স্ট্রিম প্রতিবেদক

নির্বাচনী প্রচারে সারাদেশে নারীকর্মীদের হেনস্থা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ জামায়াতে ইসলামীর। এই ঘটনার প্রতিবাদসহ ছয় দাবিতে আগামী শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী সমাবেশ করবে দলটি।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাজধানীর মগবাজারে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের এসব তথ্য জানিয়েছেন। নারীকর্মীদের হেনস্থার নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, ইতিহাসে প্রথমবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় এই নারী সমাবেশ শুরু হবে।
জামায়াতের দাবিগুলো হলো–
১. নারীদের ওপর সংঘটিত সব হামলার বিচার বিভাগীয় তদন্ত করতে হবে।
২. দোষীদের দলীয় পরিচয় নির্বিশেষে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।
৩. নির্বাচনী কর্মসূচিতে নারীদের জন্য আলাদা নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
৪. নারীর বিরুদ্ধে ঘৃণামূলক বক্তব্য ও উসকানিমূলক প্রচারের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রকে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।
৫. নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনকে নারীর নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। এবং
৬. গণমাধ্যম ও সুশীল সমাজকে দল নিরপেক্ষভাবে নারীর পক্ষে দাঁড়াতে হবে।
ডা. তাহের বলেন, জামায়াতের ৪৩ ভাগ নারী এবং তারা কোনোভাবেই দেড় কোটির কম নয়। আরপিওতে দলে ৩৩ ভাগ নারী সদস্য করার বিধান রয়েছে। একমাত্র জামায়াতই শর্তটি পূরণ করতে পেরেছে।
তিনি বলেন, আমাদের বন্ধুরা মনে করে– জামায়াতে নারীদের গুরুত্ব কম। যাদের দলে বেশি নারী, তাদের যদি অভিযুক্ত করা হয়, তাহলে যাদের দলে নারীর অংশগ্রহণ কম, তাদের কী বলবেন। অপপ্রচারের মাধ্যমে একটি ভুল জিনিসকে আমাদের বন্ধুরা প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে।
জামায়াতে এই নায়েবে আমির বলেন, নির্বাচন আসন্ন। জামায়াতের নারীরা খুবই সক্রিয়। তারা স্ব স্ব এলাকায় বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন। ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। আমাদের মূল্যায়ন অনুযায়ী, সারাদেশে জামায়াতের নারী সমর্থকই বেশি। এবার জামায়াতকে নারীরাই বেশি ভোট দেবেন। কারণ তারা শান্তিপ্রিয়; বিশৃঙ্খলা ও উগ্রতা পছন্দ করেন না।
বিএনপিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, আমাদের প্রধান প্রতিপক্ষ এটা বুঝতে পেরে সারাদেশে জামায়াতের নারীদের আক্রমণ করছে। হেনস্থা করার চেষ্টা করছে, ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। তাদের জন্য একটি পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা করছে।
ডা. তাহের বলেন, যারা বেশি বেশি নারীর অধিকার নিয়ে চিৎকার করেন, তারাই এখন রাজনৈতিক কারণে নারীর ওপর হামলা করছে। শুধু নারীদের ওপর নয়, সারাদেশেই বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকায় হামলা শুরু হয়েছে। বক্তৃতায় জিহ্বা কেটে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। জামায়াতকে ভোট দিলে হাত নিয়ে ঘরে ফিরতে পারবে না– এমন কথাও বলা হচ্ছে এবং রেডিও-টেলিভিশনেই আমরা এসব শুনতে-দেখতে পাচ্ছি।
তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান প্রতিশ্রুতি– নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ একটি নির্বাচন। নির্বাচন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ না হলে; ফলাফল যাই হোক দেশে-বিদেশে কোনো গ্রহণযোগ্যতা থাকবে না।
সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের এই নায়েবে আমির নির্বাচনী সহিংসতার খণ্ডচিত্র তুলে ধরেন। তিনি যশোর, চুয়াডাঙ্গা, কুমিল্লা, টাঙ্গাইল, লালমনিরহাট, ভোলা, মেহেরপুর, কেরানীগঞ্জ প্রভৃতি এলাকায় জামায়াতের নারী কর্মীদের ওপর সহিংসতার সুনির্দিষ্ট ঘটনার বিবরণ দেন এবং এলইডি স্ক্রিনে তা দেখানো হয়।
