গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে প্রায় প্রতি বছরই ঈদের বাজারে কোনো না কোনো পোশাক হঠাৎ জনপ্রিয় হয়ে ওঠেছিল। এগুলোকে বলা হতো ‘ভাইরাল ঈদ ড্রেস’। চলুন এক নজরে দেখা যাক সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ঈদের বাজারে আলোচিত কয়েকটি পোশাকের ট্রেন্ড।
কাজী নিশাত তাবাসসুম

প্রতি বছর ঈদকে ঘিরে পোশাকের বাজারে নতুন নতুন ট্রেন্ড দেখা যায়। কোনো বছর টিভি সিরিয়ালের প্রভাব, কোনো বছর সিনেমা, আবার কখনো সোশ্যাল মিডিয়ার কারণে তৈরি হয় ‘ভাইরাল ঈদ ড্রেস’। তবে এবারের ঈদে এখনো নির্দিষ্ট কোনো ভাইরাল ড্রেস চোখে পড়েনি। তারপরও ক্রেতাদের মধ্যে পাকিস্তানি পোশাকের প্রতি আগ্রহ কিছুটা বেশি দেখা যাচ্ছে।
এর একটি বড় কারণ পাকিস্তানি ড্রামা সিরিয়ালের জনপ্রিয়তা। বাংলাদেশে এসব নাটকের অনেক দর্শক রয়েছে। নাটকে অভিনেত্রীদের পোশাক অনেকের কাছেই আকর্ষণীয় লাগে। তাই অনেকেই সেই স্টাইল অনুসরণ করতে চান। অন্যদিকে ঈদ বা উৎসব সামনে এলেই ব্যবসায়ীরাও নতুন ডিজাইনের পোশাক বাজারে আনতে চেষ্টা করেন। তাই এবারে ‘পাকিস্তানি লন’ বা পাকিস্তানি ডিজাইনের বিভিন্ন কালেকশন বাজারে দেখা যাচ্ছে। পাশাপাশি গুল আহমেদ, বিন সৈয়দ, সানা সাফিনাজ, মারিয়া বি বা সাদাবাহারের মতো পাকিস্তানি ফ্যাশন ব্র্যান্ডের ডিজাইনের অনুকরণে তৈরি পোশাকও অনেক দোকানে পাওয়া যাচ্ছে।
গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে প্রায় প্রতি বছরই ঈদের বাজারে কোনো না কোনো পোশাক হঠাৎ জনপ্রিয় হয়ে ওঠেছিল। এগুলোকে বলা হতো ‘ভাইরাল ঈদ ড্রেস’। চলুন এক নজরে দেখা যাক সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ঈদের বাজারে আলোচিত কয়েকটি পোশাকের ট্রেন্ড।
ঐতিহাসিকভাবে মুঘল আমলের নৃত্যশিল্পী আনারকলির নাম থেকেই ‘আনারকলি’ পোশাকের ধারণা এসেছে বলে মনে করা হয়। তবে দক্ষিণ এশিয়ায় এই পোশাক নতুন করে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে বলিউডের সিনেমা ‘মুঘল-ই-আজম’-এর প্রভাবে। সিনেমায় মুঘল দরবারের পোশাকের যে রাজকীয়তা দেখানো হয়, সেখান থেকেই অনুপ্রাণিত হয়ে পরে ফ্যাশন জগতে ‘আনারকলি’ স্টাইলের সালোয়ার–কামিজ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

আনারকলি পোশাকের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো লম্বা, ঘেরওয়ালা ফ্রক-স্টাইলের কামিজ, চুড়িদার পায়জামা, এমব্রয়ডারি ও জরির কাজ। বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ায় ২০০০ থেকে ২০০৮ সালের দিকে ঈদের বাজারে এই পোশাক বেশ ট্রেন্ডি হয়ে ওঠে। পরে ২০১২ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যেও আবার আনারকলি ডিজাইনের পোশাক নতুন করে জনপ্রিয়তা পায়।
২০০৯ থেকে ২০১১ সালের দিকে ঈদের বাজারে আরেকটি আলোচিত পোশাক ছিল ‘মাসাক্কালি’। এই পোশাকের জনপ্রিয়তাই আসে মূলত বলিউডের সিনেমা ‘দিল্লি-৬’ এর গান ‘মাসাক্কালি’ থেকে।
এই পোশাকের বৈশিষ্ট্য হলো রঙিন প্রিন্টেড লম্বা কুর্তি, যা সাধারণত একটু ঢিলেঢালা ও আরামদায়ক হয়। এর সঙ্গে থাকে চুড়িদার পায়জামা ও ওড়না। পোশাকটি সাধারণত কটন বা জর্জেট কাপড়ে তৈরি হয়, ফলে এটি গরমের সময় পরতেও বেশ আরামদায়ক। বাংলাদেশে বিশেষ করে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণীদের মধ্যে এই পোশাক দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
ভারতীয় বাংলা টেলিভিশন চ্যানেল স্টার জলসার জনপ্রিয় সিরিয়াল ‘বোঝেনা সে বোঝেনা’র নায়িকার নামে এ পোশাকের নামকরণ। সিরিয়ালে চরিত্রটি যে ধরনের লম্বা ফ্রক বা গাউন–স্টাইলের পোশাক পরতেন, সেটি দ্রুতই তরুণীদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

