খামেনির পতনের আন্দোলনের শুরু ৯৯-এ, শেষ কি ২৬-এগত ২৮ ডিসেম্বর জ্বালানি ভর্তুকি প্রত্যাহার ও অর্থনৈতিক সংকটের জেরে ইরানজুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়। বছরের শেষ সময়ে এসে সরকারের এই সিদ্ধান্ত যেন মানুষের ধৈর্যের বাঁধে শেষ আঘাত হানে। নিত্যপণ্যের আকাশছোঁয়া দাম আর রিয়ালের দরপতনে সাধারণ মানুষ আগে থেকেই দিশেহারা ছিল।
প্রথম ক্রসফায়ার, সিরাজ সিকদার এবং বিচারহীনতার রাষ্ট্রীয় ব্লু-প্রিন্টআজ ২ জানুয়ারি। ক্যালেন্ডারের পাতায় দিনটি সাধারণ মনে হতে পারে, কিন্তু বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস ও মানবাধিকারের দলিলে এটি একটি রক্তিম ও অস্বস্তিকর অধ্যায়।
অগ্নিযুগের বিপ্লবী: বিনয় বাদল দীনেশদিনটি ছিল ৮ ডিসেম্বর, ১৯৩০। বিনয়, বাদল এবং দীনেশ সাহেবি পোশাকে সজ্জিত হয়ে রাইটার্স বিল্ডিংসে প্রবেশ করেন। তাঁদের মূল টার্গেট ছিলেন কারা বিভাগের ইন্সপেক্টর জেনারেল কর্নেল এন.এস. সিম্পসন, যিনি জেলের ভেতর রাজবন্দীদের ওপর অমানবিক নির্যাতনের জন্য কুখ্যাত ছিলেন।
৬৩৪ বার মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছিলেন ফিদেল কাস্ত্রোকিউবার সাবেক সিক্রেট সার্ভিস প্রধানের ভাষ্যমতে, ফিদেল কাস্ত্রো অন্তত ৬৩৪ বার মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছিলেন। পরিসংখ্যানটি পুরোপুরি নির্ভুল নাও হতে পারে। কিউবার এই আইকনিক নেতা সিআইএ-র কাছে প্রায় পৌরাণিক প্রতিপক্ষ হয়ে উঠেছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা উঠে-পড়ে লেগেছিল।
রুশ বিপ্লব, মার্ক্স ও আল্লামা ইকবালরাশিয়াতে যখন ১৯১৭ সালে বিপ্লব ঘটল, তখন বহির্বিশ্ব তাৎক্ষণিকভাবে এর গভীরতা অনুধাবন করতে পারেনি। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ব্যাপক ডামাডোলের মধ্যে এটিকে অনেকেই আরেকটি সাধারণ ঘটনা হিসেবে গণ্য করেছিল। তবে ঔপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে মুক্তির সংগ্রামে লিপ্ত দরিদ্র দেশগুলোর কাছে এই বিপ্লব এক নতুন দৃষ্টিকোণ এনে দেয়।
১৯১৭-র রুশ বিপ্লব১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লবের মতো কিছু মানবজাতির ইতিহাসে আগে কখনো ঘটেনি। বিশ্বজুড়ে পুঁজিবাদের আপাত বিজয় ঘটছে। সেই ডামাডোলে একটি ঘটনা যেন ভুলেই গেছে সবাই। আমি এমন একটি বিষয়ের উপর জোর দিতে চাই। আর তা হোল ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব। এই বিপ্লব ছিল মানবজাতির ইতিহাসে এক অভূতপূর্ব ঘটনা।
ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর: সিপাহী-জনতার বিপ্লব ও তার তাৎপর্য৭ নভেম্বরের তাৎপর্য বুঝতে হলে এর পূর্ববর্তী ঘটনাবলি অনুধাবন করা জরুরি। ১৫ আগস্টের পট পরিবর্তনের পর জাতি এক চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে। এর মধ্যেই ৩ নভেম্বর সংঘটিত হয় একটি পাল্টা অভ্যুত্থান, যার নেতৃত্বে ছিলেন ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফ।
চে গুয়েভারার যে পরিচয় সচরাচর বলা হয়নাকিউবা বিপ্লবের কথা বললে যে নামটি প্রথমেই মুখে আসে,সেটি হল চে গুয়েভারা। কিন্তু তিনি ছিলেন একজন ভ্রমণ পিপাসু, সে সম্পর্কে বিস্তারিত বলেছেন তারেক অণু।