স্ট্রিম প্রতিবেদক

মানবাধিকার কমিশন গঠনের উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও এটি বাস্তবায়নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের ব্যক্তিগত ভূমিকার সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হিসেবে দেখছেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. রেহমান সোবহান।
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘যারা আজ রাজনৈতিক কারণে অবৈধভাবে আটকে আছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করাই হবে বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের প্রথম ও প্রধান চ্যালেঞ্জ।’
আজ বুধবার (১১ মার্চ) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে (বিসিএফসিসি) নাগরিক প্ল্যাটফর্ম আয়োজিত ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ ২০২৫: নতুন সংসদের কাছে প্রত্যাশা’ শীর্ষক সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।
রেহমান সোবহান বলেন, ‘মানবাধিকার রক্ষার ক্ষেত্রে কমিশনের চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সংসদ সদস্যদের ভূমিকা।’
তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ইতিহাসের বিচারে রাষ্ট্র পরিচালনাকারীরাই অনেক সময় মানবাধিকারের প্রধান রক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালনের বদলে প্রধান লঙ্ঘনকারীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন।
গত ১৭ বছরে সংলাপে উপস্থিত প্রায় সবাই কোনো না কোনোভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সে দৃষ্টিকোণ থেকে মানবাধিকার রক্ষা ও লঙ্ঘন প্রতিরোধে সবচেয়ে বেশি আগ্রহী হওয়ার কথা খোদ সালাহউদ্দিনেরই।’
দুঃখ প্রকাশ করে এই অর্থনীতিবিদ বলেন, ‘ইতিহাস দেখায় যে কোনো সরকার ক্ষমতায় থাকাকালে বিরোধীদের অধিকার লঙ্ঘন করে এবং পরবর্তীতে সেই বিরোধীরা ক্ষমতায় এসে একই কাজ করে। বর্তমানে অনেক মানুষ কেবল রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কারাগারে আটক রয়েছেন, যা মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং বিচারব্যবস্থার ব্যর্থতা হিসেবেই গণ্য হয়।’
এটি অন্তর্বর্তী সরকারেরও একটি ব্যর্থতা বলে তিনি মনে করেন, যাঁদের আইনের শাসন রক্ষায় অনেক বেশি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হওয়ার কথা ছিল।
সংলাপে তিনি সরাসরি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রশ্ন করেন, তিনি কি মানবাধিকার কমিশনকে ক্ষমতায়িত করে কাজ করতে সহায়তা করবেন, নাকি আগের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের মতো এটিকে উপেক্ষা করবেন? তিনি বলেন, ‘কমিশন কতটা কার্যকরভাবে কাজ করতে পারবে, তা সম্পূর্ণ নির্ভর করবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন তার দায়িত্ব কীভাবে পালন করেন তার ওপর।’
অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান এমপি, অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, মাহমুদুর রহমান মান্না, অ্যাডভোকেট হুমায়রা নূর, তাসলিমা আক্তার লিমা, খুশি কবির, জাকির হোসেন, অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান এমপি, শামসুল হুদা, সারা হোসেন, সংসদ সদস্য নওশাদ, মাহবুব উদ্দিন খোকন এবং রুমিন ফারহানাসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

