leadT1ad

প্রথম ক্রসফায়ার, সিরাজ সিকদার এবং বিচারহীনতার রাষ্ট্রীয় ব্লু-প্রিন্ট

প্রকাশ : ০২ জানুয়ারি ২০২৬, ১৪: ৩৩
সিরাজ সিকদার। ছবি: সংগৃহীত

আজ ২ জানুয়ারি। ক্যালেন্ডারের পাতায় দিনটি সাধারণ মনে হতে পারে, কিন্তু বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস ও মানবাধিকারের দলিলে এটি একটি রক্তিম ও অস্বস্তিকর অধ্যায়। আজ থেকে ৫০ বছর আগে, ১৯৭৫ সালের এই দিনে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রত্যক্ষ করেছিল তার ইতিহাসের অন্যতম হাই-প্রোফাইল রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড। দিনটি ছিল পূর্ব বাংলার সর্বহারা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা ও তাত্ত্বিক নেতা সিরাজ সিকদারের মৃত্যুদিবস। তবে তাঁর মৃত্যুকে কেবল একটি ‘মৃত্যু’ বলা ইতিহাসের সঙ্গে প্রতারণার শামিল। বরং আধুনিক রাজনৈতিক পরিভাষায় একে বলা যায় স্বাধীন বাংলাদেশের ‘প্রথম ক্রসফায়ার’। একজন বিপ্লবীর জীবনাবসানের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র সেদিন যে বিচারহীনতার সংস্কৃতি বা এনকাউন্টার থিওরির জন্ম দিয়েছিল, অর্ধশতাব্দী পেরিয়ে আজও তা এই জনপদকে তাড়া করে ফিরছে।

রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার দম্ভ, ভিন্নমতের প্রতি অসহিষ্ণুতা এবং বিচারিক প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে প্রতিপক্ষকে নির্মূল করার যে ভয়ানক প্রবণতা আমরা পরবর্তী দশকগুলোতে দেখেছি, তার প্রাথমিক মহড়াটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল সিরাজ সিকদারের বুকের ওপর দিয়ে।

সিরাজ সিকদার মনে করতেন ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ ছিল অসম্পূর্ণ। তিনি বিশ্বাস করতেন, পাকিস্তান আমল থেকে মুক্ত হওয়ার পর বাংলাদেশ ভারতীয় আধিপত্যবাদ ও নিজস্ব লুটেরা ধনিক শ্রেণির কবলে পড়েছে।

১৯৪৪ সালের ২৭ অক্টোবর জন্ম নেওয়া সিরাজুল হক সিকদার ১৯৬৭ সালে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করেন। ছাত্রাবস্থা থেকেই সর্বহারার রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়েন। মহিউদ্দিন আহমদের গবেষণাগ্রন্থ ‘লাল সন্ত্রাস: সিরাজ শিকদার ও সর্বহারা রাজনীতি’-তে উল্লেখ করা হয়েছে, সিরাজ সিকদার মনে করতেন ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ ছিল অসম্পূর্ণ। তিনি বিশ্বাস করতেন, পাকিস্তান আমল থেকে মুক্ত হওয়ার পর বাংলাদেশ ভারতীয় আধিপত্যবাদ ও নিজস্ব লুটেরা ধনিক শ্রেণির কবলে পড়েছে।

সিরাজ সিকদারের এই তাত্ত্বিক অবস্থান তাকে তৎকালীন শেখ মুজিবুর রহমান সরকারের প্রধান প্রতিপক্ষে পরিণত করে। ‘বিচিত্রা’ পত্রিকার ১৯৭৪ সালের বিভিন্ন প্রতিবেদন পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, সিরাজ সিকদারের সংগঠন ‘পূর্ব বাংলার সর্বহারা পার্টি’ সেই সময়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে মূর্তিমান আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছিল। তবে তার লড়াই নিছক ক্ষমতার জন্য ছিল না; সিরাজ শিকদারের নিজের লেখা বিভিন্ন প্রচারপত্র ও ইশতেহার সাক্ষ্য দেয় যে, তিনি চেয়েছিলেন একটি শোষণহীন, সত্যিকার অর্থে স্বাধীন এবং ভারতীয় প্রভাবমুক্ত পূর্ব বাংলা।

