স্ট্রিম ডেস্ক

হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে তেল রপ্তানির জন্য নতুন পাইপলাইন নির্মাণ করছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। আগামী বছর থেকে এটি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে বলে খবর দিয়েছে মিডল ইস্ট আই।
আবুধাবি ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানি (এডিএনওসি) ১৫ মে বিবৃতিতে জানায়, তারা ওমান উপসাগরের ফুজাইরাহ বন্দরের দিকে একটি পাইপলাইন নির্মাণ করছে। আবুধাবির ক্রাউন প্রিন্স শেখ খালেদ বিন মোহাম্মদ বিন জায়েদ এই প্রকল্পের ঘোষণা দেন। পাইপলাইনের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।
বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাতের হাবশান–ফুজাইরাহ পাইপলাইন দৈনিক ১ দশমিক ৮ মিলিয়ন ব্যারেল তেল রপ্তানি করে। নতুন পাইপলাইন হলে হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে দেশটির রপ্তানি সক্ষমতা দ্বিগুণ হবে।
সংযুক্ত আরব আমিরাত মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের আগে প্রতিদিন ৩ দশমিক ৪ মিলিয়ন ব্যারেল তেল রপ্তানি করত। ইরান যুদ্ধের পর হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাদের রপ্তানি প্রায় ৬০ শতাংশ কমে যায়।
সংযুক্ত আরব আমিরাত জানিয়েছে, তাদের লক্ষ্য ২০২৭ সালের মধ্যে দৈনিক প্রায় ৫ মিলিয়ন ব্যারেল তেল রপ্তানি।
সম্প্রতি তেল উৎপাদন নিয়ন্ত্রণকারী সংগঠন ওপেক থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয় সংযুক্ত আরব আমিরাত। আবুধাবি জানায়, এই সিদ্ধান্ত তাদের তেল উৎপাদনে স্বাধীনতা ফিরে আসবে।
ইরান ভৌগোলিকভাবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছাকাছি হওয়ায় পাইপলাইন অবকাঠামো ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। যুদ্ধ চলাকালে ইরানি ড্রোন হাবশানে পাইপলাইনের স্থাপনায় আঘাত হানে। এছাড়া ফুজাইরাহ বন্দরে হামলার পর সেখানে কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ ছিল।
সৌদি আরবও হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে পাইপলাইন সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। দেশটির ইস্ট–ওয়েস্ট পাইপলাইন লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরের মাধ্যমে দৈনিক ৫ মিলিয়ন ব্যারেল তেল রপ্তানি করছে।

হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে তেল রপ্তানির জন্য নতুন পাইপলাইন নির্মাণ করছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। আগামী বছর থেকে এটি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে বলে খবর দিয়েছে মিডল ইস্ট আই।
আবুধাবি ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানি (এডিএনওসি) ১৫ মে বিবৃতিতে জানায়, তারা ওমান উপসাগরের ফুজাইরাহ বন্দরের দিকে একটি পাইপলাইন নির্মাণ করছে। আবুধাবির ক্রাউন প্রিন্স শেখ খালেদ বিন মোহাম্মদ বিন জায়েদ এই প্রকল্পের ঘোষণা দেন। পাইপলাইনের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।
বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাতের হাবশান–ফুজাইরাহ পাইপলাইন দৈনিক ১ দশমিক ৮ মিলিয়ন ব্যারেল তেল রপ্তানি করে। নতুন পাইপলাইন হলে হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে দেশটির রপ্তানি সক্ষমতা দ্বিগুণ হবে।
সংযুক্ত আরব আমিরাত মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের আগে প্রতিদিন ৩ দশমিক ৪ মিলিয়ন ব্যারেল তেল রপ্তানি করত। ইরান যুদ্ধের পর হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাদের রপ্তানি প্রায় ৬০ শতাংশ কমে যায়।
সংযুক্ত আরব আমিরাত জানিয়েছে, তাদের লক্ষ্য ২০২৭ সালের মধ্যে দৈনিক প্রায় ৫ মিলিয়ন ব্যারেল তেল রপ্তানি।
সম্প্রতি তেল উৎপাদন নিয়ন্ত্রণকারী সংগঠন ওপেক থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয় সংযুক্ত আরব আমিরাত। আবুধাবি জানায়, এই সিদ্ধান্ত তাদের তেল উৎপাদনে স্বাধীনতা ফিরে আসবে।
ইরান ভৌগোলিকভাবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছাকাছি হওয়ায় পাইপলাইন অবকাঠামো ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। যুদ্ধ চলাকালে ইরানি ড্রোন হাবশানে পাইপলাইনের স্থাপনায় আঘাত হানে। এছাড়া ফুজাইরাহ বন্দরে হামলার পর সেখানে কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ ছিল।
সৌদি আরবও হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে পাইপলাইন সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। দেশটির ইস্ট–ওয়েস্ট পাইপলাইন লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরের মাধ্যমে দৈনিক ৫ মিলিয়ন ব্যারেল তেল রপ্তানি করছে।
.png)

যুদ্ধ পরিস্থিতি ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার বিষয় কীভাবে তুলে ধরা হবে, তা নিয়ে ইরান সরকার ও রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবির সঙ্গে বিরোধ দেখা দিয়েছে। শুক্রবার (২৫ জুলাই) সরকারি তথ্য পরিষদ আইআরআইবির বিরুদ্ধে ‘সেন্সরশিপের’ অভিযোগ তোলে।
৪ ঘণ্টা আগে
ইরানে টানা ১৫ রাতে হামলা চালানোর পর থেমেছে যুক্তরাষ্ট্র। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভাষ্য ছিল, ‘সন্তুষ্ট’ না হওয়া পর্যন্ত হামলা চালিয়ে যাওয়ার। এখন হঠাৎ হামলা বন্ধের পর কারণ নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা।
৪ ঘণ্টা আগে
কাস্পিয়ান সাগরে একটি ইরানি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। হামলায় জাহাজটির একজন নাবিক নিহত ও আরেকজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে তেহরান। এ ঘটনাকে ‘শত্রুতাপূর্ণ ও অপরাধমূলক হামলা’ হিসেবে উল্লেখ করে তেহরানে নিযুক্ত ইউক্রেনের ভারপ্রাপ্ত কূটনৈতিক প্রতিনিধিকে (চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স) তলব করেছে ইরান
৬ ঘণ্টা আগে
দ্বিতীয় দফায় পাল্টাপাল্টি হামলা শুরুর পর গত ১৫ দিনে যুক্তরাষ্ট্রের ২০০’র বেশি সেনাকে হত্যার দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ১৫টি যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার ধ্বংসের দাবিও করেছে বাহিনীটি।
৬ ঘণ্টা আগে