বাংলাদেশে ঈদের বাজারে এই পোশাকের চাহিদা এতটাই বেড়ে যায় যে অনেক মার্কেটেই ‘পাখি ড্রেস’ নিয়ে আলাদা প্রচার দেখা গিয়েছিল। বিশেষ করে স্কুল–কলেজপড়ুয়া তরুণীদের মধ্যে এটি ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। ২০১৪ সালের দিকে এই পোশাক ঘিরে উন্মাদনা এতটাই বাড়ে যে সংবাদমাধ্যমে এ নিয়ে নানা ঘটনা আলোচনায় আসে। এমনকি পাখি ড্রেস না কিনতে পেরে আত্মহত্যার ঘটনাও সংবাদ শিরোনাম হয়েছিল।
২০১৩-২০১৪ সালের দিকে ঈদের সময় বেশ ভাইরাল বা ট্রেন্ডি হিসেবে পরিচিতি পায় ‘আশিকি ড্রেস’। এর জনপ্রিয়তার পেছনে বড় ভূমিকা ছিল বলিউড সিনেমা ‘আশিকি-২’ এর সাফল্য এবং সিনেমার অভিনেত্রী শ্রদ্ধা কাপুরের স্টাইল।
এই ড্রেসের বৈশিষ্ট্য হলো হালকা জর্জেট, শিফন, কটন; অনেক সময় ফ্লোরাল বা সফট প্রিন্ট কাপড়ের লম্বা কামিজ বা কুর্তি হয়। সঙ্গে লেগিংস বা চুড়িদার পায়জামা। অনেকটা মাসাক্কালি ড্রেসের অনুরূপ। যা সাধারণের মধ্যেও আভিজাত্যের লুক দেয়।

২০১৫-২০১৬ সালে ভারতীয় সিরিয়াল ও সিনেমার প্রভাবে কিছু পোশাক ভাইরাল হয়। বিশেষ করে ভারতীয় সিরিয়াল ‘কিরণমালা’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে ‘কিরণমালা ড্রেস’ এবং ‘বাহুবলী’ সিনেমার রাজকীয় পোশাকের ধাঁচে তৈরি ‘বাহুবলী ড্রেস’ ঈদের বাজারে আলোচনায় আসে। এসব পোশাকে লম্বা গাউন, ভারী এমব্রয়ডারি এবং রাজকীয় ডিজাইনের প্রভাব দেখা যায়।
১৯৯০-এর দশকের শেষ থেকে ২০০০ এর দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত ঈদে বেশ জনপ্রিয় ছিল এই পোশাকটি। মাঝে নানান ভাইরাল পোশাক এলেও আবারো পুরোনো স্টাইলের পোশাকে দিকে ক্রেতারা ঝুঁকে পরে।
২০১৭-২০২০ এই সময়কালে আবারো ঈদে জনপ্রিয় পোশাকের তালিকায় আসে এই ড্রেস। সাধারণত সিল্ক বা জর্জেট কাপড়ের শর্ট কামিজ ও চওড়া ঘেরওয়ালা প্যান্টই এই পোশাকের মূল আর্কষণ। জরি,পাথর ও সিকুয়েন্সের কাজ এই পোশাককে আরো আর্ষয়নীয় করে তোলে ক্রেতাদের কাছে। সাধারণত বিয়ে বা উৎসবে এই পোশাক পরা হয়।