১৯৭৪ সালের শেষের দিকে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়। রাষ্ট্র তখন তার সমস্ত শক্তি নিয়োগ করে ভিন্নমত দমনে। অ্যান্থনি মাসকারেনহাস তাঁর বিখ্যাত বই ‘বাংলাদেশ: আ লিগ্যাসি অব ব্লাড (বাংলাদেশ: রক্তের ঋণ)’-এ বিস্তারিত বর্ণনা করেছেন কীভাবে সেই সময় সিরাজ সিকদারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। মাসকারেনহাসের ভাষ্যমতে, ১৯৭৫ সালের ১ জানুয়ারি চট্টগ্রামের হালিশহর এলাকা থেকে সাদা পোশাকের গোয়েন্দারা তাকে গ্রেপ্তার করে। তখন তিনি ছদ্মবেশে ছিলেন। গ্রেপ্তারের পরপরই তাঁকে বিমানে করে ঢাকায় উড়িয়ে আনা হয়।

এই অংশটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, একজন গ্রেপ্তার হওয়া আসামিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে সোপর্দ করার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা থাকলেও সিরাজ সিকদারের ক্ষেত্রে রাষ্ট্র সেই পথে হাঁটেনি। তৎকালীন দৈনিক ইত্তেফাক এবং দৈনিক বাংলা-র ৩ জানুয়ারি ১৯৭৫ সংখ্যার সংবাদ অনুযায়ী, তাঁকে ঢাকায় এনে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

১৯৭৫ সালের ২ জানুয়ারি রাতে যা ঘটেছিল, তা পরবর্তী ৫০ বছরে বাংলাদেশের বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের একটি ক্লাসিক টেমপ্লেট হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ৩ জানুয়ারি ১৯৭৫ সালে সরকারিভাবে যে প্রেস নোট বা সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছিল, তার ভাষা ছিল হুবহু আধুনিককালের র‌্যাব বা পুলিশের ক্রসফায়ার প্রেস রিলিজের মতো।

সরকারি প্রেস নোটের ভাষ্যমতে, সিরাজ সিকদার স্বীকারোক্তি দিয়েছিলেন যে তিনি তার দলের গোপন অস্ত্র ও সঙ্গীদের ধরিয়ে দেবেন। সেই অনুযায়ী ২ জানুয়ারি রাতে পুলিশ তাঁকে নিয়ে সাভারের দিকে অভিযানে যায়। পথিমধ্যে তিনি পুলিশ ভ্যান থেকে লাফিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন এবং পুলিশের গুলিতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

সিরাজ সিকদারের মৃত্যু যে নিছক কোনো দুর্ঘটনা বা ‘এনকাউন্টার’ ছিল না, বরং এটি যে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে অনুমোদিত ছিল, তার প্রমাণ মেলে হত্যাকাণ্ডের কিছুদিন পরেই জাতীয় সংসদে দেওয়া শেখ মুজিবুর রহমানের বক্তব্যে। জাতীয় সংসদের কার্যবিবরণী (১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি) অনুযায়ী, শেখ মুজিব তার ভাষণে দম্ভভরে বলেছিলেন, ‘কোথায় আজ সিরাজ সিকদার?’

কিন্তু এই বয়ানটি যে অসার, তা সমসাময়িক এবং পরবর্তীকালের বিভিন্ন সাক্ষী ও বিশ্লেষণে প্রমাণিত। বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা ও আইনজীবী মওদুদ আহমদ তাঁর ‘ইরা অব শেখ মুজিব’ গ্রন্থে একটি লোমহর্ষক অভিজ্ঞতার কথা লিখেছেন। সিরাজ সিকদারকে যখন গ্রেপ্তার করে ঢাকায় আনা হয়, তখন মওদুদ আহমদ নিজেও অন্য একটি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে রমনা থানায় বা বিশেষ কোনো ডিটেনশন সেন্টারে বন্দি ছিলেন। মওদুদ আহমদ উল্লেখ করেছেন, তিনি পাশের কক্ষ থেকে সিরাজ সিকদারের ওপর চালানো নির্যাতনের ভয়াবহ চিৎকার শুনতে পেয়েছিলেন। তিনি লিখেছেন, জিজ্ঞাসাবাদের নামে যে পৈশাচিকতা চালানো হয়েছিল, তা ছিল অবর্ণনীয়।