ডা. তাহের বলেন, চরফ্যাশনে পছন্দের প্রার্থীর বিপক্ষে নির্বাচনী প্রচারে নামায় হাজেরা বেগম নামে এক নারীকে মারধর করে গুরুতর আহত করেন স্থানীয় যুবদল নেতা শাহাবুদ্দিন। তাঁকে রক্ষা করতে গেলে ওই নারীর ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা মেয়েকেও মারধর, এমনকি পেটে লাথি মারা হয়। শুধু তাই নয়, শাহাবুদ্দিন ওই নারীর কান থেকে টান দিয়ে স্বর্ণালংকার নেন এবং কাঠ দিয়ে মাথায় আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পরে ওই নারীর মাথায় ছয়টি এবং কানে দুটি সেলাই দিতে হয়েছে।
তিনি বলেন, সারাদেশে এ রকম অসংখ্য ঘটনা ঘটছে। বিষয়টি স্পর্শকাতর হওয়ায় নারীদের ইস্যুকে অগ্রাধিকার দিয়ে এখানে পেশ করেছি। অধিকাংশ কেন্দ্রেই হুমকি-ধমকি, মারধর শুরু হয়েছে এবং কেন্দ্র দখল ও নিয়ন্ত্রণের মহড়া হচ্ছে।
ডা. তাহের আরও বলেন, আমাদের কথা স্পষ্ট– নারী-পুরুষ নির্বিশেষে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার জন্য সবাইকে চেষ্টা ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। নির্বাচনে যদি ২০১৪, ’১৮ ও ’২৪ সালের পুনরাবৃত্তি হয়, সে নির্বাচন কখনো গ্রহণযোগ্য হবে না। দেশের মানুষ এমন নির্বাচন মেনে নেবে না। কেউ অন্যায়ভাবে ক্ষমতায় যাওয়ার কথা চিন্তা করলে, তা তাদের জন্য দুঃস্বপ্ন হবে এবং জনগণ তাদের প্রতিরোধ করবে।

নির্বাচনী প্রচারে সারাদেশে নারীকর্মীদের হেনস্থা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ জামায়াতে ইসলামীর। এই ঘটনার প্রতিবাদসহ ছয় দাবিতে আগামী শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী সমাবেশ করবে দলটি।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাজধানীর মগবাজারে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের এসব তথ্য জানিয়েছেন। নারীকর্মীদের হেনস্থার নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, ইতিহাসে প্রথমবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় এই নারী সমাবেশ শুরু হবে।
জামায়াতের দাবিগুলো হলো–
১. নারীদের ওপর সংঘটিত সব হামলার বিচার বিভাগীয় তদন্ত করতে হবে।
২. দোষীদের দলীয় পরিচয় নির্বিশেষে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।
৩. নির্বাচনী কর্মসূচিতে নারীদের জন্য আলাদা নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
৪. নারীর বিরুদ্ধে ঘৃণামূলক বক্তব্য ও উসকানিমূলক প্রচারের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রকে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।
৫. নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনকে নারীর নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। এবং
৬. গণমাধ্যম ও সুশীল সমাজকে দল নিরপেক্ষভাবে নারীর পক্ষে দাঁড়াতে হবে।
ডা. তাহের বলেন, জামায়াতের ৪৩ ভাগ নারী এবং তারা কোনোভাবেই দেড় কোটির কম নয়। আরপিওতে দলে ৩৩ ভাগ নারী সদস্য করার বিধান রয়েছে। একমাত্র জামায়াতই শর্তটি পূরণ করতে পেরেছে।
তিনি বলেন, আমাদের বন্ধুরা মনে করে– জামায়াতে নারীদের গুরুত্ব কম। যাদের দলে বেশি নারী, তাদের যদি অভিযুক্ত করা হয়, তাহলে যাদের দলে নারীর অংশগ্রহণ কম, তাদের কী বলবেন। অপপ্রচারের মাধ্যমে একটি ভুল জিনিসকে আমাদের বন্ধুরা প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে।
জামায়াতে এই নায়েবে আমির বলেন, নির্বাচন আসন্ন। জামায়াতের নারীরা খুবই সক্রিয়। তারা স্ব স্ব এলাকায় বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন। ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। আমাদের মূল্যায়ন অনুযায়ী, সারাদেশে জামায়াতের নারী সমর্থকই বেশি। এবার জামায়াতকে নারীরাই বেশি ভোট দেবেন। কারণ তারা শান্তিপ্রিয়; বিশৃঙ্খলা ও উগ্রতা পছন্দ করেন না।
বিএনপিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, আমাদের প্রধান প্রতিপক্ষ এটা বুঝতে পেরে সারাদেশে জামায়াতের নারীদের আক্রমণ করছে। হেনস্থা করার চেষ্টা করছে, ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। তাদের জন্য একটি পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা করছে।
ডা. তাহের বলেন, যারা বেশি বেশি নারীর অধিকার নিয়ে চিৎকার করেন, তারাই এখন রাজনৈতিক কারণে নারীর ওপর হামলা করছে। শুধু নারীদের ওপর নয়, সারাদেশেই বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকায় হামলা শুরু হয়েছে। বক্তৃতায় জিহ্বা কেটে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। জামায়াতকে ভোট দিলে হাত নিয়ে ঘরে ফিরতে পারবে না– এমন কথাও বলা হচ্ছে এবং রেডিও-টেলিভিশনেই আমরা এসব শুনতে-দেখতে পাচ্ছি।
তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান প্রতিশ্রুতি– নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ একটি নির্বাচন। নির্বাচন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ না হলে; ফলাফল যাই হোক দেশে-বিদেশে কোনো গ্রহণযোগ্যতা থাকবে না।
সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের এই নায়েবে আমির নির্বাচনী সহিংসতার খণ্ডচিত্র তুলে ধরেন। তিনি যশোর, চুয়াডাঙ্গা, কুমিল্লা, টাঙ্গাইল, লালমনিরহাট, ভোলা, মেহেরপুর, কেরানীগঞ্জ প্রভৃতি এলাকায় জামায়াতের নারী কর্মীদের ওপর সহিংসতার সুনির্দিষ্ট ঘটনার বিবরণ দেন এবং এলইডি স্ক্রিনে তা দেখানো হয়।
ডা. তাহের বলেন, চরফ্যাশনে পছন্দের প্রার্থীর বিপক্ষে নির্বাচনী প্রচারে নামায় হাজেরা বেগম নামে এক নারীকে মারধর করে গুরুতর আহত করেন স্থানীয় যুবদল নেতা শাহাবুদ্দিন। তাঁকে রক্ষা করতে গেলে ওই নারীর ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা মেয়েকেও মারধর, এমনকি পেটে লাথি মারা হয়। শুধু তাই নয়, শাহাবুদ্দিন ওই নারীর কান থেকে টান দিয়ে স্বর্ণালংকার নেন এবং কাঠ দিয়ে মাথায় আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পরে ওই নারীর মাথায় ছয়টি এবং কানে দুটি সেলাই দিতে হয়েছে।
তিনি বলেন, সারাদেশে এ রকম অসংখ্য ঘটনা ঘটছে। বিষয়টি স্পর্শকাতর হওয়ায় নারীদের ইস্যুকে অগ্রাধিকার দিয়ে এখানে পেশ করেছি। অধিকাংশ কেন্দ্রেই হুমকি-ধমকি, মারধর শুরু হয়েছে এবং কেন্দ্র দখল ও নিয়ন্ত্রণের মহড়া হচ্ছে।
ডা. তাহের আরও বলেন, আমাদের কথা স্পষ্ট– নারী-পুরুষ নির্বিশেষে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার জন্য সবাইকে চেষ্টা ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। নির্বাচনে যদি ২০১৪, ’১৮ ও ’২৪ সালের পুনরাবৃত্তি হয়, সে নির্বাচন কখনো গ্রহণযোগ্য হবে না। দেশের মানুষ এমন নির্বাচন মেনে নেবে না। কেউ অন্যায়ভাবে ক্ষমতায় যাওয়ার কথা চিন্তা করলে, তা তাদের জন্য দুঃস্বপ্ন হবে এবং জনগণ তাদের প্রতিরোধ করবে।

ঢাকা-১২ আসনে নির্বাচিত হলে ‘নাগরিক কাউন্সিল’ গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রার্থী তাসলিমা আখতার।
২ মিনিট আগে
আগামী দিনে দেশে শুধু বাংলাদেশপন্থী রাজনীতি চলবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। তিনি বলেন, মানুষের মুখে মুখে পরিবর্তনের আওয়াজ। তারা পুরাতন কাউকে ক্ষমতায় আনতে চায় না। অনেকেই বলছেন সবাইকে দেখেছি, এবার ইসলামী দলগুলোকে ক্ষমতায় দেখতে চাই।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় পার্টিসহ গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের শরিক ১৪ দলকে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার দাবি জানিয়েছে জুলাই ঐক্য। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের সামনে এক সমাবেশে সংগঠনটির পক্ষ থেকে এ দাবি জানানো হয়।
১ ঘণ্টা আগে
ফেনীর তিনটি সংসদীয় আসনের মধ্যে ফেনী-৩ আসনেই সবচেয়ে বেশি ভোটার। এখানে মূল লড়াই হচ্ছে ত্রিমুখী—বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ আব্দুল আউয়াল মিন্টু, জামায়াতে ইসলামীর ফখরুদ্দিন মানিক এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সাইফুদ্দিন শিফনের মধ্যে।
২ ঘণ্টা আগে