স্পোর্টস ডেস্ক

আট বছর পর বিশ্বকাপে ফিরছে লাতিন আমেরিকার দেশ কলম্বিয়া। তারকা খেলোয়াড় হামেস রদ্রিগেজের শেষ বিশ্বকাপে এবার নকআউটে যেতে মরিয়া তারা।
১৯৫৪ সালে বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়া কলম্বিয়া সপ্তমবারের মতো বিশ্বকাপে অংশ নেবে।বিশ্বকাপে খেলা ২২ ম্যাচে ৯ জয়ের বিপরীতে ১০টি পরাজয়ের স্বাদ পেয়েছে কলম্বিয়া। ২০১৪ বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনাল এবং হামেস রদ্রিগেজের ‘গোল্ডেন বুট’ জয়ই দেশটির বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গৌরব।
২০২২ বিশ্বকাপে বাছাইপর্বের বাধা পেরোতে ব্যর্থ হইয়েছিল দলটি। এরপর ফুটবলকে পুনরুজ্জীবিত করতে ‘ফুটবল উইথ আ ফিউচার’ নামে বিশেষ দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নেয় তারা। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ১৩তম কলম্বিয়া ফুটবল বিশ্বে ‘লস ক্যাফেতেরোস’ নামে পরিচিত।
বিশ্বকাপে তাদের ডাগআউট সামলাবেন আর্জেন্টাইন স্ট্র্যাটেজিস্ট নেস্টর লরেঞ্জো। তার অধীনে এবারের বাছাইপর্বে ১৮ ম্যাচে ৭ জয়, ৭ ড্র এবং ৪টি পরাজয়ে ২৮ পয়েন্ট নিয়ে বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করে লস ক্যাফেতেরোস।
কলম্বিয়া এবার বিশ্বকাপে লড়বে গ্রুপ ‘কে’-তে। ১৮ জুন উজবেকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু। এরপর ২৪ জুন ডিআর কঙ্গো এবং ২৮ জুন পর্তুগালের মুখোমুখি হবে লরেঞ্জোর দল।

এবারের আসরে কলম্বিয়ার প্রধান ‘প্লেয়ার টু ওয়াচ’ হিসেবে থাকছেন ২৫ বছর বয়সী লেফট উইঙ্গার লুইস দিয়াজ। জার্মানির বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে খেলা এই ফুটবলার জাতীয় দলের হয়ে ৭২ ম্যাচে করেছেন ২১টি গোল। বুন্দেসলিগার ২৫-২৬ মৌসুমে ১৫ গোল ও ১৪ অ্যাসিস্টে আছেন দুর্দান্ত ফর্মে। সঙ্গে আছেন জাতীয় দলের হয়ে ৩১ গোল করা অভিজ্ঞ অধিনায়ক হামেস রদ্রিগেজ।
মিডফিল্ডে রিচার্ড রিওস, জেফারসন লারমা এবং আক্রমণে জন আরিয়াসের মতো প্রতিভাবান তারকাদের উপস্থিতি দলটির গভীরতা অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই গ্রুপে পর্তুগাল ফেভারিট হলেও কলম্বিয়ার সাম্প্রতিক ফর্ম তাদের নকআউটের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। ১৮ জুন উজবেকিস্তান এবং ২৪ জুন ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ৬ পয়েন্ট তুলতে পারলে শেষ ম্যাচের আগেই শেষ ৩২ নিশ্চিত হতে পারে তাদের।
গোলরক্ষক: কামিলো ভার্গাস, আলভারো মনতেরো, দাভিদ ওসপিনা।
রক্ষণ: দাভিনসন সানচেজ, জন লুকুমি, ইয়েরি মিনা, উইলের দিত्ता, ড্যানিয়েল মুনিওস, সান্তিয়াগো আরিয়াস, ইয়োহান মোহিকা, দেইভের মাচাদো।
মাঝমাঠ: রিচার্ড রিওস, জেফারসন লেরমা, কেভিন কাস্তানো, হুয়ান কামিলো পোর্তিয়া, গুস্তাভো পুয়ের্তা, জন আরিয়াস, হোর্হে কারাসকাল, হুয়ান ফের্নান্দো কুইন্তেরো, হামেস রদ্রিগেজ, হামিন্তন কাম্পাস।
আক্রমণ: হুয়ান কামিলো হার্নান্দেজ, লুইস দিয়াজ, লুইস সুয়ারেজ, কার্লোস আন্দ্রেস গোমেজ, জন কর্দোবা।
১৮ জুন, ২০২৬: বনাম উজবেকিস্তান
২৪ জুন, ২০২৬: বনাম ডিআর কঙ্গো
২৮ জুন, ২০২৬: বনাম পর্তুগাল

