দেশ ছেড়ে যাওয়ার দীর্ঘশ্বাস—‘ফিরব বললে ফেরা যায় নাকি’

প্রকাশ : ২৩ জুলাই ২০২৬, ১৭: ৫৯
দেশ ছেড়ে যাওয়ার দীর্ঘশ্বাস—‘ফিরব বললে ফেরা যায় নাকি’। স্ট্রিম গ্রাফিক

মানুষের বুকের ভেতর একটি দেশ থাকে। পাসপোর্ট তার ঠিকানা বদলে দিতে পারে, নাগরিকত্ব নতুন পরিচয় লিখে দিতে পারে, কিন্তু হৃদয়ের মানচিত্র কখনো সংশোধিত হয় না। পৃথিবীর দীর্ঘতম যাত্রা এক দেশ থেকে আরেক দেশে নয়; নিজের জন্মভূমি থেকে নিজের ভেতরের মানুষটির কাছে। তাই মহাভারতের যক্ষ যখন প্রশ্ন করেন, ‘কে প্রকৃত সুখী?’ যুধিষ্ঠিরের উত্তর হাজার বছর পেরিয়েও আমাদের ভেতরে প্রতিধ্বনিত হয়: ‘অঋণী চ অপ্রবাসী চ…’ যে ঋণমুক্ত এবং যে প্রবাসে নয়, সেই-ই প্রকৃত সুখী।

এই উত্তর সুখের কোনো অর্থনৈতিক সংজ্ঞা দেয় না; এটি বলে মানুষের শেকড়ের কথা। মানুষ জ্ঞান, জীবিকা কিংবা স্বপ্নের সন্ধানে দেশ ছাড়তে পারে, কিন্তু জন্মভূমিকে সঙ্গে নিতে পারে না। মাটি পেছনে থেকে যায়, মানুষ কেবল তার গন্ধ বহন করে।

এই অনির্বচনীয় বেদনারই লোকজ প্রতিধ্বনি মুজিব পরদেশীর কালজয়ী গান—‘আমি বন্দী কারাগারে, আছি গো মা বিপদে…’। এই কারাগারে কোনো লোহার শিক নেই; এর দেয়াল তৈরি হয়েছে দূরত্ব দিয়ে। এখানে ‘বাইরের আলো’ মানে কেবল সূর্যের আলো নয়; মায়ের মুখ, গ্রামের কাঁচা পথ, ভোরের আজান বা সন্ধ্যা আরতী, শৈশবের নদী, পরিচিত ভাষার উচ্চারণ—যা মানুষ দেশ ছেড়ে যাওয়ার পর প্রতিদিন নতুন করে হারায়। প্রবাসের সবচেয়ে বড় শাস্তি নিঃসঙ্গতা নয়; নিজের দেশকে প্রতিদিন আরও গভীরভাবে আবিষ্কার করার অসহায়তা।

মানুষের ইতিহাস খুলে দেখলে দেখা যায়, সভ্যতার প্রতিটি বড় বাঁকেই রয়েছে কোনো না কোনো প্রস্থান। হিজরত, বনবাস, নির্বাসন, ভ্রমণ কিংবা প্রত্যাবর্তন—এই শব্দগুলো মানবসভ্যতার আত্মজীবনী। মানুষ কখনো যুদ্ধ থেকে বাঁচতে দেশ ছেড়েছে, কখনো জ্ঞানের সন্ধানে, কখনো বিশ্বাস রক্ষায়, কখনো আবার কেবল এক মুঠো অন্নের জন্য। কিন্তু প্রতিটি যাত্রার আড়ালে ছিল একটি নীরব প্রতিশ্রুতি, যদি ফিরে আসতে পারি, তবে আরও সমৃদ্ধ হয়ে ফিরব।

দেশ ছেড়ে যাওয়া তাই দেশকে ছেড়ে দেওয়া নয়। পৃথিবীর প্রায় সব প্রবাসীর বুকের গোপন প্রার্থনা একটাই, একদিন ফিরব। আর যদি ফিরে আসা না-ও হয়, তবে অন্তত সন্তানদের কাছে নিজের দেশের গল্প, নিজের ভাষা আর নিজের আকাশের স্মৃতি রেখে যাব।

ইসলামের ইতিহাসে নবী মুহম্মদের (সা.) হিজরত সেই চিরন্তন সত্যেরই উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। মক্কা থেকে মদিনায় যাত্রা ছিল না পরাজয়ের পদচারণা; ছিল নতুন সমাজ, নতুন রাষ্ট্রচিন্তা এবং নতুন সভ্যতার সূচনা। কখনো কখনো প্রিয় ভূখণ্ড থেকে সাময়িক বিচ্ছেদই ইতিহাসকে নতুন দিকে মোড় দেয়। ভারতীয় মহাকাব্যও একই শিক্ষা দেয়। পাণ্ডবরা হস্তিনাপুর ছেড়েছিলেন পরাজিত হয়ে নয়, প্রস্তুত হতে। বনবাস তাদের শক্তি কেড়ে নেয়নি; বরং ধৈর্য, প্রজ্ঞা ও ন্যায়বোধকে শাণিত করেছিল। সেই কারণেই ভারতীয় সাংস্কৃতিক স্মৃতিতে যুগ যুগ ধরে উচ্চারিত হয়েছে—‘জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরীয়সী।’ পৃথিবীর সমস্ত অর্জনের পরও মানুষের শেষ আশ্রয় তাঁর জন্মভূমি।

হয়তো এই কারণেই স্বদেশ থেকে দূরে থাকার বেদনা কেবল সাধারণ মানুষের নয়; ইতিহাসের মহৎ মানুষদের জীবনও এর সাক্ষ্য বহন করে। কেউ নির্বাসনে নিজের শ্রেষ্ঠ গ্রন্থ লিখেছেন, কেউ ভিনদেশের পথে হেঁটে নিজের আদর্শ খুঁজে পেয়েছেন, কেউ আবার মাতৃভূমি থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েই জাতির ভবিষ্যৎ কল্পনা করেছেন। কার্ল মার্কস রাজনৈতিক নিপীড়নের মুখে জার্মানি ছেড়ে আশ্রয় নিয়েছিলেন বিলেতে। স্বদেশহীনতা, দারিদ্র্য আর অনিশ্চয়তার মধ্যেই তিনি লিখেছিলেন ‘দাস ক্যাপিটাল’-এর বড় অংশ। চে গুয়েভারা আর্জেন্টিনা ছেড়ে লাতিন আমেরিকার পথে বেরিয়েছিলেন একজন তরুণ চিকিৎসক হিসেবে; সেই পথই তাঁকে বিপ্লবের প্রতীকে পরিণত করেছিল। নেপোলিয়ান সাম্রাজ্যের শিখর থেকে নেমে জীবনের শেষ দিনগুলো কাটিয়েছিলেন দ্বীপের নির্বাসনে। শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক জীবনও দীর্ঘ কারাবাস, বিচ্ছিন্নতা ও নির্বাসন অভিজ্ঞতায় নির্মিত। ইতিহাসের এই অধ্যায়গুলো আমাদের শেখায়।

এই কারণেই প্রবাস কেবল ভৌগোলিক ঘটনা নয়; এটি পরিচয়েরও গভীর পরীক্ষা। যোগাযোগবিদ্যা বলে, মানুষ যখন দেশান্তরি হয়, তখন সে শুধু শরীর নিয়ে স্থান বদলায় না; সঙ্গে বহন করে ভাষা, স্মৃতি, সংস্কৃতি, গান, উৎসব এবং ইতিহাস। প্রবাসে জন্ম নেওয়া শিশুর মুখে প্রথম মাতৃভাষার শব্দ উচ্চারণ করানোর চেষ্টা, দূরদেশে বাংলা নববর্ষ উদ্‌যাপন, কিংবা একুশে ফেব্রুয়ারিতে শহীদ মিনারে ফুল দেওয়া—এগুলো হারিয়ে না যাওয়ার ঘোষণা।

এই সত্যটিকেই আরও গভীরভাবে ব্যাখ্যা করেছেন বেনেডিক্ট আনডেরসন তাঁর বিখ্যাত ‘ইমাজিনেড কমিউনিটিস’ বইতে। তাঁর মতে, জাতি কেবল মানচিত্রে আঁকা সীমারেখা নয়; এটি মানুষের স্মৃতি, ভাষা, কল্পনা ও অভিন্ন অনুভূতিতে গড়ে ওঠা এক আত্মিক সমাজ। তাই লন্ডন, দোহা, টরন্টো কিংবা মেলবোর্নে বসবাসকারী একজন বাংলাদেশিও প্রতিদিন দেশের সংবাদ পড়েন, বিজয় দিবসে লাল-সবুজ পতাকা ওড়ান, সন্তানের নাম বাংলা উচ্চারণে ডাকেন। ভৌগোলিক দূরত্ব তাঁকে দেশের বাইরে নিয়ে যায়; কিন্তু মানসিক ভূগোল তাঁকে দেশের ভেতরেই ধরে রাখে।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মানুষকে বিশ্বমানব হিসেবে ভাবতে শিখিয়েছিলেন, কিন্তু তিনি কখনো শেকড়হীন বিশ্বনাগরিকের স্বপ্ন দেখাননি। তাঁর প্রবাসী কবিতা, ভ্রমণপত্র ও চিঠিতে বারবার ফিরে আসে একটি উপলব্ধি—মানুষ পৃথিবীর পথে যত দূরই যাক, তার আত্মপরিচয়ের প্রথম ভাষা জন্মভূমির ভাষাই থাকে। বিশ্বায়ন মানুষের চলার পথ প্রসারিত করেছে, কিন্তু তার ভেতরের মাতৃভূমিকে ছোট করতে পারেনি।

এই কারণেই যারা দেশ ছেড়ে যায়, তাঁদের কেবল রেমিট্যান্সের উৎস কিংবা দক্ষ জনশক্তি হিসেবে দেখলে অন্যায় হবে। তাঁরা দেশের অদৃশ্য দূত। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাগারে দাঁড়ানো একজন তরুণ যেমন বাংলাদেশের পরিচয় বহন করেন, তেমনি মরুভূমির প্রখর রোদে কাজ করা একজন নির্মাণশ্রমিকও নিজের শ্রম, সততা ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের পতাকাকে বহন করেন।

বাংলাদেশের ইতিহাসও এই দীর্ঘ যাত্রারই ইতিহাস। ঔপনিবেশিক আমলে সিলেটের নাবিকরা সাত সমুদ্র পেরিয়ে ব্রিটেনে বসতি গড়েছিলেন। চট্টগ্রামের লস্করেরা দূর সমুদ্রবন্দরে বাংলার পরিচয় বহন করেছিলেন। স্বাধীনতার পর মধ্যপ্রাচ্যের শ্রমবাজারে লাখ লাখ বাংলাদেশির পদচারণা শুরু হয়; তাঁদের পাঠানো অর্থ শুধু পরিবারের চুলায় আগুন জ্বালায়নি, দেশের অর্থনীতিরও শক্ত ভিত গড়েছে। আজ সেই ধারার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নতুন এক প্রজন্ম—যারা গবেষণা, প্রযুক্তি, চিকিৎসা ও উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন নিয়ে বিশ্বের নানা প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ছে। সময় বদলেছে, পেশা বদলেছে, গন্তব্য বদলেছে; কিন্তু বিদায়ের মুহূর্তে মায়ের চোখের জল বদলায়নি।

গ্লোবাল সাউথের এই বাস্তবতায় বিমানবন্দরে অভিবাসনের দুটি মুখ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। একজন তরুণ বিদেশে যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাগারে; আরেকজন যায় মরুভূমির নির্মাণশিবিরে। একজনের ব্যাগে বই, অন্যজনের ব্যাগে শ্রমের পোশাক। কিন্তু দুজনেই যখন বিমানবন্দরের বিদায়ঘরে মায়ের হাত ছেড়ে এগিয়ে যায়, তখন তাঁদের অশ্রুর ভাষা আলাদা থাকে না। শিক্ষিত কিংবা অশিক্ষিত—প্রবাসের প্রথম অভিধান সবার জন্য একই; সেখানে প্রথম শব্দটি হলো বিদায়।

তবু একটি প্রশ্ন থেকেই যায়, মানুষ যদি সুখী হতে নিজের মাটিতেই থাকতে চায়, তবে পৃথিবীতে এত অভিবাসন কেন? উত্তরটি নির্মম। অনেকেই দেশ ছাড়ে না ইচ্ছায়; ছাড়ে উচ্চশিক্ষার জন্য, কেউ গবেষণার জন্য, কেউ যুদ্ধ ও নিপীড়ন থেকে বাঁচতে, আবার কেউ সন্তানের মুখে দুবেলা খাবার তুলে দিতে। তাই প্রবাসের প্রতিটি গল্পের পেছনে একটি স্বপ্ন থাকে, কিন্তু প্রতিটি স্বপ্নের নিচে চাপা পড়ে থাকে একটি বিদায়ের কান্না।

ইন্টারন্যাশনাল অরগানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন-এর ওয়ার্ল্ড মাইগ্রেশন রিপোর্ট ২০২৪ জানায়, আজ বিশ্বের প্রায় ২৮১ মিলিয়ন মানুষ নিজের জন্মভূমির বাইরে বসবাস করছে। অন্যদিকে বিশ্ব ব্যাংক-এর গবেষণা দেখায়, প্রবাসী মানুষের পাঠানো অর্থ উন্নয়নশীল বহু দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও রেমিট্যান্স অসংখ্য পরিবারের ভাতের হাঁড়ি, সন্তানের লেখাপড়া, বৃদ্ধ বাবা-মায়ের ওষুধ আর গ্রামের একটি নতুন টিনের ছাদের নাম। কিন্তু অর্থনীতির এই সাফল্যের ভেতরে লুকিয়ে থাকে আরেকটি অদৃশ্য হিসাব, যে হিসাব কোনো প্রতিবেদনে লেখা হয় না।

পরিসংখ্যান জানায় কত মানুষ দেশ ছাড়ল; কিন্তু বলে না, ঈদের সকালে কত মা সন্তানের ঘর খালি দেখে নীরবে কেঁদেছেন। অর্থনীতি হিসাব রাখে কত ডলার দেশে এল; কিন্তু জানে না, মধ্যরাতে শ্রমিক আবাসনের ছোট্ট কক্ষে বসে একজন মানুষ কেন মোবাইল ফোনে গ্রামের বৃষ্টির শব্দ শোনে, কিংবা কেন বিদেশে জন্ম নেওয়া সন্তানকে প্রথমে বাংলা ছড়া শেখাতে চায়। মানুষের সঙ্গে মাতৃভূমির এই সম্পর্ক সংখ্যায় মাপা যায় না; এটি স্মৃতি, ভাষা, গন্ধ আর ভালোবাসায় গড়ে ওঠা এক অদৃশ্য বন্ধন।

এই কারণেই যারা দেশ ছেড়ে যায়, তাঁদের কেবল রেমিট্যান্সের উৎস কিংবা দক্ষ জনশক্তি হিসেবে দেখলে অন্যায় হবে। তাঁরা দেশের অদৃশ্য দূত। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাগারে দাঁড়ানো একজন তরুণ যেমন বাংলাদেশের পরিচয় বহন করেন, তেমনি মরুভূমির প্রখর রোদে কাজ করা একজন নির্মাণশ্রমিকও নিজের শ্রম, সততা ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের পতাকাকে বহন করেন। একজন জ্ঞান রপ্তানি করেন, অন্যজন শ্রম; কিন্তু দুজনেই শেষ পর্যন্ত নিজের দেশেরই প্রতিনিধি।

দেশ ছেড়ে যাওয়া তাই দেশকে ছেড়ে দেওয়া নয়। পৃথিবীর প্রায় সব প্রবাসীর বুকের গোপন প্রার্থনা একটাই, একদিন ফিরব। আর যদি ফিরে আসা না-ও হয়, তবে অন্তত সন্তানদের কাছে নিজের দেশের গল্প, নিজের ভাষা আর নিজের আকাশের স্মৃতি রেখে যাব।

হয়তো ফেরা সব সময় সম্ভব হয় না। সময় বদলে যায়, মানুষ বদলে যায়, শহর বদলে যায়, কখনো ফেলে আসা বাড়িটিও আর আগের মতো থাকে না। তবু মানুষ ফিরে আসার স্বপ্ন দেখে। কারণ ফেরা মানে নিজের শেকড়, নিজের স্মৃতি, নিজের পরিচয়ের কাছে ফিরে যাওয়া। পৃথিবীর সব পথ শেষ পর্যন্ত কোনো না কোনো বিমানবন্দরে গিয়ে থামে; কিন্তু মানুষের অন্তরের পথ শেষ হয় জন্মভূমির দরজায়।

তাই প্রবাসের শেষ ভাষা অর্থনীতি নয়, আবেগ। শেষ হিসাব বৈদেশিক মুদ্রায় নয়, স্মৃতিতে। সত্যজিৎ রায়ের আগন্তুক সিনেমার ভূ-পর্যটক মনোমোহন মিত্র শৈশবে ছুটন্ত বাইসনের আদিম গুহাচিত্র দেখে পৃথিবীকে জানার নেশায় ঘর ছেড়েছিলেন। তার ভ্রমণ ছিল কৌতূহলের, জ্ঞান অন্বেষণের। কিন্তু ফিরে এসে ভাগ্নি অনীলা ও স্বামী সুধীন এবং দর্শক হিসেবে আমাদের মধ্যবিত্ত সুবিধাবাদী, সংকীর্ণ মানসিকতার সামনে তিনি রেখে যান এক ঐতিহাসিক শিক্ষা—মানুষের সবচেয়ে বড় পরিচয় তার মুক্তচিন্তা; কূপমণ্ডুক হয়ে বেঁচে থাকা নয়। তাই দেশ ছেড়ে যাওয়া যদি জ্ঞান, মানবতা ও বৃহত্তর বোধের জন্য হয়, তবে সেই যাত্রাও শেষ পর্যন্ত জন্মভূমিকেই আরও গভীরভাবে আবিষ্কারের আরেকটি পথ। হয়তো এ কারণেই মানুষ ‘দেশ’ ছাড়ে, কিন্তু ‘মাতৃভূমি’কে নয়।

লেখক: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক, নিউ মিডিয়া ও রাজনৈতিক যোগাযোগ বিষয়ে গবেষক।

Ad 300x250

সম্পর্কিত