প্রতি বছর ঈদকে ঘিরে পোশাকের বাজারে নতুন নতুন ট্রেন্ড দেখা যায়। কোনো বছর টিভি সিরিয়ালের প্রভাব, কোনো বছর সিনেমা, আবার কখনো সোশ্যাল মিডিয়ার কারণে তৈরি হয় ‘ভাইরাল ঈদ ড্রেস’। তবে এবারের ঈদে এখনো নির্দিষ্ট কোনো ভাইরাল ড্রেস চোখে পড়েনি। তারপরও ক্রেতাদের মধ্যে পাকিস্তানি পোশাকের প্রতি আগ্রহ কিছুটা বেশি দেখা যাচ্ছে।
এর একটি বড় কারণ পাকিস্তানি ড্রামা সিরিয়ালের জনপ্রিয়তা। বাংলাদেশে এসব নাটকের অনেক দর্শক রয়েছে। নাটকে অভিনেত্রীদের পোশাক অনেকের কাছেই আকর্ষণীয় লাগে। তাই অনেকেই সেই স্টাইল অনুসরণ করতে চান। অন্যদিকে ঈদ বা উৎসব সামনে এলেই ব্যবসায়ীরাও নতুন ডিজাইনের পোশাক বাজারে আনতে চেষ্টা করেন। তাই এবারে ‘পাকিস্তানি লন’ বা পাকিস্তানি ডিজাইনের বিভিন্ন কালেকশন বাজারে দেখা যাচ্ছে। পাশাপাশি গুল আহমেদ, বিন সৈয়দ, সানা সাফিনাজ, মারিয়া বি বা সাদাবাহারের মতো পাকিস্তানি ফ্যাশন ব্র্যান্ডের ডিজাইনের অনুকরণে তৈরি পোশাকও অনেক দোকানে পাওয়া যাচ্ছে।
গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে প্রায় প্রতি বছরই ঈদের বাজারে কোনো না কোনো পোশাক হঠাৎ জনপ্রিয় হয়ে ওঠেছিল। এগুলোকে বলা হতো ‘ভাইরাল ঈদ ড্রেস’। চলুন এক নজরে দেখা যাক সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ঈদের বাজারে আলোচিত কয়েকটি পোশাকের ট্রেন্ড।
ঐতিহাসিকভাবে মুঘল আমলের নৃত্যশিল্পী আনারকলির নাম থেকেই ‘আনারকলি’ পোশাকের ধারণা এসেছে বলে মনে করা হয়। তবে দক্ষিণ এশিয়ায় এই পোশাক নতুন করে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে বলিউডের সিনেমা ‘মুঘল-ই-আজম’-এর প্রভাবে। সিনেমায় মুঘল দরবারের পোশাকের যে রাজকীয়তা দেখানো হয়, সেখান থেকেই অনুপ্রাণিত হয়ে পরে ফ্যাশন জগতে ‘আনারকলি’ স্টাইলের সালোয়ার–কামিজ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

আনারকলি পোশাকের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো লম্বা, ঘেরওয়ালা ফ্রক-স্টাইলের কামিজ, চুড়িদার পায়জামা, এমব্রয়ডারি ও জরির কাজ। বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ায় ২০০০ থেকে ২০০৮ সালের দিকে ঈদের বাজারে এই পোশাক বেশ ট্রেন্ডি হয়ে ওঠে। পরে ২০১২ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যেও আবার আনারকলি ডিজাইনের পোশাক নতুন করে জনপ্রিয়তা পায়।
২০০৯ থেকে ২০১১ সালের দিকে ঈদের বাজারে আরেকটি আলোচিত পোশাক ছিল ‘মাসাক্কালি’। এই পোশাকের জনপ্রিয়তাই আসে মূলত বলিউডের সিনেমা ‘দিল্লি-৬’ এর গান ‘মাসাক্কালি’ থেকে।
এই পোশাকের বৈশিষ্ট্য হলো রঙিন প্রিন্টেড লম্বা কুর্তি, যা সাধারণত একটু ঢিলেঢালা ও আরামদায়ক হয়। এর সঙ্গে থাকে চুড়িদার পায়জামা ও ওড়না। পোশাকটি সাধারণত কটন বা জর্জেট কাপড়ে তৈরি হয়, ফলে এটি গরমের সময় পরতেও বেশ আরামদায়ক। বাংলাদেশে বিশেষ করে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণীদের মধ্যে এই পোশাক দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
ভারতীয় বাংলা টেলিভিশন চ্যানেল স্টার জলসার জনপ্রিয় সিরিয়াল ‘বোঝেনা সে বোঝেনা’র নায়িকার নামে এ পোশাকের নামকরণ। সিরিয়ালে চরিত্রটি যে ধরনের লম্বা ফ্রক বা গাউন–স্টাইলের পোশাক পরতেন, সেটি দ্রুতই তরুণীদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

