স্ট্রিম ডেস্ক

ইরান যুদ্ধে শুরু থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান নড়বড়ে বলে জানিয়ে আসছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো। তবে এর ঠিক উল্টো চিত্র যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামাজিক মাধ্যমের অ্যাকাউন্টে। গতকাল রোববার (২৬ জুলঅই) এআই দিয়ে তৈরি করা একের পর এক ছবি প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প। যেখানে কোনো ছবিতে ট্রাম্পকে দেখা যাচ্ছে ইরানের তেলবাহী সুপার ট্যাংকারের নিয়ন্ত্রণ নিতে; আবার কোনো ছবিতে হরমুজে যুদ্ধজাহাজ চালাচ্ছেন তিনি।

ট্রাম্পের প্রকাশিত এসব কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নির্মিত ছবি নিয়ে হাস্যরসে মেতেছে নেট দুনিয়া। সামাজিক মাধ্যম এক্সে ট্রাম্পের খার্গ দ্বীপে হামলার ছবি শেয়ার করে আদিল আজনাদাইন লিখেছেন, ট্রাম্প আইআরজিসির ভয়ে খার্গ দ্বীপে বাস্তবে হামলা চালাতে পারছে না। তাই এআই ব্যবহার করে হামলার শখ মেটাচ্ছেন।

প্রকাশ করা একটি ছবিতে ট্রাম্পকে ইরানি তেলবাহী জাহাজে মার্কিন পতাকা হাতে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। ছবির ক্যাপশনে লেখা ছিল, ‘It’s Our Oil Tanker Now!’ (এখন এটি আমাদের তেলবাহী জাহাজ)।
আরেক ছবিতে ইরানের খার্গ দ্বীপের তেল রপ্তানি টার্মিনালে বিমান হামলার দৃশ্য দেখিয়ে লেখা হয়, ‘খার্গে হামলা’। পরে ‘ইঞ্জিন উড়িয়ে দেওয়া হলো’ শিরোনামে আরেকটি এআই-নির্মিত ছবি পোস্ট করেন ট্রাম্প, যেখানে বিস্ফোরণে একটি ইরানি জাহাজ ধ্বংস হতে দেখা যায়।

জুলি শ্যান নামে আরেক ব্যবহারকারী ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্পের পোস্টের মন্তব্যের ঘরে লিখেছেন, যুদ্ধ কি এখানে চলছে নাকি মধ্যপ্রাচ্যে? ট্রাম্প, আপনি সোশ্যাল মিডিয়া থেকে বের হয়ে আসল যুদ্ধে মনোযোগ দিন। সেখানে আমরা হেরে যাচ্ছি, লজ্জা।
যদিও এদিন মার্কিন বাহিনীর গোলাবারুদ সংকটের বিষয়টি নাকচ করেছেন ট্রাম্প। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘বিশ্বের অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় আমাদের কাছে অনেক বেশি গোলাবারুদ রয়েছে, এমনকি প্রয়োজনের চেয়েও বেশি।’
কয়েকদিন আগেই নিউইয়র্ক টাইমস ও দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদি সামরিক অভিযান চালাতে গিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা মার্কিন বাহিনীর প্যাট্রিয়টসহ বিভিন্ন আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত দ্রুত কমে আসছে।
নিউইয়র্ক টাইমস জানায়, জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন প্রশাসনের কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে সতর্ক করেছেন। তিনি বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে বড় পরিসরে অভিযান চালানো সম্ভব হলেও এতে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের মজুতের ওপর তীব্র চাপ পড়বে।
অন্যদিকে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়, সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপারের মতে, বর্তমান মজুত দিয়ে চলমান অভিযান চালিয়ে যাওয়া সম্ভব। তবে সেক্ষেত্রে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ সক্ষমতা যত বেশি সম্ভব দুর্বল করে দিতে হবে।
সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের (সিএসআইএস) দুই বিশ্লেষকের হিসাবে, সংঘাত শুরুর পর যুক্তরাষ্ট্র অন্তত ১ হাজার ৫০০টি প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর ব্যবহার করেছে। ফলে বর্তমানে তাদের হাতে থাকা ইন্টারসেপ্টরের মজুত এক হাজারেরও নিচে নেমে এসেছে।
তবে হোয়াইট হাউস ও পেন্টাগনের দাবি, প্রেসিডেন্ট যে কোনো সামরিক অভিযান অনুমোদন করলে তা পরিচালনার মতো সক্ষমতা এখনো যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে।
এদিকে টানা দ্বিতীয় রাতের মতো ইরানে নতুন করে কোনো হামলা চালায়নি যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সংবাদ মাধ্যম অ্যাক্সিওসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শীর্ষ মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা ট্রাম্পকে জানিয়েছেন, ইরানের অধিকাংশ লক্ষ্যবস্তুতে ইতোমধ্যে হামলা চালানো হয়েছে। এছাড়া ট্রাম্পের কাছে গোলাবারুদের মজুত কমে আসার বিষয়টিও তাঁরা তুলে ধরেছেন।
মার্কিন হামলা বন্ধ হওয়ায় জবাবি হামলা স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে ইরান। দেশটির সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মোহাম্মদ আকরামিনিয়া বলেন, ‘আমাদের কৌশল ছিল পাল্টা জবাব দেওয়া। যুক্তরাষ্ট্র হামলা বন্ধ করায় আমরাও আমাদের পাল্টা অভিযান আপাতত বন্ধ রেখেছি।’
এদিকে, হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুর লক্ষ্যে ওমানের মধ্যস্থতায় ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশের আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছে বিভিন্ন কূটনৈতিক সূত্র। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘায়ি বলেন, ‘উত্তেজনা যাতে আর না বাড়ে, মধ্যস্থতাকারীরা সে চেষ্টা করছেন।’

ইরান যুদ্ধে শুরু থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান নড়বড়ে বলে জানিয়ে আসছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো। তবে এর ঠিক উল্টো চিত্র যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামাজিক মাধ্যমের অ্যাকাউন্টে। গতকাল রোববার (২৬ জুলঅই) এআই দিয়ে তৈরি করা একের পর এক ছবি প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প। যেখানে কোনো ছবিতে ট্রাম্পকে দেখা যাচ্ছে ইরানের তেলবাহী সুপার ট্যাংকারের নিয়ন্ত্রণ নিতে; আবার কোনো ছবিতে হরমুজে যুদ্ধজাহাজ চালাচ্ছেন তিনি।

ট্রাম্পের প্রকাশিত এসব কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নির্মিত ছবি নিয়ে হাস্যরসে মেতেছে নেট দুনিয়া। সামাজিক মাধ্যম এক্সে ট্রাম্পের খার্গ দ্বীপে হামলার ছবি শেয়ার করে আদিল আজনাদাইন লিখেছেন, ট্রাম্প আইআরজিসির ভয়ে খার্গ দ্বীপে বাস্তবে হামলা চালাতে পারছে না। তাই এআই ব্যবহার করে হামলার শখ মেটাচ্ছেন।

প্রকাশ করা একটি ছবিতে ট্রাম্পকে ইরানি তেলবাহী জাহাজে মার্কিন পতাকা হাতে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। ছবির ক্যাপশনে লেখা ছিল, ‘It’s Our Oil Tanker Now!’ (এখন এটি আমাদের তেলবাহী জাহাজ)।
আরেক ছবিতে ইরানের খার্গ দ্বীপের তেল রপ্তানি টার্মিনালে বিমান হামলার দৃশ্য দেখিয়ে লেখা হয়, ‘খার্গে হামলা’। পরে ‘ইঞ্জিন উড়িয়ে দেওয়া হলো’ শিরোনামে আরেকটি এআই-নির্মিত ছবি পোস্ট করেন ট্রাম্প, যেখানে বিস্ফোরণে একটি ইরানি জাহাজ ধ্বংস হতে দেখা যায়।

জুলি শ্যান নামে আরেক ব্যবহারকারী ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্পের পোস্টের মন্তব্যের ঘরে লিখেছেন, যুদ্ধ কি এখানে চলছে নাকি মধ্যপ্রাচ্যে? ট্রাম্প, আপনি সোশ্যাল মিডিয়া থেকে বের হয়ে আসল যুদ্ধে মনোযোগ দিন। সেখানে আমরা হেরে যাচ্ছি, লজ্জা।
যদিও এদিন মার্কিন বাহিনীর গোলাবারুদ সংকটের বিষয়টি নাকচ করেছেন ট্রাম্প। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘বিশ্বের অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় আমাদের কাছে অনেক বেশি গোলাবারুদ রয়েছে, এমনকি প্রয়োজনের চেয়েও বেশি।’
কয়েকদিন আগেই নিউইয়র্ক টাইমস ও দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদি সামরিক অভিযান চালাতে গিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা মার্কিন বাহিনীর প্যাট্রিয়টসহ বিভিন্ন আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত দ্রুত কমে আসছে।
নিউইয়র্ক টাইমস জানায়, জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন প্রশাসনের কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে সতর্ক করেছেন। তিনি বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে বড় পরিসরে অভিযান চালানো সম্ভব হলেও এতে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের মজুতের ওপর তীব্র চাপ পড়বে।
অন্যদিকে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়, সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপারের মতে, বর্তমান মজুত দিয়ে চলমান অভিযান চালিয়ে যাওয়া সম্ভব। তবে সেক্ষেত্রে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ সক্ষমতা যত বেশি সম্ভব দুর্বল করে দিতে হবে।
সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের (সিএসআইএস) দুই বিশ্লেষকের হিসাবে, সংঘাত শুরুর পর যুক্তরাষ্ট্র অন্তত ১ হাজার ৫০০টি প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর ব্যবহার করেছে। ফলে বর্তমানে তাদের হাতে থাকা ইন্টারসেপ্টরের মজুত এক হাজারেরও নিচে নেমে এসেছে।
তবে হোয়াইট হাউস ও পেন্টাগনের দাবি, প্রেসিডেন্ট যে কোনো সামরিক অভিযান অনুমোদন করলে তা পরিচালনার মতো সক্ষমতা এখনো যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে।
এদিকে টানা দ্বিতীয় রাতের মতো ইরানে নতুন করে কোনো হামলা চালায়নি যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সংবাদ মাধ্যম অ্যাক্সিওসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শীর্ষ মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা ট্রাম্পকে জানিয়েছেন, ইরানের অধিকাংশ লক্ষ্যবস্তুতে ইতোমধ্যে হামলা চালানো হয়েছে। এছাড়া ট্রাম্পের কাছে গোলাবারুদের মজুত কমে আসার বিষয়টিও তাঁরা তুলে ধরেছেন।
মার্কিন হামলা বন্ধ হওয়ায় জবাবি হামলা স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে ইরান। দেশটির সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মোহাম্মদ আকরামিনিয়া বলেন, ‘আমাদের কৌশল ছিল পাল্টা জবাব দেওয়া। যুক্তরাষ্ট্র হামলা বন্ধ করায় আমরাও আমাদের পাল্টা অভিযান আপাতত বন্ধ রেখেছি।’
এদিকে, হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুর লক্ষ্যে ওমানের মধ্যস্থতায় ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশের আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছে বিভিন্ন কূটনৈতিক সূত্র। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘায়ি বলেন, ‘উত্তেজনা যাতে আর না বাড়ে, মধ্যস্থতাকারীরা সে চেষ্টা করছেন।’
.png)

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব কমে যাওয়ায় বাংলাদেশের জনমত চীনের পক্ষে স্পষ্টভাবে ঝুঁকেছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান পিউ রিসার্চ সেন্টার। সংস্থাটির ২০২৪ ও ২০২৬ সালের বৈশ্বিক জনমত জরিপের তুলনামূলক বিশ্লেষণে এ চিত্র উঠে এসেছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
পশ্চিম তীরে দুটি মসজিদে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দখলদার ইসরায়েলের বিরুদ্ধে। রোববার (২৬ জুলাই) তুলকারেমের দক্ষিণে কুর গ্রাম এবং নাবলুসের দক্ষিণে কুসরা শহরে এই ঘটনা ঘটে।
১৮ ঘণ্টা আগে
ভারতে প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে তরুণদের আন্দোলনে চ্যালেঞ্জে পড়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ‘ককরোচ জনতা পার্টির’ (সিজেপি) কয়েক দিনের আন্দোলনে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগে বাধ্য হয়েছেন।
১৮ ঘণ্টা আগে
যুদ্ধ পরিস্থিতি ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার বিষয় কীভাবে তুলে ধরা হবে, তা নিয়ে ইরান সরকার ও রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবির সঙ্গে বিরোধ দেখা দিয়েছে। শুক্রবার (২৫ জুলাই) সরকারি তথ্য পরিষদ আইআরআইবির বিরুদ্ধে ‘সেন্সরশিপের’ অভিযোগ তোলে।
১ দিন আগে