স্ট্রিম সংবাদদাতা

যুবসমাজ আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে নতুন বাংলাদেশ দেখার জন্য মুখিয়ে রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ক্ষমতায় যাওয়ার আগে দেশের জনগণ যাদের হাতে নিরাপদ নয়, পরে তাদের হাতে মানুষ আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়বে।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে নোয়াখালীর মাইজদী শহরের জেলা স্কুল মাঠে ১১ দলীয় ঐক্যের নির্বাচনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন জামায়াত আমির।
তিনি বলেন, যারা দেশকে ভালোবাসার প্রমাণ দিতে পেরেছে। তাদের হাতে যদি দেশ আসে তাহলে ভালোবাসার একটা দেশ তৈরি করা সম্ভব। মানুষ বুঝতে পেরেছে। তাই সারাদেশে এখন বাধ ভাঙা জোয়ার শুরু হয়েছে ন্যায় ও ইনসাফের পক্ষে।
শফিকুর রহমান বলেন, শুধু নোয়াখালী নয়, সারা বাংলায় আমি যেখানে যাচ্ছি, মানুষের ভালোবাসা দেখতে পাচ্ছি। বিশেষ করে জুলাইয়ে যারা আন্দোলন করেছে, সেই যুবসমাজ মুখিয়ে আছে নতুন একটি বাংলাদেশ দেখার জন্য। তারা বুঝতে পেরেছে জুলাই চেতনার আকাঙ্ক্ষা কাদের মাধ্যম বাস্তবায়ন হবে।
তিনি বলেন, দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়ার লড়াই শুরু হয়েছে। আমরা সরকারি কর্মচারীদের ন্যায়সঙ্গত দাবি দরদের সঙ্গে বিবেচনায় নিয়ে পে-কমিশনকে বলব– যথাযথ রিকমেনন্ডেশন আমাদের কাছে দেন, যাতে একটি মানুষকে সরকারি চাকরি করার পরে দ্বিতীয় কোনো রুজি সন্ধান করতে না হয়। আর টেবিলের নিচে যেন হাত দিতে না হয়। এরপর যারা সততার রাস্তা ছেড়ে দেবে, সংশোধন না হলে কঠোর ব্যবস্থা নেব।
নোয়াখালী জেলা জামায়াতের আমির ইসহাক খন্দকারের সভাপতিত্বে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের নেতারা বক্তৃতা করেন।
ফেনী নদীতে বাঁধ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি
নির্বাচনে জিতে সরকারে গেলে ভারতের সঙ্গে আলোচনা করে ফেনী নদীতে বাঁধ নির্মাণ করার কথা জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামী আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, আমাদের দেশ রক্ষার অধিকার আমার। এই দায়িত্ব আমাকে নিতেই হবে। এটি ত্যাজ্য করে চলতে পারব না।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) ফেনী সরকারি পাইলট স্কুল মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন জামায়াত আমির। মঞ্চে ১১ দলের নেতাদের উপস্থিতিতে তিনি ফেনীতে মেডিকেল কলেজ, বিশেষায়িত হাসপাতাল স্থাপনসহ নানা প্রতিশ্রুতি দেন।
ফেনী নদী নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বুয়েটের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ শহীদ হয়েছেন মন্তব্য করেন জামায়াত আমির। তিনি বলেন, আধিপত্যের দোসররা তাঁকে সহ্য করতে পারেনি। আবরার ফাহাদের রুহকে আপনাদের কাছে রেখে গেলাম। আবরার ফাহাদকে আপনাদের কলিজায় একটু জায়গা দিয়ে রাখবেন। সে দেশের ন্যায্য প্রাপ্যতার কথা বলেছিল।
জামায়াত আমির বলেন, যে বাঁধের কারণে আপনাদের দুঃখ, সেই বাঁধ এখনো নির্মাণ হয়নি। আল্লাহ যদি আমাদের সেই সুযোগ দেন, আমরা জানি, প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে এ ব্যাপারে একটু ব্যাপারাস্যাপার আছে। আমরা তাদের শ্রদ্ধা করি। আশা করি, তারাও আমাদের শ্রদ্ধা করবে। তাদের সঙ্গে আমরা ফলপ্রসূ আলোচনার মাধ্যমে আমরা শান্তিপূর্ণ সমাধান খুঁজে বের করব।
তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতিতে ফেনীর বিশেষ অবদান রয়েছে। কিন্তু জেলায় মানসম্মত একটি স্টেডিয়াম নেই। জেলা স্টেডিয়ামটিকে আন্তর্জাতিক খেলার ভেন্যু হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

যুবসমাজ আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে নতুন বাংলাদেশ দেখার জন্য মুখিয়ে রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ক্ষমতায় যাওয়ার আগে দেশের জনগণ যাদের হাতে নিরাপদ নয়, পরে তাদের হাতে মানুষ আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়বে।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে নোয়াখালীর মাইজদী শহরের জেলা স্কুল মাঠে ১১ দলীয় ঐক্যের নির্বাচনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন জামায়াত আমির।