আরও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া যায় সিরাজ সিকদারের পরিবারের পক্ষ থেকে। সিরাজ সিকদারের বোন শামীম শিকদার (প্রখ্যাত ভাস্কর) পরবর্তী সময়ে একাধিক সাক্ষাৎকারে অভিযোগ করেছেন যে, তাঁর ভাইকে হত্যা করা ছিল একটি পরিকল্পিত রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। ‘সাপ্তাহিক বিচিত্রা’র সাংবাদিক জিল্লুর রহিম দুলাল-এর একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে এসেছিল যে, সাভারে নেওয়ার আগেই সম্ভবত তাঁকে হত্যা করা হয়েছিল অথবা হত্যার উদ্দেশ্যেই সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। হাতকড়া পরা অবস্থায়, কড়া পুলিশি পাহারার মধ্যে একজন নিরস্ত্র বন্দি কীভাবে ভ্যান থেকে লাফিয়ে পালানোর চেষ্টা করতে পারেন—এই প্রশ্নের উত্তর তৎকালীন সরকার দিতে পারেনি, আজও কেউ দিতে পারে না।

সিরাজ সিকদারের মৃত্যু যে নিছক কোনো দুর্ঘটনা বা ‘এনকাউন্টার’ ছিল না, বরং এটি যে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে অনুমোদিত ছিল, তার প্রমাণ মেলে হত্যাকাণ্ডের কিছুদিন পরেই জাতীয় সংসদে দেওয়া শেখ মুজিবুর রহমানের বক্তব্যে। জাতীয় সংসদের কার্যবিবরণী (১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি) অনুযায়ী, শেখ মুজিব তার ভাষণে দম্ভভরে বলেছিলেন, ‘কোথায় আজ সিরাজ সিকদার?’

একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের প্রধান যখন বিচারিক প্রক্রিয়ার বাইরে একজন নাগরিকের মৃত্যুতে সংসদে দাঁড়িয়ে এমন সদম্ভ উক্তি করেন, তখন বুঝতে বাকি থাকে না যে বিচার বিভাগ বা আইনের শাসনের চেয়ে ব্যক্তির আক্রোশ সেখানে কতটা প্রবল ছিল। শেখ মুজিবের এই উক্তিটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি কালো দাগ হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। এটি প্রমাণ করে, সিরাজ সিকদারকে হত্যা করা ছিল তৎকালীন শাসকের জন্য একটি ‘স্বস্তির’ বিষয় এবং এই হত্যাকাণ্ডের দায় রাষ্ট্রপ্রধান নিজেই পরোক্ষভাবে স্বীকার করে নিয়েছিলেন।

সিরাজ সিকদারের হত্যাকাণ্ডকে কেন আমরা ‘প্রথম ক্রসফায়ার’ বলছি? কারণ, আধুনিক বাংলাদেশে ‘ক্রসফায়ার’, ‘বন্দুকযুদ্ধ’ বা ‘এনকাউন্টার’-এর যে নাটক আমরা দেখি, তার চিত্রনাট্য ১৯৭৫ সালের ২ জানুয়ারি রচিত হয়েছিল।

সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজের নানা গবেষণা এবং হিউম্যান রাইটস ওয়াচের বিভিন্ন বাৎসরিক প্রতিবেদনে বাংলাদেশের বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের যে প্যাটার্ন বা ধরন তুলে ধরা হয়েছে, তা হুবহু সিরাজ সিকদার হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে মিলে যায়। প্যাটার্নটি এমন:

১. ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা (অনেক সময় স্বীকার না করা)।
২. অস্ত্র উদ্ধারের নাম করে রাতে নির্জন স্থানে নিয়ে যাওয়া।
৩. ‘পালানোর চেষ্টা’ বা ‘বন্দুকযুদ্ধের’ গল্প সাজানো।
৪. নিহত হওয়ার পর ‘সন্ত্রাসী’ তকমা দিয়ে দায়মুক্তি নেওয়া।

সিরাজ সিকদারের ক্ষেত্রে এই চারটি ধাপই পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পালন করা হয়েছিল। পার্থক্য শুধু এটুকুই যে, তখন ‘ক্রসফায়ার’ শব্দটি প্রচলিত ছিল না, বলা হতো ‘পালানোর সময় গুলি’।