বাংলাদেশে ঈদের বাজারে এই পোশাকের চাহিদা এতটাই বেড়ে যায় যে অনেক মার্কেটেই ‘পাখি ড্রেস’ নিয়ে আলাদা প্রচার দেখা গিয়েছিল। বিশেষ করে স্কুল–কলেজপড়ুয়া তরুণীদের মধ্যে এটি ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। ২০১৪ সালের দিকে এই পোশাক ঘিরে উন্মাদনা এতটাই বাড়ে যে সংবাদমাধ্যমে এ নিয়ে নানা ঘটনা আলোচনায় আসে। এমনকি পাখি ড্রেস না কিনতে পেরে আত্মহত্যার ঘটনাও সংবাদ শিরোনাম হয়েছিল।
২০১৩-২০১৪ সালের দিকে ঈদের সময় বেশ ভাইরাল বা ট্রেন্ডি হিসেবে পরিচিতি পায় ‘আশিকি ড্রেস’। এর জনপ্রিয়তার পেছনে বড় ভূমিকা ছিল বলিউড সিনেমা ‘আশিকি-২’ এর সাফল্য এবং সিনেমার অভিনেত্রী শ্রদ্ধা কাপুরের স্টাইল।
এই ড্রেসের বৈশিষ্ট্য হলো হালকা জর্জেট, শিফন, কটন; অনেক সময় ফ্লোরাল বা সফট প্রিন্ট কাপড়ের লম্বা কামিজ বা কুর্তি হয়। সঙ্গে লেগিংস বা চুড়িদার পায়জামা। অনেকটা মাসাক্কালি ড্রেসের অনুরূপ। যা সাধারণের মধ্যেও আভিজাত্যের লুক দেয়।

২০১৫-২০১৬ সালে ভারতীয় সিরিয়াল ও সিনেমার প্রভাবে কিছু পোশাক ভাইরাল হয়। বিশেষ করে ভারতীয় সিরিয়াল ‘কিরণমালা’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে ‘কিরণমালা ড্রেস’ এবং ‘বাহুবলী’ সিনেমার রাজকীয় পোশাকের ধাঁচে তৈরি ‘বাহুবলী ড্রেস’ ঈদের বাজারে আলোচনায় আসে। এসব পোশাকে লম্বা গাউন, ভারী এমব্রয়ডারি এবং রাজকীয় ডিজাইনের প্রভাব দেখা যায়।
১৯৯০-এর দশকের শেষ থেকে ২০০০ এর দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত ঈদে বেশ জনপ্রিয় ছিল এই পোশাকটি। মাঝে নানান ভাইরাল পোশাক এলেও আবারো পুরোনো স্টাইলের পোশাকে দিকে ক্রেতারা ঝুঁকে পরে।
২০১৭-২০২০ এই সময়কালে আবারো ঈদে জনপ্রিয় পোশাকের তালিকায় আসে এই ড্রেস। সাধারণত সিল্ক বা জর্জেট কাপড়ের শর্ট কামিজ ও চওড়া ঘেরওয়ালা প্যান্টই এই পোশাকের মূল আর্কষণ। জরি,পাথর ও সিকুয়েন্সের কাজ এই পোশাককে আরো আর্ষয়নীয় করে তোলে ক্রেতাদের কাছে। সাধারণত বিয়ে বা উৎসবে এই পোশাক পরা হয়।

ঘণ্টার পর ঘণ্টা দোকান ঘুরেও যখন সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না, তখন কেনাকাটার আনন্দটা মাঝেমধ্যে বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। মনোবিজ্ঞানীরা এই অবস্থাকে বলেন ‘চয়েস ওভারলোড’ বা ‘প্যারাডক্স অফ চয়েস’। কিন্তু কীভাবে এই সমস্যার সমাধান করা যায়?
১ দিন আগে
তাহলে কি সত্যিই ক্যাফেইন কমালে এমন স্বপ্ন দেখা শুরু হয়? অস্ট্রেলিয়ার সেন্ট্রাল কুইন্সল্যান্ড ইউনিভার্সিটির গবেষক শার্লট গুপ্তা এবং অস্ট্রেলিয়ান ক্যাথলিক ইউনিভার্সিটির গবেষক কারিসা গার্ডিনার এই বিষয়ে কিছু ব্যাখ্যা দিয়েছেন।
১ দিন আগে
পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে রাজধানীর শপিংমল ও বিপণিবিতানগুলোতে এখন জমজমাট কেনাকাটা। বসুন্ধরা সিটি, যমুনা ফিউচার পার্কসহ বড় বড় শপিং মলগুলোতে দেখা যাচ্ছে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়।
২ দিন আগে
ছেলেদের শখ খুব অল্প। সুন্দর কেডস বা জুতা, সানগ্লাস, মানিব্যাগ বা পারফিউম ছাড়িয়ে সবার পছন্দ এক জায়গায় মেলে। তা হলো ফ্যাশনেবল হাতঘড়ি। ছেলেরা আবার এসব জিনিস উপহার পেতেই পছন্দ করে। যেমন আমার। বৈবাহিক সূত্রে যেসব ঘড়ি পেয়েছিলাম তা উচ্চমূল্যের এবং এগুলো নিজের টাকা দিয়ে কেনার সামর্থ্য ছিল না। নিজের টাকায় যে
২ দিন আগে