তিনি বলেন, যারা দেশকে ভালোবাসার প্রমাণ দিতে পেরেছে। তাদের হাতে যদি দেশ আসে তাহলে ভালোবাসার একটা দেশ তৈরি করা সম্ভব। মানুষ বুঝতে পেরেছে। তাই সারাদেশে এখন বাধ ভাঙা জোয়ার শুরু হয়েছে ন্যায় ও ইনসাফের পক্ষে।
শফিকুর রহমান বলেন, শুধু নোয়াখালী নয়, সারা বাংলায় আমি যেখানে যাচ্ছি, মানুষের ভালোবাসা দেখতে পাচ্ছি। বিশেষ করে জুলাইয়ে যারা আন্দোলন করেছে, সেই যুবসমাজ মুখিয়ে আছে নতুন একটি বাংলাদেশ দেখার জন্য। তারা বুঝতে পেরেছে জুলাই চেতনার আকাঙ্ক্ষা কাদের মাধ্যম বাস্তবায়ন হবে।
তিনি বলেন, দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়ার লড়াই শুরু হয়েছে। আমরা সরকারি কর্মচারীদের ন্যায়সঙ্গত দাবি দরদের সঙ্গে বিবেচনায় নিয়ে পে-কমিশনকে বলব– যথাযথ রিকমেনন্ডেশন আমাদের কাছে দেন, যাতে একটি মানুষকে সরকারি চাকরি করার পরে দ্বিতীয় কোনো রুজি সন্ধান করতে না হয়। আর টেবিলের নিচে যেন হাত দিতে না হয়। এরপর যারা সততার রাস্তা ছেড়ে দেবে, সংশোধন না হলে কঠোর ব্যবস্থা নেব।
নোয়াখালী জেলা জামায়াতের আমির ইসহাক খন্দকারের সভাপতিত্বে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের নেতারা বক্তৃতা করেন।
ফেনী নদীতে বাঁধ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি
নির্বাচনে জিতে সরকারে গেলে ভারতের সঙ্গে আলোচনা করে ফেনী নদীতে বাঁধ নির্মাণ করার কথা জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামী আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, আমাদের দেশ রক্ষার অধিকার আমার। এই দায়িত্ব আমাকে নিতেই হবে। এটি ত্যাজ্য করে চলতে পারব না।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) ফেনী সরকারি পাইলট স্কুল মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন জামায়াত আমির। মঞ্চে ১১ দলের নেতাদের উপস্থিতিতে তিনি ফেনীতে মেডিকেল কলেজ, বিশেষায়িত হাসপাতাল স্থাপনসহ নানা প্রতিশ্রুতি দেন।
ফেনী নদী নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বুয়েটের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ শহীদ হয়েছেন মন্তব্য করেন জামায়াত আমির। তিনি বলেন, আধিপত্যের দোসররা তাঁকে সহ্য করতে পারেনি। আবরার ফাহাদের রুহকে আপনাদের কাছে রেখে গেলাম। আবরার ফাহাদকে আপনাদের কলিজায় একটু জায়গা দিয়ে রাখবেন। সে দেশের ন্যায্য প্রাপ্যতার কথা বলেছিল।
জামায়াত আমির বলেন, যে বাঁধের কারণে আপনাদের দুঃখ, সেই বাঁধ এখনো নির্মাণ হয়নি। আল্লাহ যদি আমাদের সেই সুযোগ দেন, আমরা জানি, প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে এ ব্যাপারে একটু ব্যাপারাস্যাপার আছে। আমরা তাদের শ্রদ্ধা করি। আশা করি, তারাও আমাদের শ্রদ্ধা করবে। তাদের সঙ্গে আমরা ফলপ্রসূ আলোচনার মাধ্যমে আমরা শান্তিপূর্ণ সমাধান খুঁজে বের করব।
তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতিতে ফেনীর বিশেষ অবদান রয়েছে। কিন্তু জেলায় মানসম্মত একটি স্টেডিয়াম নেই। জেলা স্টেডিয়ামটিকে আন্তর্জাতিক খেলার ভেন্যু হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল নিপীড়ন, বৈষম্য ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে দেশের মানুষের ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। তিনি জানান, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটদাতাদের ঐক্যবদ্ধ করে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে কাজ করা হবে।
১২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশইন এবং সীমান্ত হত্যার প্রতিবাদে শুক্রবার (১২ জুন) দেশের সীমান্তবর্তী সব জেলা ও পয়েন্টে প্রতিবাদ সমাবেশ করবে জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলীয় ঐক্য।
১৭ ঘণ্টা আগে
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের বিরুদ্ধে সরকারি টাকায় নির্বাচনী প্রচার চালানোর অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা। রাজধানীর নাখালপাড়ার মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে এনসিপির বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচিতে এমন মন্তব্য করেন তারা।
১ দিন আগে
জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব দিয়েছে। জিডিপি ১২ দশমিক ১৪ শতাংশের সমান এই বাজেটকে তারা জনমুখী ও বাস্তবসম্মত বলে দাবি করেছে।
২ দিন আগে