সিরাজ সিকদার হয়তো সশস্ত্র বিপ্লবের পথ বেছে নিয়েছিলেন, যা প্রচলিত আইনের দৃষ্টিতে অপরাধ হতে পারে। কিন্তু তাঁকে বিচারের মুখোমুখি না করে, আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে ঠান্ডা মাথায় হত্যা করা ছিল রাষ্ট্রের নিজের আইনকেই বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানো।

আজ ২ জানুয়ারি, সিরাজ সিকদারের ৫১তম মৃত্যুবার্ষিকীতে দাঁড়িয়ে আমাদের স্বীকার করতেই হবে—ব্যক্তি সিরাজ সিকদারকে হত্যা করা সম্ভব হয়েছে, কিন্তু তার মৃত্যু যে প্রশ্নগুলো রেখে গেছে, তা আজও জীবিত। রাষ্ট্র যখন নিজেই হত্যাকারীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়, তখন নাগরিকের নিরাপত্তা কোথায়?

লেখক ও গবেষক আলতাফ পারভেজ তার বিশ্লেষণে দেখিয়েছেন, সিরাজ সিকদারের হত্যা ছিল বাংলাদেশে বিরোধী মত দমনে ‘রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের’ আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন। এই হত্যাকাণ্ডের বিচার আজও হয়নি। ১৯৯২ সালে সিরাজ সিকদার গবেষণা কেন্দ্রের পক্ষ থেকে একটি মামলা দায়ের করা হলেও তা হিমাগারে পড়ে আছে।

আজ ২ জানুয়ারি, সিরাজ সিকদারের ৫১তম মৃত্যুবার্ষিকীতে দাঁড়িয়ে আমাদের স্বীকার করতেই হবে—ব্যক্তি সিরাজ সিকদারকে হত্যা করা সম্ভব হয়েছে, কিন্তু তার মৃত্যু যে প্রশ্নগুলো রেখে গেছে, তা আজও জীবিত। রাষ্ট্র যখন নিজেই হত্যাকারীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়, তখন নাগরিকের নিরাপত্তা কোথায়?

শেখ মুজিব হয়তো সেদিন সংসদে দাঁড়িয়ে তৃপ্তির হাসি হেসেছিলেন, কিন্তু ইতিহাস সাক্ষী—সেই হাসি দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। বিচারহীনতার যে সংস্কৃতি ১৯৭৫-এর ২ জানুয়ারি শুরু হয়েছিল, তা পরবর্তীতে বুমেরাং হয়ে ফিরে এসেছে বারবার, রক্তাক্ত করেছে গঙ্গা-পদ্মার এই পলিমাটি। সিরাজ সিকদার আজ নেই, কিন্তু তার সেই রক্তমাখা শার্ট আজও বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থার দিকে তাকিয়ে প্রশ্ন ছুড়ছে—ন্যায়বিচার কি কেবল শাসকের ইচ্ছার দাস?

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে সিরাজ সিকদার তাই কেবল একটি নাম নয়; তিনি রাষ্ট্রীয় অন্যায়ের বিরুদ্ধে এক অমীমাংসিত বিদ্রোহের প্রতীক।

তথ্যসূত্র:

১. বাংলাপিডিয়া: বাংলাদেশ জাতীয় জ্ঞানকোষ (সিরাজ সিকদার ভুক্তি)।
২. মহিউদ্দিন আহমদ, ‘লাল সন্ত্রাস: সিরাজ শিকদার ও সর্বহারা রাজনীতি’, প্রথমা প্রকাশন।
৩. অ্যান্থনি মাসকারেনহাস, ‘বাংলাদেশ: আ লিগ্যাসি অব ব্লাড’, হডার অ্যান্ড স্টোটন।
৪. মওদুদ আহমদ, ‘Bangladesh: Era of Sheikh Mujib’, ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড।
৫. জাতীয় সংসদ কার্যবিবরণী, ২৫ জানুয়ারি ১৯৭৫ (শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণ)।
৬. দৈনিক ইত্তেফাক ও দৈনিক বাংলা, ৩ জানুয়ারি ১৯৭৫ সংখ্যা (সরকারি প্রেস নোট)।
৭. সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ এবং হিউম্যান রাইটস ওয়াচের বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বিষয়ক প্রতিবেদনসমূহ।

Ad 300x250

সম্পর্কিত