স্ট্রিম প্রতিবেদক

সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও (১,২,৩,৪) ভাইরাল হয়েছে। এতে নারী ও মদ নিয়ে নাচানাচি করা ব্যক্তিকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের বাবা দাবি করা হয়েছে।
স্ট্রিমের যাচাইয়ে উঠে এসেছে, ভিডিওতে থাকা ব্যক্তি সারজিস আলমের বাবা নন। ভিডিওটির উৎস খুঁজতে গিয়ে দেখা যায়, এটি প্রথম পাওয়া যায় ফেসবুকের ‘The Crack Team’ নামের একটি পেজে। পরে সেখান থেকে ভিডিওটি বিভিন্ন পেজ ও গ্রুপে একই ধরনের ক্যাপশনসহ পুনরায় পোস্ট করা হয়। এরপর একাধিক অ্যাকাউন্ট ও কমিউনিটি গ্রুপে ভিডিওটি শেয়ার হলে, তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিওর ব্যক্তিকে সারজিস আলমের বাবা আখতারুজ্জামান সাজুর ছবির সঙ্গে তুলনা করলে মিল পাওয়া যায় না। ভিডিওতে থাকা ব্যক্তি চেহারা ও বয়সের দিক থেকে তুলনামূলকভাবে বেশি বয়স্ক; চুল, মুখের বয়সের ছাপ, গড়ন এবং ভঙ্গিমাতেও পার্থক্য স্পষ্ট।
অন্যদিকে, সারজিস আলমের বাবার ছবির ব্যক্তি কম বয়সী এবং মুখাবয়ব আলাদা। যদিও ভিডিওটি লো-রেজ্যুলিউশন, আলো কম এবং ক্যামেরা নড়াচড়া বেশি হওয়ায় মুখ স্পষ্ট নয়। তবু দৃশ্যমান অংশগুলো যেমন মুখের গঠন, চুলের ধরন (হেয়ারলাইন) এবং দেহভঙ্গি সারজিস আলমের বাবার ছবির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
এদিকে, ইউটিউবে সারজিস আলমের বাবার একটি সাক্ষাৎকারের ভিডিও পাওয়া যায়, যেখানে তাঁকে স্পষ্টভাবে কথা বলতে দেখা যায়। ওই সাক্ষাৎকারে তাঁর মুখাবয়ব, বয়সের ছাপ ও সামগ্রিক শারীরিক গঠন ভাইরাল ভিডিওতে দেখা ব্যক্তির সঙ্গে মেলে না।
ভাইরাল ভিডিওটি আরও যাচাই করতে স্ট্রিম ভিডিওটির বিভিন্ন অংশ থেকে একাধিক কী-ফ্রেম সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ করেছে। এতে দেখা যায়, ভিডিওতে থাকা ব্যক্তির মুখ, দেহভঙ্গি ও শারীরিক বৈশিষ্ট্য বিভিন্ন কোণে একাধিকবার ধরা পড়েছে। এসব কী-ফ্রেম পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, ভিডিওতে থাকা পুরুষের মুখের গঠন, চুলের ধরন, বয়সের ছাপ এবং সামগ্রিক শারীরিক গড়ন সারজিস আলমের বাবার পরিচিত ছবি ও ইউটিউবে থাকা ভিডিওর সঙ্গে মেলে না। কী-ফ্রেম বিশ্লেষণেও ভিডিওতে থাকা ব্যক্তিকে সারজিস আলমের বাবা হিসেবে শনাক্ত করার মতো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
ভাইরাল ভিডিওতে সারজিস আলমের বাবার সঙ্গে যুক্ত করে যে দাবি করা হয়েছে, তার পক্ষে যাচাইযোগ্য কোনো প্রমাণ স্ট্রিম পায়নি।

সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও (১,২,৩,৪) ভাইরাল হয়েছে। এতে নারী ও মদ নিয়ে নাচানাচি করা ব্যক্তিকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের বাবা দাবি করা হয়েছে।
স্ট্রিমের যাচাইয়ে উঠে এসেছে, ভিডিওতে থাকা ব্যক্তি সারজিস আলমের বাবা নন। ভিডিওটির উৎস খুঁজতে গিয়ে দেখা যায়, এটি প্রথম পাওয়া যায় ফেসবুকের ‘The Crack Team’ নামের একটি পেজে। পরে সেখান থেকে ভিডিওটি বিভিন্ন পেজ ও গ্রুপে একই ধরনের ক্যাপশনসহ পুনরায় পোস্ট করা হয়। এরপর একাধিক অ্যাকাউন্ট ও কমিউনিটি গ্রুপে ভিডিওটি শেয়ার হলে, তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিওর ব্যক্তিকে সারজিস আলমের বাবা আখতারুজ্জামান সাজুর ছবির সঙ্গে তুলনা করলে মিল পাওয়া যায় না। ভিডিওতে থাকা ব্যক্তি চেহারা ও বয়সের দিক থেকে তুলনামূলকভাবে বেশি বয়স্ক; চুল, মুখের বয়সের ছাপ, গড়ন এবং ভঙ্গিমাতেও পার্থক্য স্পষ্ট।
অন্যদিকে, সারজিস আলমের বাবার ছবির ব্যক্তি কম বয়সী এবং মুখাবয়ব আলাদা। যদিও ভিডিওটি লো-রেজ্যুলিউশন, আলো কম এবং ক্যামেরা নড়াচড়া বেশি হওয়ায় মুখ স্পষ্ট নয়। তবু দৃশ্যমান অংশগুলো যেমন মুখের গঠন, চুলের ধরন (হেয়ারলাইন) এবং দেহভঙ্গি সারজিস আলমের বাবার ছবির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
এদিকে, ইউটিউবে সারজিস আলমের বাবার একটি সাক্ষাৎকারের ভিডিও পাওয়া যায়, যেখানে তাঁকে স্পষ্টভাবে কথা বলতে দেখা যায়। ওই সাক্ষাৎকারে তাঁর মুখাবয়ব, বয়সের ছাপ ও সামগ্রিক শারীরিক গঠন ভাইরাল ভিডিওতে দেখা ব্যক্তির সঙ্গে মেলে না।
ভাইরাল ভিডিওটি আরও যাচাই করতে স্ট্রিম ভিডিওটির বিভিন্ন অংশ থেকে একাধিক কী-ফ্রেম সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ করেছে। এতে দেখা যায়, ভিডিওতে থাকা ব্যক্তির মুখ, দেহভঙ্গি ও শারীরিক বৈশিষ্ট্য বিভিন্ন কোণে একাধিকবার ধরা পড়েছে। এসব কী-ফ্রেম পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, ভিডিওতে থাকা পুরুষের মুখের গঠন, চুলের ধরন, বয়সের ছাপ এবং সামগ্রিক শারীরিক গড়ন সারজিস আলমের বাবার পরিচিত ছবি ও ইউটিউবে থাকা ভিডিওর সঙ্গে মেলে না। কী-ফ্রেম বিশ্লেষণেও ভিডিওতে থাকা ব্যক্তিকে সারজিস আলমের বাবা হিসেবে শনাক্ত করার মতো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
ভাইরাল ভিডিওতে সারজিস আলমের বাবার সঙ্গে যুক্ত করে যে দাবি করা হয়েছে, তার পক্ষে যাচাইযোগ্য কোনো প্রমাণ স্ট্রিম পায়নি।

সাম্প্রতিক সময়ে ‘মুজিব ভাই’ অ্যানিমেশন সিনেমার ব্যয়ের অঙ্ক ঘিরে নতুন আলোচনা তৈরি হয়েছে। কয়েকটি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করা হয়, সিনেমাটিতে ৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। এক্ষেত্রে সরকার গঠিত শ্বেতপত্র কমিটির প্রতিবেদনের বরাত দেয়া হচ্ছে।
২ দিন আগে
সামাজিক মাধ্যমে ঘুরছে একটি ছবি। এতে ডাইনিং টেবিলে বসে তারেক রহমানের পরিবারের সঙ্গে খাবার খাচ্ছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার দীর্ঘদিনের সঙ্গী গৃহকর্মী ফাতেমা বেগম।
৯ দিন আগে
ছড়িয়ে পড়া ওই সরকারি নথিতে দাবি করা হয়, পিটার হাস ৫ আগস্ট (মঙ্গলবার) বিমানবন্দরের 'দোলনচাঁপা' ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহার করেছিলেন। তবে বুধবার প্রকাশিত এক বিশ্লেষণে ডিসমিসল্যাব জানায়, নথিটিতে থাকা একাধিক তথ্য অসঙ্গতিপূর্ণ এবং বিভ্রান্তিকর।
০৬ আগস্ট ২০২৫সম্প্রতি একজন বোরকা পরা নারীকে নির্যাতন করার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। বেশ কিছু ভিডিওর ক্যাপশন ও থাম্ব টাইটেলে দাবি করা হয়, এটি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় অফিসে নারী নির্যাতনের ঘটনা। স্ট্রিমের অনুসন্ধানের দেখা যায়, ভিডিওটি এনসিপি কার্যালয়ের নয়।
৩১ জুলাই ২০২৫