স্ট্রিম প্রতিবেদক

ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির নেতা অমিত শাহর ছেলে জয় শাহর প্রচ্ছন্ন সমর্থনে বাংলাদেশের ক্রিকেটকে ধ্বংস করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। তাদের অভিযোগ, বিএনপি-আওয়ামী লীগের একটি প্রভাবশালী মহল একজোট হয়ে পরিকল্পিতভাবে এই কাজ করছে।
শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির স্পোর্টস সেলের সংবাদ সম্মেলনে দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার এসব অভিযোগ করেন।
আসন্ন বিসিবি নির্বাচন ২০২৬-এর মূল্যায়ন করে সারোয়ার তুষার বলেন, এই নির্বাচন প্রক্রিয়া ২০১৪ সালের আওয়ামী লীগের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার একতরফা জাতীয় নির্বাচনের মতো। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসে তিন মাসেই ক্রিকেটকে সম্পূর্ণ দলীয় নিয়ন্ত্রণে নিয়ে গেছে।
এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব ও স্পোর্টস সেল সম্পাদক আহনাফ সাঈদ খান লিখিত বক্তব্যে জানান, আগের তদন্ত কমিটির তিনটি মূল সুপারিশ—বিসিবির গঠনতন্ত্র সংশোধন, নির্বাচন বিধিমালা সংস্কার এবং নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে সরকার একতরফা নির্বাচনের পথ বেছে নিয়েছে।
বিসিবির অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবালের সমালোচনা করে সারোয়ার তুষার বলেন, ‘জুলাইয়ের আন্দোলনের সময় তিনি গণভবনে গিয়ে শেখ হাসিনার সাথে সাক্ষাৎ করেছিলেন। এখন বিএনপির সমর্থনপুষ্ট প্রার্থী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন।’ তিনি অভিযোগ করেন, বিসিবির অ্যাডহক কমিটি, কাউন্সিলর ও পরিচালক পদে ক্রীড়া সংগঠকদের বাদ দিয়ে বিএনপির পদধারী নেতা, তাঁদের আত্মীয়স্বজন এবং স্থানীয় প্রশাসনের লোকদের বসানো হয়েছে।
এনসিপি নেতারা বলেন, রাজনৈতিক দখলদারত্ব, পরিবারতন্ত্র এবং গোষ্ঠীস্বার্থের বলয়ে ক্রিকেটকে বন্দি করার চেষ্টা দেশের ক্রীড়া সংস্কৃতিতে অশনিসংকেত। তাঁরা বিসিবি নির্বাচন ২০২৬-সংক্রান্ত সকল অভিযোগের স্বচ্ছ তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার বাস্তবায়নের দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে বিসিবি নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ৭৫ জন প্রার্থী, কাউন্সিলর ও কর্মকর্তার রাজনৈতিক ও পারিবারিক পরিচয় সংক্রান্ত তথ্যও উপস্থাপন করা হয়।

ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির নেতা অমিত শাহর ছেলে জয় শাহর প্রচ্ছন্ন সমর্থনে বাংলাদেশের ক্রিকেটকে ধ্বংস করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। তাদের অভিযোগ, বিএনপি-আওয়ামী লীগের একটি প্রভাবশালী মহল একজোট হয়ে পরিকল্পিতভাবে এই কাজ করছে।
শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির স্পোর্টস সেলের সংবাদ সম্মেলনে দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার এসব অভিযোগ করেন।
আসন্ন বিসিবি নির্বাচন ২০২৬-এর মূল্যায়ন করে সারোয়ার তুষার বলেন, এই নির্বাচন প্রক্রিয়া ২০১৪ সালের আওয়ামী লীগের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার একতরফা জাতীয় নির্বাচনের মতো। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসে তিন মাসেই ক্রিকেটকে সম্পূর্ণ দলীয় নিয়ন্ত্রণে নিয়ে গেছে।
এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব ও স্পোর্টস সেল সম্পাদক আহনাফ সাঈদ খান লিখিত বক্তব্যে জানান, আগের তদন্ত কমিটির তিনটি মূল সুপারিশ—বিসিবির গঠনতন্ত্র সংশোধন, নির্বাচন বিধিমালা সংস্কার এবং নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে সরকার একতরফা নির্বাচনের পথ বেছে নিয়েছে।
বিসিবির অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবালের সমালোচনা করে সারোয়ার তুষার বলেন, ‘জুলাইয়ের আন্দোলনের সময় তিনি গণভবনে গিয়ে শেখ হাসিনার সাথে সাক্ষাৎ করেছিলেন। এখন বিএনপির সমর্থনপুষ্ট প্রার্থী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন।’ তিনি অভিযোগ করেন, বিসিবির অ্যাডহক কমিটি, কাউন্সিলর ও পরিচালক পদে ক্রীড়া সংগঠকদের বাদ দিয়ে বিএনপির পদধারী নেতা, তাঁদের আত্মীয়স্বজন এবং স্থানীয় প্রশাসনের লোকদের বসানো হয়েছে।
এনসিপি নেতারা বলেন, রাজনৈতিক দখলদারত্ব, পরিবারতন্ত্র এবং গোষ্ঠীস্বার্থের বলয়ে ক্রিকেটকে বন্দি করার চেষ্টা দেশের ক্রীড়া সংস্কৃতিতে অশনিসংকেত। তাঁরা বিসিবি নির্বাচন ২০২৬-সংক্রান্ত সকল অভিযোগের স্বচ্ছ তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার বাস্তবায়নের দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে বিসিবি নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ৭৫ জন প্রার্থী, কাউন্সিলর ও কর্মকর্তার রাজনৈতিক ও পারিবারিক পরিচয় সংক্রান্ত তথ্যও উপস্থাপন করা হয়।

সরকার আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়েছে বলে দাবি করেছেন জাতীয় নারী শক্তির সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা মিতু। তিনি বলেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আওয়ামী লীগ দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। এখন সেই জায়গা বিএনপি দখল করেছে।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও দুঃশাসন দূর না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, মুক্তির মঞ্জিলের আন্দোলন গন্তব্যে না পৌঁছানো পর্যন্ত আমরা থামব না।
২৫ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সৈকত আরিফ। আর সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ফারহানা মানিক মুনা। শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুই দিনব্যাপী সম্মেলন শেষে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির তথ্য জানানো হয়েছে।
২৫ জুলাই ২০২৬
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ছেড়েছে খেলাফত মজলিস। শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার তৃতীয় সাধারণ বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
২৫ জুলাই ২০২৬