মানবাধিকার কমিশন গঠনের উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও এটি বাস্তবায়নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের ব্যক্তিগত ভূমিকার সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হিসেবে দেখছেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. রেহমান সোবহান।
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘যারা আজ রাজনৈতিক কারণে অবৈধভাবে আটকে আছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করাই হবে বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের প্রথম ও প্রধান চ্যালেঞ্জ।’
আজ বুধবার (১১ মার্চ) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে (বিসিএফসিসি) নাগরিক প্ল্যাটফর্ম আয়োজিত ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ ২০২৫: নতুন সংসদের কাছে প্রত্যাশা’ শীর্ষক সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।
রেহমান সোবহান বলেন, ‘মানবাধিকার রক্ষার ক্ষেত্রে কমিশনের চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সংসদ সদস্যদের ভূমিকা।’
তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ইতিহাসের বিচারে রাষ্ট্র পরিচালনাকারীরাই অনেক সময় মানবাধিকারের প্রধান রক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালনের বদলে প্রধান লঙ্ঘনকারীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন।
গত ১৭ বছরে সংলাপে উপস্থিত প্রায় সবাই কোনো না কোনোভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সে দৃষ্টিকোণ থেকে মানবাধিকার রক্ষা ও লঙ্ঘন প্রতিরোধে সবচেয়ে বেশি আগ্রহী হওয়ার কথা খোদ সালাহউদ্দিনেরই।’
দুঃখ প্রকাশ করে এই অর্থনীতিবিদ বলেন, ‘ইতিহাস দেখায় যে কোনো সরকার ক্ষমতায় থাকাকালে বিরোধীদের অধিকার লঙ্ঘন করে এবং পরবর্তীতে সেই বিরোধীরা ক্ষমতায় এসে একই কাজ করে। বর্তমানে অনেক মানুষ কেবল রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কারাগারে আটক রয়েছেন, যা মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং বিচারব্যবস্থার ব্যর্থতা হিসেবেই গণ্য হয়।’
এটি অন্তর্বর্তী সরকারেরও একটি ব্যর্থতা বলে তিনি মনে করেন, যাঁদের আইনের শাসন রক্ষায় অনেক বেশি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হওয়ার কথা ছিল।
সংলাপে তিনি সরাসরি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রশ্ন করেন, তিনি কি মানবাধিকার কমিশনকে ক্ষমতায়িত করে কাজ করতে সহায়তা করবেন, নাকি আগের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের মতো এটিকে উপেক্ষা করবেন? তিনি বলেন, ‘কমিশন কতটা কার্যকরভাবে কাজ করতে পারবে, তা সম্পূর্ণ নির্ভর করবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন তার দায়িত্ব কীভাবে পালন করেন তার ওপর।’
অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান এমপি, অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, মাহমুদুর রহমান মান্না, অ্যাডভোকেট হুমায়রা নূর, তাসলিমা আক্তার লিমা, খুশি কবির, জাকির হোসেন, অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান এমপি, শামসুল হুদা, সারা হোসেন, সংসদ সদস্য নওশাদ, মাহবুব উদ্দিন খোকন এবং রুমিন ফারহানাসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

শিক্ষকেরা সবার প্রবেশপত্র দিলেও, কিছুক্ষণ পরে জান্নাতুল জানতে পারে, তার প্রবেশপত্র আসেনি।
১৪ মিনিট আগে
পাবনার ঈশ্বরদীতে পদ্মা নদীর কুষ্টিয়া সীমান্তবর্তী হরিপুর এলাকায় টহলরত নৌপুলিশের একটি টিমের ওপর দুর্বৃত্তরা অতর্কিত হামলা চালিয়েছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দিবাগত রাত দেড়টা থেকে ২টার মধ্যে ঘটা এই ঘটনায় লক্ষ্মীকুণ্ডা নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (ওসি) খন্দকার শফিকুল ইসলামসহ পাঁচ পুলিশ সদস্য গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
২২ মিনিট আগে
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে সিএনজি ও কলাবাহী একটি পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ সাতজন আহত হয়েছেন। বুধবার (২২ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে শ্রীনগর-মুন্সীগঞ্জ সড়কের তন্তর পল্লী বিদ্যুৎ অভিযোগকেন্দ্রের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
৩৮ মিনিট আগে
যশোরে গৃহবধূর বিরুদ্ধে তাঁর শাশুড়ি সকিনা বেগমকে (৬০) হত্যার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দিবাগত গভীর রাতে শহরের বেজপাড়া মেইন রোড এলাকার বাসা থেকে ওই বৃদ্ধার বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত গৃহবধূ মরিয়ম খাতুনকে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে