স্ট্রিম ডেস্ক

ইরানজুড়ে ছড়িয়ে পড়া সরকারবিরোধী বিক্ষোভের মুখে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি দেশ ছেড়ে পালানোর পরিকল্পনা করছেন বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, খামেনি রাশিয়ায় আশ্রয় নেওয়ার কথা ভাবছেন। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এ দাবি করেন। খামেনির ‘প্ল্যান বি’ বা পলায়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, ‘হ্যাঁ, তিনি কোথাও যাওয়ার পথ খুঁজছেন।’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ইরানের সরকার পতনের দ্বারপ্রান্তে থাকতে পারে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, বিক্ষোভকারীদের ওপর নির্যাতন চালানো হলে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর আঘাত হানবে। সরকার পরিবর্তনের জন্য ইরানিদের উদ্দীপনা অবিশ্বাস্য বলে মন্তব্য করেন ট্রাম্প।
দ্য ইকোনমিস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের অভ্যন্তরে ‘নিকোলাস মাদুরো স্টাইলে’ সমঝোতা নিয়ে আলোচনা চলছে। এর আওতায় শাসনব্যবস্থা টিকিয়ে রাখার বিনিময়ে খামেনি দেশ ছাড়তে পারেন। গত সপ্তাহে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে আটকের আগে ওয়াশিংটন ও কারাকাসের মধ্যে এমন প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়েছিল, যাকে ‘মাদুরো ছাড়া মাদুরিজম’ বলা হচ্ছিল। নিউইয়র্ক টাইমসকে ইরানি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সরকার এখন ‘সারভাইভাল মোড’ বা টিকে থাকার লড়াইয়ে রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) রাতে তেহরানসহ সারা দেশে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভকারীরা ‘খামেনির মৃত্যু চাই’ এবং ‘স্বাধীনতা’ স্লোগান দেয়। কাস্পিয়ান সাগরের বন্দর নগরী রাশত ও দক্ষিণ ফারস প্রদেশে সরকারি ভবন, বাস ও মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। বিক্ষোভকারীরা কুদস ফোর্সের সাবেক কমান্ডার কাসেম সোলাইমানির ভাস্কর্য উপড়ে ফেলেছে।
মানবাধিকার সংস্থাগুলো জানিয়েছে, বিক্ষোভ দমনে সরকার বৃহস্পতিবার রাত থেকে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে। শুক্রবার সকাল থেকে টেলিফোন সংযোগও কাজ করছে না। তুরস্ক ও দুবাই থেকে ইরানেগামী কয়েক ডজন ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
শুক্রবার দীর্ঘ বিরতির পর জনসমক্ষে এসে খামেনি অনড় অবস্থান ব্যক্ত করেছেন। তিনি বিক্ষোভকারীদের ‘দেশীয় সন্ত্রাসী’ ও ‘বর্বর’ আখ্যা দিয়ে বলেছেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্র পিছু হটবে না। ট্রাম্পকে নিজের দেশের সমস্যার দিকে নজর দেওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, এই ‘অহংকারী’ নেতার পতন হবে।
তবে খামেনির ঘনিষ্ঠরা দাবি করছেন, তিনি তেহরান ছাড়বেন না। এক কর্মকর্তা বলেন, ‘মাথার ওপর বি-৫২ বোমারু বিমান উড়লেও তিনি পালাবেন না।’ দ্য টেলিগ্রাফ জানিয়েছে, ইসলামিক রিভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)-কে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রাখা হয়েছে। গত জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধের সময়ের চেয়েও এখনকার সতর্কতা মাত্রা বেশি। সেনাবাহিনী বা পুলিশের চেয়ে আইআরজিসির ওপরই ভরসা রাখছেন খামেনি।
গত ২৮ ডিসেম্বর জ্বালানি ভর্তুকি প্রত্যাহার ও অর্থনৈতিক সংকটের জেরে এই বিক্ষোভ শুরু হয়। মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত অন্তত ৩৪ জন বিক্ষোভকারী ও ৪ জন নিরাপত্তাকর্মী নিহত হয়েছেন। গ্রেপ্তার করা হয়েছে ২ হাজার ২০০ জনকে। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম স্বীকার করেছে, শুধু হামাদান শহরেই ৬ জন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার সকালে রাস্তায় মরদেহ পড়ে থাকার বেশ কিছু ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
এদিকে ইরানের প্রয়াত শাহের নির্বাসিত পুত্র রেজা পাহলভি বিক্ষোভকারীদের ‘সাহসী দেশপ্রেমিক’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়ে ইউরোপীয় নেতাদেরও ইরানের শাসকদের জবাবদিহির আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছেন। তবে ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি এখনই পাহলভিকে সমর্থন দেওয়ার বিষয়ে নিশ্চিত নন।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ এবং পরমাণু কেন্দ্রে হামলার পর গত এক বছরে ইরানের সরকার অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে। মুদ্রার মান দ্রুত কমে যাওয়া ও অর্থনৈতিক কষ্টে থাকা মানুষ এবার তাই সর্বাত্মক আন্দোলনে নেমেছে।

