স্ট্রিম প্রতিবেদক

ফেসবুকে একটি ছবি ছড়িয়ে দাবি করা হয়েছে, কারামুক্তির পর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী। ছবিতে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন আইভী।
এ ধরনের পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে, এখানে।
তবে স্ট্রিম যাচাইয়ে পেয়েছে- ছড়িয়ে পড়া ছবিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তৈরি। সেলিনা হায়াৎ আইভীর কারামুক্তির পর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে যাওয়ার দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
রিভার্স ইমেজ সার্চে ছবিটির পুরোনো উৎস হিসেবে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ২০২২ সালের ১৭ জানুয়ারির একটি প্রতিবেদন পাওয়া যায়। এতে বলা হয়, আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী সেলিনা হায়াৎ আইভী নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচনে বেসরকারিভাবে তৃতীয়বারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন।
বাসসের ওই প্রতিবেদনে ব্যবহৃত ছবির সঙ্গে ছড়িয়ে পড়া ছবির মিল পাওয়া যায়। ছবিতে আইভী গলায় সবুজ-লাল কাপড়, মুখে মাস্ক ঝোলানো অবস্থায় বিজয় চিহ্ন দেখান। একই ভিজ্যুয়াল বাসসের ২০২২ সালের নির্বাচনী প্রতিবেদনে রয়েছে।
গুগলের ভেরিফাই এআই বিশ্লেষণে দেখা যায়, ছবিটি গুগলের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি দিয়ে তৈরি। অর্থাৎ, ছবিটি বাস্তব কোনো স্থানে সেলিনা হায়াৎ আইভীর উপস্থিতির প্রমাণ নয়।
এ ছাড়া গত ৩ জুন প্রকাশিত স্ট্রিমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেলিনা হায়াৎ আইভী ওইদিন রাত সোয়া ১০টার দিকে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত হন। তাঁর আইনজীবী আওলাদ হোসেন স্ট্রিমকে জানান, কারামুক্তির পর আইভী সরাসরি নারায়ণগঞ্জের দেওভোগের বাড়ি যান। প্রতিবেদনে তাঁর ধানমন্ডি ৩২-এ যাওয়ার কোনো তথ্য নেই।
অর্থাৎ, সেলিনা হায়াৎ আইভীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে গিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের দাবিতে ছড়ানো ছবিটি বাস্তব নয়।

ফেসবুকে একটি ছবি ছড়িয়ে দাবি করা হয়েছে, কারামুক্তির পর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী। ছবিতে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন আইভী।
এ ধরনের পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে, এখানে।
তবে স্ট্রিম যাচাইয়ে পেয়েছে- ছড়িয়ে পড়া ছবিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তৈরি। সেলিনা হায়াৎ আইভীর কারামুক্তির পর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে যাওয়ার দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
রিভার্স ইমেজ সার্চে ছবিটির পুরোনো উৎস হিসেবে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ২০২২ সালের ১৭ জানুয়ারির একটি প্রতিবেদন পাওয়া যায়। এতে বলা হয়, আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী সেলিনা হায়াৎ আইভী নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচনে বেসরকারিভাবে তৃতীয়বারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন।
বাসসের ওই প্রতিবেদনে ব্যবহৃত ছবির সঙ্গে ছড়িয়ে পড়া ছবির মিল পাওয়া যায়। ছবিতে আইভী গলায় সবুজ-লাল কাপড়, মুখে মাস্ক ঝোলানো অবস্থায় বিজয় চিহ্ন দেখান। একই ভিজ্যুয়াল বাসসের ২০২২ সালের নির্বাচনী প্রতিবেদনে রয়েছে।
গুগলের ভেরিফাই এআই বিশ্লেষণে দেখা যায়, ছবিটি গুগলের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি দিয়ে তৈরি। অর্থাৎ, ছবিটি বাস্তব কোনো স্থানে সেলিনা হায়াৎ আইভীর উপস্থিতির প্রমাণ নয়।
এ ছাড়া গত ৩ জুন প্রকাশিত স্ট্রিমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেলিনা হায়াৎ আইভী ওইদিন রাত সোয়া ১০টার দিকে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত হন। তাঁর আইনজীবী আওলাদ হোসেন স্ট্রিমকে জানান, কারামুক্তির পর আইভী সরাসরি নারায়ণগঞ্জের দেওভোগের বাড়ি যান। প্রতিবেদনে তাঁর ধানমন্ডি ৩২-এ যাওয়ার কোনো তথ্য নেই।
অর্থাৎ, সেলিনা হায়াৎ আইভীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে গিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের দাবিতে ছড়ানো ছবিটি বাস্তব নয়।
.png)

ভিডিওতে ট্রাম্পকে বলতে শোনা যায়, শেখ হাসিনা বৈধ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফিরবেন। তাঁর প্রতি ট্রাম্পের পূর্ণ সমর্থন থাকবে।
১৭ জুলাই ২০২৬
চলমান এই আন্দোলন ঘিরে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে একের পর এক ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য।
১৫ জুলাই ২০২৬
সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যম এক্সে এক নারীকে লাঠি দিয়ে মারধরের ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, বাংলাদেশে হিন্দু নারীকে দিনদুপুরে মারধর করা হচ্ছে। ওই পোস্টে বলা হয়, ‘হিন্দুদের জন্য বাংলাদেশ নরকের চেয়ে কম নয়।’
১৩ জুলাই ২০২৬
প্রবল স্রোতে কয়েকজন কাঁধে করে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা পার করছেন– এমন ভিডিও ছড়িয়ে ফেসবুকে দাবি করা হচ্ছে, অন্তঃসত্ত্বা মা ও শিশুকে বাঁচানো হয়েছে।
১১ জুলাই ২০২৬