স্ট্রিম প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেছেন, তফসিল ঘোষণার মাধ্যমে জাতির প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে নির্বাচন-সংক্রান্ত সব অনিশ্চয়তা, সংশয় ও সন্দেহের অবসান ঘটল।
বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) তফসিল ঘোষণার পর আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ‘আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে আয়োজনের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচন যাতে সর্বজনগ্রাহ্য হয়, সে জন্য কমিশনকে সর্বোচ্চ দায়িত্বশীলতা দেখাতে হবে; কোনো ধরনের দুর্বলতা প্রদর্শন করা যাবে না।’
তিনি বলেন, ‘একটি কাঙ্ক্ষিত নির্বাচনের জন্য সবার আগে প্রয়োজন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা। এ লক্ষ্যে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন জরুরি—যেখানে নির্বাচন কমিশনকে কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে।’
অতীতের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের মতো হতাশাজনক নির্বাচন জাতি আর দেখতে চায় না। তাই কমিশনকে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী যথার্থ ভূমিকা রাখতে হবে। আগামী নির্বাচন যেন উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হতে পারে, সে লক্ষ্যে জামায়াত নির্বাচন কমিশনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে ইনশাআল্লাহ। ৫ আগস্টের বিপ্লবের যে প্রত্যাশা, তা এই নির্বাচনের মাধ্যমেই পূরণ হওয়া প্রয়োজন।’
জুলাই সনদকে আইনি ভিত্তি প্রদানের লক্ষ্যে গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে ভোট দিয়ে একে বিজয়ী করার আহ্বান জানান জুবায়ের। তিনি জানান, জামায়াতসহ আন্দোলনরত ৮ দল জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে কমিশনকে সব ধরনের সহযোগিতা করবে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর সেলিম উদ্দিন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেছেন, তফসিল ঘোষণার মাধ্যমে জাতির প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে নির্বাচন-সংক্রান্ত সব অনিশ্চয়তা, সংশয় ও সন্দেহের অবসান ঘটল।
বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) তফসিল ঘোষণার পর আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ‘আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে আয়োজনের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচন যাতে সর্বজনগ্রাহ্য হয়, সে জন্য কমিশনকে সর্বোচ্চ দায়িত্বশীলতা দেখাতে হবে; কোনো ধরনের দুর্বলতা প্রদর্শন করা যাবে না।’
তিনি বলেন, ‘একটি কাঙ্ক্ষিত নির্বাচনের জন্য সবার আগে প্রয়োজন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা। এ লক্ষ্যে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন জরুরি—যেখানে নির্বাচন কমিশনকে কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে।’
অতীতের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের মতো হতাশাজনক নির্বাচন জাতি আর দেখতে চায় না। তাই কমিশনকে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী যথার্থ ভূমিকা রাখতে হবে। আগামী নির্বাচন যেন উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হতে পারে, সে লক্ষ্যে জামায়াত নির্বাচন কমিশনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে ইনশাআল্লাহ। ৫ আগস্টের বিপ্লবের যে প্রত্যাশা, তা এই নির্বাচনের মাধ্যমেই পূরণ হওয়া প্রয়োজন।’
জুলাই সনদকে আইনি ভিত্তি প্রদানের লক্ষ্যে গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে ভোট দিয়ে একে বিজয়ী করার আহ্বান জানান জুবায়ের। তিনি জানান, জামায়াতসহ আন্দোলনরত ৮ দল জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে কমিশনকে সব ধরনের সহযোগিতা করবে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর সেলিম উদ্দিন।

‘কথা কম কাজ বেশি, বাংলাদেশকে ভালোবাসি’ স্লোগান নিয়ে রাজধানীর তেজগাঁওয়ের বেগুনবাড়ী এলাকায় ‘ওপেন মাইক’ অনুষ্ঠান শুরু করেছেন তাসলিমা আখতার। তিনি ঢাকা-১২ আসনে গণসংহতি আন্দোলনের মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে ‘মাথাল’ প্রতীক নিয়ে।
৩ মিনিট আগে
‘রাজনীতি যাই করি কাকে ভোট দিবো তা নিয়ে এখনও সন্দিহান রয়েছি। ধরেন, আগে এখানে বিএনপির দুই জন প্রার্থী ছিল। এখন সেটা বাদ দিয়ে নতুন একজন আসছে। আবার স্বতন্ত্র যিনি আছেন তিনিও এই এলাকার সন্তান। জামায়াতের প্রার্থীও ভালো ভূমিকা রাখছে। এ কারণে সিদ্ধান্ত নিতে পারছি না।’
৯ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, একটি দল কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ডের নামে প্রতারণা করছে, এটি প্রতিরণার প্যাকেজ। বাংলাদেশের সংকট এখন ফ্যামিলি কার্ড না, বাংলাদেশের সংকট এখন অর্থনীতিকে চাঙ্গা করা।
১১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে আর কোনো ফ্যাসিবাদকে কারও ঘাড়ে ভর করে ক্ষমতায় আসতে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান।
১১ ঘণ্টা আগে