আট বছর পর বিশ্বকাপে ফিরছে লাতিন আমেরিকার দেশ কলম্বিয়া। তারকা খেলোয়াড় হামেস রদ্রিগেজের শেষ বিশ্বকাপে এবার নকআউটে যেতে মরিয়া তারা।
১৯৫৪ সালে বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়া কলম্বিয়া সপ্তমবারের মতো বিশ্বকাপে অংশ নেবে।বিশ্বকাপে খেলা ২২ ম্যাচে ৯ জয়ের বিপরীতে ১০টি পরাজয়ের স্বাদ পেয়েছে কলম্বিয়া। ২০১৪ বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনাল এবং হামেস রদ্রিগেজের ‘গোল্ডেন বুট’ জয়ই দেশটির বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গৌরব।
২০২২ বিশ্বকাপে বাছাইপর্বের বাধা পেরোতে ব্যর্থ হইয়েছিল দলটি। এরপর ফুটবলকে পুনরুজ্জীবিত করতে ‘ফুটবল উইথ আ ফিউচার’ নামে বিশেষ দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নেয় তারা। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ১৩তম কলম্বিয়া ফুটবল বিশ্বে ‘লস ক্যাফেতেরোস’ নামে পরিচিত।
বিশ্বকাপে তাদের ডাগআউট সামলাবেন আর্জেন্টাইন স্ট্র্যাটেজিস্ট নেস্টর লরেঞ্জো। তার অধীনে এবারের বাছাইপর্বে ১৮ ম্যাচে ৭ জয়, ৭ ড্র এবং ৪টি পরাজয়ে ২৮ পয়েন্ট নিয়ে বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করে লস ক্যাফেতেরোস।
কলম্বিয়া এবার বিশ্বকাপে লড়বে গ্রুপ ‘কে’-তে। ১৮ জুন উজবেকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু। এরপর ২৪ জুন ডিআর কঙ্গো এবং ২৮ জুন পর্তুগালের মুখোমুখি হবে লরেঞ্জোর দল।

এবারের আসরে কলম্বিয়ার প্রধান ‘প্লেয়ার টু ওয়াচ’ হিসেবে থাকছেন ২৫ বছর বয়সী লেফট উইঙ্গার লুইস দিয়াজ। জার্মানির বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে খেলা এই ফুটবলার জাতীয় দলের হয়ে ৭২ ম্যাচে করেছেন ২১টি গোল। বুন্দেসলিগার ২৫-২৬ মৌসুমে ১৫ গোল ও ১৪ অ্যাসিস্টে আছেন দুর্দান্ত ফর্মে। সঙ্গে আছেন জাতীয় দলের হয়ে ৩১ গোল করা অভিজ্ঞ অধিনায়ক হামেস রদ্রিগেজ।
মিডফিল্ডে রিচার্ড রিওস, জেফারসন লারমা এবং আক্রমণে জন আরিয়াসের মতো প্রতিভাবান তারকাদের উপস্থিতি দলটির গভীরতা অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই গ্রুপে পর্তুগাল ফেভারিট হলেও কলম্বিয়ার সাম্প্রতিক ফর্ম তাদের নকআউটের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। ১৮ জুন উজবেকিস্তান এবং ২৪ জুন ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ৬ পয়েন্ট তুলতে পারলে শেষ ম্যাচের আগেই শেষ ৩২ নিশ্চিত হতে পারে তাদের।
গোলরক্ষক: কামিলো ভার্গাস, আলভারো মনতেরো, দাভিদ ওসপিনা।
রক্ষণ: দাভিনসন সানচেজ, জন লুকুমি, ইয়েরি মিনা, উইলের দিত्ता, ড্যানিয়েল মুনিওস, সান্তিয়াগো আরিয়াস, ইয়োহান মোহিকা, দেইভের মাচাদো।
মাঝমাঠ: রিচার্ড রিওস, জেফারসন লেরমা, কেভিন কাস্তানো, হুয়ান কামিলো পোর্তিয়া, গুস্তাভো পুয়ের্তা, জন আরিয়াস, হোর্হে কারাসকাল, হুয়ান ফের্নান্দো কুইন্তেরো, হামেস রদ্রিগেজ, হামিন্তন কাম্পাস।
আক্রমণ: হুয়ান কামিলো হার্নান্দেজ, লুইস দিয়াজ, লুইস সুয়ারেজ, কার্লোস আন্দ্রেস গোমেজ, জন কর্দোবা।
১৮ জুন, ২০২৬: বনাম উজবেকিস্তান
২৪ জুন, ২০২৬: বনাম ডিআর কঙ্গো
২৮ জুন, ২০২৬: বনাম পর্তুগাল

বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের বিশ্বজয়ের পর মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আনন্দে মেতে উঠেছে লামিন ইয়ামালের ছোট ভাই কেইন ইয়ামাল। একই রাতে হাজার মাইল দূরের যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতেও দেখা গেছে ফিলিস্তিনি শিশুদের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস।
১৩ ঘণ্টা আগে
স্প্যানিশ ফরওয়ার্ড নিকো উইলিয়ামস বিশ্বকাপ জয়ের গৌরবময় অর্জনকে ব্রাজিলের নেইমারকে উৎসর্গ করেছেন। বিশ্বকাপ জয়ের উচ্ছ্বাসের মধ্যেও ফুটবলে নিজের প্রেরণা ব্রাজিলের সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমারকে ভুললেন না স্পেনের উইঙ্গার।
১৬ ঘণ্টা আগে
নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অতিরিক্ত সময়ের রোমাঞ্চকর ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১–০ গোলে হারিয়ে সোনালি ট্রফি উঁচিয়ে ধরেছে ফুয়েন্তের শিষ্যরা। ফাইনালের এই মহামঞ্চে গোলপোস্ট থেকে আক্রমণ ভাগ, সব অংশের খেলোয়ারদেরই ছিল দাপট।
১৭ ঘণ্টা আগে
টানটান উত্তেজনা, লাল কার্ডের নাটকীয়তা আর অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের চোখ ধাঁধানো গোলে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার সিংহাসন কেড়ে নিয়েছে স্পেন। এমন থ্রিলিং ম্যাচে আর্জেন্টিনার এমন অসহায় আত্মসমর্পণের কারণ কী? স্পেনই বা কী কৌশলে এভাবে বোতলবন্দি করে রাখল মেসি অ্যান্ড কোং কে? উত্তরটা অতটাও জটিল নয়।
২০ ঘণ্টা আগে