leadT1ad

গানম্যানের পর জামায়াত আমিরের বাসভবনেও মোতায়েন করা হচ্ছে সশস্ত্র পুলিশ

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

গানম্যানের পর জামায়াত আমিরের বাসভবনেও মোতায়েন করা হচ্ছে সশস্ত্র পুলিশ। স্ট্রিম গ্রাফিক

ব্যক্তিগত নিরাপত্তায় গানম্যান পাওয়ার পরে এবার জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের বাসভবনে সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েন করছে সরকার। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন দায়িত্বশীল একটি সূত্র স্ট্রিমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাই-যোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদির গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুর পরে রাজনীতিবিদদের নিরাপত্তা ঝুঁকির বিষয়টি সামনে আসে। এর ফলে সরকার ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের গানম্যান সুবিধা দেওয়ার কথা জানায়। ইতিমধ্যে যারা গানম্যান পেয়েছেন তাঁদের মধ্যে রয়েছেন চরমোনাই পীর ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করিম, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, বিএনপি নেতা মাসুদ অরুনসহ আরো অনেকে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, জারি করা সরকারি আদেশে বলা হয়েছে, ডা. শফিকুর রহমানের ক্ষেত্রে উচ্চমাত্রার নিরাপত্তা ঝুঁকি বা হুমকি বিদ্যমান। এ কারণে তাঁর ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একজন গানম্যান নিয়োগ এবং বাসভবনে নিরাপত্তার জন্য পোশাকধারী সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এর আগে পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি) ডা. শফিকুর রহমানের নিরাপত্তা ঝুঁকি মূল্যায়ন করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি পত্র পাঠায়। সেই সুপারিশের ভিত্তিতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে খোঁজ নিতে যোগাযোগ করা হলে ডা. শফিকুর রহমানের ব্যক্তিগত সচিব নজরুল ইসলাম স্ট্রিমকে জানিয়েছেন, গত দুই সপ্তাহ ধরে ব্যক্তিগত নিরাপত্তায় গানম্যান সুবিধা পেয়ে আসছেন জামায়াত আমির।

তিনি আরও জানান, উচ্চমাত্রার নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকার কারণে এখন তাঁর বাসভবনেও পোশাকধারী সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েনের ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে তাঁরা জানতে পেরেছেন। তবে এখনও এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক কোনো চিঠি পাননি বলে স্ট্রিমকে জানিয়েছেন তিনি।

প্রসঙ্গত, নির্বাচনের সময় সাধারণত বৈধ অস্ত্র জমা নেওয়ার নির্দেশনা দেয় নির্বাচন কমিশন। গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় এমন নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। এবারও এমন নির্দেশনা আসেনি; বরং সরকার লাইসেন্স দিতে উদ্যোগী। অবশ্য গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, ভোটগ্রহণ শুরুর আগে ও পরে মিলিয়ে ৯৬ ঘণ্টা বৈধ অস্ত্রও প্রদর্শন করা যায় না।

Ad 300x250
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত