ইসরায়েলি হামলায় লেবাননে একই পরিবারের ৬ জনসহ নিহত ১৬
স্ট্রিম ডেস্ক

যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর বোমাবর্ষণে একই পরিবারের ৬ সদস্যসহ অন্তত ১৬ জন নিহত এবং ৫৮ জন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এনএনএ জানিয়েছে, ভোরে আদলৌন হাইওয়েতে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় একই পরিবারের ছয়জন প্রাণ হারান।
লেবানন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি আগ্রাসনে অন্তত ১৬ জন নিহত এবং ৫৮ জন আহত হয়েছেন। এই হামলার ফলে টায়ার এবং সংলগ্ন সীমান্ত এলাকাগুলো থেকে হাজার হাজার মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে উত্তর দিকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হচ্ছেন।
গত ২ মার্চ থেকে ইসরায়েলের হামলায় লেবাননে এ পর্যন্ত প্রায় ৩ হাজার ২০০ জন নিহত এবং ৯ হাজার ৬০০-এর বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। একইসঙ্গে ১ দশমিক ৬ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ গৃহহীন হয়েছেন।
ইসরায়েলি বাহিনী কেবল আবাসিক এলাকায় নয়, বরং লেবাননের নিয়মিত সামরিক বাহিনীর ওপরেও হামলা চালিয়েছে। লেবানন সেনাবাহিনী নিশ্চিত করেছে, নাবাতিহ এলাকায় ইসরায়েলি হামলায় তাঁদের একজন সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন।
এর আগে বেকা উপত্যকা এবং দক্ষিণাঞ্চলের অন্যান্য পয়েন্টেও বেশ কয়েকজন সেনাসদস্য নিহত হন। ইসরায়েল টায়ার শহরসহ দক্ষিণ লেবাননের বিশাল অংশ অবিলম্বে খালি করার নির্দেশ জারি করেছে। বাসিন্দাদের সীমান্ত থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে জাহরানি নদীর উত্তর পাড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৈরুত থেকে আল জাজিরার প্রতিবেদক জেইনা খোদর জানান, গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি মাঠপর্যায়ে ইসরায়েলি আগ্রাসন থামাতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। তাঁর ভাষায়, ‘এই যুদ্ধবিরতি কেবলই কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ, বাস্তবে লেবানন যুদ্ধক্ষেত্রেই আছে।’
গত ৩-৪ দিনে দক্ষিণ লেবাননে এযাবৎকালের সবচেয়ে ভারী বোমাবর্ষণ করেছে ইসরায়েল। এই ভয়াবহ সামরিক অভিযানের মাঝেই আজ থেকে লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে কারিগরি পর্যায়ের শান্তি আলোচনা পুনরায় শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা
.png)
-028855-256x144.webp)






