স্ট্রিম সংবাদদাতা

উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে জামায়াতে ইসলামীর এক নেতার মৃত্যুর ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসংসদ, ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে এসব বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।
এর আগে বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নিয়ে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি-জামায়াত নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম (৫০) নিহত হয়েছেন। এছাড়াও সংঘর্ষে দুপক্ষের শতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।
স্থানীয়সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে বুধবার বিকেলে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নিয়ে নির্বাচনী ইশতেহার অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল ও জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের কর্মী-সমর্থকরা বাগবিতণ্ডা শুরু করেন। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন কর্মী-সমর্থক আহত হন। জ্বালিয়ে দেওয়া হয় একটি মোটরসাইকেল। এ সময় সংবাদ সংগ্রহকালে দুজন সাংবাদিকও আহত হন এবং তাদের সাথে থাকা একটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়।
এর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)। বিক্ষোভে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল সংসদের নেতাসহ শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন। মিছিলটি রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাসভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এসে শেষ হয়। সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ডাকসুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মোসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদ বলেছেন, ‘নির্বাচনে সহিংসতা তো শুরু হয়েছে অনেক আগেই। এবার শুরু হলো লাশ ফেলা। শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের থানা সেক্রেটারি রেজাউল করিমকে খুন করে দিয়েছে বিএনপির সন্ত্রাসীরা।’
সমাবেশে বক্তব্য দেন ডাকসুর সহ-সভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েম। তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘একটি ফ্রি ফেয়ার নির্বাচনের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে হবে। যারা সন্ত্রাসী, যারা দুর্নীতিবাজ, যারা বাংলাদেশে মাসল পাওয়ার ফিরিয়ে আনতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।’
বিএনপিকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘আপনারা যদি সেই হাসিনার রাজনীতি করতে চান, সেই সন্ত্রাসের রাজনীতি করতে চান, তাহলে আপনাদের ঠিকানা বাংলাদেশে হবে না।’
বিক্ষোভ মিছিল করেছে ইসলামী ছাত্রশিবিরের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখাও। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও মানবিকী অনুষদ সংলগ্ন মুরাদ চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে সংগঠনটি। মিছিলে তারা ‘বিএনপির সন্ত্রাসীরা, হুঁশিয়ার সাবধান’, ‘বিএনপি খুন করে, ইন্টারিম কী করে’, ‘হোয়াট ইজ ইওর প্ল্যান, মার্ডার মার্ডার’ প্রভৃতি স্লোগান দিতে দেখা যায়।
মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে বটতলায় এসে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।
সমাবেশে শাখা শিবিরের প্লানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক শাফায়েত মীর বলেন, ‘অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আমরা এক নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্ন দেখেছিলাম। ভেবেছিলাম দেশে রাজনীতির সুস্থ প্রতিযোগিতা হবে, কিন্তু হচ্ছে তার বিপরীত। আমরা ভেবেছিলাম তারেক রহমান দেশে এসে তার চাঁদাবাজ লোকদের নিয়ন্ত্রণ করবেন। আমাদের এই ভাবনা ভুল ছিল। আমরাও বলে দিতে চাই, আমাদের রক্ত নিয়ে খেলতে গেলে হাসিনার মতো দেশ থেকে পালাতে হবে। এদেশে থাকতে চাইলে জুলুমবাজি, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসবাদ বন্ধ করুন।’
শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি ও জাকসুর সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা দুর্ভাগ্যজনকভাবে দেখতে পাচ্ছি বিএনপি সেই পুরনো রাজনৈতিক বন্দোবস্তে ফিরে যাচ্ছে। তারা দেশের বিভিন্ন জায়গায় তারা যে রাহাজানি তারা যে গুম-খুনের রাজনীতি সেই রাজনীতি তারা ফিরিয়ে আনছে। এর মাঝে আমরা দেখতে পেয়েছি বিগত একটা সময় ধরে তারা আমাদের যে মা-বোন যাদের সম্মান আমাদের কাছে সর্বোচ্চ পর্যায়ে সেই মা বোনদের গায়ে হাত তোলার ক্ষেত্রে তারা স্পর্ধা দেখিয়েছে।’ নেক্কারজনক কার্যক্রম যারা করে, আগামী নির্বাচনে বাংলাদেশের মানুষ তাদের লাল কার্ড দেখিয়ে দিবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এদিকে তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রশিবিরও। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১২টায় মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জোহা চত্বরে থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন হল প্রদক্ষিণ করে সমাবেশে মিলিত হয়।
এসময় শিবির নেতা-কর্মীরা ‘নেতায় করে খাম্বা চুরি, কর্মী মারে গলায় ছুরি’, ‘সন্ত্রাসীদের ঠিকানা, এই বাংলায় হবে না’, ‘বিএনপির অনেক গুন, নির্বাচনের প্রথম খুন’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।
বিক্ষোভ পরবর্তী সমাবেশে ছাত্রশিবিরের অফিস সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা ৫ আগস্ট পরবর্তী চেয়েছিলাম এদেশে শান্তিপূর্ণ রাজনীতির চর্চা হবে। কিন্তু আমরা দেখেছি বিএনপি আওয়ামী লীগের পথে হাঁটা শুরু করেছে। আমরা তারেক রহমানকে বলতে চাই, আপনি যদি অতীত থেকে শিক্ষা না নেন, আপনাকে আওয়ামী লীগের মতোই বিতাড়িত হতে হবে। আপনি বলেছিলেন, আই হ্যাভ এ প্ল্যান। আপনার প্ল্যান ইতিমধ্যে জাতির কাছে উন্মুক্ত হয়ে গেছে। আমরা শুধু আজকে একটি হত্যার প্রতিবাদ এখানে দাঁড়াইনি, বিএনপির ধারাবাহিকভাবে সন্ত্রাসী রাজনীতির বিরুদ্ধে আমরা এখানে দাঁড়িয়েছে।’

উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে জামায়াতে ইসলামীর এক নেতার মৃত্যুর ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসংসদ, ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে এসব বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।
এর আগে বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নিয়ে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি-জামায়াত নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম (৫০) নিহত হয়েছেন। এছাড়াও সংঘর্ষে দুপক্ষের শতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।
স্থানীয়সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে বুধবার বিকেলে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নিয়ে নির্বাচনী ইশতেহার অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল ও জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের কর্মী-সমর্থকরা বাগবিতণ্ডা শুরু করেন। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন কর্মী-সমর্থক আহত হন। জ্বালিয়ে দেওয়া হয় একটি মোটরসাইকেল। এ সময় সংবাদ সংগ্রহকালে দুজন সাংবাদিকও আহত হন এবং তাদের সাথে থাকা একটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়।
এর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)। বিক্ষোভে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল সংসদের নেতাসহ শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন। মিছিলটি রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাসভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এসে শেষ হয়। সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ডাকসুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মোসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদ বলেছেন, ‘নির্বাচনে সহিংসতা তো শুরু হয়েছে অনেক আগেই। এবার শুরু হলো লাশ ফেলা। শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের থানা সেক্রেটারি রেজাউল করিমকে খুন করে দিয়েছে বিএনপির সন্ত্রাসীরা।’
সমাবেশে বক্তব্য দেন ডাকসুর সহ-সভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েম। তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘একটি ফ্রি ফেয়ার নির্বাচনের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে হবে। যারা সন্ত্রাসী, যারা দুর্নীতিবাজ, যারা বাংলাদেশে মাসল পাওয়ার ফিরিয়ে আনতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।’
বিএনপিকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘আপনারা যদি সেই হাসিনার রাজনীতি করতে চান, সেই সন্ত্রাসের রাজনীতি করতে চান, তাহলে আপনাদের ঠিকানা বাংলাদেশে হবে না।’
