্রী তাঁর অবস্থান থেকে সঠিক বলেছেন। আমি নিজে কিংবা অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের কথাও বলতে পারি। এখানেও বাজেট সংকট রয়েছে।’
সরকারি অর্থের অপচয় রোধে উদাহরণ টেনে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘আমি যে চেয়ারে বসছি, নিজে কিনতে গিয়ে একটি দোকানে দাম বেশি পেয়েছি। পরে সরাসরি হাতিলে গেছি, দর কষাকষি করে দাম কমিয়েছি। পরে অফিসের কর্মকর্তাদের বলে সেটি হাতিল থেকে আনিয়েছি।’
‘আমাদের নিজের অবস্থান থেকে কাজ হবে। রাষ্ট্রের অর্থ আকাশ থেকে আসে না। জনগণের কষ্টের টাকা, ঘামের টাকা। প্রত্যেকটি টাকার যথাযথ ব্যবহার করতে হবে, দেশ ও মানুষের কল্যাণে’, যোগ করেন সর্বোচ্চ এই আইন কর্মকর্তা।
আওয়ামী লীগ আমলের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘আমি চাই না দেশের টাকা অতীতের মতো আবার নয়ছয় হোক। আগামীর বাংলাদেশে রাষ্ট্রের একটি কানাকড়িও কেউ নয়ছয় করুক, এটি কেউ চান না।’
অ্যাটর্নি জেনারেল আরও বলেন, ‘নতুন সরকারের সময়ে নতুন প্রত্যাশা নিয়ে ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রা শুরু হয়েছে। এখানে আমরা সবাই দেশপ্রেম ও সততা নিয়ে দায়িত্ব পালন করব।’

বাজেটের আকার বৃদ্ধির চেয়ে সরকারি অর্থের অপচয় রোধ ও সুশাসন নিশ্চিত করা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল। তিনি বলেন, খুব বড় বাজেট দিয়ে আবার যদি কোনো কারণে ২০-৩০ শতাংশ লোপাট হয়ে যায়, তাহলে তো কোনো লাভ নেই।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে এসব কথা বলেন অ্যাটর্নি জেনারেল। নাগরিক হিসেবে প্রত্যাশার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘বাজেট যে যে কাজে ব্যবহার করা হবে, সততার সঙ্গে প্রয়োজন যতটুকু, ততটুকু যেন স্ব স্ব বিভাগ ব্যবহার করে, এটাই আমার প্রত্যাশা।’
রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ‘অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে আমাদের আনুষঙ্গিক যেসব খরচ, এমনকি মামলা পর্যন্ত আইন কর্মকর্তাদের পকেটের টাকায় করতে হয়। এরপরও আমরা রাষ্ট্রের প্রয়োজনে কাজ করি।’ আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের বক্তব্যের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, ‘বিচার আদেশের বিষয়ে আইনমন্ত্রী তাঁর অবস্থান থেকে সঠিক বলেছেন। আমি নিজে কিংবা অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের কথাও বলতে পারি। এখানেও বাজেট সংকট রয়েছে।’
সরকারি অর্থের অপচয় রোধে উদাহরণ টেনে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘আমি যে চেয়ারে বসছি, নিজে কিনতে গিয়ে একটি দোকানে দাম বেশি পেয়েছি। পরে সরাসরি হাতিলে গেছি, দর কষাকষি করে দাম কমিয়েছি। পরে অফিসের কর্মকর্তাদের বলে সেটি হাতিল থেকে আনিয়েছি।’
‘আমাদের নিজের অবস্থান থেকে কাজ হবে। রাষ্ট্রের অর্থ আকাশ থেকে আসে না। জনগণের কষ্টের টাকা, ঘামের টাকা। প্রত্যেকটি টাকার যথাযথ ব্যবহার করতে হবে, দেশ ও মানুষের কল্যাণে’, যোগ করেন সর্বোচ্চ এই আইন কর্মকর্তা।
আওয়ামী লীগ আমলের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘আমি চাই না দেশের টাকা অতীতের মতো আবার নয়ছয় হোক। আগামীর বাংলাদেশে রাষ্ট্রের একটি কানাকড়িও কেউ নয়ছয় করুক, এটি কেউ চান না।’
অ্যাটর্নি জেনারেল আরও বলেন, ‘নতুন সরকারের সময়ে নতুন প্রত্যাশা নিয়ে ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রা শুরু হয়েছে। এখানে আমরা সবাই দেশপ্রেম ও সততা নিয়ে দায়িত্ব পালন করব।’
.png)

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সারা দেশে নতুন করে ৪৫৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
২ মিনিট আগে
হামের উপসর্গে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের কারও হাম শনাক্ত হয়নি। রোববার (২৬ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ সময়ে দেশে ৯৯০ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে।
১৪ মিনিট আগে
রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গড়ে তোলা রাজীব শাহের ‘নবাবপাড়া’ গুঁড়িয়ে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। রোববার (২৬ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) ও গণপূর্ত অধিদপ্তর যৌথভাবে এই অভিযান চালায়।
৩০ মিনিট আগে
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে এক কিশোরকে তুলে নিয়ে নির্যাতনে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি মো. নুরুল ইসলাম ওরফে ইরান (৪০) পিটুনিতে নিহত হয়েছেন। পরে তাঁর বসতঘরে আগুন ধরিয়ে দেয় এলাকার বিক্ষুব্ধরা। তবে বাড়িতে হামলায় ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও স্থানীয় ইউপি সদস্য নেতৃত্ব দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে নিহতের ছেলে।
৩২ মিনিট আগে