ইরানজুড়ে ছড়িয়ে পড়া সরকারবিরোধী বিক্ষোভের মুখে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি দেশ ছেড়ে পালানোর পরিকল্পনা করছেন বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, খামেনি রাশিয়ায় আশ্রয় নেওয়ার কথা ভাবছেন। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এ দাবি করেন। খামেনির ‘প্ল্যান বি’ বা পলায়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, ‘হ্যাঁ, তিনি কোথাও যাওয়ার পথ খুঁজছেন।’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ইরানের সরকার পতনের দ্বারপ্রান্তে থাকতে পারে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, বিক্ষোভকারীদের ওপর নির্যাতন চালানো হলে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর আঘাত হানবে। সরকার পরিবর্তনের জন্য ইরানিদের উদ্দীপনা অবিশ্বাস্য বলে মন্তব্য করেন ট্রাম্প।
দ্য ইকোনমিস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের অভ্যন্তরে ‘নিকোলাস মাদুরো স্টাইলে’ সমঝোতা নিয়ে আলোচনা চলছে। এর আওতায় শাসনব্যবস্থা টিকিয়ে রাখার বিনিময়ে খামেনি দেশ ছাড়তে পারেন। গত সপ্তাহে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে আটকের আগে ওয়াশিংটন ও কারাকাসের মধ্যে এমন প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়েছিল, যাকে ‘মাদুরো ছাড়া মাদুরিজম’ বলা হচ্ছিল। নিউইয়র্ক টাইমসকে ইরানি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সরকার এখন ‘সারভাইভাল মোড’ বা টিকে থাকার লড়াইয়ে রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) রাতে তেহরানসহ সারা দেশে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভকারীরা ‘খামেনির মৃত্যু চাই’ এবং ‘স্বাধীনতা’ স্লোগান দেয়। কাস্পিয়ান সাগরের বন্দর নগরী রাশত ও দক্ষিণ ফারস প্রদেশে সরকারি ভবন, বাস ও মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। বিক্ষোভকারীরা কুদস ফোর্সের সাবেক কমান্ডার কাসেম সোলাইমানির ভাস্কর্য উপড়ে ফেলেছে।
মানবাধিকার সংস্থাগুলো জানিয়েছে, বিক্ষোভ দমনে সরকার বৃহস্পতিবার রাত থেকে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে। শুক্রবার সকাল থেকে টেলিফোন সংযোগও কাজ করছে না। তুরস্ক ও দুবাই থেকে ইরানেগামী কয়েক ডজন ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
শুক্রবার দীর্ঘ বিরতির পর জনসমক্ষে এসে খামেনি অনড় অবস্থান ব্যক্ত করেছেন। তিনি বিক্ষোভকারীদের ‘দেশীয় সন্ত্রাসী’ ও ‘বর্বর’ আখ্যা দিয়ে বলেছেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্র পিছু হটবে না। ট্রাম্পকে নিজের দেশের সমস্যার দিকে নজর দেওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, এই ‘অহংকারী’ নেতার পতন হবে।
তবে খামেনির ঘনিষ্ঠরা দাবি করছেন, তিনি তেহরান ছাড়বেন না। এক কর্মকর্তা বলেন, ‘মাথার ওপর বি-৫২ বোমারু বিমান উড়লেও তিনি পালাবেন না।’ দ্য টেলিগ্রাফ জানিয়েছে, ইসলামিক রিভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)-কে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রাখা হয়েছে। গত জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধের সময়ের চেয়েও এখনকার সতর্কতা মাত্রা বেশি। সেনাবাহিনী বা পুলিশের চেয়ে আইআরজিসির ওপরই ভরসা রাখছেন খামেনি।
গত ২৮ ডিসেম্বর জ্বালানি ভর্তুকি প্রত্যাহার ও অর্থনৈতিক সংকটের জেরে এই বিক্ষোভ শুরু হয়। মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত অন্তত ৩৪ জন বিক্ষোভকারী ও ৪ জন নিরাপত্তাকর্মী নিহত হয়েছেন। গ্রেপ্তার করা হয়েছে ২ হাজার ২০০ জনকে। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম স্বীকার করেছে, শুধু হামাদান শহরেই ৬ জন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার সকালে রাস্তায় মরদেহ পড়ে থাকার বেশ কিছু ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
এদিকে ইরানের প্রয়াত শাহের নির্বাসিত পুত্র রেজা পাহলভি বিক্ষোভকারীদের ‘সাহসী দেশপ্রেমিক’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়ে ইউরোপীয় নেতাদেরও ইরানের শাসকদের জবাবদিহির আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছেন। তবে ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি এখনই পাহলভিকে সমর্থন দেওয়ার বিষয়ে নিশ্চিত নন।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ এবং পরমাণু কেন্দ্রে হামলার পর গত এক বছরে ইরানের সরকার অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে। মুদ্রার মান দ্রুত কমে যাওয়া ও অর্থনৈতিক কষ্টে থাকা মানুষ এবার তাই সর্বাত্মক আন্দোলনে নেমেছে।

সম্প্রতি হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন ন্যাটো সদস্য ডেনমার্কের আধা-স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলটি কেনার কথা বিবেচনা করছে। তবে বিকল্প হিসেবে জবরদখলের বিষয়টিও উড়িয়ে দিচ্ছে না।
২৭ মিনিট আগে
হঠাৎ করেই ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে ইসরায়েল থেকে তিনটি ফ্লাইটে করে নিজেদের নাগরিকদের সরিয়ে নিয়েছে রাশিয়া। ফ্লাইটগুলোতে করে রুশ কর্মকর্তা ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সরানো হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ক্রমশ তীব্র আকার ধারণ করছে। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) দেশের বিভিন্ন প্রান্তে হওয়া বিক্ষোভে সরকারি বাহিনী গুলি ছুড়েছে। এতে অন্তত ২১৭ জন আন্দোলনকারী নিহত হয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বিক্ষোভকারীদের ‘সমস্যা সৃষ্টিকারী’ আখ্যা দিয়েছেন এবং তাঁরা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে খুশি করার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন।
৩ ঘণ্টা আগে