বিক্ষোভ মিছিল করেছে ইসলামী ছাত্রশিবিরের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখাও। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও মানবিকী অনুষদ সংলগ্ন মুরাদ চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে সংগঠনটি। মিছিলে তারা ‘বিএনপির সন্ত্রাসীরা, হুঁশিয়ার সাবধান’, ‘বিএনপি খুন করে, ইন্টারিম কী করে’, ‘হোয়াট ইজ ইওর প্ল্যান, মার্ডার মার্ডার’ প্রভৃতি স্লোগান দিতে দেখা যায়।
মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে বটতলায় এসে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।
সমাবেশে শাখা শিবিরের প্লানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক শাফায়েত মীর বলেন, ‘অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আমরা এক নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্ন দেখেছিলাম। ভেবেছিলাম দেশে রাজনীতির সুস্থ প্রতিযোগিতা হবে, কিন্তু হচ্ছে তার বিপরীত। আমরা ভেবেছিলাম তারেক রহমান দেশে এসে তার চাঁদাবাজ লোকদের নিয়ন্ত্রণ করবেন। আমাদের এই ভাবনা ভুল ছিল। আমরাও বলে দিতে চাই, আমাদের রক্ত নিয়ে খেলতে গেলে হাসিনার মতো দেশ থেকে পালাতে হবে। এদেশে থাকতে চাইলে জুলুমবাজি, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসবাদ বন্ধ করুন।’
শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি ও জাকসুর সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা দুর্ভাগ্যজনকভাবে দেখতে পাচ্ছি বিএনপি সেই পুরনো রাজনৈতিক বন্দোবস্তে ফিরে যাচ্ছে। তারা দেশের বিভিন্ন জায়গায় তারা যে রাহাজানি তারা যে গুম-খুনের রাজনীতি সেই রাজনীতি তারা ফিরিয়ে আনছে। এর মাঝে আমরা দেখতে পেয়েছি বিগত একটা সময় ধরে তারা আমাদের যে মা-বোন যাদের সম্মান আমাদের কাছে সর্বোচ্চ পর্যায়ে সেই মা বোনদের গায়ে হাত তোলার ক্ষেত্রে তারা স্পর্ধা দেখিয়েছে।’ নেক্কারজনক কার্যক্রম যারা করে, আগামী নির্বাচনে বাংলাদেশের মানুষ তাদের লাল কার্ড দেখিয়ে দিবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এদিকে তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রশিবিরও। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১২টায় মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জোহা চত্বরে থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন হল প্রদক্ষিণ করে সমাবেশে মিলিত হয়।
এসময় শিবির নেতা-কর্মীরা ‘নেতায় করে খাম্বা চুরি, কর্মী মারে গলায় ছুরি’, ‘সন্ত্রাসীদের ঠিকানা, এই বাংলায় হবে না’, ‘বিএনপির অনেক গুন, নির্বাচনের প্রথম খুন’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।
বিক্ষোভ পরবর্তী সমাবেশে ছাত্রশিবিরের অফিস সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা ৫ আগস্ট পরবর্তী চেয়েছিলাম এদেশে শান্তিপূর্ণ রাজনীতির চর্চা হবে। কিন্তু আমরা দেখেছি বিএনপি আওয়ামী লীগের পথে হাঁটা শুরু করেছে। আমরা তারেক রহমানকে বলতে চাই, আপনি যদি অতীত থেকে শিক্ষা না নেন, আপনাকে আওয়ামী লীগের মতোই বিতাড়িত হতে হবে। আপনি বলেছিলেন, আই হ্যাভ এ প্ল্যান। আপনার প্ল্যান ইতিমধ্যে জাতির কাছে উন্মুক্ত হয়ে গেছে। আমরা শুধু আজকে একটি হত্যার প্রতিবাদ এখানে দাঁড়াইনি, বিএনপির ধারাবাহিকভাবে সন্ত্রাসী রাজনীতির বিরুদ্ধে আমরা এখানে দাঁড়িয়েছে।’

মিজানুর রহমান, পুরোনো ঢাকার পরিচিত মুখ। নাগরিক সমস্যা সমাধানে ভিন্নধর্মী কর্মসূচি করতে গিয়ে হয়েছেন নির্যাতিত। আসন্ন নির্বাচনের ইশতেহার দিয়ে আবার আলোচনায় এলেন ঢাকা-৪ (শ্যামপুর-কদমতলী-যাত্রাবাড়ী আংশিক) আসনের স্বতন্ত্র এই প্রার্থী।
১২ মিনিট আগে
নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায় সংঘর্ষে জড়িয়েছে বিএনপি ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীরা। শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে হাতিয়ার নলছিরায় পূর্বঘোষিত ফেরি উদ্বোধন কর্মসূচিতে যোগ দেওয়া নেতাকর্মীরা এ সংঘর্ষে জড়ান। এতে এনসিপি, জামায়াত ও বিএনপির অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
১২ মিনিট আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩৬ দফা ইশতেহার প্রকাশ করেছে । চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ওঠে আসা দলটি এই ইশতেহারকে বলছে ‘তারুণ্য ও মর্যাদার ইশতেহার’।
২৬ মিনিট আগে
প্রতিবছর ৩০ হাজার তরুণকে সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাজধানীর গুলশানের লেকশোর গ্র্যান্ড হোটেলে প্রকাশিত ইশতেহারে এ পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে দলটি।
১ ঘণ্টা আগে